Blog

  • সহজ কথায় কঠিন সত্য, ভাইরাল তাজুকে ২.০’ ঘিরে লালমনিরহাটে উৎসুক জনতার ভিড়।

    সহজ কথায় কঠিন সত্য, ভাইরাল তাজুকে ২.০’ ঘিরে লালমনিরহাটে উৎসুক জনতার ভিড়।

    সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সরল, ভাঙা ভাঙা বাচনভঙ্গিতে নিজের এলাকার নানা সমস্যা তুলে ধরে ভাইরাল হওয়া কনটেন্ট ক্রিয়েটর তাজু ২.০ ঘুরে গেলেন লালমনিরহাট। কখনো সরকারি দামের জিলাপি, কখনো দরিদ্র পুর নারায়ণপুর ইউনিয়নের বাস্তব চিত্র, আবার কখনো টলমল ইউনিয়নের নানা সমস্যার কথা তুলে ধরে তিনি সাধারণ মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন।
    সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কষ্ট ও বঞ্চনার গল্প তুলে ধরার এক অদম্য ইচ্ছা তাকে আজ সারা বাংলাদেশে পরিচিত মুখ করে তুলেছে। তার এই যাত্রা প্রমাণ করে—মানুষের ইচ্ছাশক্তি দৃঢ় হলে তাকে দমিয়ে রাখা যায় না।
    দারিদ্র্যের কারণে স্বল্পশিক্ষিত এই যুবক প্রথমদিকে নিজের এলাকার অবহেলিত মানুষের কথা বলতে গিয়ে অনেক সময় ট্রলের শিকার হয়েছেন। তবে তিনি থেমে যাননি। বরং তার অগোছালো উপস্থাপনাই মানুষের কাছে বাস্তবতার প্রতিচ্ছবি হয়ে উঠেছে। তিনি যে বার্তা সমাজের উচ্চস্তরের মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে চেয়েছিলেন, তা শেষ পর্যন্ত দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে।
    কনটেন্ট ক্রিয়েটর হিসেবে তাজু এখন সফলতার মুখ দেখছেন। দেশের বিভিন্ন বড় মিডিয়া হাউস তাকে নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করছে। তার অস্বচ্ছল জীবনে স্বস্তি আনতে অনেকেই এগিয়ে এসেছেন—নগদ অর্থ সহায়তা থেকে শুরু করে বসতবাড়ি নির্মাণেও সহযোগিতা করা হয়েছে। পাশাপাশি তার নিজ এলাকায় গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নে জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারা প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।
    বর্তমানে তাজু একজন পরিচিত মুখ। অনেক কনটেন্ট ক্রিয়েটর তাকে সঙ্গে নিয়ে নিজেদের কনটেন্টের প্রচারণা বাড়াচ্ছেন।
    সম্প্রতি রংপুরের গংগাচড়া থানার একটি জুয়েলারি দোকান উদ্বোধনের আমন্ত্রণে সেখানে যান তিনি। পরবর্তীতে কাজ শেষে লালমনিরহাট শহর ঘুরে দেখেন। এ সময় তাকে এক নজর দেখতে উৎসুক মানুষের ভিড়ই বলে দেয়—তাজু এখন কতটা জনপ্রিয়।
    একসময় অবহেলিত মানুষের কথা বলতে গিয়ে উপহাসের শিকার হওয়া সেই তরুণই আজ মানুষের কণ্ঠস্বর হয়ে উঠেছেন।

  • রাজবাড়ীতে বজ্রাঘাতে প্রাণ গেল বাবার, কোল থেকে ছিটকে প্রাণে বাঁচল শিশুসন্তান

    রাজবাড়ীতে বজ্রাঘাতে প্রাণ গেল বাবার, কোল থেকে ছিটকে প্রাণে বাঁচল শিশুসন্তান

    রাজবাড়ীতে বাড়ির পাশে দোকানে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে সুমন মন্ডল (৩৫) নামের এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (২৯ এপ্রিল) সকাল ৭ টার দিকে সদর উপজেলার মিজানপুর ইউনিয়নের মজ্জৎকোল গ্রামে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বজ্রপাতের সময় সুমনের কোলে থাকা সাড়ে তিন বছরের মেয়েটি কোল থেকে ছিটকে পড়লেও অলৌকিকভাবে প্রাণে বেঁচে গেছে।

    মিজানপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) প্রশাসক ও সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. জনি খান বজ্রপাতে নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    তিনি বলেন, সুমন মন্ডলের এই আকস্মিক ও মর্মান্তিক মৃত্যুতে পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানানো হয়েছে।

    নিহত সুমন মন্ডল মজ্জৎকোল গ্রামের সিদ্দিক মন্ডলের ছেলে। তিনি আগে একটি এনজিওতে কর্মরত থাকলেও সম্প্রতি চাকরি ছেড়ে বাড়িতেই অবস্থান করছিলেন।
    পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, বুধবার সকাল পৌনে ৭টার দিকে সাড়ে তিন বছর বয়সী মেয়ে সাফিয়াকে কোলে নিয়ে বাড়ির পাশের একটি দোকানে সওদা করতে যাচ্ছিলেন সুমন। এ সময় আকস্মিক বজ্রপাত হলে শিশুটি তার কোল থেকে ছিটকে দূরে পড়ে যায় এবং সুমন মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। তাৎক্ষণিকভাবে স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
    বজ্রপাতের প্রচণ্ডতায় সুমনের মৃত্যু হলেও তার কোলে থাকা শিশু সাফিয়া প্রাণে বেঁচে গেছে। পরিবারের সদস্যরা জানান, কোল থেকে ছিটকে পড়ার পর শিশুটির নাক ও কান দিয়ে সামান্য রক্ত বের হলেও বর্তমানে সে আশঙ্কামুক্ত ও সুস্থ রয়েছে। বাবার মৃত্যুতে পরিবারের শোকের মাঝে শিশুটির বেঁচে যাওয়াকে অলৌকিক মনে করছেন স্থানীয়রা।

  • বিরিয়ানি ও তরমুজ খাওয়ার পরই প্রাণ গেল একই পরিবারের ৪ জনের!

    বিরিয়ানি ও তরমুজ খাওয়ার পরই প্রাণ গেল একই পরিবারের ৪ জনের!

    ভারতের মুম্বাইয়ে বিরিয়ানি আর তরমুজ খাওয়ার পর মাত্র ১২ ঘণ্টার ব্যবধানে একই পরিবারের চার সদস্যের রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। পুলিশ ধারণা করছে, মারাত্মক ‘ফুড পয়জনিং’ বা খাদ্য বিষক্রিয়াই এই মর্মান্তিক ঘটনার কারণ। মৃতরা হলেন ৪০ বছর বয়সি ব্যবসায়ী আবদুল্লাহ আব্দুল কাদার, তার স্ত্রী নাসরিন (৩৫) এবং তাদের দুই মেয়ে আয়েশা (১৬) ও জয়নাব (১৩)। ঘটনার সূত্রপাত গত শনিবার (২৫ এপ্রিল) রাতে। আবদুল্লাহ তার পরিবার ও আত্মীয়-স্বজনদের নিয়ে রাত সাড়ে ১০টার দিকে বিরিয়ানি ভোজ করেন। এরপর পাইধোনি এলাকায় নিজেদের বাড়িতে ফিরে রাত ১টার দিকে তারা সবাই তরমুজ খান। ভোরের দিকে পরিবারের সবার শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে শুরু করে এবং শুরু হয় প্রচণ্ড বমি ও ডায়রিয়া।  প্রথমে স্থানীয় একজন চিকিৎসক তাদের চিকিৎসা দিলেও অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় দ্রুত জেজে হাসপাতালে নেওয়া হয়। হাসপাতালে নেওয়ার পর রবিবার (২৬ এপ্রিল) সকাল ১০টার দিকে ছোট মেয়ে জয়নাব মারা যায়। এরপর পর্যায়ক্রমে মা নাসরিন ও বড় মেয়ে আয়েশার মৃত্যু হয়। সবশেষে রাত সাড়ে ১০টার দিকে বাবা আবদুল্লাহও মারা যান। স্থানীয় চিকিৎসক ড. জিয়াদ কোরেশি জানান, হাসপাতালে নেওয়ার সময় পরিবারের সদস্যরা ভীষণ ক্লান্ত ছিলেন এবং তাদের শরীর থেকে পানি বের হয়ে গিয়েছিল। পুলিশ এই ঘটনাকে ‘দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যু’ হিসেবে নথিবদ্ধ করেছে। তারা ওই বাড়ি থেকে অর্ধেক খেয়ে রাখা তরমুজের টুকরোটি পরীক্ষার জন্য সংগ্রহ করেছে। এছাড়া মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত করতে মৃতদেহগুলোর ময়নাতদন্ত করা হয়েছে এবং টিস্যু ও ভিসেরা রিপোর্ট আসার অপেক্ষায় রয়েছেন তদন্তকারীরা। তরমুজে কোনো বিষাক্ত পদার্থ বা রাসায়নিক মেশানো ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছে মুম্বাইয়ের ফরেনসিক বিভাগ ও খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসন (এফডিএ)। শোচনীয় এই মৃত্যু সংবাদে পুরো মুম্বাইয়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

