Author: admin

  • শেরপুর-২ আসনে একই মঞ্চে ইশতেহার পাঠ করলেন ৪ প্রার্থী

    শেরপুর-২ আসনে একই মঞ্চে ইশতেহার পাঠ করলেন ৪ প্রার্থী

    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ২০২৬ উপলক্ষে শেরপুরের নালিতাবাড়ীতে প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থীদের নিয়ে নির্বাচনী ইশতেহার পাঠ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    সোমবার (২৬ জানুয়ারী) দুপুরে পৌরশহরের তারাগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার রেজওয়ানা আফরিন।

    এতে শেরপুর-২ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বি ৪ জন প্রার্থী তাদের নিজ নিজ ইশতেহার পাঠ করেন। এরমধ্যে- বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার ফাহিম চৌধুরী (ধানেরশীষ), জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মু. গোলাম কিবরিয়া (দাঁড়িপাল্লা) ইসলামী আন্দোলন মনোনীত প্রার্থী আব্দুল্লাহ আল কায়েস (হাতপাখা) এবং এবি পার্টি মনোনীত প্রার্থী আব্দুল্লাহ বাদশা (ঈগল) তাদের ইশতেহার পাঠ করেন।

    এ সময় আগামীর নকলা ও নালিতাবাড়ী উপজেলা নিয়ে প্রার্থীগণ তাদের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন। ইশতেহার পাঠ অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মাঝে সহকারী কমিশনার ভূমি ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আনিসুর রহমান, থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান, বিজিবির হাতিপাগার কোম্পানী কমান্ডার মোস্তাফিজুর রহমান নির্বাচনী আচরণবিধি সম্পর্কে বক্তব্য রাখেন।

    ইশতেহার পাঠ অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করেন উপজেলা প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ আবু সাঈম। অনুষ্ঠানে প্রার্থীদের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে বক্তারা অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ এবং শান্তিপূর্ণ নির্বাচন সম্পন্ন করার প্রত্যাশা ও অঙ্গীকার প্রকাশ করেন।

  • হোসেনপুর বিএনপিতে দীর্ঘদিনের দূরত্বের অবসান: ধানের শীষকে বিজয়ী করতে ঐক্যবদ্ধ শীর্ষ নেতারা

    হোসেনপুর বিএনপিতে দীর্ঘদিনের দূরত্বের অবসান: ধানের শীষকে বিজয়ী করতে ঐক্যবদ্ধ শীর্ষ নেতারা

    কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলা বিএনপিতে দীর্ঘদিনের অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও দূরত্বের অবসান ঘটিয়ে এক কাতারে শামিল হয়েছেন দলটির শীর্ষ নেতারা। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) রাতে কিশোরগঞ্জ জেলা শহরের আলম টাওয়ারে জেলা বিএনপির সভাপতি মো. শরিফুল আলমের বিশেষ উদ্যোগে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় এই ঐতিহাসিক ঐক্যের সূচনা হয়।

    ​আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীকে বিজয়ী করার লক্ষ্যে দলীয় নেতা-কর্মীদের সকল ভেদাভেদ ভুলে সুসংগঠিত হওয়ার আহ্বান জানানো হয় এই সভায়। জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে হোসেনপুরের বিবদমান পক্ষগুলো কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
    ​উপস্থিত ছিলেন যারা
    ​সভায় হোসেনপুর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান বিশিষ্ট শিল্পপতি জহিরুল ইসলাম মবিন, যুগ্ম আহ্বায়ক ও মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মো. রফিকুল ইসলাম, যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট মনজুরুল হক জুয়েল, সফিকুল ইসলাম কাঞ্চন, ঢাকা জজ কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ও যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট মনিরুল হক রাজন, সাবেক পৌর মেয়র ও যুগ্ম আহ্বায়ক এস এম মাহবুব রহমান, যুগ্ম আহ্বায়ক আবু বাক্কর সিদ্দিক বাক্কার এবং সাহেদল ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল হাসিম সবুজ উপস্থিত থেকে পারস্পরিক কৌশল বিনিময় করেন।

    ​তৃণমূলে আনন্দের জোয়ার
    ​দীর্ঘদিনের দূরত্ব ঘুচিয়ে নেতারা ঐক্যবদ্ধ হওয়ায় হোসেনপুর উপজেলা ও পৌর বিএনপির তৃণমূল নেতা-কর্মীদের মধ্যে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে। এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক সাদ্দাম হোসেন চাঁন মিয়া, ফরিদ মিয়া, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সিনিয়র সাংবাদিক মানছুরুল হক রবিন, সহ-সভাপতি শহিদ মিয়া, হোসেনপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম এবং সাধারণ সম্পাদক ও যুবদল নেতা মশিউর রহমান চন্দন।
    ​এছাড়াও স্বাগত জানিয়েছেন পৌর বিএনপির শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক আতাহার আলী মৃর্ধা মাসুদ, যুবদল নেতা শরিফুল ইসলাম ভূইয়া হিমেল, নাজমুল ফয়েজ টুটুল, ছাত্রদলের আহ্বায়ক আবু নাঈম, পৌর ছাত্রদলের সভাপতি মো. রাজিব আহম্মদ, কৃষকদলের সভাপতি আব্দুস সালাম, তাঁতী দলের শামছুল আলম পারভেজ, পৌর যুবদলের সভাপতি শরিফ আহম্মেদ এবং বিএনপি নেতা জহির মাস্টার, দায়েন্তাজ, জুলমত, গোলাপসহ অঙ্গ-সংগঠনের অসংখ্য নেতা-কর্মী।
    ​নেতৃবৃন্দের বক্তব্য
    ​বৈঠক শেষে নেতারা জানান, ব্যক্তি স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করতে এবং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের লড়াইয়ে হোসেনপুর বিএনপি এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী। আসন্ন নির্বাচনে ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করাই এখন তাদের একমাত্র লক্ষ্য।

    ​জেলা বিএনপির সভাপতি শরিফুল আলম এই ঐক্যবদ্ধ অবস্থানকে হোসেনপুরের রাজনীতির জন্য একটি ‘চমক’ হিসেবে অভিহিত করে সকল নেতা-কর্মীকে ঐক্যবদ্ধভাবে মাঠে থাকার নির্দেশ দেন।

