ময়মনসিংহ জেলা পুলিশের মাননীয় পুলিশ সুপার জনাব মোঃ কামরুল হাসান মহোদয়ের সার্বিক দিকনির্দেশনায় হত্যাকাণ্ডের মূল রহস্য উদঘাটন ও জড়িত আসামীদের গ্রেফতারের লক্ষ্যে কোতোয়ালী মডেল থানার একটি চৌকস টিম বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে ঘটনার মাত্র ১ (এক) ঘণ্টার মধ্যে হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন, মূল আসামী গ্রেফতার এবং হত্যায় ব্যবহৃত অস্ত্র (ছুরি) উদ্ধার করা সম্ভব হয়।
গত ১৬/০৪/২০২৬ খ্রি. তারিখ সকাল অনুমান ১০:০০ ঘটিকায় কোতোয়ালী থানাধীন দাপুনিয়া ইউনিয়নের ফুলবাড়িয়া গ্রামে সুমি ওরফে সুমা (৩০)-এর উপস্থিতিতে তার স্বামী অলিউল্লাহ নিজ জমিতে লাগানো গাছের ডাল কাটছিলেন। এ সময় অলিউল্লাহর বড় ভাই খলিলুর রহমান খলিলের স্ত্রী নাছিমা আক্তার (৪০) গাছের ডাল কাটতে বাধা প্রদান করলে উভয়ের মধ্যে বাকবিতণ্ডা সৃষ্টি হয়।
পরবর্তীতে পারিবারিক বিরোধের জেরে হাতাহাতির এক পর্যায়ে নাছিমার স্বামী খলিলুর রহমান খলিল (৩৫) ঘর থেকে একটি ছুরি এনে ভিকটিম সুমি ওরফে সুমার বাম কাঁধের নিচে আঘাত করে গুরুতর রক্তাক্ত জখম করে। স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক একই দিন বেলা ১১:২০ ঘটিকায় তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
সংবাদ পেয়ে কোতোয়ালী মডেল থানা পুলিশ তাৎক্ষণিক অভিযান পরিচালনা করে হত্যাকাণ্ডে সরাসরি জড়িত আসামী মোঃ খলিলুর রহমান খলিল (৩৫) এবং তার স্ত্রী মোছাঃ নাছিমা আক্তার (৪০)-কে গ্রেফতার করে এবং হত্যায় ব্যবহৃত ছুরি উদ্ধার করে।
এ ঘটনায় নিহতের পিতা মোঃ গিয়াস উদ্দিন বাদী হয়ে কোতোয়ালী মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। উক্ত মামলায় গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
গ্রেফতারকৃত আসামীদের পরিচয়ঃ
১। মোঃ খলিলুর রহমান খলিল (৩৫), পিতা-মৃত শমসের আলী, মাতা-মৃত ছাহেরা খাতুন।
২। মোছাঃ নাছিমা আক্তার (৪০), স্বামী-মোঃ খলিলুর রহমান খলিল।
উভয় সাং- ফুলবাড়িয়া, ডাকঘর- দাপুনিয়া, থানা- কোতোয়ালী, জেলা- ময়মনসিংহ।