মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:১৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সাংবাদিকদের সবার সাথে যুদ্ধ করে টিকে থাকতে হয়: এমপি রুমা রামগড় বিজিবির ব্যবস্থাপনায় জব্দকৃত তিন কোটি টাকার মাদকদ্রব্য ধ্বংস রাজবাড়ীতে ৮ বছরের শিশু ধর্ষণের অভিযোগ, ধামাচাপার চেষ্টা,ধর্ষক গ্রেপ্তার লালমনিরহাটে স্ত্রী হত্যা মামলায় স্বামীর মৃত্যুদণ্ড রাজবাড়ীতে মেয়েকে ধর্ষণের দায়ে বাবার যাব’জ্জী’বন নিরাপদ সড়কের দাবিতে ঘুন্টি-বেলতলী সড়কে যান চলাচল বন্ধ,চার লেনসহ চার দফা দাবি রাজবাড়ী জেলা বিএনপি কার্যালয়ে দুর্বৃত্তদের আগুন, লাইট-ব্যানার ভস্মীভূত চাটমোহর থানায় মাদকবিরোধী অভিযান: ১৪ পিস ইয়াবাসহ যুবক গ্রেফতার তথ্য গোপন করে একাধিক পেশায় যুক্ত থাকার অভিযোগ, কাজির বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ পাংশায় মালিককে রসমালাইয়ে চেতনানাশক মিশিয়ে অচেতন করে চুরি, ১৫ ভরি স্বর্ণ ও ২২০ ভরি রুপার গহনা উদ্ধার

বিরিয়ানি ও তরমুজ খাওয়ার পরই প্রাণ গেল একই পরিবারের ৪ জনের!

ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেটের সময়: সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৬
  • ২৭১ সময় দেখুন

ভারতের মুম্বাইয়ে বিরিয়ানি আর তরমুজ খাওয়ার পর মাত্র ১২ ঘণ্টার ব্যবধানে একই পরিবারের চার সদস্যের রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। পুলিশ ধারণা করছে, মারাত্মক ‘ফুড পয়জনিং’ বা খাদ্য বিষক্রিয়াই এই মর্মান্তিক ঘটনার কারণ। মৃতরা হলেন ৪০ বছর বয়সি ব্যবসায়ী আবদুল্লাহ আব্দুল কাদার, তার স্ত্রী নাসরিন (৩৫) এবং তাদের দুই মেয়ে আয়েশা (১৬) ও জয়নাব (১৩)। ঘটনার সূত্রপাত গত শনিবার (২৫ এপ্রিল) রাতে। আবদুল্লাহ তার পরিবার ও আত্মীয়-স্বজনদের নিয়ে রাত সাড়ে ১০টার দিকে বিরিয়ানি ভোজ করেন। এরপর পাইধোনি এলাকায় নিজেদের বাড়িতে ফিরে রাত ১টার দিকে তারা সবাই তরমুজ খান। ভোরের দিকে পরিবারের সবার শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে শুরু করে এবং শুরু হয় প্রচণ্ড বমি ও ডায়রিয়া।  প্রথমে স্থানীয় একজন চিকিৎসক তাদের চিকিৎসা দিলেও অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় দ্রুত জেজে হাসপাতালে নেওয়া হয়। হাসপাতালে নেওয়ার পর রবিবার (২৬ এপ্রিল) সকাল ১০টার দিকে ছোট মেয়ে জয়নাব মারা যায়। এরপর পর্যায়ক্রমে মা নাসরিন ও বড় মেয়ে আয়েশার মৃত্যু হয়। সবশেষে রাত সাড়ে ১০টার দিকে বাবা আবদুল্লাহও মারা যান। স্থানীয় চিকিৎসক ড. জিয়াদ কোরেশি জানান, হাসপাতালে নেওয়ার সময় পরিবারের সদস্যরা ভীষণ ক্লান্ত ছিলেন এবং তাদের শরীর থেকে পানি বের হয়ে গিয়েছিল। পুলিশ এই ঘটনাকে ‘দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যু’ হিসেবে নথিবদ্ধ করেছে। তারা ওই বাড়ি থেকে অর্ধেক খেয়ে রাখা তরমুজের টুকরোটি পরীক্ষার জন্য সংগ্রহ করেছে। এছাড়া মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত করতে মৃতদেহগুলোর ময়নাতদন্ত করা হয়েছে এবং টিস্যু ও ভিসেরা রিপোর্ট আসার অপেক্ষায় রয়েছেন তদন্তকারীরা। তরমুজে কোনো বিষাক্ত পদার্থ বা রাসায়নিক মেশানো ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছে মুম্বাইয়ের ফরেনসিক বিভাগ ও খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসন (এফডিএ)। শোচনীয় এই মৃত্যু সংবাদে পুরো মুম্বাইয়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2025 রংধনুটিভি
ESAITBD Sof-Lab UAE/BD