Author: admin

  • পানছড়ি সীমান্তে বিজিবির অভিযানে বিপুল গোলা বারুদ উদ্ধার

    পানছড়ি সীমান্তে বিজিবির অভিযানে বিপুল গোলা বারুদ উদ্ধার

    খাগড়াছড়ির পানছড়ি সীমান্ত এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। গত শুক্রবার গভীর রাতের অভিযানে ৭.৬২ মি.মি. এসএমজি’র ১,৪০০ রাউন্ড গুলি ও ২টি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়। বিজিবি সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পানছড়ি ব্যাটালিয়ন (৩ বিজিবি) এর অধীন বৌদ্ধমনিপাড়া বিওপির নায়েব সুবেদার মোঃ শাহআলমের নেতৃত্বে একটি বিশেষ টহল দল বৌদ্ধমনিপাড়া এলাকার কাঠালতলী যাত্রী ছাউনিতে অবস্থান নেয়। রাত আনুমানিক ৮টার দিকে সীমান্ত সড়ক দিয়ে ২টি মোটরসাইকেলে করে ৪ জন সন্দেহভাজন ব্যক্তি যাওয়ার সময় টহলদল তাদের চ্যালেঞ্জ করলে তারা মোটরসাইকেল ফেলে পাহাড়ি এলাকায় পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে ঘটনাস্থল তল্লাশি চালিয়ে পরিত্যক্ত অবস্থায় ২টি মোটরসাইকেল এবং ১,৪০০ রাউন্ড গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত মালামাল বিওপিতে নিয়ে আসার পথে প্রায় ১০০-১১০ জনের একটি সন্ত্রাসী গ্রুপ টহলদলকে ঘিরে ফেলার চেষ্টা করে। তবে বিজিবি সদস্যরা তাৎক্ষণিক সাহসিকতা ও কৌশলের মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন। এসময় পানছড়ি ব্যাটালিয়নের ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক মেজর এস. এম. ইমরুল কায়েসের নেতৃত্বে অতিরিক্ত দুইটি টহল দল ঘটনাস্থলে রওনা হওয়ার খবর পেয়ে সন্ত্রাসীরা পিছু হটে। পানছড়ি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক জানান, সীমান্ত এলাকায় অবৈধ অস্ত্র, গোলাবারুদ ও চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবি নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে। সাম্প্রতিক সময়ে সন্ত্রাসী ও চোরাকারবারীদের তৎপরতা বেড়ে যাওয়ায় গোয়েন্দা নজরদারি ও টহল কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

  • চরশোলাকিয়ায় চলাচলের রাস্তা দখল নিয়ে উত্তেজনা, প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ

    চরশোলাকিয়ায় চলাচলের রাস্তা দখল নিয়ে উত্তেজনা, প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ

    কিশোরগঞ্জ পৌরসভার চরশোলাকিয়া এলাকায় দীর্ঘদিনের ব্যবহারকৃত একটি চলাচলের রাস্তা দখলকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, প্রতিবেশী কয়েকজন ব্যক্তি জোরপূর্বক রাস্তা দখল করে চলাচলে বাধা সৃষ্টি এবং প্রাণনাশের হুমকি প্রদান করছেন।

    অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, চরশোলাকিয়া এলাকার এক স্থায়ী বাসিন্দা ১৯৭৪ সালে মালিকানা লাভ করে ১৯৮৫ সালে পৌরসভার অনুমোদনক্রমে বসতবাড়ি নির্মাণ করে বসবাস করে আসছেন। তাদের প্লটে যাতায়াতের জন্য পূর্ব পাশ দিয়ে প্রায় ৪ ফুট ৬ ইঞ্চি প্রশস্ত একটি রাস্তা দীর্ঘ প্রায় ৪০ বছর ধরে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। ওই রাস্তার মাধ্যমে গ্যাস, পানি ও বিদ্যুৎ সংযোগও স্থাপিত হয়েছে এবং দলিলেও চলাচলের অধিকার উল্লেখ রয়েছে।