  • ছেলের মৃত্যুর খবর শুনে হার্ট অ্যাটাকে মারা গেলেন মা

    ছেলের মৃত্যুর খবর শুনে হার্ট অ্যাটাকে মারা গেলেন মা

    কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার ২নং সহশ্রাম ধুলদিয়া ইউনিয়নে ঘটে গেছে এক হৃদয়বিদারক ঘটনা।ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলতাফ উদ্দিন শাহীন (৫৩) হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন।তার মৃত্যুর মাত্র চার ঘণ্টার ব্যবধানে শোকে কাতর হয়ে মারা গেছেন তার মা মোছাঃ জুবাইদা মনি (৮০)।

    পারিবারিক সূত্রে জানানো হয়েছে, রবিবার (২৫ এপ্রিল) দিবাগত রাত ২টার দিকে গাজীপুরে অবস্থানকালে হঠাৎ বুকে তীব্র ব্যথা অনুভব করেন আলতাফ উদ্দিন শাহীন। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
    আলতাফ উদ্দিন শাহীন ২০০৯ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত সহশ্রাম ধুলদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। দায়িত্ব পালনে বিশেষ অবদানের জন্য তিনি ২০১৪ সালে স্বর্ণপদকে ভূষিত হন। তার পিতা হাজী মো: মনির উদ্দিন। কটিয়াদীর রায়খলা গ্রামে তার পৈতৃক বাড়ি হলেও তিনি দীর্ঘদিন ধরে গাজীপুরে বসবাস করছিলেন।

    ছেলের মৃত্যুর খবর ভোরে গ্রামের বাড়িতে পৌঁছালে শোকের ছায়া নেমে আসে পরিবারজুড়ে। রবিবার ভোর আনুমানিক ৫:৪৫ট মিনিটে নিজ বাড়িতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন উনার মা মোছাঃ জুবাইদা মনি। প্রিয় সন্তানের মৃত্যুর শোক তিনি সহ্য করতে পারেননি।

    মৃত শাহীনের শ্যালক হাবিব আকন্দ বলেন,চেয়ারম্যানের মা জুবাইদা মনি দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন। শাহীনকে খুব ভালোবাসতেন। রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে সে গাজীপুরে থাকলেও মাকে দেখতে প্রায়ই বাড়িতে আসতেন। ছেলের প্রতি তার গভীর টান ছিল। হয়তো সেই টান থেকেই ছেলের মৃত্যুর শোক তিনি সহ্য করতে পারেননি।

    ২নং সহশ্রাম ধুলদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম মহরম বলেন,ছেলের মৃত্যুর মাত্র চার ঘণ্টার ব্যবধানে মায়ের মৃত্যুতে পুরো এলাকায় শোকের আবহ তৈরি করেছে। এমন ঘটনা সত্যিই অত্যন্ত বেদনাদায়ক। একই পরিবারের মা ও ছেলের পরপর মৃত্যুতে এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। একই জপরিবারের মা ও ছেলের এমন মর্মান্তিক মৃত্যু এলাকাবাসীর মধ্যে নাড়া দিয়েছে, সৃষ্টি করেছে শোকের আবহ।

