আসসালামু আলাইকুম সম্মানিত এলাকাবাসী ইতিমধ্যেই আপনারা সকলেই অবগত আছেন যে আমাকে নিয়ে এলাকায় মিথ্যা ও কাল্পনিক অভিযোগের ভিত্তিতে আপনাদের মনে এক ভিব্ব্রান্তের সৃষ্টি হয়েছে সেই বিষয়ে কথা বলার জন্য বিডিওতে আসা,আপনারা জানেন যে ত্রিশাল উপজেলার আওতাধীন মোক্ষপুর ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডে কোনাবাখাইল চৌরাস্তায় ২০১৮ সালে উলামায়ে কেরাম ও আপনাদের সার্বিক পরামর্শে বাহরুল উলূম নূরানীয় হাফেজীয় ও কওমি মাদরাসা প্রতিষ্ঠা করি। আপনাদের সার্বিক সহোযোগিতায় ও আমার অকালন্ত পরিশ্রমের মধ্য দিয়ে এই প্রতিষ্ঠান চালিয়ে আসছি। একই এলাকার জয়নাল আবেদীনের পুত্রবধূ শাহজাহান পারভীন তার সন্তানকে আমার মাদারাসায় ভর্তি করে সেই সুবাদে তাদের পরিবারের সাথে আমার একটি সুসম্পর্ক গড়ে উঠে, সন্তানের খুঁজ খবর নিতে শাহজাহান পারভীন প্রায় সময় মাদরাসায় আসে এবং লালসার দৃষ্টিতে ভিবিন্ন অঙ্গভঙ্গিতে আমার সাথে কথা বলার চেষ্টা করে কিন্তু আমি এই গুলো গ্রাহ্য করিনা,এক পর্যারে তিনি আমাকে জানায় যে আমাকে তার ভালো লাগে, আমার সাথে পরিচয়ের পর ওনার স্বামী সংসার ভালো লাগেনা তিনি আমাকে জীবনসঙ্গী হিসেবে পেতে প্রস্তাব দেয়, তিনি আরো জানান যে,আমাকে পেতে পৃথিবীর সবকিছুই ত্যাগ করতে পারেন এমন কি স্বামী, সন্তান কেও।আমি বিবাহিত তাই আমি আমার মানবিক বিবেচনায় সম্মানের কথা চিন্তা করে ওনার এমন ভুল সিদ্ধান্ত ও জঘন্য, পাপিষ্ঠ প্রস্তাবকে তাৎক্ষণিকভাবে প্রত্যাখান করি, ওনাকে আমি বলি যে দেখুন আপনি যে সব চিন্তা ভাবনা করছেন তা সম্পূর্ণ মরিচীকার মতো এসব বাদ দেন ও নানান ভাবে বুঝানোর চেষ্টা করি। তখন তিনি নিরবতা অবলম্বন করে, আমিও ওনার এবং ওনার পরিবারের সম্মানের কথা চিন্তা করে বিষয়টি গুপন রাখি এবং কৌশলে তার সন্তানকে মাদারাসা থেকে বরখাস্ত করি যাতে তিনি কোন অজুহাতে আর আমার মাদারাসায় আসতে না পারে, তারপর তিনি ১৪ ই জানুয়ারি তার বাসায় আমাকে দাওয়াত করে। আমি ভেবেছিলাম যে হইতো ওনার মনে এখন আর কোন খারাপ চিন্তা ভাবনা বিদ্যামান নেই, তাই আমি সরল মনে সেখানে উপস্থিত হই, উপস্হিত হওয়ার পর তিনি তার অনৈতিক চরিতার্থ উদ্দেশ্য সফল করার জন্য ঘরের দরজা বন্ধ করে দেই এবং দৈহিক পাপিষ্ঠ কাজে লিপ্ত হওয়ার জন্য আমার কাছে আসার চেষ্টা করে, তখন আমি আমার ইজ্জতের কথা চিন্তা করে কৌশলে সেখান থেকে বেরিয়ে আসি,পরে শাহজাহান পারভীন কেও সতর্ক করে দেই যে আপনি দ্বিতীয় বার যদি এমন কোন চিন্তা ভাবনা করেন তাহলে বিষয়টি আপনার স্বামী, শশুড় ও এলাকাবাসীকে