    তবে সম্প্রতি পানি নিষ্কাশনের ড্রেন নির্মাণ ও পৌরসভার আওতায় অন্তর্ভুক্তির বিষয় সামনে আসলে দক্ষিণ পাশের প্লটের মালিক দিদারুল ইসলাম ওই রাস্তা তার ব্যক্তিগত সম্পত্তি বলে দাবি করেন। এ সময় পাশের প্লট মালিক মামুনের সহযোগিতায় রাস্তা দিয়ে চলাচলে বিভিন্নভাবে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হয় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

    ভুক্তভোগী জানান, এ বিষয়ে একাধিকবার স্থানীয়ভাবে সমাধানের চেষ্টা করা হলেও কোনো সুফল পাওয়া যায়নি। পরে ২০২৪ সালের ৩১ মার্চ পৌর মেয়রের কাছে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হলে মেয়র সংশ্লিষ্টদের ডেকে ভূমি পরিমাপের মাধ্যমে সীমানা নির্ধারণ ও চলাচল উন্মুক্ত রাখার নির্দেশ দেন।

    কিন্তু অভিযোগ রয়েছে, নির্দেশনার পরদিনই দিদারুল ইসলাম ও তার সহযোগীরা রাতারাতি রাস্তার একটি অংশ দখল করে এবং পূর্বের রাস্তার অংশ কমিয়ে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে যান। এমনকি চলাচল বন্ধ করতে একটি দেয়াল নির্মাণ করা হয়।

    পরে বিষয়টি জানানো হলে সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড কমিশনারের উপস্থিতিতে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সহায়তায় দেয়ালটি অপসারণ করে রাস্তা পুনরায় উন্মুক্ত করা হয়। তবে গত বছরের শেষ দিকে পুনরায় একই স্থানে দেয়াল নির্মাণের চেষ্টা করা হয় এবং এতে বাধা দিলে ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলা ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

    এদিকে, অভিযোগ রয়েছে ভুক্তভোগী পরিবারের বাড়িতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করতে কৌশলে পানি প্রবাহ তাদের বাড়ির দিকে ঘুরিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং দখলকৃত অংশে টিনের বেড়া নির্মাণ করা হয়েছে।

    সর্বশেষ গত ২৭ মার্চ ২০২৬ বিকেলে ভুক্তভোগীর জমিতে অবৈধভাবে মাটি ফেলার সময় বাধা দিলে অভিযুক্তরা পুনরায় তাকে হুমকি প্রদান করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

    এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার। তবে অভিযুক্তদের বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।

  • ইঞ্জিনিয়ার থোয়াইচিং মং চাককে বান্দরবান জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান হিসেবে,   দেখতে চায় সর্বস্তরের মানুষ

    ইঞ্জিনিয়ার থোয়াইচিং মং চাককে বান্দরবান জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান হিসেবে, দেখতে চায় সর্বস্তরের মানুষ

    ​বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার কৃতি সন্তান, বিশিষ্ট রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও সম্প্রীতির ধারক ইঞ্জিনিয়ার থোয়াইচিং মং চাককে বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দেখার দাবি তুলেছেন স্থানীয় জনতা ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন।
    ​তৃণমূল পর্যায়ে জনপ্রিয়তা ও গ্রহণযোগ্যতার কারণে বর্তমানে আলোচনার শীর্ষে রয়েছেন এই তরুণ নেতা। সমাজের বিভিন্ন মহলে তিনি একজন ত্যাগী, সৎ ও সমাজমুখী ব্যক্তিত্ব হিসেবে সমাদৃত।

    ইঞ্জিনিয়ার থোয়াইচিং মং চাক-এর রাজনৈতিক পথচলা শুরু হয় ২০১৮ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় থেকে। পরবর্তীতে তিনি গণঅধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম-সদস্য সচিব হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। পাহাড়ের অনিয়ম, দুর্নীতি এবং অবৈধ অস্ত্রের বিরুদ্ধে তার সাহসী অবস্থান তাকে সাধারণ মানুষের আস্থায় নিয়ে এসেছে। স্থানীয়রা জানান, বিগত সরকারের সময় এবং আঞ্চলিক সশস্ত্র সংগঠনগুলোর হুমকির মুখেও তিনি পার্বত্য চট্টগ্রামের মানুষের অধিকার রক্ষায় অবিচল ছিলেন।

