Author: admin

  • ২২ নেতার বহিষ্কার ও স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করলো বিএনপি

    ২২ নেতার বহিষ্কার ও স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করলো বিএনপি

    দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও নীতি-আদর্শ পরিপন্থী কার্যকলাপের অভিযোগে পূর্বে বহিষ্কার, স্থগিত ও অব্যাহতি পাওয়া বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের ২২ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে নেওয়া শাস্তিমূলক সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করা হয়েছে। আবেদনের প্রেক্ষিতে দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী রোববার (০৪ জানুয়ারি) তাদের প্রাথমিক সদস্যপদ ও সাংগঠনিক অবস্থান পুনর্বহাল করা হয়। বিএনপির পক্ষ থেকে প্রকাশিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ইতোপূর্বে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ এবং দলের নীতি ও আদর্শ পরিপন্থী কার্যকলাপের জন্য ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলাধীন ফুলবাড়িয়া পৌর বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মো. শামিম আহমেদ, রাজবাড়ী জেলা মহিলা দলের সাবেক সহ-সভাপতি ও কালুখালী উপজেলা মহিলা দলের সাবেক সভাপতি কাজী শারমিন আক্তার টুকটুকি, চাঁদপুর জেলাধীন হাজীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক আলহাজ্ব ইমাম হোসেন, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সুফিয়ান রানা, কক্সবাজার জেলা মহিলা দলের সাবেক সহ-সভাপতি জাহানারা বেগম, গাইবান্ধা জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য মোছা. শিল্পী খাতুন, মৌলভীবাজার জেলা ওলামা দলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাওলানা মো. আব্দুল হাকিম, রাজনগর উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য জুবায়ের আহমেদ চৌধুরী, কক্সবাজার জেলা মহিলা দলের সাবেক সহ-সভাপতি জাহানারা বেগ, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক এহতেশামুল আজিম, বগুড়া জেলাধীন সারিয়াকান্দি উপজেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি লুৎফুল হায়দার রুমি, উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য- শহিদুল ইসলাম স্বপন, সিরাজুল ইসলাম, মুশফিকুর রহমান মদন, সারিয়াকন্দি পৌর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মতিউর রহমান মতিন, পৌর বিএনপির সদস্য-সোহেল সরকার, শাহজাহান আলী, লুৎফর রহমান, সাইফুল ইসলাম নিপুলকে দলের প্রাথমিক সদস্যসহ সকল পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। আবেদনের প্রেক্ষিতে দলীয় সিদ্ধান্ত মোতাবেক আজ (০৪ জানুয়ারি) তাদের বহিস্কার আদেশ প্রত্যাহার করে প্রাথমিক সদস্য পদ ফিরিয়ে দেয়া হয়েছে।

    এতে আরও জানানো হয়, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ এবং দলের নীতি ও আদর্শ পরিপন্থী কার্যকলাপের জন্য সুনামগঞ্জ জেলা মহিলা দলের সাবেক সভানেত্রী মদিনা আক্তার এবং মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য মতিন বকশ এর দলের প্রাথমিক সদস্যসহ সকল পর্যায়ের পদ স্থগিত করা হয়েছিল। আবেদনের প্রেক্ষিতে দলীয় সিদ্ধান্ত মোতাবেক আজ (০৪ জানুয়ারি) তাদের পদের স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছে।

    বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ এবং দলের নীতি ও আদর্শ পরিপন্থী কার্যকলাপের জন্য সুনামগঞ্জ জেলাধীন বিশ্বম্বপুর উপজেলা বিএনপি কর্মী সৈয়দ রমিজ উদ্দিনকে দলের প্রাথমিক সদস্যসহ সকল পর্যায়ের পদ থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছিল। আবেদনের প্রেক্ষিতে দলীয় সিদ্ধান্ত মোতাবেক আজ (০৪ জানুয়ারি) তার অব্যাহতি আদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছে।

  • বাছাইপর্ব  বাতিল হয়েছে আলোচিত অনেক প্রার্থী

    বাছাইপর্ব বাতিল হয়েছে আলোচিত অনেক প্রার্থী

    যশোর-২ আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী ডা. মোসলেহ উদ্দিন ফরিদসহ সাত প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। একই সঙ্গে চার প্রার্থীর বিষয়ে সিদ্ধান্ত স্থগিত রাখা হয়েছে। তাদের মনোনয়নপত্রের তথ্য হালনাগাদের জন্য সময় দেওয়া হয়েছে।