জানাতে বাধ্য হবো,তাই তিনি তার অনৈতিক উদ্দেশ্য সফল করতে না পারায় নিজের দোষ আড়াল করতে আমার প্রতি ক্ষিপ্ত হয়ে তার শশুড় জয়নাল আবেদীন কে জানায় যে আমি তাকে শ্লীলতাহানি করার চেষ্টা করেছি,তখন জয়নাল আবেদীন এই ব্যাপারে সত্যি টা জানার জন্য বা যাচাইয়ের জন্য আমার সাথে কোনরকম যোগাযোগ না করেই বর্তমান জনপ্রতিনিধি নরপিশাচ সাইফুল ইসলামের সাথে পরামর্শ করে, যেহেতো আমার সাথে পূর্ব থেকেই সাইফুল ইসলামের বিরোধ রয়েছে, আপনাদেরকে আরেকটা বিষয় স্পষ্ট জানিয়ে রাখি যে সাইফুল ইসলাম বিগত দিনগুলোতে এই প্রতিষ্ঠানের চরম বিরোধিতা করে আসছে এমনি কি এই প্রতিষ্ঠান চালাতে দিবেনা বলে আমাকে একাধিকবার হুমকি দিয়ে আসছে শুধু তাই নয় প্রতি বছরই যখন এই মাদ্রাসার কোন উন্নয়ন উন্নয়নমূলক কাজ এবং ওয়াজ মাহফিলের আয়োজন করতে চায় তখন এই নরপিশাচ জনপ্রতিনিধি সাইফুল সর্বোচ্চ বাঁধা দেওয়ার চেষ্টা করে, এখানে আমার একটা ভুল হলো যে আমি যদি ওদের নামে পূর্ব থেকেই থানায় একটি জিডি করে রাখতাম তাহলে হয়তো আজ আমার এই দিন দেখতে হতোনা, আমি এদেরকে আমার আপন মানুষ ভাবতাম যে হয়তোবা কোন একদিন এই প্রতিষ্ঠানের জন্য ওদের অন্তরে ভালোবাসার সৃষ্টি হবে, কিন্তু বুঝতে পারিনি যে যারা ইসলামের কল্যান চয়না তাদের অন্তর সহজে পরিবর্তন হয়না,হ্যা সেই সুযোগ কে পুঁজি করে জয়নাল আবেদীন ও তার পুত্রবধূর শাহজাহান পারভীন আনুমানিক রাত ১০ থেকে ১২টার মধ্যে বর্তমান ৭ নং ওয়ার্ডের জনপ্রতিনিধি নরপিশাচ সাইফুল ইসলামের সহোযোগিতায় আমার নামে মিথ্যা অভিযোগতুলে এলাকার সহজ সরল মানুষের মনে ভিব্ব্রান্ত সৃষ্টি করে আমার অনুপস্থিতিতে মাদ্রাসায় হামলা চালিয়ে ভাঙ্গচুর করে এবং মাদারাসা থাক শিক্ষকেও ভয়ভীতি প্রদর্শন করে বের করে দেয়, কোন এক মাধ্যমে আমার কাছে খবর আসে, আমি আত্নীয় বাড়ি থাকায় তাৎক্ষণিকভাবে সেখানে উপস্থিত হতে পারিনি, তবে পরের দিন সকালে গিয়ে দেখি মাদরাসা ভাঙ্গচুর করে প্রায় ৭০থেকে ৮০ হাজার টাকার মালামাল ক্ষতিগ্রস্ত করেছে এবং নগদ ৫০ হাজার টাকা নিয়ে যায় তখন তাদের এমন নিকৃষ্ট কর্মকাণ্ডের একটি বিডিও চিত্র আমার মোবাইল ফোনে প্রমান হিসেবে ধারন করি, তারা এখানেই ক্ষান্ত হননি নিজেদের অপরাধ আড়াল করার জন্য থানায় একটি মিথা অভিযোগ দ্বায়ের করে সাইফুলের পরামর্শে, আমার নামে,এই ব্যাপারে প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করছি সেই সাথে ভারাক্রান্ত হ্রদয়ে বলছি যারা এমন অপৃত্তিকর ঘটনা ঘটিয়েছে আমি তাদের জন্য আল্লাহর কাছে হেদায়েত কামনা করছি