    ​জুলাই অভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে পাহাড়ের অস্থিতিশীল পরিস্থিতি মোকাবিলায় এবং ১৪টি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মধ্যে ঐক্য বজায় রাখতে তিনি ‘সিএইচটি সম্প্রীতি জোট’-এর আহ্বায়ক হিসেবে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখছেন। রাজনীতির পাশাপাশি সমাজসেবা ও শিক্ষামূলক কাজেও তার অবদান অনস্বীকার্য। তিনি নাইক্ষ্যংছড়ি তরুণ প্রজন্ম ব্লাড ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা এবং পার্বত্য চট্টগ্রামে সংগীত শিক্ষা ও গণপাঠাগারসহ বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগের সাথে সরাসরি যুক্ত।

    ​বান্দরবানের সাধারণ মানুষের মতে, জেলার সার্বিক উন্নয়ন এবং শান্তি-সম্প্রীতি বজায় রাখতে একজন যোগ্য ও উন্নয়নমুখী নেতৃত্বের বিকল্প নেই। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা এবং সামাজিক গ্রহণযোগ্যতার কারণে ইঞ্জিনিয়ার থোয়াইচিং মং চাক জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পেলে জেলার চিত্র বদলে যাবে বলে অনেকে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

    ​বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও তাকে নিয়ে ব্যাপক প্রচারণা চলছে। সংশ্লিষ্ট মহলের সিদ্ধান্তের দিকে তাকিয়ে আছেন বান্দরবানবাসী।

  • দীঘিনালায় আগুনে নয়টি দোকান পুড়ে ছাই

    দীঘিনালায় আগুনে নয়টি দোকান পুড়ে ছাই

    খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলার পাবলাখালী ইউনিয়নের শান্তিপুর এলাকায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৯টি দোকান পুড়ে গেছে। শনিবার ১১ এপ্রিল রাত ১২টা ১৫ মিনিটের দিকে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একটি মুদির দোকানে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে আশপাশের দোকানগুলোও দাউ দাউ করে জ্বলতে থাকে।
    খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস, ৭ বিজিবি এবং সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে সম্মিলিতভাবে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন। অগ্নিকাণ্ডে মোট ৯টি দোকান পুড়ে যায় এবং এতে আনুমানিক ১৭ লাখ ৫০ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে। ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে রয়েছেন—সুজিত ময় তালুকদার (চায়ের দোকান), উৎপল দেওয়ান (দোকান ও বসতঘর), পূর্ণিমা জয় চাকমা (মুদির দোকান), সোহেল চাকমা (সেলুন), রাজিব চাকমা (অটো গ্যারেজ), অমিত লাল চাকমা (একতা ডেকোরেটর), পরম তাপস চাকমা (মুদির ও চায়ের দোকান), শুভঙ্কর চাকমা (মুদির দোকান) এবং চয়নিকা চাকমা (কুলিং কর্নার)।
    এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা দ্রুত সরকারি সহায়তার দাবি জানিয়েছেন

  • ত্রিশালের উন্নয়ন শুরু সংসদ সদস্য  ডা: লিটনের ৩ মেগা প্রকল্প  -উন্নয়নে বদলে যাবে উপজেলার চিত্র

    ত্রিশালের উন্নয়ন শুরু সংসদ সদস্য ডা: লিটনের ৩ মেগা প্রকল্প -উন্নয়নে বদলে যাবে উপজেলার চিত্র

