সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ০২:১৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শেরপুরের কৃতি সন্তান ডা. আসাদুজ্জামানের চিকিৎসা সেবায় সকল নাগরিক ও রোগীরা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। গোয়ালন্দে সোয়া কোটি টাকার সড়কে দুই মাসেই ধস, নিম্নমানের কাজের অভিযোগ রাজবাড়ী প্রধান ডাকঘরের পোস্ট মাস্টার সহ ৭ কর্মচারীর বিরুদ্ধে কোটি টাকার দুর্ণীতির মামলা দুই মাসের মধ্যে রংপুর মেডিকেল সার্বিক পরিবর্তন আনা হবে- দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী সরকার ও বিএনপিতে বড় রদবদলের আভাস ১০লাখ টাকার ড্রেন নির্মানের ৭ দিনের মধ্যেই ভেঙ্গে বন্ধ প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক সেনাসদর নির্বাচনী পর্ষদ-২০২৬ এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন নকলা পৌরসভা নির্বাচন প্রার্থীদের প্রচারণা শুরু রামগড় ৪৩ বিজিবির উদ্যোগে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ আদিতমারী বুড়ির হাটের সরকারি জায়গা সিন্ডিকেটের দখলে, অন্যের জমি ভাড়া নিয়ে চলছে হাট-বাজার, দ্রুত প্রশাসনের ব্যবস্থা নেওয়া দাবি বাজারের কতৃপক্ষের।

ত্রিশালে লোড মিস্ত্রির অবহেলা: ইটভাটায় ব্যাপক ক্ষতি

ডেস্ট রিপোর্ট
  • আপডেটের সময়: বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬
  • ২৬২ সময় দেখুন

ত্রিশাল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি: ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার বালিপাড়া ইউনিয়নের বন্যার ব্রিজ এলাকায় অবস্থিত ‘বনানী ব্রিকস’এর লোড মিস্ত্রির চরম গাফিলতি কারণে প্রায় ৪০ লক্ষ টাকার কাঁচা ইট নষ্ট হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত লোড সরদার আবুল হোসেনের দায়িত্বজ্ঞানহীনতার কারণে ভাটার মালিক আজিজুল হক এখন বিশাল আর্থিক লোকসানের মুখে পড়েছেন।

ভাটার শ্রমিক মোহন ও সাগর জানান, লোড সরদার আবুল হোসেনের চরম অবহেলার কারণেই এই বিপুল পরিমাণ কাঁচা ইট নষ্ট হয়েছে। তারা বলেন, “আবুল সরদার যদি সঠিক সময়ে এবং নিয়ম অনুযায়ী কাঁচা ইটগুলো লোড করতেন, তবে বৃষ্টির কারণে মালিকের এত বড় ক্ষতি হতো না। তার উদাসীনতা ও অপেশাদার আচরণই এই বিপর্যয়ের প্রধান কারণ।”ভাটার মালিক আজিজুল হক জানান, তিনি পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র নিয়ে বৈধভাবে দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসা পরিচালনা করছেন। কাজের সুবিধার্থে তিনি লোড সরদার আবুল হোসেনের সাথে স্ট্যাম্পের মাধ্যমে লিখিত চুক্তি করে তাকে দায়িত্ব দিয়েছিলেন। কিন্তু অভিযোগ উঠেছে, আবুল হোসেন চুক্তিমতো নিজের দায়িত্ব পালন না করে এবং সময়মতো কাঁচা ইট ভাটায় লোড না দিয়ে অন্য ভাটায় গিয়ে কাজ করতেন। এর ফলে বৃষ্টিতে ইটগুলো ভিজে ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। বর্তমানে নষ্ট হওয়া ইটের বাজারমূল্য প্রায় ৪০ লক্ষ টাকা। বৈধভাবে ব্যবসা করেও শ্রমিকের এমন গাফিলতির কারণে পুঁজি হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন এই ব্যবসায়ী। চুক্তিবদ্ধ হওয়া সত্ত্বেও দায়িত্ব পালন না করায় অভিযুক্ত আবুল হোসেনের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। এদিকে ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত আবুল হোসেন গা ঢাকা দিয়েছেন। তার মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সেটি বন্ধ পাওয়া যায়।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2025 রংধনুটিভি
ESAITBD Sof-Lab UAE/BD