  • রাজবাড়ীতে বেড়েছে ডায়রিয়া রোগীর চাপ, বেড সংকটে বারান্দায় ফোলরে চিকিৎসা

    রাজবাড়ীতে বেড়েছে ডায়রিয়া রোগীর চাপ, বেড সংকটে বারান্দায় ফোলরে চিকিৎসা

    প্রচন্ড তাপদহ ও ভ্যাপসা গরমে রাজবাড়ী জেলাতে হঠাৎ করে ডায়রিয়া আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় জেলা সদর হাসপাতালে রোগীর চাপ বেড়েছে।
    বেড সংকটের কারণে অনেক রোগীকে মেঝে ও বারান্দায় চিকিৎসা নিতে হচ্ছে।

    রোববার (২৬ এপ্রিল) রাজবাড়ী জেলা সদর হাসপাতালে গিয়ে এমন চিত্র দেখা যায়। রোববার দুপুর পর্যন্ত হাসপাতালের ডায়রিয়া ওয়ার্ডে নতুন করে ২৮ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। বর্তমানে মোট ৪৪ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
    অবশ্য গত এক সপ্তাহে ৫৫ জন ডায়রিয়া রোগি চিকিৎসা নিয়ে বাড়ী ফিরেছেন বলে ডায়রিয়া ওয়াডের স্টাফ নাস কবিতা জানান।
    হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, বেডের অভাবে রোগীরা ওয়ার্ডের মেঝে, বারান্দা কিংবা যেখানে জায়গা পাচ্ছেন সেখানেই চিকিৎসা নিচ্ছেন। লোডশেডিং এর মধ্যে
    তীব্র গরমে এসব স্থানে রোগী ও স্বজনদের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে।

    সদর উপজেলার সূর্যনগর থেকে আসা সামসু মোল্লা
    বলেন, ‘শুক্রবার রাতে স্ত্রীকে ভর্তি করালেও বেড পাননি। বাধ্য হয়ে বারান্দায় থাকতে হচ্ছে। সেখানে ফ্যানের ব্যবস্থাও নেই, ফলে গরমে কষ্ট বেড়েছে।’
    সদরের পাচুরিয়া থেকে আসা রফিক পাটারী
    নামের আরেকজন জানান, ডায়রিয়ায় আক্রান্ত মেয়েকে নিয়ে হাসপাতালে এসে ভেতরে কোনো জায়গা না পেয়ে বারান্দায় চিকিৎসা নিতে হচ্ছে। এতে রোগীর পাশাপাশি স্বজনরাও ভোগান্তিতে পড়ছেন।

    রাজবাড়ী সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. শেখ মো. আব্দুল হান্নান বলেন, গত কয়েকদিনে ডায়রিয়া রোগীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। বেডের তুলনায় রোগী বেশি হওয়ায় মেঝেতেও চিকিৎসা দিতে হচ্ছে। তবে চিকিৎসা সেবায় কোনো ঘাটতি নেই এবং পর্যাপ্ত স্যালাইন ও নার্সের ব্যবস্থা রয়েছে।

    তিনি আরও জানান, ডায়রিয়া আক্রান্ত হলে শরীরে পানিশূন্যতা রোধে পর্যাপ্ত খাবার স্যালাইন ও স্বাভাবিক খাবার গ্রহণ জরুরি। পাতলা পায়খানার সঙ্গে বমি হলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়ার পরামর্শ দেন তিনি। রোগীর চাপ আরও বাড়লে বিকল্প ব্যবস্থার মাধ্যমে চিকিৎসা দেওয়া হবে বলেও জানান।

  • তজুমদ্দিনে পুলিশের বিশেষ অভিযানে আন্তঃজেলা গরু চোর চক্রের ৫ সদস্য গ্রেফতার; ৫টি চোরাই গরুসহ জাল রশিদ ও খাজনা রশিদ বই উদ্ধার

    তজুমদ্দিনে পুলিশের বিশেষ অভিযানে আন্তঃজেলা গরু চোর চক্রের ৫ সদস্য গ্রেফতার; ৫টি চোরাই গরুসহ জাল রশিদ ও খাজনা রশিদ বই উদ্ধার