  • ইসলামী আন্দোলনকে ভুলভাবে উপস্থাপন করে দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রে অংশ নিয়েছে আব্দুল্লাহ মু. তাহের-মাওলানা গাজী আতাউর রহমান

    ইসলামী আন্দোলনকে ভুলভাবে উপস্থাপন করে দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রে অংশ নিয়েছে আব্দুল্লাহ মু. তাহের-মাওলানা গাজী আতাউর রহমান

    ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের যুগ্মমহাসচিব ও দলীয় মুখপাত্র মাওলানা গাজী আতাউর রহমান আজ ২৫ জানুয়ারি, রবিবার এক বিবৃতিতে বলেছেন, জামায়াতের সিনিয়র নায়েবে আমীর ডাক্তার আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ তাহেরের একটি বক্তব্য ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। সেখানে তিনি আমেরিকান এম্বেসির জনৈক কর্মকর্তার সাথে আলাপচারিতায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ব্যাপারে মন্তব্য করেছেন যে, ‘তাদের মধ্যে (ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মধ্যে) কিছু এক্সট্রিমিজম আছে’। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ জামায়াত নেতার এই বক্তব্যের নিন্দা জানায়। তাকে তার বক্তব্য প্রদানে সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হলো‌। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের যুগ্মমহাসচিব বলেন, আমরা এই অঞ্চলের হাজার বছরের সুফিধারা থেকে বিকশিত একটি আধ্যাত্মিক ও সংস্কারমূলক রাজনৈতিক আন্দোলন। যা ইসলামের দাওয়াতী চরিত্র ধারণ করে প্রীতি-ভালোবাসা, সেবা ও যুক্তিবোধকে জাগ্রত করে জনতার মন জয় করে। ইসলামী আন্দোলন নিয়মতান্ত্রিকভাবে দেশে ইসলাম প্রতিষ্ঠার রাজনীতি করছে। ইসলামবহির্ভূত, ভ্রান্তধারনা প্রসূত কথিত “উগ্রপন্থাকে” ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ কখনোই সমর্থন করেনি। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনে করে, উত্থাপিত প্রসঙ্গে ডাক্তার তাহের ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ সম্পর্কে যথাযথ ধারণা দিতে পারতেন। কিন্তু তিনি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশকে লক্ষবস্তুতে পরিনত করতে বাংলাদেশে “এক্ট্রিমিজম” এর অস্তিত্ব স্বীকার করে এসেছেন। সারা বিশ্বের মুসলিমদের বিরুদ্ধে পরিচালিত কুখ্যাত পশ্চিমা ‘ওয়ার এন্ড টেরর’ এর পরিভাষা ব্যবহার করে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন। মন্তব্য করার পূর্বে আয়নায় নিজের চেহারা দেখা উচিত। বাংলাদেশে উগ্রবাদ বা চরমপন্থার গন্ধ খোঁজা দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রের অংশ। সেই ষড়যন্ত্রে ডাক্তার তাহেরও অংশ নিলেন। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মুখপাত্র বলেন, আমাদের রাজনীতির মধ্যে কোন ধরণের লুকোছাপা নাই। দীর্ঘ তিন যুগের বেশিসময় আমরা বাংলাদেশে রাজনীতি করছি। সন্ত্রাসবাদ ও সহিংসতার বিরুদ্ধে সংস্কারমূলক ধারাকে শক্তিশালী করেছি। ফলে আমাদের রাজনৈতিক পথচলার পদ্ধতি নিয়ে কারো অজানা থাকার কথা না। ফলে এই বিষয়ে ইউএস এম্বাসিকে জড়িত করে ডাক্তার আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ তাহের যে বক্তব্য দিয়েছেন সেই বিষয়ে ইউএস এম্বাসির বক্তব্য ও ব্যাখ্যা দাবী করছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।

  • চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় বিএনপির প্রার্থী বাবু খান

    চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় বিএনপির প্রার্থী বাবু খান

    সর্বস্তরে আইনের শাসন প্রণয়ন করতে পারলে সবাই ভালো থাকব
    জীবননগর উপজেলার সকল ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেছেন চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের বিএনপির প্রার্থী, জেলা বিএনপি ও বিজিএমইএর সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বাব্।ু আজ শনিবার দিবাগত রাতে জীবননগর তরফদার মার্কেটে এই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    সভায় সভাপতিত্ব করেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আলমাছ উদ্দীন ডাবলু। সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন চুয়াডাঙ্গা আইনজীবী সমিতির সভাপতি মারুফ সারোয়ার বাবু, জীবননগর পৌরসভার সাবেক মেয়র ও ব্যবসায়ী হাজি নোয়াব আলী মিয়া।

    সর্বস্তরের ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে বক্তব্য দেন আব্দুর শুকুর মিয়া, ভূষিমাল ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে আব্দুল হামিদ, মৎস্য খাদ্য মালিকদের পক্ষ থেকে আলিফ, বাজুসের পক্ষ থেকে আসাবুল হক। অনুষ্ঠান পরিচালনায় ছিলেন মশিয়ার মল্লিক, মোজাম্মেল হক খোকন, হাজী মোতালেব, আব্দুল হামিদ, বিল্লাল হোসেন, ওবাইদুর রহমান, হযরত আলী, মতিয়ার, আশরাফ, খালিদ, হাসান, দ্বীন ইসলাম ও আক্তার। সভা সঞ্চালনা করেন মো. মঞ্জুরুল কবীর তাপস।

    মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাবু খান বলেন, ব্যবসায়ী ও রাজনৈতিক নেতা মরহুম শামসুজ্জামান ডাবলুর রুহের মাগফিরাত কামনা করে আমার বক্তব্য শুরু করছি। আমি এখানে অনেক কথা শুননাল, জানলাম। সবার আগে আমাদের যে জিনিসটা প্রতিষ্ঠিত করতে হবে..এটা আমার বিশ্বাস.. সেই বিশ্বাস থেকেই বলছি.. শুধু বলার জন্য বলছি না।