    যশোর-১ (শার্শা) আসনে সাত প্রার্থীর মধ্যে তিনজনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। বিএনপির দলীয় মনোনয়নপত্র জমা না দেওয়া মফিকুল হাসান তৃপ্তি, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ১ শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষরে ত্রুটি থাকায় শার্শা উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবুল হাসান জহির এবং আরেক স্বতন্ত্র প্রার্থী শাহজাহান আলী গোলদারের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। এই আসনে দুই প্রার্থীর মনোনয়নপত্রে তথ্যের ঘাটতি থাকায় বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান লিটন ও জাতীয় পার্টি মনোনীত জাহাঙ্গীর আলম চঞ্চলের বিষয়ে সিদ্ধান্ত স্থগিত রাখা হয়েছে। তাদের হালনাগাদ তথ্য জমা দেওয়ার জন্য সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।

    যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) আসনে ১০ প্রার্থীর মধ্যে চারজনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। ব্যাংক ঋণ (ক্রেডিট কার্ড) সংক্রান্ত জটিলতায় জামায়াতে ইসলামী মনোনীত ডা. মোহাম্মদ মোসলেহ উদ্দিন ফরিদ, দলীয় মনোনয়নপত্র জমা না দেওয়ায় বিএনপির মোহাম্মদ ইসহাক ও জহুরুল ইসলামের এবং ১ শতাংশ ভোটারের তথ্যে ত্রুটি থাকায় স্বতন্ত্র প্রার্থী মেহেদী হাসানের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। এ আসনে বিএনএফ মনোনীত প্রার্থী শামসুল হকের মনোনয়নপত্রে স্বাক্ষর, টিআইএন ও জাতীয় পার্টি মনোনীত ফিরোজ শাহর টিআইএন ও ব্যাংক-সংক্রান্ত তথ্য হালনাগাদ করার জন্য সময় দেওয়া হয়েছে।

    মনোনয়নপত্র বাতিল প্রসঙ্গে যশোর-২ আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ডা. মোসলেহ উদ্দিন ফরিদ জানিয়েছেন, ক্রেডিট কার্ড-সংক্রান্ত বিষয়টি অনেক আগের, তবে এর সমাধান হয়েছে। তাই প্রাথমিক বাছাইয়ে মনোনয়নপত্র বাতিল হলেও তিনি আপিল করবেন এবং আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, সমস্যার সমাধান হওয়ায় মনোনয়নপত্র ফেরত পাবেন।

    মুন্সীগঞ্জ-১ সংসদীয় আসনে ১ শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষরে গরমিল পাওয়ায় বিএনপির দুই বিদ্রোহী প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। তারা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দাখিল করেন। তারা হলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক সম্পাদক মীর সফরত আলী সপু এবং জেলা কমিটির সদস্য মমিন আলী।

    এদিকে যাচাই-বাছাইয়ে মুন্সীগঞ্জ-১ আসনে পাঁচজন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। বৈধ প্রার্থীরা হলেন বিএনপির প্রার্থী ও সিরাজদীখান উপজেলা বিএনপির সভাপতি শেখ মো. আব্দুল্লাহ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. আতিকুর রহমান, জামায়াতে ইসলামীর এ কে এম ফখরুদ্দিন রাজী, কমিউনিস্ট পার্টির আব্দুর রহমান এবং বিপ্লব ইনসানিয়াত বাংলাদেশের প্রার্থী রোকেয়া আক্তার।

    রংপুর-১ (গঙ্গাচড়া) আসনের জাতীয় পার্টির প্রার্থী মঞ্জুম আলীর হলফনামায় যুক্তরাজ্যের নাগরিকত্বের উল্লেখ থাকায় তার মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। রিটার্নিং কর্মকর্তা, রংপুরের জেলা প্রশাসক এনামুল আহসান জানান, নাগরিকত্ব-সংক্রান্ত জটিলতার কারণে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    এ বিষয়ে মঞ্জুম আলী বলেন, অনেককে সংশোধনের সুযোগ দেওয়া হলেও তাকে দেওয়া হয়নি। তার কোনো দ্বৈত নাগরিকত্ব নেই। তিনি আপিল করবেন এবং আশা প্রকাশ করেন যে, আপিলে মনোনয়নপত্র বৈধ হবে। তিনি আরও বলেন, ‘আপনারা হতাশ হবেন না, আমরা হাইকোর্টে যাব, সেখান থেকে রায় নিয়ে আসব।’