    ভোলা জেলার তজুমদ্দিন থানায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে আন্তঃজেলা গরু চোর চক্রের পাঁচ সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ সময় তাদের কাছ থেকে পাঁচটি চোরাই গরু, তিনটি জালিয়াতি রশিদ এবং দুটি খাজনা রশিদ বই উদ্ধার করা হয়।

    পুলিশ সূত্রে জানা যায়, জেলা পুলিশ সুপার মোঃ শহিদুল্লাহ কাওছার, পিপিএম (বার)-এর নির্দেশনা এবং সহকারী পুলিশ সুপার (চরফ্যাশন সার্কেল) মোঃ মেহেদী হাসানের তত্ত্বাবধানে তজুমদ্দিন থানার একটি চৌকস দল এই অভিযান পরিচালনা করে।

    গত ২৪ এপ্রিল ২০২৬ দিবাগত রাত আনুমানিক ৩টা ১০ মিনিটে তজুমদ্দিন থানাধীন বালিয়াকান্দি এলাকার ২ নম্বর ওয়ার্ডে চৌমহনী বাজার সড়কের একটি ফার্মেসির সামনে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

    গ্রেফতারকৃতরা হলেন—মোঃ মোশারফ হোসেন মহসিন (৪৮), মোঃ মাকসুদ (৩৫), মোঃ রেজাউল (৪৫), মোঃ বাচ্চু (৩২) এবং মোঃ সালাউদ্দিন (৪৮)। তাদের সকলের বাড়ি তজুমদ্দিন উপজেলায়।

    পুলিশ জানায়, গ্রেফতারকৃতরা দীর্ঘদিন ধরে একটি সংঘবদ্ধ চক্রের মাধ্যমে বিভিন্ন এলাকা থেকে গরু চুরি করে আন্তঃজেলা পর্যায়ে বিক্রি করে আসছিল। উদ্ধারকৃত জাল রশিদ ও খাজনা বই ব্যবহার করে তারা চোরাই গরু বৈধ দেখানোর চেষ্টা করত।

    এ ঘটনায় তজুমদ্দিন থানায় মামলা (নং-১০, তারিখ: ২৫ এপ্রিল ২০২৬) দায়ের করা হয়েছে। মামলায় পেনাল কোডের ৪১৩/৪১৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। ইতোমধ্যে গ্রেফতারকৃতদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

    পুলিশ জানিয়েছে, চক্রটির অন্যান্য সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেফতারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

  • ত্রিশালে নজরুল জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত

    ত্রিশালে নজরুল জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত

    ময়মনসিংহের ত্রিশালে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭ তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে এক প্রস্তুতিমূলক সভা শনিবার উপজেলা পরিষদ হলরুমে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ত্রিশাল আসনের সংসদ সদস্য ডাঃ মোঃ মাহবুবুর রহমান লিটন।
    সভায় আমন্ত্রিত অতিথি ছিলেন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্জ প্রফেসর ড. জাহাঙ্গীর আলম।
    ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসক মোঃ সাইফুর রহমানের সভাপতিত্বে সভায় এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর ড. জয়নাল আবেদীন সিদ্দিকী, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইিসিটি) লুৎফুন নাহার,ময়মনসিংহ জেলা ডিজিএফআই এর অতিরিক্ত পরিচালক মোঃ জুলফিকার আহমেদ,এনএসআই এর যুগ্ন পরিচালক ড.সুলতানা কানিজ আয়শা, ময়মনসিংহ জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার(ডিএসবি)মাহফুজা খাতুন,সহকারি পুলিশ সুপার (ত্রিশাল -ফুলবাড়ীয়া সার্কেল) হাসান ইস্রাফিল,ত্রিশাল উপজেলা নির্বাহী অফিসার আরাফাত সিদ্দিকী, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাহবুবুর রহমান,ত্রিশাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি)মনসুর আহাম্মদ,ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ন আহবায়ক,ত্রিশাল উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক এনামুল হক ভূইয়া, উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান জয়নাল আবেদীন,ময়মনসিংহ  মহানগর জামাতের আমীর আসাদুজ্জামান সোহেল,উপজেলা বিএনপির যুগ্ন আহবায়ক আনিছুজ্জামান মৃধা,জিয়াউল হাসান জামিল,আঃ আউয়াল ফরাজি,আঃ মতিন,ত্রিশাল উপজেলা জামাতের আমীর আ ন ম আব্দুল্লাহ হিল বাকী, ত্রিশাল পৌর জামাতের সেক্রেটারি এনামুল হক প্রমুখ।