    একটি আধুনিক নিরাপদ ও উন্নত জনপদ গড়ার অঙ্গীকার নিয়ে ত্রিশালের টেকসই উন্নয়নে সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন জাতীয় সংসদ সদস্য ডাঃ মাহবুবুর রহমান লিটন। বিশেষ করে অবহেলিত জনপদের যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং জননিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে তিনটি মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নের রূপরেখা প্রকাশ করেছেন তিনি। ডাঃ লিটন জানান, একটি উন্নত জনপদ গড়ার পূর্বশর্ত হলো নিরাপদ যোগাযোগ এবং সুশৃঙ্খল আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি। সাধারণ মানুষের ভালোবাসার মর্যাদা রক্ষা করতেই তিনি প্রতিটি ইউনিয়নের অবকাঠামোগত উন্নয়নে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। এরই ধারাবাহিকতায় আসন্ন ৩টি অগ্রাধিকারমূলক প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

    ব্রহ্মপুত্র নদের তীরের অবহেলিত জনপদের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি দূর করতে ‘বালিপাড়া-চর মাদাখালী ব্রিজ’ নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এই ব্রিজটি নির্মিত হলে যোগাযোগ বিড়ম্বনা দূর হওয়ার পাশাপাশি ওই অঞ্চলের অর্থনৈতিক চিত্র আমূল বদলে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। এটি হবে চরাঞ্চলের মানুষের জন্য এক বড় মাইলফলক। এছাড়াও বৈলর ধানীখোলা হয়ে পার্শ্ববর্তী ফুল বাড়ীয়া উপজেলায় যাতায়াতের রাস্তায় ধানীখোলা বাজারের পাশে সুতিয়া নদীর উপর গুরুত্বপূর্ণ সংযোগস্থলের ব্রিজ টির বর্তমান জড়াজীর্ণ দশা দূর করতে একটি আধুনিক ও প্রশস্ত সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

    এই সেতুটি স্থানীয় ব্যবসা-বাণিজ্য ও যাতায়াতেই শুধু নতুন গতির সঞ্চার করবে না এটি শিল্পায়নের পথ সুগম করবে্ তা ছাড়া তিশার উপজেলার সাথে ফুলবাড়িয়া উপজেলার সংযোগ ও হবে । জনসংখ্যা ও ভৌগোলিক গুরুত্ব বিবেচনায় বালিপাড়ায় একটি স্থায়ী পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপন করা এখন সময়ের দাবি। জনমালের নিরাপত্তা ও দ্রুত আইনি সেবা নিশ্চিত করতে এই প্রকল্পটি ডাঃ লিটনের অগ্রাধিকার তালিকার শীর্ষে রয়েছে।

    এমপি ডাঃ লিটন বলেন,জনপ্রতিনিধি হিসেবে প্রতিটি কাজের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করাই আমার বড় সফলতা। আপনাদের দোয়া ও সমর্থন নিয়ে আমরা একটি আধুনিক, নিরাপদ ও উন্নত ত্রিশাল গড়ে তুলবো ইনশাআল্লাহ। এসব মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নের খবরে স্থানীয় সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। এলাকাবাসীর মতে, এই পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়িত হলে ত্রিশাল মডেল উপজেলা হিসেবে সারা দেশে সমাদৃত হবে।

  • বসন্ত উৎসবে রঙিন কিশোরগঞ্জ উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়

    বসন্ত উৎসবে রঙিন কিশোরগঞ্জ উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়

    “হিমেল হাওয়ায় ফাগুনের গান,বসন্ত এলো রাঙ্গাতে প্রাণ” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে কিশোরগঞ্জ উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে আনন্দঘন পরিবেশে পালিত হয়েছে বসন্ত উৎসব ১৪৩২।

    বৃহস্পতিবার (০৯ এপ্রিল) সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এ উৎসবের আয়োজন করা হয়।

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদ, কিশোরগঞ্জের প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল খান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা শিক্ষা অফিসার শামছুন নাহার মাকছুদা। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি মাসুদুল হাসান।

    স্বনামধন্য এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি কিশোরগঞ্জের প্রাণকেন্দ্র ইশাখাঁ রোডে অবস্থিত। অনুষ্ঠানের শুরুতে বিদ্যালয়ের কোমলমতি শিক্ষার্থীরা অতিথিদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেয়। পরে, অতিথিরা শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন।

