শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:১১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
খাগড়াছড়িতে গণমাধ্যম কর্মীদের সাথে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও সদস্যদের মতবিনিময় ‎৮০০ টাকা পূঁজি থেকে দুই প্রতিষ্ঠানের কর্ণধার কেন্দুয়ার কামালের জীবন কথা শেরপুরের কৃতি সন্তান ডা. আসাদুজ্জামানের চিকিৎসা সেবায় সকল নাগরিক ও রোগীরা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। গোয়ালন্দে সোয়া কোটি টাকার সড়কে দুই মাসেই ধস, নিম্নমানের কাজের অভিযোগ রাজবাড়ী প্রধান ডাকঘরের পোস্ট মাস্টার সহ ৭ কর্মচারীর বিরুদ্ধে কোটি টাকার দুর্ণীতির মামলা দুই মাসের মধ্যে রংপুর মেডিকেল সার্বিক পরিবর্তন আনা হবে- দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী সরকার ও বিএনপিতে বড় রদবদলের আভাস ১০লাখ টাকার ড্রেন নির্মানের ৭ দিনের মধ্যেই ভেঙ্গে বন্ধ প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক সেনাসদর নির্বাচনী পর্ষদ-২০২৬ এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন নকলা পৌরসভা নির্বাচন প্রার্থীদের প্রচারণা শুরু

জীবননগরে জামায়াত কর্মী হত্যা মামলায় প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

জীবননগর (চুয়াডাঙ্গা) প্রতিনিধিঃ
  • আপডেটের সময়: সোমবার, ২ মার্চ, ২০২৬
  • ৩৮৮ সময় দেখুন
জীবননগরে জামায়াত কর্মী হত্যা মামলায় প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার হাসাদাহে পূর্ব বিরোধের জেরে জামায়াত ও বিএনপি মধ্যে সংঘর্ষে জামায়াত কর্মী হাফিজুর রহমানের মৃত্যুর ঘটনায় প্রধান আসামি মেহেদী হাসানকে (৩৫) গ্রেপ্তার করেছে ডিবি পুলিশ। আজ সোমবার সকালে চুয়াডাঙ্গা জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের একটি দল দামুড়হুদা উপজেলার জয়রামপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে। মেহেদী হাসাদহ বাজার পাড়ার জসীমউদ্দীনের ছেলে।
ডিবি পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, গ্রেপ্তার মেহেদী হাসানকে সোমবার দুপুরে আদালতে সোপর্দ করা হলে আদালত তাকে চুয়াডাঙ্গা জেলা কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন।
জানা গেছে, হাফিজুর রহমান হত্যা মামলার ঘটনায় তার ভাই আমির হোসেন ৯ জনের নাম উল্লেখ করে জীবননগর থানায় একটি এজহার দিয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে জীবননগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সোলায়মান সেখকে ফোন করা হলে তিনি ধরেননি।
এ বিষয়ে সহকারী পুলিশ সুপার (দামুড়হুদা ও জীবননগর সার্কেল) মো. আনোয়ারুল কবীর বলেন, হাসাদাহের ঘটনায় রোববার এজহার হয়েছে। ওটা মামলা রেকর্ডের প্রক্রিয়া চলমান। কতজন আসামি জানতে চাইলে তিনি বলেন, এজহার দেখতে হবে। খুব সম্ভব ৯ জন এজহারনামীয় আসামি। আর ৭-৮ জন অজ্ঞাতনামা আসামি। হত্যা মামলা হচ্ছে।
এর আগে গত শনিবার রাতে থানায় অভিযোগ দিতে গিয়ে হামলার শিকার হন হাসাদাহ ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম মাষ্টার ও মেহেদীর বাবা জসীমউদ্দীন। পরে তাদের ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। এ বিষয়ে জানতে চাইলে সহকারী পুলিশ সুপার (দামুড়হুদা ও জীবননগর সার্কেল) মো. আনোয়ারুল কবীর বলেন, থানাতে হামলা হয়েছে বলতে, একজন জসিম ওনাকে আটক করা হয়েছিল। থানা-পুলিশ আটক করেছিল। আরেকজন সম্ভবত থানায় গিয়েছিল ওনাকে সম্ভবত জামায়াতের লোকজন জাপটে ধরেছিল। ওসি সাহেব আমাকে এমনটি বলেছিল। পরে তাদের ৫৪-এ চালান দিয়েছিলাম। তারা দুজনই এজহারনামীয় আসামি। আজকে যে এজহার দায়ের হয়েছে তারা সেখানে এজহারনামীয় আসামি। একজন ৬ নম্বর আসামি আরেকজন ৯ নম্বর আসামি।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2025 রংধনুটিভি
ESAITBD Sof-Lab UAE/BD