  • বিশ্বকাপে সরাসরি জায়গা করে নেওয়ার পথে কতটা এগিয়ে বাংলাদেশ

    বিশ্বকাপে সরাসরি জায়গা করে নেওয়ার পথে কতটা এগিয়ে বাংলাদেশ

    নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ থেকে সম্ভাব্য ৬ পয়েন্টের মধ্যে ৪ পয়েন্ট মিলেছে। তাতে র‌্যাঙ্কিংয়ের ৯ নম্বরে জায়গা আরেকটু পোক্ত হয়েছে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের সঙ্গে রেটিং পয়েন্টের দূরত্বও বেড়েছে। আরও বড় কিছুর হাতছানি আছে। মেহেদী হাসান মিরাজ তাকিয়ে সেদিকেই। শুধু কোনোরকমে বিশ্বকাপে জায়গা করে নেওয়াই নয়, বাংলাদেশ অধিনায়ক নিজের দলকে নিকে চান আরও ওপরে।

    আগামী বছরের ৩১ মার্চ তারিখে র‌্যাঙ্কিংয়ের ওপর ভিত্তি করে চূড়ান্ত হবে আগামী বিশ্বকাপে সরাসরি খেলা দলগুলির নাম। স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকা ও জিম্বাবুয়ে ছাড়া র‌্যাঙ্কিংয়ের অন্য শীর্ষ ৮ দল সরাসরি খেলবে বিশ্বকাপে।

    কয়েক মাস আগেও বাংলাদেশের জন্য ছবিটা ছিল ঘোলাটে। সামনের পথটা ছিল বন্ধুর। তবে টানা তিনটি সিরিজ জয়ের পর চিত্র বদলেছে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের সঙ্গে সিরিজ জয়ের পর তাদের সঙ্গে ব্যবধান কমিয়ে আনে মিরাজের দল। গত মাসে পাকিস্তানকে হারিয়ে ক্যারিবিয়ানদের টপকে তারা জায়গা করে নেয় ৯ নম্বরে।

    এখন র‌্যাঙ্কিংয়ের দুইয়ে থাকা নিউ জিল্যান্ডকে সিরিজ হারানোর পর বাংলাদেশের রেটিং পয়েন্ট হয়েছে ৮৩। ১০ নম্বরে থাকা ওয়েস্ট ইন্ডিজের পয়েন্ট ৭৭।

    সরাসরি বিশ্বকাপে জায়গা করে নেওয়া দক্ষিণ আফ্রিকা এখন আছে র‌্যাঙ্কিংয়ের ৫ নম্বরে, জিম্বাবুয়ে আছে ১১ নম্বরে। অতি নাটকীয় কিছু না ঘটলে আগামী ৩১ মার্চের মধ্যে দক্ষিণ আফ্রিকার ৮ নম্বরের নিচে নামার ও জিম্বাবুয়ের ৮ নম্বরের ওপরে ওঠার সুযোগ তেমন নেই বললেই চলে। সেক্ষেত্রে বাংলাদেশ ৯ নম্বর জায়গা ধরে রাখলেও সরাসরি বিশ্বকাপে খেলতে পারবে।

    বাংলাদেশের পরের সিরিজ র‌্যাঙ্কিংয়ের তিন নম্বর দল অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে। আগামী সেপ্টেম্বরে সিরিজ আছে শীর্ষ দল ভারতের বিপক্ষেও। দুটিই দেশের মাঠে। এই দুই সিরিজের একটা সুবিধা হলো, জিতলে ভালো পয়েন্ট মিলবে, হারলে পয়েন্ট বেশি কমবে না।

