মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ০১:২৫ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
জীবননগরে জামায়াত কর্মী হত্যা মামলায় প্রধান আসামি গ্রেপ্তার জনস্বার্থে হোসেনপুর পৌর প্রশাসনের বিশেষ অভিযান ও নির্দেশনা পার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ানকে জাতীয়তাবাদী তৃণমুল দলের ফুলের শুভেচ্ছা টিকটকের প্রেমে ময়মনসিংহের তরুণীকে পাংশায় ডেকে সংঘবদ্ধ ধর্ষন,থানায় মামলা ঢালারচর উছওয়াতুন হাসানা হাফিজিয়া মাদরাসার দুরাবস্থা জামায়াত নেতার মৃত্যুর প্রতিবাদে জীবননগরে বিক্ষোভ, ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম ত্রিশালে ধানের শীষের বিজয়ের নেপথ্যের আরেক নায়ক এনামুল হক ভুঁইয়া কবি নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় মাদক সেবনের অভিযোগে মোবাইল কোর্টে গ্রেফতার ২ বালিয়াকান্দিতে অগাছা মারার বিষ দিয়ে২৫ একর জমির পেঁয়াজ ক্ষেত নষ্ট জীবন নগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ঝাড়ু হাতে পরিষ্কার অভিযানে এমপি রুহুল আমিন

জীবননগরে জামায়াত কর্মী হত্যা মামলায় প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

জীবননগর (চুয়াডাঙ্গা) প্রতিনিধিঃ
  • আপডেটের সময়: সোমবার, ২ মার্চ, ২০২৬
  • ৩৪ সময় দেখুন
জীবননগরে জামায়াত কর্মী হত্যা মামলায় প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার হাসাদাহে পূর্ব বিরোধের জেরে জামায়াত ও বিএনপি মধ্যে সংঘর্ষে জামায়াত কর্মী হাফিজুর রহমানের মৃত্যুর ঘটনায় প্রধান আসামি মেহেদী হাসানকে (৩৫) গ্রেপ্তার করেছে ডিবি পুলিশ। আজ সোমবার সকালে চুয়াডাঙ্গা জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের একটি দল দামুড়হুদা উপজেলার জয়রামপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে। মেহেদী হাসাদহ বাজার পাড়ার জসীমউদ্দীনের ছেলে।
ডিবি পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, গ্রেপ্তার মেহেদী হাসানকে সোমবার দুপুরে আদালতে সোপর্দ করা হলে আদালত তাকে চুয়াডাঙ্গা জেলা কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন।
জানা গেছে, হাফিজুর রহমান হত্যা মামলার ঘটনায় তার ভাই আমির হোসেন ৯ জনের নাম উল্লেখ করে জীবননগর থানায় একটি এজহার দিয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে জীবননগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সোলায়মান সেখকে ফোন করা হলে তিনি ধরেননি।
এ বিষয়ে সহকারী পুলিশ সুপার (দামুড়হুদা ও জীবননগর সার্কেল) মো. আনোয়ারুল কবীর বলেন, হাসাদাহের ঘটনায় রোববার এজহার হয়েছে। ওটা মামলা রেকর্ডের প্রক্রিয়া চলমান। কতজন আসামি জানতে চাইলে তিনি বলেন, এজহার দেখতে হবে। খুব সম্ভব ৯ জন এজহারনামীয় আসামি। আর ৭-৮ জন অজ্ঞাতনামা আসামি। হত্যা মামলা হচ্ছে।
এর আগে গত শনিবার রাতে থানায় অভিযোগ দিতে গিয়ে হামলার শিকার হন হাসাদাহ ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম মাষ্টার ও মেহেদীর বাবা জসীমউদ্দীন। পরে তাদের ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। এ বিষয়ে জানতে চাইলে সহকারী পুলিশ সুপার (দামুড়হুদা ও জীবননগর সার্কেল) মো. আনোয়ারুল কবীর বলেন, থানাতে হামলা হয়েছে বলতে, একজন জসিম ওনাকে আটক করা হয়েছিল। থানা-পুলিশ আটক করেছিল। আরেকজন সম্ভবত থানায় গিয়েছিল ওনাকে সম্ভবত জামায়াতের লোকজন জাপটে ধরেছিল। ওসি সাহেব আমাকে এমনটি বলেছিল। পরে তাদের ৫৪-এ চালান দিয়েছিলাম। তারা দুজনই এজহারনামীয় আসামি। আজকে যে এজহার দায়ের হয়েছে তারা সেখানে এজহারনামীয় আসামি। একজন ৬ নম্বর আসামি আরেকজন ৯ নম্বর আসামি।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2025 রংধনুটিভি
ESAITBD Sof-Lab UAE/BD