    কুড়িগ্রাম-২ আসনে জাতীয় পার্টির সাবেক সংসদ সদস্য পনির উদ্দিন আহমেদের মনোনয়নপত্র এবং বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির প্রার্থী মো. আতিকুর রহমানের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। এ আসনে ৯ জন প্রার্থীর মধ্যে সাতজনের মনোনয়নপত্র বৈধ গণ্য করা হয়েছে।

    খুলনা-১ (দাকোপ-বটিয়াঘাটা) আসনে মনোনয়ন যাচাই শেষে তিনজনের প্রার্থিতা বাতিল করা হয়েছে। বাতিল হওয়া প্রার্থীরা হলেন গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী জি এম রোকনুজ্জামান, যিনি ভিন্ন এলাকার প্রস্তাবকারী থাকার কারণে বাতিল হয়েছেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী গোবিন্দ হালদার ও অচিন্ত্য কুমার মণ্ডল স্বাক্ষর জালিয়াতির কারণে বাতিল হয়েছেন।

    খুলনা-৩ আসনে তিন স্বতন্ত্র প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। তারা হলেন এস এম আরিফুর রহমান মিঠু, মো. আবুল হাসনাত সিদ্দিক ও আব্দুর রউফ মোল্ল্যা।

    রাঙামাটি আসনে আট প্রার্থীর মধ্যে ছয়জনের মনোনয়নপত্র বৈধ, একজনের স্থগিত এবং একজন স্বতন্ত্র প্রার্থীর মনোনয়নপত্র অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী আলহাজ মুহাম্মদ জসিম উদ্দিনের কাগজপত্রে অসংগতি থাকায় বিকেল পর্যন্ত সময় নির্ধারণ করা হয়। স্বতন্ত্র প্রার্থী পহেল চাকমার ১ শতাংশ স্বাক্ষর কম থাকায় তার মনোনয়ন অবৈধ ঘোষণা করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী।

    নরসিংদী-২ (পলাশ) আসনে তিনজন এবং নরসিংদী-৪ (মনোহরদী-বেলাব) আসনে একজন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। পলাশ আসনে বাতিল হওয়া প্রার্থীরা হলেন মো. ইব্রাহীম (ইনসানিয়াত বিপ্লব মনোনীত), ইঞ্জিনিয়ার মহসিন (বাংলাদেশ ইসলামী আন্দোলন মনোনীত), এ এন এম রফিকুল আলম সেলিম (জাতীয় পার্টি মনোনীত)। মনোহরদী-বেলাব আসনে কাজী শরিফুল ইসলামের (বাংলাদেশ কংগ্রেস মনোনীত) মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে।

    পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসনে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর এবং বিএনপি থেকে সদ্য বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসান মামুনের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। স্বতন্ত্র প্রার্থী মিজানুর রহমান বাবু ও এস এম ফজলুল হকের মনোনয়নপত্র তথ্যের ঘাটতির কারণে বাতিল হয়েছে।

    ভোলা-২ আসনের যাচাই-বাছাইয়ে ৯ জন প্রার্থীর মধ্যে দুজনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। তারা হলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মহিবুল্লাহ খোকন এবং তাছলিমা বেগম।

    শরীয়তপুর-১ (পালং-জাজিরা) আসনে ৯ জন প্রার্থীর মধ্যে ছয়জনের মনোনয়নপত্র বৈধ এবং তিনজনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। বাতিল হওয়া প্রার্থীরা হলেন বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির নুর মোহাম্মদ মিয়া, স্বতন্ত্র প্রার্থী সৈয়দ নজরুল ইসলাম রাসেল ও মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা। তারা নির্ধারিত নিয়ম অনুসরণ না করায় মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। তবে আগামী ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত আপিল করা যাবে এবং আপিল নিষ্পত্তির পর চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ হবে।

    নীলফামারী-১ (ডোমার-ডিমলা) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের খালু রফিকুল ইসলামের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। নীলফামারী-২ (সদর) আসনে জমা পড়া সাতটি মনোনয়নপত্রের মধ্যে দুই স্বতন্ত্র প্রার্থী আবুল হাসনাত মো. ছাইফুল্লা ওরফে এ এইচ এম সাইফুল্লাহ রুবেল এবং মিনাজুল ইসলাম মিনহাজের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। বাকি পাঁচজনের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।