    সব মিলিয়ে আপাতত বাংলাদেশ কিছুটা নিরাপদ অবস্থানে আছে বলেই ধরে নেওয়া যায়। অধিনায়ক মিরাজ অবশ্য তৃপ্তির ঢেকুর তুলতে চান না। বরং উন্নতির পথ ধরে এগিয়ে যেতে চান অধিনায়ক।

    “বিশ্বকাপে কোয়ালিফাই করাটা গুরুত্বপূর্ণ, পাশাপাশি আমাদের ভালো ক্রিকেট খেলাটাও জরুরি। কারণ আমরা যদি ভালো ক্রিকেট না খেলতে পারি, তাহলে ওটা আমরা করতে পারব না। ফলাফল একটা ব্যাপার, তবে প্রক্রিয়া হলো আমাদের ভালো ক্রিকেট খেলা। আমরা যদি পারফর্ম করতে পারি, একেকটি ম্যাচ জিতে এগিয়ে যেতে পারি এবং সবাই যদি আত্মবিশ্বাসী থাকে, তাহলে আমার মনে হয় ওটা অর্জন করা সম্ভব।”

    “শীর্ষ ৯ নম্বরের ভেতরে থাকাটা… আমরা যদি ধারাবাহিকভাবে পারফর্ম করতে পারি, আমার মনে হয় ৯ নম্বর নয়, আমরা আরও অনেক ওপরে যেতে পারি। কাজেই সেটা আমাদের দলের জন্য বিরাট একটা সুবিধা থাকবে।”

  • তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রীর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা হিসেবে ফরিদুর রেজা সাগরের নিয়োগ

    তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রীর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা হিসেবে ফরিদুর রেজা সাগরের নিয়োগ

    ​গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী জনাব ইয়াসের খান চৌধুরী এমপি-এর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা (পিও-রাজনৈতিক) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন মোঃ ফরিদুর রেজা সাগর।
    ​সম্প্রতি তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের এক দাপ্তরিক আদেশে এই নিয়োগের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। নিয়োগপ্রাপ্ত হওয়ার পর মোঃ ফরিদুর রেজা সাগর প্রতিমন্ত্রীর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা হিসেবে তাঁর উপর অর্পিত দায়িত্ব পালন শুরু করেছেন।

    নতুন এই দায়িত্বের আওতায় তিনি মাননীয় প্রতিমন্ত্রীর রাজনৈতিক ও দাপ্তরিক বিভিন্ন কাজে সমন্বয়ক হিসেবে ভূমিকা রাখবেন। বিশেষ করে প্রতিমন্ত্রীর দৈনন্দিন কর্মসূচি ব্যবস্থাপনা এবং সংসদীয় এলাকার উন্নয়নমূলক কাজে যোগাযোগ রক্ষায় তিনি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করবেন বলে জানা গেছে।

    উল্লেখ্য, তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী জনাব ইয়াসের খান চৌধুরী ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৯ (নান্দাইল) আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পেশায় তথ্য প্রযুক্তি বিজ্ঞানী জনাব চৌধুরী ইতিপূর্বে লন্ডনে বিবিসি টেলিভিশন নেটওয়ার্কের আইটি বিভাগে দীর্ঘ সময় কর্মরত ছিলেন। বর্তমানে তিনি সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।

    ​মোঃ ফরিদুর রেজা সাগরের এই নিয়োগের ফলে প্রতিমন্ত্রীর দাপ্তরিক ও রাজনৈতিক কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

  • প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আগমন উপলক্ষ্যে ময়মনসিংহে ব্যাপক প্রস্তুতি

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আগমন উপলক্ষ্যে ময়মনসিংহে ব্যাপক প্রস্তুতি