    সভায় জীবননগর বাজারের ব্যবসায়ীদের বিভিন্ন সমস্যা ও চ্যালেঞ্জ তুলে ধরে তা মাহমুদ হাসান খান বাবুকে অবগত করা হয়। তিনিও নানাবিধ সমস্যা এবং সামাধানের নিয়ে মুক্ত আলোচনা করেন।

    নিজ বক্তব্যে মাহমুদ হাসান খান বাবু ব্যবসায়ীদের সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন এবং এ এলাকার সন্তান হিসেবে জীবননগর বাজারের সমস্যা লাঘবে বাস্তবভিত্তিক পরিকল্পনা গ্রহণের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

    মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাবু খান বলেন, ব্যবসায়ী ও রাজনৈতিক নেতা মরহুম শামসুজ্জামান ডাবলুর রুহের মাগফিরাত কামনা করে আমার বক্তব্য শুরু করছি। আমি এখানে অনেক কথা শুননাল, জানলাম। সবার আগে আমদের যে জিনিসটা প্রতিষ্ঠিত করতে হবে..এটা আমার বিশ্বাস.. সেই বিশ্বাস থেকেই বলছি.. শুধু বলার জন্য বলছি না। সেটা হচ্ছে এই আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে হবে। যে আইনে বইয়ে লেখা আছে সেটা যেন শুধু বইয়ের বিষয় না হয় সেটা যেন প্রয়োগ করা হয়। যেই আইন মানুষের উপককারে লাগবে না সেই আইন পরিবর্তন করতে হবে। মানুষের জন্য আইন.. আইনের জন্য মানুষ নয়।

    তিনি আরও বলেন, আর যেই জাতীয় সংসদ নির্বাচন হতে যাচ্ছে ১২ ফেব্রুয়ারি.. সেটা হচ্ছে এই আইন যারা প্রনয়ন করবেন.. আইন প্রনেতাদের নির্বাচন। যদিও বাস্তবতা হচ্ছে ভিন্ন। আমাদের যে সংবিধান.. সেই সংবিধান অনুযায়ী সংসদ সদস্যের অন্যতম প্রধান কাজ হচ্ছে আইন প্রণয়ন করা, ওই আইন প্রণয়ন করতে হবে যেটা দেশের আপমার জনসাধারণের উপহার হয়। কিন্তু যেটা হয়..সেটা কি একজন সংসদ সদস্য বা সাংসদ যাই বলি না কেন..মূলত তাকে ব্যস্ত থাকতে হয় অন্য কর্মকাণ্ড নিয়ে। আমাদের সংবিধান বলে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড করবে স্থানীয় সরকার আর আইন প্রণয়ন করবে সংসদ সদস্য। তো এটা একদিন পরিবর্তন হবে ইনশাআল্লাহ। আমরা যদি সমাজের দেশের সর্বস্তরে আইনের শাসন প্রণয়ন করতে পারি আমরা সবাই ভালো থাকব।

    বিএনপির এই প্রার্থী বলেন, আমাদের এই যে যারা ব্যবসায়ী, ব্যবসা করি আমাদের পেশা। প্রতিটি মানুষের ভিন্ন ভিন্ন আইডেনটিটি বা পরিচয় আছে। আমাদের কেউ রাজনৈতিক কর্মী আবার ব্যবসাও করি। কেউ আমরা সাংবাদিক সাথে হয়তো ব্যবসা করি। কেউ আমরা চিকিৎসক আবার ব্যবসা করি। কেউ আইনজীবী আবার ব্যবসা করি। দুই-তিনটা পরিচয় আছে। পারিবাকির পরিচয়ের কথা নাই বললাম..সেটা ভিন্ন পরিচয়। আজতে আমরা এখানে যারা সববেত হয়েছি মূলত যারা ব্যবসা করি এবং আমরা আমাদের নিজস্ব পুঁজি বিনিয়োগ করেছি আমরা সেল্পমেট। আমরা চাকরি করি না এটা আমাদের অন্যতম গর্বের বিষয়। কিন্তু সমাজের যে চিত্র, সেটা হচ্ছে এই বাস্তবতা এই.. ব্যবসা করি আমরা যারা শিল্প পরিচালনা করি আমাদের মূল্যায়ন কিন্তু ওইভাবে করা হয় না। দেখা যায় হয়রানি করা.. ভিন্নভাবে পেটরেড করা যে.. ব্যবসায়ী মানে কর ফাঁকিবাজ। ব্যবসায়ী মানে আমরা দুর্নীতি করি। আমরা ব্যাংকের টাকা মেরে দিই। এই জায়গারও পরিবর্তন হইতে হবে। পরিবর্তনটা হতে হলে ভালো কাজটা নিজের ঘর থেকেই করতে হবে।

    আমরা একটি দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গড়তে চাই। সেই সমাজ গড়ার প্রথম পদক্ষেপ নিতে হবে আমরা যারা রাজনীতি করি তাদেরকে। এবং এই কথায় কথায় ¯ে¬াগান দেওয়া বিভিন্ন জায়গায়.. এই ¯ে¬াগানের রাজনীতি থেকে উন্নয়নের রাজনীতিতে যেতে হবে। ইনশাআল্লাহ সেটা আমরা পারব সেই আত্মবিশ্বাস আমাদের আছে।

  • লালমনিরহাট ২ সংসদীয় আসন আদিতমারী ও কালীগঞ্জে আসনটি  ১২ বছর পরে উদ্ধার করতে যাচ্ছি

    লালমনিরহাট ২ সংসদীয় আসন আদিতমারী ও কালীগঞ্জে আসনটি ১২ বছর পরে উদ্ধার করতে যাচ্ছি

    লালমনিরহাট ২ সংসদীয় আসন আদিতমারী ও কালীগঞ্জে আসনটি ১২ বছর পরে উদ্ধার করতে যাচ্ছি জনতার দলের চেয়ারম্যান চেয়ারম্যান বিগ্রেডিয়ার জেনারেল শামীম কামাল