  • সড়ক পাশে ফেলে যাওয়া দুই শিশুর বাবার বাড়ি খাগড়াছড়ি

    সড়ক পাশে ফেলে যাওয়া দুই শিশুর বাবার বাড়ি খাগড়াছড়ি

    চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলায় সড়ক পাশে ফেলে যাওয়া সেই দুই শিশুর বাবা মোঃ খোরশেদ আলমের (৩৫) সন্ধান মিলেছে। তাকে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) আনোয়ারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ জুনায়েত চৌধুরী বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেন।

    এর আগে, আনোয়ারা থানার এসআই মোমেন কান্তির নেতৃত্বে মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে খোরশেদকে পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়। তবে বুধবার বিষয়টি জানাজানি হয়। হেফাজতে নিয়ে খোরশেদকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ। পরে খোরশেদকে আনোয়ারা থানা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে নেওয়া হয়।

    জিজ্ঞাসাবাদ অভিযুক্ত বাবা পুলিশকে জানিয়েছে, তাদের বাড়ি খাগড়াছড়ির মানিকছড়ি উপজেলার লেমুয়া ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মহামনি এলাকায়। পারিবারিক বিরোধের জেরে তাকে ঘর থেকে বের করে দেওয়া হয়। পরে তিনি বাঁশখালীর মিয়ারবাজার লস্করপাড়া এলাকায় বাসা ভাড়া করে বসবাস করছেন। তবে খোঁজ নিয়ে জানাযায়, আটককৃত খোরশেদ আলমের বাড়ি বাটনাতলী এলাকায়।

    খোরশেদ আলমের দাবি করেছেন, ৫ থেকে ৬ মাস আগে তার স্ত্রী দুই সন্তানকে নিয়ে ঘর থেকে পালিয়ে যান। যাওয়ার সময় সংসারের কিছু জিনিসপত্র ও প্রায় ১৮ হাজার টাকা নিয়ে যান। এরপর দীর্ঘদিন ধরে স্ত্রী ও সন্তানদের কোনো খোঁজ পাননি তিনি। এছাড়া স্ত্রী ওই ছোট প্রতিবন্ধী শিশু দিয়ে ভিক্ষাবৃত্তি করাতেন। শিশুদের মায়ের বাড়ি সাতকানিয়ার মৌলভীর দোকান এলাকায়।

    আনোয়ারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাহমিনা আক্তার গণমাধ্যমকে বলেন, পুলিশের হেফাজতে নেয়া দুই শিশুর বাবার সঙ্গে আমি কথা বলেছি। তার পিতা-মাতাকে এখানে আসতে বলা হয়েছে। যেহেতু সে তার সন্তানকে নিয়ে যাওয়ার জন্য বলেছে, তাই বিষয়টি নিয়ে আমরা পরে সিদ্ধান্ত নিতে পারি।

    প্রসঙ্গত, গত ২৮ ডিসেম্বর রাতে আনোয়ারা উপজেলার শোলকাটা এলাকা থেকে দুই শিশুকে উদ্ধার করে সিএনজি অটো রিকশাচালক মহিম উদ্দিন। তাদের মধ্যে আয়েশা আক্তারের বয়স ৪ বছর আর মোরশেদের বয়স মাত্র ১৪ মাস। উদ্ধারের সময় আয়েশার কোলে ছিল মোরশেদ। কনকনে শীতে দুই শিশু কাঁপছিল। পরে উদ্ধারকারী মহিম উদ্দিন দুই শিশুকে নিজের বাড়িতে নিয়ে আশ্রয় দেন। খবর পেয়ে আনোয়ারা থানা পুলিশ শিশুদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।

    পুলিশের ধারণা, ছোট শিশুটির জন্মগত রোগ এবং বড় শিশুটির চর্মরোগ রয়েছে। এ কারণে তাদের পরিবারের কেউ রাস্তার পাশে ফেলে গেছে। পরে এ ঘটনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে।

