কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরে পৈত্রিক সম্পত্তি দখল, নতুন দাগ- ১৫৬৮, পুরাতন দাগ- ৭৮৬ মৌজা- পূর্ব দ্বীপেশর। দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা এবং মিথ্যা চাঁদাবাজি মামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী এক প্রবাসীর স্ত্রী। সোমবার (১২ জানুয়ারি) দুপুরে হোসেনপুর পৌর এলাকার মাইক্রোস্ট্যান্ড সংলগ্ন স্থানে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ভুক্তভোগী হাওয়া আক্তার, যার স্বামী মুঞ্জু মিয়া বর্তমানে প্রবাসে অবস্থান করছেন। তিনি স্থানীয় জামায়াত নেতা ডা. রফিকুল ইসলাম ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে ভূমি দস্যুতা এবং শারীরিক লাঞ্ছনার অভিযোগ আনেন। বেগম হাওয়া অভিযোগ করেন যে, ডা. রফিকুল ইসলাম রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে তাদের পৈত্রিক সম্পত্তি অবৈধভাবে দখল করার চেষ্টা করছেন। ভুক্তভোগীর দাবি, ডা. রফিকুল ইসলাম দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে তাদের ওপর হামলা চালায়। এসময় তাকে মারধরসহ শ্লীলতাহানি করা হয় এবং তার গলায় থাকা স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেওয়া হয় ( সাব্বির) । জমি দখলের প্রতিবাদ করায় উল্টো ভুক্তভোগী পরিবারের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বানোয়াট ‘চাঁদাবাজি’ মামলা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়। “আমার স্বামী বিদেশে থাকেন, এই সুযোগে ডা. রফিকুল ইসলাম আমাদের পৈত্রিক ভিটা কেড়ে নিতে চাইছেন। তারা আমাকে মারধর করেছে, আমার গহনা ছিনিয়ে নিয়েছে। এখন আবার আমাদের বিরুদ্ধেই মিথ্যা মামলা দিয়ে এলাকাছাড়া করার হুমকি দিচ্ছে। আমি প্রশাসনের কাছে বিচার চাই।” — হাওয়া আক্তার (ভুক্তভোগী)
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত এলাকাবাসী ও ভুক্তভোগীর আত্মীয়-স্বজনরা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানান এবং ভূমি দস্যু ডা. রফিকুল ইসলামের হাত থেকে রেহাই পেতে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন। তারা অবিলম্বে এই মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার এবং দখলদারদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। জমিসংক্রান্ত বিরোধ ও মারধরের বিষয়ে একটি অভিযোগ আমরা পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নন; তদন্তে দোষী প্রমাণিত হলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।