সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১০:০৮ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
বিরিয়ানি ও তরমুজ খাওয়ার পরই প্রাণ গেল একই পরিবারের ৪ জনের! ছেলের মৃত্যুর খবর শুনে হার্ট অ্যাটাকে মারা গেলেন মা রাজবাড়ীতে বেড়েছে ডায়রিয়া রোগীর চাপ, বেড সংকটে বারান্দায় ফোলরে চিকিৎসা তজুমদ্দিনে পুলিশের বিশেষ অভিযানে আন্তঃজেলা গরু চোর চক্রের ৫ সদস্য গ্রেফতার; ৫টি চোরাই গরুসহ জাল রশিদ ও খাজনা রশিদ বই উদ্ধার ত্রিশালে নজরুল জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে সরাসরি জায়গা করে নেওয়ার পথে কতটা এগিয়ে বাংলাদেশ তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রীর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা হিসেবে ফরিদুর রেজা সাগরের নিয়োগ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আগমন উপলক্ষ্যে ময়মনসিংহে ব্যাপক প্রস্তুতি নানা আয়োজনে জীবননগর প্রেসক্লাবের ৫২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত আমরা যুদ্ধের প্রস্তুতি নিই যুদ্ধ করতে নয় বরং যুদ্ধ এড়াতে: সেনাপ্রধান

বিরিয়ানি ও তরমুজ খাওয়ার পরই প্রাণ গেল একই পরিবারের ৪ জনের!

ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেটের সময়: সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৬
  • ০ সময় দেখুন
বিরিয়ানি ও তরমুজ খাওয়ার পরই প্রাণ গেল একই পরিবারের ৪ জনের!

ভারতের মুম্বাইয়ে বিরিয়ানি আর তরমুজ খাওয়ার পর মাত্র ১২ ঘণ্টার ব্যবধানে একই পরিবারের চার সদস্যের রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। পুলিশ ধারণা করছে, মারাত্মক ‘ফুড পয়জনিং’ বা খাদ্য বিষক্রিয়াই এই মর্মান্তিক ঘটনার কারণ। মৃতরা হলেন ৪০ বছর বয়সি ব্যবসায়ী আবদুল্লাহ আব্দুল কাদার, তার স্ত্রী নাসরিন (৩৫) এবং তাদের দুই মেয়ে আয়েশা (১৬) ও জয়নাব (১৩)। ঘটনার সূত্রপাত গত শনিবার (২৫ এপ্রিল) রাতে। আবদুল্লাহ তার পরিবার ও আত্মীয়-স্বজনদের নিয়ে রাত সাড়ে ১০টার দিকে বিরিয়ানি ভোজ করেন। এরপর পাইধোনি এলাকায় নিজেদের বাড়িতে ফিরে রাত ১টার দিকে তারা সবাই তরমুজ খান। ভোরের দিকে পরিবারের সবার শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে শুরু করে এবং শুরু হয় প্রচণ্ড বমি ও ডায়রিয়া।  প্রথমে স্থানীয় একজন চিকিৎসক তাদের চিকিৎসা দিলেও অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় দ্রুত জেজে হাসপাতালে নেওয়া হয়। হাসপাতালে নেওয়ার পর রবিবার (২৬ এপ্রিল) সকাল ১০টার দিকে ছোট মেয়ে জয়নাব মারা যায়। এরপর পর্যায়ক্রমে মা নাসরিন ও বড় মেয়ে আয়েশার মৃত্যু হয়। সবশেষে রাত সাড়ে ১০টার দিকে বাবা আবদুল্লাহও মারা যান। স্থানীয় চিকিৎসক ড. জিয়াদ কোরেশি জানান, হাসপাতালে নেওয়ার সময় পরিবারের সদস্যরা ভীষণ ক্লান্ত ছিলেন এবং তাদের শরীর থেকে পানি বের হয়ে গিয়েছিল। পুলিশ এই ঘটনাকে ‘দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যু’ হিসেবে নথিবদ্ধ করেছে। তারা ওই বাড়ি থেকে অর্ধেক খেয়ে রাখা তরমুজের টুকরোটি পরীক্ষার জন্য সংগ্রহ করেছে। এছাড়া মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত করতে মৃতদেহগুলোর ময়নাতদন্ত করা হয়েছে এবং টিস্যু ও ভিসেরা রিপোর্ট আসার অপেক্ষায় রয়েছেন তদন্তকারীরা। তরমুজে কোনো বিষাক্ত পদার্থ বা রাসায়নিক মেশানো ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছে মুম্বাইয়ের ফরেনসিক বিভাগ ও খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসন (এফডিএ)। শোচনীয় এই মৃত্যু সংবাদে পুরো মুম্বাইয়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2025 রংধনুটিভি
ESAITBD Sof-Lab UAE/BD