জেলার তিনটি ইউনিয়নে নদীর ভাঙনে শতাধিক বাড়ি বিলীন হয়েছে। পানির স্রোত বাড়ার কারণে ভাঙন আরও ছড়িয়ে পড়ছে।
ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছেন। খাবার, বিশুদ্ধ পানি ও ওষুধের সংকট দেখা দিয়েছে।
স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা তৈরি করে ত্রাণ সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। নদীভাঙন প্রতিরোধে দীর্ঘমেয়াদি প্রকল্পের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।



মন্তব্য (০)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।