লালমনিরহাট ২ সংসদীয় আসন আদিতমারী ও কালীগঞ্জে আসনটি ১২ বছর পরে উদ্ধার করতে যাচ্ছি জনতার দলের চেয়ারম্যান চেয়ারম্যান বিগ্রেডিয়ার জেনারেল শামীম কামাল
লালমনিরহাট ২ সংসদীয় আসন আদিতমারী ও কালীগঞ্জ উপজেলার ১৬ টি ইউনিয়নে ৭ বারের সাবেক এমপি মরহুম আলহাজ্ব মুজিবুর রহমান এমপি পুত্র বিগ্রেডিয়ার জেনারেল অবসরপ্রাপ্ত শামীম কামাল ১২ বছর পড়ে পিতা আসনটি ফিরিয়ে নিতে মাঠ পর্যায়ে কাজ করে যাচ্ছে।
১২ বছর পূর্বে একাধারে সাতবারের এমপি ৩৫ বছর ধরে তার পিতার দখলে ছিল লালমনিরহাট ২ সংসদীয় আসনটি।
পিতা আলহাজ্ব মুজিবুর রহমান এমপির মৃত পরে এই আসনটি আওয়ামীলীগের এমপি নুরুজ্জামান আহমেদ বিনা ভোটে এমপি নির্বাচিত হয়েছেন পরে সমাজ কল্যাণ মন্ত্রী দায়িত্ব পালন করেন।
স্বাধীন পরে এই আসনটি মরহুম আলহাজ্ব মুজিবুর রহমান এমপি দখলে ছিল সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ ৮ম বারের মতো জাতীয় সংসদ নির্বাচন না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলে ৭ বারের এমপি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ায় পরে বিনা ভোটে আওয়ামী লীগের প্রার্থী এমপি নির্বাচিত হয়েছেন।
পরে একটানা ১২ বছর আওয়ামী লীগ এই আসনটি ধরে রেখেছেন ।
৭ বারের এমপি পুত্র সেনাবাহিনী বিগ্রেডিয়ার জেনারেল পদে কর্মরত থাকাকালীন সময়ে আওয়ামী লীগ সরকার পালিয়ে গেলে তিনি স্বেচ্ছায় চাকুরী ছেড়ে দিয়ে তার পিতার আসনটি উদ্ধার করতে মাঠ পর্যায়ে কাজ করে যাচ্ছে।
চাকুরী করা কালীন সময়ে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয় করণ সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিজ উদ্যোগে অর্থ সহায়তা প্রদান করেছিলেন সেই সাথে আদিতমারী উপজেলা মহিষখোচা ইউনিয়নের ৫৬ কোট টাকা ব্যয়ে বাঁধ নির্মাণ করেছেন ।
দেশ স্বাধীনের পরে এই আসনটি ১ম স্থান থাকতেন জাতীয় পার্টির, দ্বিতীয় স্থানে থাকতেন আওয়ামী লীগ, তৃতীয় স্থানে থাকতেন বিএনপি, চতুর্থ স্থানে থাকতেন ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলন, পঞ্চম স্থানে থাকতেন জামায়াতের ইসলামী ।
৭ বারের এমপি পুত্র বিগ্রেডিয়ার জেনারেল শামীম কামাল কে তার পিতার অনুসারীদের চাপের মুখে চাকরি ছেড়ে দিয়ে জনগণের সেবক হিসেবে কাজ করতে বলেন ,জনগণের চাপের মুখে স্বেচ্ছায় চাকুরী ছেড়ে দিয়ে রাজনৈতিক করতে চলে আসেন।
বিভিন্ন দলের যোগ দেওয়ার প্রস্তাব আসলে তিনি কোন দলে যোগদান না দিয়ে নিজেই জনতার দল গঠন করে কলম প্রতীক নিয়ে নির্বাচন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
এই আসনটি দলমত নির্বিশেষে জনতার দলের চেয়ারম্যান কে কলম প্রতীক ভোট দিয়ে নির্বাচিত করবেন বলে সাধারণ ভোটারদের মতামত প্রকাশ করেন।
আওয়ামী লীগ মাঠে না থাকায় এবং জাতীয় পার্টি দুর্বল প্রার্থী থাকায় দুই দলের ভোট এবং তার পিতার অনুসারীদের ভোট জনতার দলের পক্ষে যাবে বলে জানিয়েছেন সাধারণ ভোটাররা। এই আসনটি মিথ্যা মামলা ও পুলিশের হয়রানি ও গ্রেফতার এড়াতে বিএনপি প্রার্থী পক্ষে অবস্থান নিলেও জনতার দলের পক্ষে যাবে ভোট, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক শতাধিক বিভিন্ন দলের নেতারা মন্তব্য করেন ।
০৩ নং কমলা বাড়ী ইউনিয়নের শুধু মাত্র বিএনপির ভোট ব্যাংক সৃষ্টি করেছিল বিএনপির প্রার্থী রোকনউদ্দিন বাবুল ।
সেই ভোট ব্যাংক ভাঙতে শুরু করেছে জনতার দলের কলম মার্কা প্রতীক।
দুই উপজেলার ১৬ টি ইউনিয়নে মধ্যে শুধু মাত্র ০৩ নং কমলা বাড়ী ইউনিয়ন টি একটু ব্যতিক্রম গত আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক মন্ত্রী কোন উন্নয়ন করেনি । ১৬ টি ইউনিয়নে মধ্যে শুধু মাত্র একটি ইউনিয়নের চিত্র তুলে ধরা হলো কমলা বাড়ী ইউনিয়নের যা উন্নয়ন করেছেন ৭ বারের এমপি মরহুম আলহাজ্ব মুজিবুর রহমান এমপি, এলাকায় উন্নয়ন করেছে উন্নয়নের মধ্যে রাস্তা পাকা করণ, চারটি বড় সেতু নির্মাণ, স্কুল কলেজের নতুন ভবন নির্মাণ, ইউনিয়ন পরিষদ ভবন নির্মাণ, ইউনিয়নের মসজিদ নির্মাণ, কবরস্থান ,শ্মশান ঘাট নির্মাণ হাটবাজার সেট ঘড় নির্মাণ সহ বিভিন্ন উন্নয়ন করেছেন ।
মরহুম আলহাজ্ব মুজিবুর রহমান এমপি অনুপস্থিতে দীর্ঘদিন ১২ ধরে আওয়ামী লীগের প্রতিপক্ষ বিএনপি থাকায় ও একটি সাম্প্রতিক গোষ্ঠী অনেকে ক্ষুব্ধ হয়ে বিএনপির দিকে ঝুঁকে পড়েছে । এখন দেখা যাচ্ছে এই ইউনিয়নের বিএনপি’র দুর্গে হানা দিয়েছে সাবেক সাতবারের এমপির পুত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল অবসরপ্রাপ্ত শামীম কামাল, তার পিতার উন্নয়নের কাজগুলো প্রতিটি ভোটারের কাছে স্মরণ করিয়ে দিচ্ছেন মরহুম মুজিবুর রহমান এমপির বিশ্বস্ত ব্যক্তি বর্তমান জনতা দলের ০৩ নং কমলাবাড়ী ইউনিয়নের আহ্বায়ক আলহাজ্ব আব্দুল করিম। ইতিমধ্যেই প্রার্থীকে নিয়ে তার পিতার অনুসারীদের সাথে সাক্ষাৎ করিয়েছেন । প্রার্থীর পক্ষে সাধারণ ভোটাররা জনতা দলের কলম মার্কায় প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন । প্রচারণা অংশগ্রহণ করছে জনতার দলের কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান হাসিনা কামাল ।