    লালমনিরহাট ২ সংসদীয় আসন আদিতমারী ও কালীগঞ্জ উপজেলার ১৬ টি ইউনিয়নে ৭ বারের সাবেক এমপি মরহুম আলহাজ্ব মুজিবুর রহমান এমপি পুত্র বিগ্রেডিয়ার জেনারেল অবসরপ্রাপ্ত শামীম কামাল ১২ বছর পড়ে পিতা আসনটি ফিরিয়ে নিতে মাঠ পর্যায়ে কাজ করে যাচ্ছে।
    ১২ বছর পূর্বে একাধারে সাতবারের এমপি ৩৫ বছর ধরে তার পিতার দখলে ছিল লালমনিরহাট ২ সংসদীয় আসনটি।
    পিতা আলহাজ্ব মুজিবুর রহমান এমপির মৃত পরে এই আসনটি আওয়ামীলীগের এমপি নুরুজ্জামান আহমেদ বিনা ভোটে এমপি নির্বাচিত হয়েছেন পরে সমাজ কল্যাণ মন্ত্রী দায়িত্ব পালন করেন।
    স্বাধীন পরে এই আসনটি মরহুম আলহাজ্ব মুজিবুর রহমান এমপি দখলে ছিল সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ ৮ম বারের মতো জাতীয় সংসদ নির্বাচন না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলে ৭ বারের এমপি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ায় পরে বিনা ভোটে আওয়ামী লীগের প্রার্থী এমপি নির্বাচিত হয়েছেন।
    পরে একটানা ১২ বছর আওয়ামী লীগ এই আসনটি ধরে রেখেছেন ।
    ৭ বারের এমপি পুত্র সেনাবাহিনী বিগ্রেডিয়ার জেনারেল পদে কর্মরত থাকাকালীন সময়ে আওয়ামী লীগ সরকার পালিয়ে গেলে তিনি স্বেচ্ছায় চাকুরী ছেড়ে দিয়ে তার পিতার আসনটি উদ্ধার করতে মাঠ পর্যায়ে কাজ করে যাচ্ছে।
    চাকুরী করা কালীন সময়ে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয় করণ সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিজ উদ্যোগে অর্থ সহায়তা প্রদান করেছিলেন সেই সাথে আদিতমারী উপজেলা মহিষখোচা ইউনিয়নের ৫৬ কোট টাকা ব্যয়ে বাঁধ নির্মাণ করেছেন ।
    দেশ স্বাধীনের পরে এই আসনটি ১ম স্থান থাকতেন জাতীয় পার্টির, দ্বিতীয় স্থানে থাকতেন আওয়ামী লীগ, তৃতীয় স্থানে থাকতেন বিএনপি, চতুর্থ স্থানে থাকতেন ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলন, পঞ্চম স্থানে থাকতেন জামায়াতের ইসলামী ।
    ৭ বারের এমপি পুত্র বিগ্রেডিয়ার জেনারেল শামীম কামাল কে তার পিতার অনুসারীদের চাপের মুখে চাকরি ছেড়ে দিয়ে জনগণের সেবক হিসেবে কাজ করতে বলেন ,জনগণের চাপের মুখে স্বেচ্ছায় চাকুরী ছেড়ে দিয়ে রাজনৈতিক করতে চলে আসেন।
    বিভিন্ন দলের যোগ দেওয়ার প্রস্তাব আসলে তিনি কোন দলে যোগদান না দিয়ে নিজেই জনতার দল গঠন করে কলম প্রতীক নিয়ে নির্বাচন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
    এই আসনটি দলমত নির্বিশেষে জনতার দলের চেয়ারম্যান কে কলম প্রতীক ভোট দিয়ে নির্বাচিত করবেন বলে সাধারণ ভোটারদের মতামত প্রকাশ করেন।
    আওয়ামী লীগ মাঠে না থাকায় এবং জাতীয় পার্টি দুর্বল প্রার্থী থাকায় দুই দলের ভোট এবং তার পিতার অনুসারীদের ভোট জনতার দলের পক্ষে যাবে বলে জানিয়েছেন সাধারণ ভোটাররা। এই আসনটি মিথ্যা মামলা ও পুলিশের হয়রানি ও গ্রেফতার এড়াতে বিএনপি প্রার্থী পক্ষে অবস্থান নিলেও জনতার দলের পক্ষে যাবে ভোট, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক শতাধিক বিভিন্ন দলের নেতারা মন্তব্য করেন ।
    ০৩ নং কমলা বাড়ী ইউনিয়নের শুধু মাত্র বিএনপির ভোট ব্যাংক সৃষ্টি করেছিল বিএনপির প্রার্থী রোকনউদ্দিন বাবুল ।
    সেই ভোট ব্যাংক ভাঙতে শুরু করেছে জনতার দলের কলম মার্কা প্রতীক।
    দুই উপজেলার ১৬ টি ইউনিয়নে মধ্যে শুধু মাত্র ০৩ নং কমলা বাড়ী ইউনিয়ন টি একটু ব্যতিক্রম গত আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক মন্ত্রী কোন উন্নয়ন করেনি । ১৬ টি ইউনিয়নে মধ্যে শুধু মাত্র একটি ইউনিয়নের চিত্র তুলে ধরা হলো কমলা বাড়ী ইউনিয়নের যা উন্নয়ন করেছেন ৭ বারের এমপি মরহুম আলহাজ্ব মুজিবুর রহমান এমপি, এলাকায় উন্নয়ন করেছে উন্নয়নের মধ্যে রাস্তা পাকা করণ, চারটি বড় সেতু নির্মাণ, স্কুল কলেজের নতুন ভবন নির্মাণ, ইউনিয়ন পরিষদ ভবন নির্মাণ, ইউনিয়নের মসজিদ নির্মাণ, কবরস্থান ,শ্মশান ঘাট নির্মাণ হাটবাজার সেট ঘড় নির্মাণ সহ বিভিন্ন উন্নয়ন করেছেন ।
    মরহুম আলহাজ্ব মুজিবুর রহমান এমপি অনুপস্থিতে দীর্ঘদিন ১২ ধরে আওয়ামী লীগের প্রতিপক্ষ বিএনপি থাকায় ও একটি সাম্প্রতিক গোষ্ঠী অনেকে ক্ষুব্ধ হয়ে বিএনপির দিকে ঝুঁকে পড়েছে । এখন দেখা যাচ্ছে এই ইউনিয়নের বিএনপি’র দুর্গে হানা দিয়েছে সাবেক সাতবারের এমপির পুত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল অবসরপ্রাপ্ত শামীম কামাল, তার পিতার উন্নয়নের কাজগুলো প্রতিটি ভোটারের কাছে স্মরণ করিয়ে দিচ্ছেন মরহুম মুজিবুর রহমান এমপির বিশ্বস্ত ব্যক্তি বর্তমান জনতা দলের ০৩ নং কমলাবাড়ী ইউনিয়নের আহ্বায়ক আলহাজ্ব আব্দুল করিম। ইতিমধ্যেই প্রার্থীকে নিয়ে তার পিতার অনুসারীদের সাথে সাক্ষাৎ করিয়েছেন । প্রার্থীর পক্ষে সাধারণ ভোটাররা জনতা দলের কলম মার্কায় প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন । প্রচারণা অংশগ্রহণ করছে জনতার দলের কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান হাসিনা কামাল ।

