সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬, ০৭:৪৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নকলা পৌরসভা নির্বাচন প্রার্থীদের প্রচারণা শুরু রামগড় ৪৩ বিজিবির উদ্যোগে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ আদিতমারী বুড়ির হাটের সরকারি জায়গা সিন্ডিকেটের দখলে, অন্যের জমি ভাড়া নিয়ে চলছে হাট-বাজার, দ্রুত প্রশাসনের ব্যবস্থা নেওয়া দাবি বাজারের কতৃপক্ষের। সামান্য বৃষ্টিতে রাজবাড়ীর পাংশার পৌর এলাকার রাস্তা ও ভবন থৈথৈ লালমনিরহাট ২ সংসদীয় আসনে সংসদ সদস্য মোঃ রোকন উদ্দিন বাবুল এমপি প্রকল্পের অর্থ বিতরণ কিশোরগঞ্জে ট্রাক থেকে মাছ চুরি ঠেকাতে গিয়ে হত্যাকাণ্ড: তিন ঘাতক গ্রেফতার, ট্রাক জব্দ কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরে কৃষকের বীজতলা রক্ষায় ইউএনওর দ্রুত পদক্ষেপ, স্বস্তি পেলেন শতাধিক কৃষক আদিতমারী উপজেলায় জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস উদযাপন শেরপুর অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তার জমির ভাড়া না দিয়ে ভাড়াটিয়া প্রতারক সুলতান মাহমুদ জমির মালিকানা দাবী । একাধিক মামলা ও তদন্তে প্রশাসনের ভিতরে মারাত্মক বিতর্ক। শেরপুর জেলার নকলা থানার এক জন এসআই, ও আরেক জন, এএসআই শ্রেষ্ঠ নির্বাচিত হলেন।

দলের দুর্দিনের নিঃস্বার্থ কর্মী, রামগড় জিয়া পরিষদের সাধারন সম্পাদক সাইফুল ইসলাম

মোঃমাসুদ রানা, স্টাফ রিপোর্টারঃ
  • আপডেটের সময়: রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৬
  • ২২৪ সময় দেখুন

দলের দুঃসময়ে, যখন অনেকেই পিছিয়ে গিয়েছিল, ঠিক সেই সময় ১/১১ পরবর্তী কঠিন বাস্তবতায় যারা বুক চিতিয়ে দলের পতাকা ধারণ করেছিলো তার মধ্যেই একজন ছিলেন খাগড়াছড়ির রামগড় জিয়া পরিষদের সাধারন সম্পাদক সাইফুল ইসলাম।

ভয়, চাপ, অনিশ্চয়তা কিছুই তাকে দমাতে পারেনি, কারণ তার রাজনীতি ছিল বিশ্বাসের ভালোবাসার আর আদর্শ।

তিনি জিয়া পরিষদ, রামগড় উপজেলার সাথে সম্পৃক্ত থেকে দলের জন্য সংগঠনের জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন, তিনি উপজেলা জিয়া পরিষদের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন, আর তার নেতৃত্বেই সংগঠনটি পেয়েছে নতুন গতি, নতুন শক্তি।

পাহাড়ের কিংবদন্তি নেতা ওয়াদুদ ভূইয়া যখনই আন্দোলনের ডাক দিয়েছেন চট্টগ্রাম থেকে খাগড়াছড়ি কোথাও অনুপস্থিত ছিল না এই সাহসী কাফেলা।

আওয়ামী লীগের বাধা, চেকপোস্ট, নজরদারি—সবকিছুকে উপেক্ষা করে তিনি পৌঁছে গেছে আন্দোলনের ময়দানে। কারণ তর কাছে দল ছিল প্রথম, আদর্শ ছিল সর্বোচ্চ।

৫ আগস্টের আগেই, যখন অনেক জায়গায় সংগঠনগুলো ছিল স্থবির, তখন কাউন্সিলের মাধ্যমে রামগড় উপজেলা জিয়া পরিষদের কমিটি ঘোষণা ছিল একটি সাহসী ও গণতান্ত্রিক পদক্ষেপ। এই সংগঠনের প্রতিটি কর্মী নিঃস্বার্থ ভাবে কাজ করে গেছে। নাম, পদ কিংবা ব্যক্তিগত স্বার্থের জন্য নয়, বরং দলের প্রতি ভালোবাসা থেকে।

হয়তো সময়ের সাথে সাথে কিছু নতুন ফোরাম এসেছে, কেউ কেউ ব্যক্তিগত স্বার্থ খুঁজেছ কিন্তু জিয়া পরিষদের কর্মীরা প্রমাণ করেছে, সত্যিকা
রের রাজনীতি মানে ত্যাগ, নিবেদন, মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নেওয়া।

জাতীয় নির্বাচনে ও তারা পিছিয়ে থাকেনি নিজেদের ব্যক্তিগত ও পেশাগত সুনামকে কাজে লাগিয়ে প্রিয় নেতা ওয়াদুদ ভূইয়া এবং দলের পক্ষে জনমত গড়ে তুলেছে। সালাম সেই সকল নির্ভীক সৈনিকদের, যারা দুঃসময়ে থেকেছে—আর আজও আছে দলের পাশে, মানুষের পাশে।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2025 রংধনুটিভি
ESAITBD Sof-Lab UAE/BD