  • ২৩ বছর ধরে পরিত্যক্ত দীঘিনালা সরকারি ডিগ্রি কলেজের ছাত্রাবাস, সংস্কার নেই

    ২৩ বছর ধরে পরিত্যক্ত দীঘিনালা সরকারি ডিগ্রি কলেজের ছাত্রাবাস, সংস্কার নেই

    খাগড়াছড়ির দীঘিনালা সরকারি ডিগ্রি কলেজের একমাত্র ছাত্রাবাসটি দীর্ঘ ২৩ বছর ধরে অচল ও পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে। শিক্ষার্থীদের আবাসনের জন্য নির্মিত সরকারি এই স্থাপনাটি বর্তমানে স্থানীয়দের বসতবাড়ি, গোয়ালঘর ও অস্থায়ী দোকানে পরিণত হয়েছে।
    ২০০২ সালে প্রায় চার একর জমির ওপর কোটি টাকা ব্যয়ে চারটি ভবন নির্মাণ করে ছাত্রাবাসটি চালু করা হলেও স্বল্প সময়ের মধ্যেই পরিচর্যা ও নজরদারির অভাবে সেটি বন্ধ হয়ে যায়। দুই যুগের অবহেলায় ভবনগুলো আজ জরাজীর্ণ, দখলকৃত ও ব্যবহার অনুপযোগী অবস্থায় রয়েছে।
    বর্তমানে ছাত্রাবাসের কক্ষে বসবাস করছে ত্রিপুরা সম্প্রদায়ের অন্তত চারটি পরিবার। কোথাও রাখা হচ্ছে গরু-ছাগল, কোথাও জমে আছে খড়ের স্তূপ। ভবনের একাংশে চলছে অস্থায়ী দোকান। ফলে সরকারি স্থাপনাটির মূল উদ্দেশ্য পুরোপুরি ব্যাহত হচ্ছে।
    এই কলেজে দীঘিনালা ছাড়াও রাঙ্গামাটির সাজেক, বাঘাইছড়ি ও লংগদুসহ দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চল থেকে শিক্ষার্থীরা পড়তে আসে। দুর্গম সড়ক, যানবাহন সংকট ও দীর্ঘ যাত্রাপথের কারণে ছাত্রাবাস তাদের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় হলেও সেটি বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীরা প্রতিদিন চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছে।
    স্থানীয়দের অভিযোগ, নিয়মিত তদারকি ও প্রশাসনিক উদ্যোগের অভাবে ছাত্রাবাসটি দ্রুতই অকেজো হয়ে পড়ে। পরবর্তীতে দখলদারত্ব বাড়তে থাকে, যা এখন স্থায়ী রূপ নিয়েছে।
    এ বিষয়ে দীঘিনালা সরকারি ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ তরুণকান্তি চাকমা বলেন,
    “বিভিন্ন কারণে এতদিন ছাত্রাবাসটি চালু করা সম্ভব হয়নি। তবে আমরা বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখছি। খুব শিগগিরই শিক্ষার্থীদের জন্য ছাত্রাবাসটি পুনরায় চালুর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
    উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ তানজিম পারভেজ বলেন,
    “আমি সদ্য দীঘিনালায় যোগদান করেছি। ছাত্রাবাস বিষয়ে অভিযোগ পেয়েছি। কলেজ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে—কীভাবে এটি পুনরায় শিক্ষার্থীদের জন্য চালু করা যায় সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।”
    তবে বাস্তবতা হলো, ডিসেম্বরের ১ তারিখে ছাত্রাবাসের দুরবস্থা নিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হলেও এক মাস পার হয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত কোনো সংস্কার কাজ বা দৃশ্যমান উদ্যোগ শুরু হয়নি। কলেজ কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকেও কার্যকর পদক্ষেপ দেখা যায়নি।

    এদিকে নতুন বছর শুরু হওয়ায় শিগগিরই নতুন শিক্ষার্থীদের আগমন ঘটবে দীঘিনালা সরকারি ডিগ্রি কলেজে। কিন্তু থাকার কোনো আবাসন ব্যবস্থা না থাকায় চরম অনিশ্চয়তায় পড়ছে শিক্ষার্থীরা।
    “হোস্টেল আছে, কিন্তু থাকার ব্যবস্থা নেই”—এ অবস্থাকে দুঃখজনক ও হতাশাজনক বলে মনে করছেন তারা।
    শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের জোর দাবি, দীঘিনালা সরকারি ডিগ্রি কলেজের একমাত্র ছাত্রাবাসটি দ্রুত দখলমুক্ত করে সংস্কার ও পুনরায় চালু করা হোক। প্রশাসন ও কলেজ কর্তৃপক্ষের কার্যকর উদ্যোগই পারে ২৩ বছরের দীর্ঘ এই সংকটের অবসান ঘটাতে।

  • গোয়ালন্দ বাজারে মধ্যরাতে অগ্নিকান্ডে ব্যপক ক্ষয়ক্ষতি

    গোয়ালন্দ বাজারে মধ্যরাতে অগ্নিকান্ডে ব্যপক ক্ষয়ক্ষতি

    রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে কুকারিজ মার্কেটের তিনটি দোকান সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়েছে। এতে অন্তত ৫ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের।

    মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। আগুন লাগার সুনির্দিষ্ট কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

    গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাথী দাস বুধবার সকালে ঘটনাস্থলে পরিদর্শন করে সাংবাতিকদের জানান, অগ্নিকাণ্ডের কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণে তদন্ত চলছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করা হবে।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গোয়ালন্দ বাজারের কুকারিজ ব্যবসায়ী মো. খোকন মণ্ডলের দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যেই আগুনের লেলিহান শিখা পাশের আরও দুটি কুকারিজ দোকানে ছড়িয়ে পড়ে। এতে পুরো বাজারে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। প্রথমে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন।

    খবর পেয়ে গোয়ালন্দ ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। পরে রাজবাড়ী থেকে ফায়ার সার্ভিসের আরও দুটি ইউনিট যোগ দেয়। প্রায় দেড় ঘণ্টার চেষ্টায় রাত সাড়ে ১২টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
    এ সময় ফায়ার সার্ভিসের পানি ব্যবহারের ফলে পাশের চাল বাজারের কয়েকটি দোকানের চাল ভিজে নষ্ট হওয়ার অভিযোগ ওঠে।

    অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা হলেন— মো. খোকন মণ্ডল, মো. হারুন অর রশিদ ও মো. লুৎফর রহমান।
    ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী মো. খোকন মণ্ডল জানান, প্রতিদিনের মতো তিনি রাত ১০টার দিকে দোকান বন্ধ করে বাড়িতে যান। পরে দোকানে আগুন লাগার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে নিজের সর্বস্ব পুড়ে ছাই হতে দেখেন। নগদ টাকা ও মালামালসহ তাদের অন্তত ৫ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে।

    গোয়ালন্দ বাজার ব্যবসায়ী পরিষদের সভাপতি মো. সিদ্দিক মিয়া জানান, ভয়াবহ এই অগ্নিকাণ্ডে তিনজন কুকারিজ ব্যবসায়ীর কয়েক কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে।

    অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. সাহিদুল ইসলাম, গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) সাথী দাস এবং গোয়ালন্দ ঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মমিনুল ইসলামসহ প্রশাসনের কর্মকর্তারা।

  • যে ১৫ আসনে প্রার্থী পরিবর্তন করল বিএনপি

    যে ১৫ আসনে প্রার্থী পরিবর্তন করল বিএনপি

    নির্বাচন সামনে রেখে এ পর্যন্ত অন্তত ১৫টি আসনে প্রার্থিতায় রদবদল এনেছে বিএনপি। কিছু কিছু আসনে দলের বিকল্প প্রার্থীরাও মনোনয়ন জমা দিচ্ছেন। দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ সিনিয়র কয়েকজন নেতার আসনে বিকল্প প্রার্থীরাও মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছেন।

    মনোনয়ন পরিবর্তন মাঠপর্যায়ের জরিপ, অসন্তোষ ও রাজনৈতিক সমীকরণ বিবেচনায় নিয়ে ‘ধানের শীষের বিজয়’ নিশ্চিত করতে আনা হয়েছে বলে দলীয় সূত্রগুলো জানিয়েছে।

    নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে ব্যবসায়ী মো. মাসুদুজ্জামানের ভোটের অনীহার পর সেখানে বিএনপির সাবেক মহানগর সভাপতি আবুল কালামকে মনোনয়ন দেওয়া হয়।

    দলীয় সূত্র জানায়, তারেক রহমানের সঙ্গে প্রার্থীদের সাম্প্রতিক মতবিনিময় সভাতেও গিয়াসউদ্দিন কাদের চৌধুরীকে ডাকা হয়নি।

    চট্টগ্রাম-১৪ আসনটি আগে এলডিপির চেয়ারম্যান অলি আহমদের ছেলে ওমর ফারুকের জন্য ফাঁকা রাখা হলেও অলি আহমদের দল জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন জোটে যোগ দেওয়ার পর সেখানে বিএনপি সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান জসিমউদ্দিনকে প্রার্থী করেছে।

    চট্টগ্রাম-৪ আসনে কাজী সালাহউদ্দিনের পরিবর্তে চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আসলাম চৌধুরীকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।