  • খাগড়াছড়িতে জামায়াতের নির্বাচনী গণমিছিল শেষে সমাবেশে

    খাগড়াছড়িতে জামায়াতের নির্বাচনী গণমিছিল শেষে সমাবেশে

    কেন্দ্র দখল করে ব্যালট বক্স ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা করলে সেই হাত অক্ষত থাকবেনা মন্তব্য করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য অধ্যাপক আহসান উল্লাহ বলেছেন, কেন্দ্র দখলের ভোট বাংলার মাটিতে আর কোন দিন হবেনা।

    শনিবার (২৪ জানুয়ারি ) বিকেলে নির্বাচনী গণমিছিল শেষে মুক্তমঞ্চে সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। জনগণ এখন সচেতন বলে মন্তব্য করে কেন্দ্র দখলের মনভাব থাকলে বাড়ি থেকে বিদায় নিয়ে আসতে হবে বলেও হুশিয়ারী জানান তিনি।

    তিনি বলেন, কথায় কথায় হুমকি-ধমকির রাজনীতি আর বাংলার জনগণ মেনে নেবেনা। জামায়াত নৈরাজ্যে বিশ্বাস করেনা উল্লেখ করে তিনি বলেন, শান্তির রাজনীতিতে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে সম্প্রীতির বাংলাদেশ গঠন করতে হবে। শান্তি-সম্প্রীতির রাজনীতি এই দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবে বলেও মন্তব্য করে জামায়াত প্রার্থীর বিজয় হলে শিক্ষা,স্বাস্থ্যসহ প্রতিটি সেক্টরে উন্নয়ন পরিকল্পনার কথা জানান তিনি।
    এ সময় তিনি বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে বলেন, বাংলার মানুষ ভিক্ষুক নয়, যেন ফ্যামেলি কার্ড নিবে। তিনি জানান, আত্ম-কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে নিজেদের আয়ে পরিবারকে চালানোর জন্য মানুষকে এগিয়ে নিতে কাজ করবে জামায়াত। আল্লাহপাক সকলকে হাত-পা দিয়েছে মন্তব্য করে কারো দয়ায় নয় কর্মের মাধ্যমে নিজেদের স্বাভলম্বী করে গড়ে তোলার উপর জোর দেন এই নেতা।

    বিএনপি এখন জন বিচ্ছিন্ন একটি দলে পরিণত হয়েছে মন্তব্য করে এমপি প্রার্থী এডভোটেক এয়াকুব আলী চৌধুরী বলেছেন, জনগণ ব্যালট বিপ্লবের মাধ্যমে আগামী ১২ই ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে ন্যায় ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠায় ১০ দলীয় জোটের প্রার্থীকে জয় যুক্ত করবে। তিনি আরো বলেন, প্রতিটি সম্প্রদায়ের মানুষ দাঁড়ি পাল্লায় ভোট দেয়ার জন্য ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। কথায় কথায় দাঁড়িপাল্লার নেতাকর্মী,এনসিপিসহ জোটের কর্মীদের হুমকি দেয়ার কথা উল্লেখ করে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে লেভেল প্লেইং ফিল্ড তৈরীর আহ্বান জানান এড. এডভোটেক এয়াকুব আলী চৌধুরী।
    এতে নির্বাচনী আচরণ বিধি ভঙ্গ করলে সকল প্রার্থীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে নিরপেক্ষা ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তিনি। এর আগে বিপুল জন সমাগমের মধ্য দিয়ে খাগড়াছড়ি সরকারি কলেজ মাঠ থেকে নির্বাচনী গণমিছিল শুরু করে খাগড়াছড়ির শাপলা চত্বর,আদালত সড়ক,মধুপুর ঘুরে মুক্ত মঞ্চে এসে সমাবেশ করে।
    খাগড়াছড়ি জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক সৈয়দ মো: আব্দুল মোমেন এর সভাপতিত্বে এতে বক্তব্য রাখেন, এতে বক্তব্য রাখেন-খাগড়াছড়ি আসনের ১০ দলীয় জোট প্রার্থী এডভোটেক এয়াকুব আলী চৌধুরী, এনসিপির খাগড়াছড়ি জেলা আহ্বায়ক মো: নুরে আলম,বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশ এর সভাপতি আনোয়ার হোসাইন মিয়াজী,শ্রমিক কল্যাণ পরিষদ এর সভাপতি আব্দুল মান্নানসহ জোটের বিভিন্ন নেতাকর্মীরা এতে বক্তব্য রাখেন।

  • আদিতমারী উপজেলার ০৩ নং কমলা বাড়ী ইউনিয়নের বিএনপি’র ভোট ব্যাংকে হানা  জনতা দলের

