অর্থের লোভে কোটিপতি দুই সন্তানের জননী বিধবা স্বপ্না বেগম নামে এক মহিলাকে বিয়ে করেন বাসার কাজের ছেলে আমির হোসেন। আর বিধবা মহিলা স্বপ্না বেগমের মৃত্যু স্বামীর দুটি নাবালক মেয়ে রয়েছে। নাবালক মেয়ে রেখে বিবাহিতা ছেলে বাসার কাজের ছেলের সাথে প্রথম বিবাহ উল্লেখ করে বিবাহ করেন। কৌশলে দুই নাবালক মেয়ের নামে গাজীপুর সদরে ৮ শতাংশ জমিতে মার্কেট রয়েছে আর ৬৩ শতাংশ জমি রয়েছে। বিধবা দ্বিতীয় স্বামী আমির হোসেন নাবালক মেয়ের নামের সম্পত্তি অভিভাবক দাবী করে কৌশলে কোর্টের পারমিশন নেওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।এই নিয়ে আলোচনা সমালোচনার ঝড় উঠেছে লালমনিরহাট জেলার আদিতমারী উপজেলার কমলাবাড়ী ইউনিয়নের চন্দনপাট ময়নার চড়া আমিন হোসেনের বাড়ী এলাকা সহ পুরো গ্রামে।
বিধবা মহিলা স্বপ্না বেগম ৫ লক্ষ টাকা দেন মোহরানা উল্লেখ করে বাসার কাজের ছেলে আমির হোসেন কে প্রথম বিবাহ উল্লেখ করে বিবাহের রেজিস্ট্রি সম্পন্ন করেন ।
বাসার কাজের ছেলে আমির হোসেনের প্রথম স্ত্রী ও সন্তান থাকার পরেও গাজীপুর এলাকায় বিধবা স্বপ্না বেগমের মৃত স্বামীর কোটি কোটি টাকার অর্থ সম্পদের লোভে বিধবা স্বপ্না বেগমের নামে এক বিধবা দুই সন্তানের জননী কে বিবাহ করেন ।, বিবাহের রেজিস্ট্রি অনুযায়ী জানাযায় আদিতমারী উপজেলা ০৩ নং কমলাবাড়ী ইউনিয়নের বিবাহ রেজিস্ট্রি কাজী আলতাফ হোসেন এই বিধবা স্বপ্না বেগম ও আমির হোসেনের বিবাহের রেজিস্ট্রি কার্য সম্পন্ন করেন । বিধবা স্বপ্না বেগমের দুই নাবালক মেয়ের নামে কোটি কোটি টাকার অর্থ সম্পদ থাকায় লোভে পড়ে বিবাহ করে আমির হোসেন। তথ্য গোপন করে আমির হোসেন প্রথম বিবাহ দেখিয়ে বিবাহ রেজিস্ট্রি করেন যাহারা বহিনং এ পৃষ্ঠা নং ০৮ ক্রমিক নং ২৫/২৬ অনুযায়ী মুসলিম বিবাহ ও তালাক (নিবন্ধন )বিধিমালা ২০০৯ ইং এর ২৮ (১) (ক) । বিবাহের রেজিস্ট্রি অনুযায়ী জানা যায় আদিতমারীর উপজেলার ০৩ নং কমলাবাড়ী ইউনিয়নের চন্দনপাট ময়নার চড়া এলাকার ফুল মিয়ার পুত্র বিবাহিত আমির হোসেন ও বাবেন্ডা, কাশিমপুর ১৩৪৬ গাজীপুর সদর উপজেলার লোকমান হোসেনের বিধবা মেয়ে সপ্না বেগম গত ২৪/২/২৬ ইং তারিখে লালমনিরহাট জেলার আদিতমারী উপজেলার কমলাবাড়ী ইউনিয়নের হাজীগঞ্জে কাজী অফিসে উপস্থিত হয়ে আমির হোসেন প্রথম বিবাহ বলে ৫ লক্ষ টাকা দেনমোহর উল্লেখ করে বিবাহের রেজিস্ট্রি করেন। প্রথম স্ত্রী থাকার সত্বেও অনুমতি না নিয়ে আমির হোসেন প্রতারণা করে দ্বিতীয় বিবাহটি প্রথম বিবাহ হিসেবে রেজিস্ট্রি করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন এলাকার সচেতন মহল । এই ব্যাপারে কাজী আলতাব হোসেনের সাথে কথা হলে তিনি বলেন আমির হোসেন প্রতারণা করে বিবাহের রেজিস্ট্রি করার সময় বলেন এটা তার প্রথম বিবাহ। তথ্য গোপন ও প্রতারণা করার দায়ে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া জন্য উদ্ধতম কর্তৃপক্ষের নিকট অভিযোগ দায়ের করবেন বলে তিনি জানিয়েছেন । এ বিষয়ে এলাকা চাঞ্চল্য সৃষ্টি হলে এক দল অনুসন্ধানী সংবাদকর্মী অনুসন্ধান চালিয়ে বিবাহের কাজী সন্ধান খুঁজে বের করে বিবাহ রেজিস্ট্রি করা নকল উঠিয়ে দেখা যায় তথ্য গোপন করে বিয়ে করেছে । আর নাবালকের কোটি টাকার সম্পদের অভিভাবক স্বপ্না বেগম কখনো যেন হতে না পারে । যদি বিবাহিত স্বপ্না বেগম নাবালক দুই মেয়ের কোটি টাকার সম্পত্তির অভিভাবক হয়, তাহলে নাবালক মেয়ের সাথে প্রতারণা করে কোটি টাকার সম্পত্তি অন্য জায়গা বিক্রি করে এলাকার প্রতার দ্বিতীয় স্বামী আমির হোসেন এর হাতে কোটি টাকার তুলে দিবে স্বপ্না বেগম। এতে বঞ্চিত হবে এতিম দুই সন্তান । বিষয়ে উদ্ধতম কর্তৃপক্ষ দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন গাজীপুর সদর এলাকার স্থানীয় সচেতন মহল ।