    ময়মনসিংহ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষ্যে প্রাক প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিভাগীয় কমিশনার ফারাহ শাম্মী এনডিসি এর সভাপতিত্বে তাঁর কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে (২২ এপ্রিল) বুধবার এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় ময়মনসিংহ রেঞ্জের ডিআইজি, বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের কর্মকর্তাগণ, জেলা প্রশাসকগণ, জিডিএফআই, এনএসআই এর বিভাগীয় প্রধান, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, পুলিশ সুপারের প্রতিনিধি, ত্রিশাল ও ভালুকা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তাগণ, বিভাগীয় অন্যান্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরের প্রধানগণ উপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে কেন্দ্র করে শুরতে হেলিপ্যাড ও ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করা হয়। হেলিপ্যাড ও মহাসড়কের সার্বিক অবস্থার নির্ধারিত জায়গাগুলোতে সংস্কার ও মেরামতের মতামত দেন সংশ্লিষ্ট দপ্তর। ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে ফুটপাত উচ্ছেদ, ময়লা পরিষ্কার, ফুটওভার ব্রিজ সঠিক স্থানে প্রতিস্থাপন ও মেরামত নিয়ে আলোচনা হয়। উচ্ছেদ কাজ চলমান রয়েছে বলে জানান সড়ক ও জনপথ দপ্তরের প্রধান। ত্রিশাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, বাজারের ছোট রাস্তার পাশে অবৈধ ঝুপড়ি দোকানগুলো দ্রুতই উচ্ছেদ করা হবে। ত্রিশাল পৌরসভার স্থানীয় রাস্তাগুলোর ড্রেন পরিষ্কারসহ সৌন্দর্যবর্ধনে আমরা বিশেষ পরিকল্পনা নিয়েছি। জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়ার রাস্তাটিতে নির্মাণ কাজের পরিকল্পনা রয়েছে। সান্ধ্যকালীন বা রাতে আলোর জন্য রাস্তায় লাইটের ব্যবস্থা করা হবে। কোরবানির হাঁট নজরুল উৎসবের পরিবেশকে যেন প্রভাবিত করতে না পারে, সেজন্য বিশেষ নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তা রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। নজরুল স্মৃতি বিজড়িত কাজীর শিমলার রাস্তাসহ তাঁর বিচরণের স্থানগুলো প্রস্তুতকরণে আমাদের পরিকল্পনা রয়েছে। বিদ্যুৎ বিভাগের পক্ষ থেকে সর্বক্ষণ নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হবে বলে জানানো হয়। তিন দিনব্যাপী অনুষ্ঠানে জেনারেটর বিষয়টিও বিদ্যুৎ বিভাগ দেখবে। সুপীয় পানি ও মোবাইল টয়লেটের ব্যবস্থার জন্য জনস্বাস্থ্য দপ্তর কাজ করবে বলে জানান। অনুষ্ঠানের সংশ্লিষ্ট কাজগুলোতে জেলা পরিষদ সর্বাত্মকভাবে কাজ করবে বলে জেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা জানান। সার্বিক নিরাপত্তায় হাইওয়ে পুলিশ, ডিজিএফআই, এনএসআই, পুলিশের ময়মনসিংহ কার্যালয় প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে সভাকে অবহিত করেন। এসএসএফ এর নির্দেশনায় আরো প্রস্তুতি গ্রহণ করবে বলে তারা জানান। অনুমতি ছাড়া কোনো ব্যক্তিগত ড্রোন উড়তে পারবে না বলে মতামত ব্যক্ত করেন সংশ্লিষ্টরা। ইদের পূর্বে মানুষের চাপ, কোরবানি পশুর গাড়ির চাপ, উৎসবের মানুষের ঢল সবকিছুই নিয়ন্ত্রণে রাখতে আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা বাহিনী যথাযথ প্রস্ততি নিচ্ছে বলে জানান। জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি জানান, প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষ্যে তারা সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিচ্ছে। জাতীয় কবির সাথে জড়িত আছে এমন নৃত্যনাট্য, গীতিনৃত্য, যাত্রাপালা, রচিত গান, কবিতা ইত্যাদির ওপর পরিবেশনা উপস্থাপন করতে প্রস্তুতি নিচ্ছে ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, জামালপুর ও শেরপুর জেলার কালচারাল অফিসারগণ। তাদের জেলার নিজস্ব সংস্কৃতির যতটুকু আছে সেইটুকু থেকে বাছাই করে উপস্থাপন করার প্রস্তুতি নিচ্ছে তারা।