    আদিতমারী উপজেলার ০৩ নং কমলা বাড়ী ইউনিয়নের বিএনপি’র ভোট ব্যাংকে হানা জনতা দলের

    লালমনিরহাট ২ সংসদীয় আসনে আদিতমারী উপজেলার ০৩ নং কমলা বাড়ী ইউনিয়নের শুধু মাত্র বিএনপির ভোট ব্যাংক সৃষ্টি করেছে বিএনপির প্রার্থী রোকনউদ্দিন বাবুল সেই ভোট ব্যাংক ভাঙতে শুরু করেছে জনতার দলের কলম মার্কা প্রতীক। দুই উপজেলার ১৬ টি ইউনিয়নে মধ্যে শুধু মাত্র ০৩নং কমলা বাড়ী ইউনিয়নটি একটু ব্যতিক্রম গত আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক মন্ত্রী কোন উন্নয়ন করেনি । শুধু কমলা বাড়ী ইউনিয়নের যা উন্নয়ন করেছেন ৭ বারের এমপি মরহুম আলহাজ্ব মুজিবুর রহমান এমপি, উন্নয়নের মধ্যে রাস্তা পাকা করণ, চারটি বড় সেতু নির্মাণ, স্কুল কলেজের নতুন ভবন নির্মাণ, ইউনিয়ন পরিষদ ভবন নির্মাণ, একাধিক মসজিদ নির্মাণ, কবরস্থান ,শ্মশান ঘাট নির্মাণ হাটবাজার সেট ঘড় নির্মাণ সহ বিভিন্ন উন্নয়ন করেছেন । দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামী লীগের প্রতিপক্ষ বিএনপি থাকায় ও একটি সাম্প্রতিক গোষ্ঠী অনেকে ক্ষুব্ধ হয়ে বিএনপির দিকে ঝুঁকে পড়েছে । এখন দেখা যাচ্ছে এই ইউনিয়নের বিএনপি’র দুর্গে হানা দিয়েছে সাবেক সাতবারের এমপির পুত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল অবসরপ্রাপ্ত শামীম কামাল, তার পিতার উন্নয়নের কাজগুলো প্রতিটি ভোটারের কাছে স্মরণ করিয়ে দিচ্ছেন মরহুম মুজিবুর রহমান এমপির বিশ্বস্ত ব্যক্তি বর্তমান জনতা দলের ০৩ নং কমলাবাড়ী ইউনিয়নের আহ্বায়ক আলহাজ্ব আব্দুল করিম। ইতিমধ্যেই প্রার্থীকে নিয়ে তার পিতার অনুসারীদের সাথে সাক্ষাৎ করিয়েছেন । প্রার্থীর পক্ষে সাধারণ ভোটাররা জনতা দলের কলম মার্কায় প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন ০৩ং কমলা বাড়ী ইউনিয়নের আহ্বায়ক আলহাজ্ব আব্দুল করিম। এই ইউনিয়নে গণ সংযোগ চালিয়েছেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল অবসরপ্রাপ্ত শামীম-কামাল ও জনতা দলের কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট হাসিনা কামাল। সকল ভেদাভেদ ভুলে গিয়ে পুনরায় এই ইউনিয়নে বিজয়ী করতে সাতবারের এমপির পুত্র কে কলম মার্কা ভোট প্রার্থনা করছেন ইউনিয়নের আহ্বায়ক আলহাজ্ব আব্দুল করিম ও উপজেলা জনতা দলের সভাপতি মোজাম্মেল হক, এই দুই নেতাকে একটি ছবিতে দেখা গেছে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন।

  • বিএনপির চেয়ারপার্সন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া’র বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনায় উপজেলার পাগলা থানার মশাখালী স্কুলের বাজার  দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

    বিএনপির চেয়ারপার্সন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া’র বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনায় উপজেলার পাগলা থানার মশাখালী স্কুলের বাজার দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

    বিএনপির চেয়ারপার্সন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া’র বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনায় উপজেলার পাগলা থানার মশাখালী স্কুলের বাজার দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

    মশাখালী ইউনিয়ন বিএনপি,অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের আয়োজনে দোয়া মাহফিলে সভাপতিত্ব করেন পাগলা থানা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক সোয়াদুর রহিম ভুলু।

    প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ ১০ (গফরগাঁও-পাগলা) আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী মোহাম্মদ আক্তারুজ্জামান বাচ্চু।

    দোয়া মাহফিলের পূর্বে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোহাম্মদ আক্তারুজ্জামান বাচ্চু বলেন, আমি আপনাদের সন্তান, আপনারাই আমার প্রাণ।

    আজকে এই আয়োজন থেকে আমরা সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি।
    আমরা তারেক রহমানের হাত ধরে নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে কাজ করবো।
    এই অবহেলিত জনপদের উন্নয়নে নিবেদিতপ্রাণ হয়ে কাজ করতে চাই।
    পাগলাবাসীর জন্য একটি আলাদা পাগলা উপজেলা গঠন, স্বাস্থ্যসেবা উন্নয়নে গফরগাঁও স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ২০০ শয্যায় উন্নীতকরন এবং পাগলার জন্য আলাদা ১০০ শয্যার হাসপাতাল নির্মাণ করা হবে।

    বাচ্চু বলেন, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের মাধ্যমে একটি আধুনিক উপজেলা হিসেবে গফরগাঁওকে গড়ে তুলবো।
    তিনি আরো বলেন, প্রতিহিংসা, প্রতিশোধের পরিবর্তে এই গফরগাঁও-পাগলা হবে সন্ত্রাস, মাদক, চাঁদাবাজমুক্ত একটি উন্নত, সমৃদ্ধ আদর্শ উপজেলা। গফরগাঁওয়ের ভাবমূর্তি সারাদেশে উজ্জ্বল করতে আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে চাই। দল মত, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সবার জন্য নিরাপদ আধুনিক, উন্নত গফরগাঁও-পাগলা আসুন সকল ভেদাভেদ ভুলে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করি।

    বাচ্চু বলেন, বিএনপির চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের দেশ গড়ার মহাপরিকল্পনা রয়েছে। বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে জনাব তারেক রহমানের পরিকল্পনা , গফরগাঁও ও পাগলা’কে এগিয়ে নিতে আমাদের পরিকল্পনা রয়েছে।

    দল যার যার, নিরাপত্তা পাবার অধিকার সবার। সমস্যা আপনার, সমাধানের দায়িত্ব আমার। গফরগাঁও- পাগলায় জুলুমের পরিবর্তে আমরা ইনসাফের রাজনীতব করতে চাই।