    আর চট্টগ্রাম-১১ থেকে সরিয়ে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে চট্টগ্রাম-১০ আসনে প্রার্থী করা হয়েছে। চট্টগ্রাম-১১ আসনে মনোনয়ন পেয়েছেন প্রয়াত ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমানের ছেলে সাঈদ আল নোমান।

    বগুড়া-২ আসনে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমানের ঋণখেলাপিসংক্রান্ত জটিলতার কারণে সেখানে বিএনপির নেতা মীর শাহে আলমকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছিল। তবে মান্না শেষ পর্যন্ত প্রার্থিতা ফেরত পেয়েছেন।

    ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ আসনে সাবেক সচিব মুশফিকুর রহমানের বদলে কবির আহমেদ ভূঁইয়াকে প্রার্থী করা হয়।

    মুন্সীগঞ্জ-২ আসনে একমি গ্রুপের চেয়ারম্যান প্রবীণ নেতা মিজানুর রহমান সিনহার পরিবর্তে কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব আবদুস সালাম আজাদ এবং মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনে কামরুজ্জামান রতনের বদলে জেলা বিএনপির সদস্যসচিব মো. মহিউদ্দিন আহমেদ মনোনয়ন পেয়েছেন।

    ঝিনাইদহ-১ আসনে সদ্য পদত্যাগ করা অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামানকে প্রার্থী করা হয়েছে। নড়াইল-২ আসনে বিএনপির প্রার্থীর পরিবর্তে জোটসঙ্গী ন্যাশনাল পিপলস পার্টির চেয়ারম্যান ফরিদুজ্জামান ফরহাদকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।

    যশোর-১, যশোর-৫ ও যশোর-৬ আসনেও দলীয় ও জোটগত সমীকরণে নতুন প্রার্থীদের নাম চূড়ান্ত করা হয়েছে। মাদারীপুর-১ আসনে কামাল জামাল মোল্লার বদলে নাদিরা আক্তারকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। যশোর-৬ আসনে ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি শ্রাবণকে প্রথমে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছিল।

    এদিকে ঝিনাইদহে বিএনপির মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে গণ অধিকার পরিষদ থেকে সদ্য বিএনপিতে যোগ দেওয়া রাশেদ খান।

    বিএনপি দুই দফায় ২৭২ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করলেও পরে মিত্রদের জন্য আরো ১৫টি আসন ছেড়ে দেয়। বাকি আসনগুলোর মনোনয়নও চূড়ান্ত হলেও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হয়নি। দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী গণমাধ্যমকে জানান, তার জানামতে ৩০০ আসনের মনোনয়নই চূড়ান্ত। প্রতিদিন একাধিক পরিবর্তনের কারণে একসঙ্গে তালিকা প্রকাশ করা সম্ভব হয়নি।

  • খাগড়াছড়িতে মনোনয়ন দাখিল করেছে ১৫  প্রার্থী

    খাগড়াছড়িতে মনোনয়ন দাখিল করেছে ১৫ প্রার্থী

    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে খাগড়াছড়ি-২৯৮ সংসদীয় আসনে প্রার্থীদের মনোনয়ন দাখিল করেছে ১৫ জন প্রার্থী। এই মনোনয়ন জমাদানের মধ্য দিয়ে নির্বাচনী উত্তাপ বাড়তে শুরু করেছে।

    মনোনয়ন জমাদানের শেষ দিন আজ সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

    মনোনয়রপত্র জমাদানকারী প্রার্থীরা হলো-বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থী আবদুল ওয়াদুদ ভূইয়া, বাংলাদেশ জামায়েত ইসলামীর অ্যাডভোকেট এয়াকুব আলী চৌধুরী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মোঃ কাউছার, জাতীয় পার্টির মিথিলা রোয়াজা, বাংলাদেশ খেলাফতে মজলিসের মোঃ আনোয়ার হোসেন মিয়াজী, বাংলাদেশ মুসলিম লীগের মোঃ মোস্তফা, গণঅধিকার পরিষদের দীনময় রোয়াজা, বাংলাদেশ মাইনোরিটি জনতা পার্টির উশোপ্রু মারমা, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ এর মোঃ নুর ইসলাম, সমিরণ দেওয়ান (স্বতন্ত্র), সোনা রতন চাকমা (স্বতন্ত্র) লাব্রিচাই মারমা (স্বতন্ত্র) সন্তোষিত চাকমা (স্বতন্ত্র) ধর্মজ্যােতি চাকমা (স্বতন্ত্র), জিরুনী ত্রিপুরা (স্বতন্ত্র)।