    বক্তব্যে অতিথিরা বলেন, পাঠ্যবইয়ের পাশাপাশি সংস্কৃতি চর্চা শিক্ষার্থীদের মানসিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বসন্ত উৎসবের মতো আয়োজন শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা ও দেশীয় সংস্কৃতির প্রতি ভালোবাসা বাড়াতে সহায়ক।

    অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক পর্ব। এতে বিদ্যালয়ের বিভিন্ন শ্রেণির শিক্ষার্থীরা নৃত্য, গান, আবৃত্তিসহ নানা পরিবেশনায় অংশগ্রহণ করে। পুরো অনুষ্ঠানজুড়ে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ।

    দিনব্যাপী এই বসন্ত উৎসব আনন্দ-উচ্ছ্বাসের মধ্য দিয়ে শেষ হয়, যা শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের মাঝে দারুণ সাড়া ফেলে।

  • খাগড়াছড়িতে ইউপিডিএফ সদস্যকে গুলি করে হত্যা

    খাগড়াছড়িতে ইউপিডিএফ সদস্যকে গুলি করে হত্যা

    খাগড়াছড়িতে ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের (ইউপিডিএফ-প্রসীত খীসা) গ্রুপের সদস্য নিউটন চাকমা ওরফে নির্মল (৪৭) কে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। এই হত্যাকাণ্ডের জন্য ইউপিডিএফ-গণতান্ত্রিক পক্ষকে দায়ী করেছে ইউপিডিএফ-প্রসীত গ্রুফ। আজ বুধবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে সদর উপজেলার খাগড়াছড়ি ইউনিয়নের আকবাড়ি এলাকায় একটি দোকানের পাশে নিউটনকে হত্যা করা হয়। নিহত নিউটন রাঙামাটি সদর উপজেলার মগবান ইউনিয়নের গবঘোনা গ্রামের মৃত সোনাধন চাকমার ছেলে। তিনি খাগড়াছড়ির মহালছড়ি উপজেলার সদর ইউনিয়নের যৌথ খামার এলাকায় পরিবার নিয়ে বসবাস করতেন। ইউপিডিএফ-প্রসীত পক্ষের মুখপাত্র অংগ্য মারমা বলেন, ‘আজ সকালে নিউটন চাকমাসহ ইউপিডিএফের দুজন সদস্য সাংগঠনিক কাজে আকবাড়ি এলাকায় যান। সেখানে অবস্থানকালে মাইসছড়ির দিক থেকে মোটরসাইকেলে করে আসা ৮ জনের একটি সশস্ত্র দল অতর্কিতে তাদের ওপর হামলা চালায়। হামলার সময় একজন পালিয়ে প্রাণে বাঁচলেও নিউটন চাকমা গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই নিহত হন।’ অংগ্য মারমা আরও বলেন,‘ইউপিডিএফ-গণতান্ত্রিক এই হত্যার সঙ্গে জড়িত। দলটির সদস্য অজিত চাকমার নেতৃত্বে এ হামলা চালানো হয়।’ তবে ইউপিডিএফ-গণতান্ত্রিক দলের কেন্দ্রীয় সংগঠক অমর জ্যোতি চাকমা এ ঘটনার সঙ্গে তাঁদের দলের সম্পৃক্ততা বিষয়টি অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, ‘এ ঘটনার সঙ্গে আমাদের কোনো সম্পর্ক নেই। এটি তাদের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের ফল হতে পারে। পাহাড়ে অনেকগুলো সংগঠন আছে। তাদের কেউ এ ঘটনা ঘটাতে পারে।’ খাগড়াছড়ি সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কায় কিসলু বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যাচ্ছে এবং লাশ উদ্ধারের প্রক্রিয়া চলছে। তিনি বলেন, লাশ উদ্ধারের পর তদন্তের মাধ্যমে হত্যার প্রকৃত কারণ উদ্‌ঘাটন করা হবে। গত ২৭ মার্চ পানছড়ি উপজেলায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে মারা যান ইউপিডিএফ-গণতান্ত্রিক দলের নেতা নীতিদত্ত চাকমা (৪০)। তিনি সংগঠনটির পানছড়ি উপজেলার সমন্বয়ক ছিলেন। এ ঘটনার জন্য ইউপিডিএফ-গণতান্ত্রিক ইউপিডিএফ–প্রসীত পক্ষকে দায়ী করেছে। উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের ১৫ নভেম্বর প্রসীত খীসার নেতৃত্বাধীন ইউপিডিএফ ভেঙে একদল নেতা-কর্মী ইউপিডিএফ (গণতান্ত্রিক) নামের নতুন রাজনৈতিক দল গঠন করেন

