বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:৪২ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
জাককানইবি এর শিক্ষার্থী বহিরাগতদের হাতে মারধরের ঘটনায় মুচলেকা ও ক্ষমা প্রার্থনা উৎসব মুখর পরিবেশে খাগড়াছড়িতে পহেলা বৈশাখ উদযাপন রাজবাড়ীর পাংশায় ঐতিহ্যবাহী ঘোড়দৌড় দেখতে দর্শকের ঢল জীবননগরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান অবৈধ মজুতের দায়ে জরিমানা নান্দাইলে এমপি’র বিশেষ সহকারী হিসেবে সাদ্দাম হোসেনের নিয়োগ চেঙ্গী নদীতে ফুল বিজুর মধ্য দিয়ে খাগড়াছড়িতে বৈসাবি শুরু পানছড়ি সীমান্তে বিজিবির অভিযানে বিপুল গোলা বারুদ উদ্ধার চরশোলাকিয়ায় চলাচলের রাস্তা দখল নিয়ে উত্তেজনা, প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ ইঞ্জিনিয়ার থোয়াইচিং মং চাককে বান্দরবান জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান হিসেবে, দেখতে চায় সর্বস্তরের মানুষ দীঘিনালায় আগুনে নয়টি দোকান পুড়ে ছাই

জীবননগরে জামায়াত কর্মী হত্যা মামলায় প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

জীবননগর (চুয়াডাঙ্গা) প্রতিনিধিঃ
  • আপডেটের সময়: সোমবার, ২ মার্চ, ২০২৬
  • ১৭৭ সময় দেখুন
জীবননগরে জামায়াত কর্মী হত্যা মামলায় প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার হাসাদাহে পূর্ব বিরোধের জেরে জামায়াত ও বিএনপি মধ্যে সংঘর্ষে জামায়াত কর্মী হাফিজুর রহমানের মৃত্যুর ঘটনায় প্রধান আসামি মেহেদী হাসানকে (৩৫) গ্রেপ্তার করেছে ডিবি পুলিশ। আজ সোমবার সকালে চুয়াডাঙ্গা জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের একটি দল দামুড়হুদা উপজেলার জয়রামপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে। মেহেদী হাসাদহ বাজার পাড়ার জসীমউদ্দীনের ছেলে।
ডিবি পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, গ্রেপ্তার মেহেদী হাসানকে সোমবার দুপুরে আদালতে সোপর্দ করা হলে আদালত তাকে চুয়াডাঙ্গা জেলা কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন।
জানা গেছে, হাফিজুর রহমান হত্যা মামলার ঘটনায় তার ভাই আমির হোসেন ৯ জনের নাম উল্লেখ করে জীবননগর থানায় একটি এজহার দিয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে জীবননগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সোলায়মান সেখকে ফোন করা হলে তিনি ধরেননি।
এ বিষয়ে সহকারী পুলিশ সুপার (দামুড়হুদা ও জীবননগর সার্কেল) মো. আনোয়ারুল কবীর বলেন, হাসাদাহের ঘটনায় রোববার এজহার হয়েছে। ওটা মামলা রেকর্ডের প্রক্রিয়া চলমান। কতজন আসামি জানতে চাইলে তিনি বলেন, এজহার দেখতে হবে। খুব সম্ভব ৯ জন এজহারনামীয় আসামি। আর ৭-৮ জন অজ্ঞাতনামা আসামি। হত্যা মামলা হচ্ছে।
এর আগে গত শনিবার রাতে থানায় অভিযোগ দিতে গিয়ে হামলার শিকার হন হাসাদাহ ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম মাষ্টার ও মেহেদীর বাবা জসীমউদ্দীন। পরে তাদের ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। এ বিষয়ে জানতে চাইলে সহকারী পুলিশ সুপার (দামুড়হুদা ও জীবননগর সার্কেল) মো. আনোয়ারুল কবীর বলেন, থানাতে হামলা হয়েছে বলতে, একজন জসিম ওনাকে আটক করা হয়েছিল। থানা-পুলিশ আটক করেছিল। আরেকজন সম্ভবত থানায় গিয়েছিল ওনাকে সম্ভবত জামায়াতের লোকজন জাপটে ধরেছিল। ওসি সাহেব আমাকে এমনটি বলেছিল। পরে তাদের ৫৪-এ চালান দিয়েছিলাম। তারা দুজনই এজহারনামীয় আসামি। আজকে যে এজহার দায়ের হয়েছে তারা সেখানে এজহারনামীয় আসামি। একজন ৬ নম্বর আসামি আরেকজন ৯ নম্বর আসামি।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2025 রংধনুটিভি
ESAITBD Sof-Lab UAE/BD