রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৫০ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
দলের দুর্দিনের নিঃস্বার্থ কর্মী, রামগড় জিয়া পরিষদের সাধারন সম্পাদক সাইফুল ইসলাম জীবননগর ডুমুরিয়ায় ঘুমন্ত অবস্থায় গৃহবধূকে কুপিয়ে হত্যা ত্রিশালে একাধিক উন্নয়ন কাজের ভিত্তিপ্রস্তর ও উদ্বোধন করলেন সংসদ সদস্য ডা. মাহবুবুর রহমান লিটন হত্যা মামলার মূল রহস্য উদঘাটন, ঘটনার সাথে জড়িত মূল আসামী গ্রেফতার এবং হত্যায় ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধার জীবননগরে ছাদ থেকে পড়ে যুবকের মৃত্যু আদিতমারীতে ব্র্যাকের উদ্যোগে হাইব্রিড ধান চাষে আধুনিক প্রযুক্তি বিষয়ক কর্মশালা। টিকটকে প্রতারণার ফাঁদ: ‘কনটেন্ট ক্রিয়েটরের’ বাড়ির মাটির নিচে মিললো ২৫ ভরি স্বর্ণ সিন্দুকছড়ি জোনের উদ্যোগে বিনামূল্যে চক্ষু ও মেডিকেল ক্যাম্পেইন ত্রিশালে লোড মিস্ত্রির অবহেলা: ইটভাটায় ব্যাপক ক্ষতি জীবননগরে পুলিশের অভিযানে মাদক দ্রব্য আটক ১০ কারবারীর বিরুদ্ধে মামলা

দলের দুর্দিনের নিঃস্বার্থ কর্মী, রামগড় জিয়া পরিষদের সাধারন সম্পাদক সাইফুল ইসলাম

মোঃমাসুদ রানা, স্টাফ রিপোর্টারঃ
  • আপডেটের সময়: রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৬
  • ০ সময় দেখুন

দলের দুঃসময়ে, যখন অনেকেই পিছিয়ে গিয়েছিল, ঠিক সেই সময় ১/১১ পরবর্তী কঠিন বাস্তবতায় যারা বুক চিতিয়ে দলের পতাকা ধারণ করেছিলো তার মধ্যেই একজন ছিলেন খাগড়াছড়ির রামগড় জিয়া পরিষদের সাধারন সম্পাদক সাইফুল ইসলাম।

ভয়, চাপ, অনিশ্চয়তা কিছুই তাকে দমাতে পারেনি, কারণ তার রাজনীতি ছিল বিশ্বাসের ভালোবাসার আর আদর্শ।

তিনি জিয়া পরিষদ, রামগড় উপজেলার সাথে সম্পৃক্ত থেকে দলের জন্য সংগঠনের জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন, তিনি উপজেলা জিয়া পরিষদের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন, আর তার নেতৃত্বেই সংগঠনটি পেয়েছে নতুন গতি, নতুন শক্তি।

পাহাড়ের কিংবদন্তি নেতা ওয়াদুদ ভূইয়া যখনই আন্দোলনের ডাক দিয়েছেন চট্টগ্রাম থেকে খাগড়াছড়ি কোথাও অনুপস্থিত ছিল না এই সাহসী কাফেলা।

আওয়ামী লীগের বাধা, চেকপোস্ট, নজরদারি—সবকিছুকে উপেক্ষা করে তিনি পৌঁছে গেছে আন্দোলনের ময়দানে। কারণ তর কাছে দল ছিল প্রথম, আদর্শ ছিল সর্বোচ্চ।

৫ আগস্টের আগেই, যখন অনেক জায়গায় সংগঠনগুলো ছিল স্থবির, তখন কাউন্সিলের মাধ্যমে রামগড় উপজেলা জিয়া পরিষদের কমিটি ঘোষণা ছিল একটি সাহসী ও গণতান্ত্রিক পদক্ষেপ। এই সংগঠনের প্রতিটি কর্মী নিঃস্বার্থ ভাবে কাজ করে গেছে। নাম, পদ কিংবা ব্যক্তিগত স্বার্থের জন্য নয়, বরং দলের প্রতি ভালোবাসা থেকে।

হয়তো সময়ের সাথে সাথে কিছু নতুন ফোরাম এসেছে, কেউ কেউ ব্যক্তিগত স্বার্থ খুঁজেছ কিন্তু জিয়া পরিষদের কর্মীরা প্রমাণ করেছে, সত্যিকা
রের রাজনীতি মানে ত্যাগ, নিবেদন, মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নেওয়া।

জাতীয় নির্বাচনে ও তারা পিছিয়ে থাকেনি নিজেদের ব্যক্তিগত ও পেশাগত সুনামকে কাজে লাগিয়ে প্রিয় নেতা ওয়াদুদ ভূইয়া এবং দলের পক্ষে জনমত গড়ে তুলেছে। সালাম সেই সকল নির্ভীক সৈনিকদের, যারা দুঃসময়ে থেকেছে—আর আজও আছে দলের পাশে, মানুষের পাশে।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2025 রংধনুটিভি
ESAITBD Sof-Lab UAE/BD