  • সিন্দুকছড়ি জোনের অভিযানে দেশীয় অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার

    সিন্দুকছড়ি জোনের অভিযানে দেশীয় অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার

    খাগড়াছড়ির গুইমারা সিন্দুকছড়ি জোনের অন্তর্গত কুকিছড়াপাড়া এলাকায় এক ঝটিকা অভিযান চালিয়ে দেশীয় অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করেছে সেনাবাহিনী। আজ বুধবার ৮ এপ্রিল ভোরে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, ইউপিডিএফ (মূল) দলের ১০-১৫ জনের একটি সশস্ত্র গ্রুপ কুকিছড়াপাড়ার একটি বাড়িতে অবস্থান করছে। এই সংবাদের ভিত্তিতে সিন্দুকছড়ি জোনের নেতৃত্ব, সিন্দুকছড়ি, মহালছড়ি ও মাটিরাঙা জোনের সমন্বয়ে গঠিত সেনাবাহিনীর একটি বিশেষ দল ওই এলাকায় ‘কর্ডন অ্যান্ড সার্চ’ অপারেশন পরিচালনা করা হয়েছে। সেনাবাহিনীর তল্লাশি দল ইউপিডিএফ এর পোস্ট পরিচালক তনিমং মারমার বাসভবন ঘেরাও করার সময় সেখানে অবস্থানরত দুই জন ইউপিডিএফ (মূল) সদস্য দৌড়ে নিকটস্থ ছড়ায় ঝাঁপ দেয়। অন্ধকারের সুযোগ নিয়ে তারা পাহাড়ি জঙ্গলে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। সেনাসদস্যরা তাদের পিছু ধাওয়া করলেও দূর্গম ভূপ্রকৃতির কারণে তাদের আটক করা সম্ভব হয়নি। পরবর্তীতে উক্ত বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে সেনাবাহিনী ০১টি দেশীয় পিস্তল, ০১টি দেশীয় পাইপ গান, ০৬ রাউন্ড পিস্তলের অ্যামোনিশন (গুলি) , ০২ রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। পাহাড়ের শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের দমনে সিন্দুকছড়ি জোনের এ ধরণের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে। উদ্ধারকৃত অস্ত্র ও সরঞ্জামাদি পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

  • পুলিশ লাইন্স হাই স্কুলে মাইক্রো স্কিল প্যাকেজ মেলা- ২০২৬ অনুষ্ঠিত

    পুলিশ লাইন্স হাই স্কুলে মাইক্রো স্কিল প্যাকেজ মেলা- ২০২৬ অনুষ্ঠিত

    মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা (মাউশি) অধিদপ্তর এবং ইউনিসেফ- এর যৌথ উদ্যোগ ও সহযোগিতায় শিক্ষার্থীদের জন্য তৈরি করা হয়েছে একটি বিশেষ শেখার প্যাকেজ- ‘মাইক্রো স্কিল’।

    মাইক্রো স্কিল হলো এমন কিছু ছোট ছোট রুপান্তরযোগ্য দক্ষতা, যা কিশোর-কিশোরীদের ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত হতে সাহায্য করবে।
    সোমবার( ০৬ এপ্রিল) বিকেলবেলা ৩:৩০ মিনিটে কিশোরগঞ্জ পুলিশ লাইন্স হাই স্কুলে মাইক্রো স্কিল প্যাকেজ মেলা-২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়।
    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার ড. এস. এম. ফরহাদ হোসেন মহোদয়। পুলিশ সুপার মহোদয় মাইক্রো স্কিল প্যাকেজ মেলা পরিদর্শন করেন এবং স্কুলের শিক্ষার্থীরা তাদের তৈরী বিভিন্ন শিল্প প্রদর্শন করেন। পুলিশ সুপার মহোদয় শিক্ষার্থীদের এমন সৃষ্টিশীল মেধার প্রশংসা করেন এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে আর্থিক উপহার প্রদান করেন। পরিশেষে পুলিশ সুপার মহোদয় ভবিষ্যতে এমন সৃষ্টিশীল বিভিন্ন উৎসব এর ধারাবাহিকতা বজায় রাখার আহ্বান করেন।