  • খাগড়াছড়িতে সিএইচটি সম্প্রীতি জোটের সংবাদ সম্মেলন

    খাগড়াছড়িতে সিএইচটি সম্প্রীতি জোটের সংবাদ সম্মেলন

    দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় স্বার্থে সচেতনতায় সম্প্রীতি বার্তার লিফলেট বিতরণ,পথসভা কর্মসূচি নিয়ে খাগড়াছড়িতে সিএইচটি জোটের সংবাদ সম্মেলন। রবিবার ১৮ জানুয়ারী সকালে খাগড়াছড়ি প্রেস ক্লাবে সিএইচটি সম্প্রীতি জোটের আয়োজনে সংবাদ সংম্মেলন অনু্ষ্ঠিত হয়। সিএইচটি সম্প্রীতি জোটের মুখপাত্র, পাইশিখই মারমা বলেন, আজ আমরা অত্যন্ত স্পষ্ট ও দ্ব্যর্থহীন ভাষায় বলতে চাই বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব, স্বাধীনতা ও রাষ্ট্রীয় অখণ্ডতা নিয়ে কোনো ধরনের ষড়যন্ত্র, আপস কিংবা নীরবতা আর সহ্য করা হবে না। পার্বত্য চট্টগ্রামকে কেন্দ্র করে একটি চিহ্নিত দেশবিরোধী, বিচ্ছিন্নতাবাদী ও ষড়যন্ত্রকারী চক্র দীর্ঘদিন ধরে পরিকল্পিত ভাবে রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে অপপ্রচার, উসকানি ও বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। এই অপশক্তি সরাসরি বাংলাদেশের অস্তিত্বের ওপর আঘাত হানছে। আমরা জোরালোভাবে ঘোষণা করছি, পার্বত্য চট্টগ্রাম বাংলাদেশের অংশ ছিলো এবং থাকবে। এই সত্যকে অস্বীকার করার সাহস দেখালে তার রাজনৈতিক, সামাজিক ও আইনগত পরিণতি ভোগ করতে হবে। যারা বিদেশি স্বার্থ রক্ষা করতে গিয়ে দেশের অভ্যন্তরে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির ষড়যন্ত্রে লিপ্ত, তাদের প্রতি সিএইচটি সম্প্রীতি জোটের বার্তা অত্যন্ত পরিষ্কার এই মাটিতে রাষ্ট্রবিরোধী রাজনীতির কোনো জায়গা নেই। এই প্রেক্ষাপটে সিএইচটি সম্প্রীতি জোট সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র প্রতিহতের লক্ষ্যে সচেতনতা বার্তা সম্পন্ন লিফলেট বিতরণ ও পথসভা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। এই কর্মসূচি কোনো আনুষ্ঠানিক আয়োজন নয় এটি একটি রাজনৈতিক প্রতিরোধ। জনগণকে সাথে নিয়ে আমরা প্রতিটি পাড়া, গ্রাম ও পথে পথে রাষ্ট্রবিরোধী অপপ্রচারের মুখোশ উন্মোচন করব। আমরা প্রশাসনকে স্পষ্টভাবে সতর্ক করে দিতে চাই যদি দেশবিরোধী অপশক্তির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণে গড়িমসি করা হয়, তাহলে জনগণ নিজেই প্রতিরোধ গড়ে তুলবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব রাষ্ট্র রক্ষা করা, কোনো বিশেষ গোষ্ঠীকে রক্ষা করা নয়। এখনই সময় সিদ্ধান্ত নেওয়ার রাষ্ট্রের পক্ষে নাকি রাষ্ট্রবিরোধীদের পক্ষে। আমরা রাজনৈতিক দল, সামাজিক সংগঠন ও দেশের সচেতন নাগরিকদের আহ্বান জানাচ্ছি নীরবতা ভাঙুন। আজ যারা চুপ থাকবে, ইতিহাস তাদের ক্ষমা করবে না। সার্বভৌমত্ব রক্ষার প্রশ্নে কোনো মধ্যপন্থা নেই, কোনো আপস নেই। সিএইচটি সম্প্রীতি জোট পরিষ্কারভাবে জানিয়ে দিচ্ছে এই আন্দোলন শান্তিপূর্ণ হবে, কিন্তু অবস্থান হবে আপসহীন। দেশের স্বাধীনতা, নিরাপত্তা ও পার্বত্য চট্টগ্রামের শান্তি রক্ষায় আমরা প্রয়োজনে রাজপথে আরও কঠোর কর্মসূচি দিতে দ্বিধা করব না। বাংলাদেশের মাটিতে দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র চলবে না এই শপথ নিয়েই আমরা মাঠে নামছি। সিএইচটি সম্প্রীতি জোট আহ্বায়ক, থোয়াইচিং মং চাক বলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বাংলাদেশে অংশ কিন্তু বাস্তবতায় এই অঞ্চলকে দীর্ঘদিন ধরে পরিকল্পিতভাবে অবহেলা, বঞ্চনা ও বৈষম্যের শিকার করা হচ্ছে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও উন্নয়নের মতো মৌলিক অধিকার থেকে পার্বত্যবাসীকে বঞ্চিত রেখে কোনোভাবেই জাতীয় অগ্রগতি বা রাষ্ট্রীয় স্থিতিশীলতার কথা বলা যায় না। এই ব্যর্থতা শুধু প্রশাসনিক নয়, এটি একটি রাজনৈতিক দায় ও রাষ্ট্রীয় ব্যর্থতার নগ্ন প্রকাশ। শিক্ষা খাতে পার্বত্য চট্টগ্রামের চিত্র ভয়াবহ পর্যাপ্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নেই, নেই যোগ্য শিক্ষক, নেই আধুনিক ও যুগোপযোগী শিক্ষাব্যবস্থা। দুর্গম এলাকার শিক্ষার্থীরা আজও শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত। বহু বিদ্যালয় অবকাঠামো গতভাবে জরাজীর্ণ, আবার কোথাও বছরের পর বছর শিক্ষক সংকট চলমান। এর ফলশ্রুতিতে একটি সম্পূর্ণ প্রজন্মকে ইচ্ছাকৃত ভাবে পিছিয়ে রাখা হচ্ছে যা ভবিষ্যতে আরও গভীর সংকট সৃষ্টি করবে। স্বাস্থ্য খাতের অবস্থা আরও করুণ ও লজ্জাজনক। পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রত্যন্ত অঞ্চলে মানসম্মত হাসপাতাল, চিকিৎসক, নার্স ও ওষুধের চরম সংকট বিদ্যমান। সাধারণ রোগের চিকিৎসার জন্য মানুষকে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে হচ্ছে। জরুরি চিকিৎসা সেবা না পেয়ে অকাল মৃত্যু এখানে যেন নিত্যদিনের ঘটনায় পরিণত হয়েছে। একটি উন্নয়নশীল রাষ্ট্রে এই বাস্তবতা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। উন্নয়নের নামে পার্বত্য চট্টগ্রামে যা হচ্ছে, তা প্রকৃত উন্নয়ন নয়, এটি বৈষম্য, লুটপাট ও অব্যবস্থাপনার আরেক নাম। পরিকল্পনাহীন প্রকল্প, স্বার্থান্বেষী মহলের দৌরাত্ম্য এবং স্থানীয় জনগণকে উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া উন্নয়ন কখনোই টেকসই হতে পারে না। উন্নয়ন যদি জনগণের জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন না আনে, তবে সেই উন্নয়ন অর্থহীন ও প্রতারণামূলক। সিএইচটি সম্প্রীতি জোট স্পষ্টভাবে বলতে চায় শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও উন্নয়ন কোনো রাজনৈতিক দয়ার বিষয় নয়, এটি পার্বত্যবাসীর সাংবিধানিক ও ন্যায্য অধিকার। এসব খাতকে রাজনৈতিক হাতিয়ার বানিয়ে ক্ষমতার হিসাব মেলানো চলবে না। পার্বত্য চট্টগ্রামে প্রকৃত শান্তি, সম্প্রীতি ও স্থিতিশীলতা চাইলে রাষ্ট্রকে এখনই দায়িত্বশীল ও দৃঢ় সিদ্ধান্ত নিতে হবে। আমরা সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জোরালোভাবে দাবি জানাচ্ছি অবিলম্বে পার্বত্য চট্টগ্রামে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি, দক্ষ ও স্থায়ী জনবল নিয়োগ, এবং সকল উন্নয়ন কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও স্থানীয় জনগণের বাস্তব অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় এই অবহেলা ও বৈষম্যের দায় রাষ্ট্রকে ইতিহাসের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে। সিএইচটি সম্প্রীতি জোট দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে সমতা, ন্যায়বিচার ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন ছাড়া পার্বত্য চট্টগ্রামে টেকসই শান্তি ও অগ্রগতি কখনোই সম্ভব নয়। আমরা এই ন্যায্য দাবিতে রাজপথে, সমাজে ও রাষ্ট্রীয় পরিসরে আমাদের অবস্থান আরও শক্তভাবে তুলে ধরতে বাধ্য হবো। এ সময় সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও দৈনিক পার্বত্যকন্ঠ পত্রিকার সম্পাদক শাহীন আলম, কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মো. নিজাম উদ্দিন, বান্দরবান জেলা কমিটি জিরা বাবু তঞ্চগ্যা, খাগড়াছড়ি জেলা কমিটি ইসমাইল হোসেন, মোকতার হেসেন সমাজকর্মী সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

  • লালমনিরহাট-২ আসনে নেতাকর্মী গ্রেফতারে বাধা ও দপ্তর অবরোধের হুঁশিয়ারি শামীম কামালের

    লালমনিরহাট-২ আসনে নেতাকর্মী গ্রেফতারে বাধা ও দপ্তর অবরোধের হুঁশিয়ারি শামীম কামালের

    আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে লালমনিরহাট ২ আদিতমারী ও কালীগঞ্জ উপজেলায় ব্যাপক হারে নেতা কর্মীসহ সাধারণ মানুষদের গ্রেফতার করে অর্থ বাণিজ্য করার অভিযোগ তুলেছেন লালমনিরহাট ২ আসনের জনতার দলের এমপি প্রার্থী বিগ্রেডিয়ার জেনারেল অবসরপ্রাপ্ত শামীম কামাল।
    গতকাল শুক্রবার নিজ বাসভবনে কর্মীসভা ও সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় কালে তিনি বলেন ধৈর্য অনেক ধরেছি একটি পক্ষ হয়ে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সাধারণ লোকদের গ্রেফতার করে অর্থ বাণিজ্য করা হচ্ছে । তিনি বলেন জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার দ্রুত সময়ের মধ্যে গ্রেফতার ও হয়রানি বন্ধ করা না হলে লালমনিরহাট ২ নির্বাচনী এলাকায় সংশ্লিষ্ট দপ্তরে অবরোধ সহ অচল করে দেওয়া হবে।
    তিনি আরো বলেন লালমনিরহাট ২ আদিতমারী ও কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাচনী দায়িত্বপ্রাপ্ত কার্যালয়, থানা সহ রাজপথ রেলপথ অবরোধ সহ অচল করে দেওয়া হবে ।
    এখনো সময় আছে আপনারা নিরপেক্ষতা বজায় রাখুন একটি পক্ষ হয়ে কাজ করবেন না, যদি করেন তাহলে জবাবদিহিতা আপনাদের করতে হবে । এই দায়ভার আপনাদের নিতে হবে, ,ইতিমধ্যেই দুই উপজেলা জনতা দলের নেতাকর্মী সহ সাধারণ জনগণদের নির্দেশ দিয়েছেন আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কোন ধরনের গ্রেফতারের চেষ্টা করে তা কঠোর হস্তে দমন করার নির্দেশ প্রদান করেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল অবসরপ্রাপ্ত শামীম কামাল । গতকাল শুক্রবার নিজ বাসভবনে হাজার হাজার জনগণের উপস্থিতিতে সকলের উদ্দেশ্যে বলেন আপনারা নিজ নিজ এলাকা প্রতিটি বাড়ি বাড়ি গিয়ে বলেন সাতবারের এমপি মরহুম আলহাজ্ব মুজিবুর রহমান এমপির পুত্র জনতার দলের চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল অবসরপ্রাপ্ত শামীম কামাল জনতার দলের চেয়ারম্যান তিনি কলম মার্কা নিয়ে নির্বাচন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে এবং আপনাদের কাছে ভোট প্রার্থনা করেছেন ।আজ থেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কোন প্রকার হয়রানি করবে না, আর যদি হয়রানি করার চেষ্টা করে লালমনিরহাট ২ নির্বাচনী সংশ্লিষ্ট দপ্তর গুলো অবরোধ সহ অচল করে দেওয়া ঘোষণা দিয়েছেন।