    উক্ত মেলায় আরো উপস্থিত ছিলেন জনাব উরুবান আতরাবা তামান্না- সভানেত্রী পুনাক কিশোরগঞ্জ। পুলিশ লাইন্স কেন্দ্রীক বিভিন্ন সিনিয়র কর্মকর্তাগন, স্কুলের সম্মানিত শিক্ষকবৃন্দ এবং যাদেরকে কেন্দ্র করে আজকের এই মাইক্রো স্কিল প্যাকেজ মেলা সেই কোমলমতি শিক্ষার্থীরা।

    মেলায় আগত অতিথিগন বিভিন্ন স্টল ঘুরে দেখেন এবং সরাসরি প্রশিক্ষণ সংক্রান্ত তথ্য গ্রহণ করেন।আয়োজকরা জানান, ভবিষ্যতেও এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত থাকবে,যেন শিক্ষার্থীরা প্রযুক্তিনির্ভর দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে দেশের উন্নয়নে অবদান রাখতে পারে।

  • লংগদু জোনের মানবিক উদ্যোগে রসুলপুর এলাকায়  ডিপ টিউবওয়েল স্থাপন

    লংগদু জোনের মানবিক উদ্যোগে রসুলপুর এলাকায় ডিপ টিউবওয়েল স্থাপন

    রাঙামাটির লংগদু উপজেলার রসুলপুর এলাকায় লংগদু জোনের তত্ত্বাবধানে এবং ইউএনডিপি’র সহায়তায় স্থানীয় জনগণের জন্য বিশুদ্ধ পানি নিশ্চিতকরণ ও পানি সংকট নিরসনের লক্ষ্যে ধারাবাহিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে দ্বিতীয় ডিপ টিউবওয়েল স্থাপনের উদ্বোধন করা হয়েছে। উক্ত কার্যক্রম লে: কর্নেল মীর মোর্শেদ, এসপিপি, পিএসসি, জোন কমান্ডার, লংগদু জোন এর সার্বিক দিক নির্দেশনায় ক্যাপ্টেন রাফিউল হাসান রাফাত, লংগদু জোন আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন।

    ডিপ টিউবওয়েল স্থাপনের ফলে উক্ত এলাকার প্রায় ১২০ টি পরিবার (বাঙালি) নিরাপদ ও বিশুদ্ধ পানি ব্যবহারের সুযোগ পাবে, যা জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

    উদ্বোধনকালে ক্যাপ্টেন রাফিউল হাসান রাফাত উপস্থিত স্থানীয় জনগণের সাথে মতবিনিময় করেন এবং পানি ব্যবহারের সঠিক পদ্ধতি ও টিউবওয়েলের দীর্ঘমেয়াদি রক্ষণাবেক্ষণ বিষয়ে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

    তিনি বলেন, লংগদু জোন সর্বদা স্থানীয় জনগণের কল্যাণ, সামাজিক সম্প্রীতি এবং উন্নয়ন কার্যক্রমে সক্রিয়ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের মানবিক উদ্যোগের মাধ্যমে এলাকার মানুষের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।

    উল্লেখ্য, লংগদু জোন নিয়মিতভাবে বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ড বাস্তবায়নের মাধ্যমে স্থানীয় জনগণের আস্থা ও বিশ্বাস অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। এই উদ্যোগও সেই ধারাবাহিক প্রচেষ্টারই অংশ, যা সেনাবাহিনী ও স্থানীয় জনগণের পারস্পরিক সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করবে বলে প্রত্যাশা করা যায়।