    মনোনয়ন দাখিলকালে উভয় প্রার্থীর সঙ্গে দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকরা উপস্থিত ছিলেন।

    মনোনয়ন জমা দেওয়ার পর প্রার্থীরা নির্বাচনী বিধি মেনে শান্তিপূর্ণ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের প্রত্যাশা ব্যক্ত করে বলেন, জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত হলে খাগড়াছড়িবাসী তাদের পছন্দের প্রতিনিধিকে নির্বাচিত করতে পারবে।

    রিটার্নিং অফিসার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রার্থীদের মনোনয়ন যাচাই-বাছাই শেষে পরবর্তী নির্বাচনী কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

  • রাজবাড়ীর ২টি আসেন ১৬জন প্রার্থী মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছেন

    রাজবাড়ীর ২টি আসেন ১৬জন প্রার্থী মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছেন

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজবাড়ীর রাজবাড়ী-১ ( সদর ও গোয়ালন্দ) আসন থেকে ৪ জন ও রাজবাড়ী-২(পাংশা-বালিয়াকান্দি-কালুখালী) আসন থেকে ১২ জন এমপি প্রার্থী জেলা রিটার্নিং অফিসার ও সহকারি রিটার্নিং অফিসারের কাছে তাদের মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছেন।

    সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা নির্বাচন অফিসার ও জেলা প্রশাসক সুলতানা আক্তার।

    জানা গেছে, রাজবাড়ী-১ আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির প্রার্থী হিসেবে সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী জেলা আমীর এ্যাডঃ মোঃ নুরুল ইসলাম, জাতীয় পার্টির প্রার্থী জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি এ্যাডঃ খোন্দকার হাবিবুর রহমান বাচ্চু,জাকের পার্টির প্রার্থী হিসেবে দলটির জেলার সভাপতি মোহাম্মদ আলী বিশ্বাস কাঞ্চন মনোনয়ন ফর্ম জমা দিয়েছেন।

    অপরদিকে, রাজবাড়ী-২ আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির প্রার্থী হিসেবে জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ হারুন-অর-রশিদ, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী হিসেবে জেলা জামায়াতের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ হারুন-অর-রশিদ ওরফে হারুন মাস্টার, জাতীয় নাগরিক পার্টির প্রার্থী হিসেবে জেলার প্রধান সমন্বয়করী সাইয়েদ জামিল ওরফে জামিল হিজাযী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মোঃ আব্দুল মালেক, জাতীয় পার্টির প্রার্থী মোঃ শফিউল আজম খান এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা নাসিরুল হক সাবু, বিএনপি নেতা মুজাহিদুল ইসলাম ও সোহেল রানা রাজ তাদের মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছেন।
    স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মধ্যে নাসিরুল হক সাবু ও মুজাহিদুল ইসলাম বিএনপি থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন।

    এদিক বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে রাজবাড়ী-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য নাসিরুল হক সাবুর পক্ষে তার মেয়ে ফারজানা হক অনি ২৮ ডিমেম্বর মনোনয়ন ফর্ম জমা দিয়েছেন।

  • চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে প্রশিক্ষণ

    চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে প্রশিক্ষণ

    হৃদরোগ ও স্ট্রোকে মৃত্যুহার কমানো এবং বাংলাদেশ উচ্চরক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচিকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ সোমবার বেলা ১০টার দিকে জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সভাকক্ষে এ প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করা হয়। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের নন-কমিউনিকেবল ডিজিজ কন্ট্রোল (এনসিডিসি) প্রোগ্রাম ও ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এ কর্মশালাটি অনুষ্ঠিত হয়।প্রশিক্ষণ কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোহা. মকবুল হাসান। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, উচ্চরক্তচাপ ও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে হৃদরোগ ও স্ট্রোকজনিত মৃত্যুহার উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব। এক্ষেত্রে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবাকে আরও কার্যকর ও শক্তিশালী ভূমিকা পালন করতে হবে। কর্মশালায় প্রশিক্ষন দেন ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনের বিভাগীয় প্রোগ্রাম অফিসার এহসানুল আমিন ইমন ও ডা. শৌভিক রায় এবং সার্ভিলেন্স মেডিকেল অফিসার ডা. আলী নূর হাসান। এছাড়া প্রশিক্ষণে উপস্থিত ছিলেন লজিস্টিক অফিসার মো. রাশেদুজ্জামান, ফিল্ড মনিটরিং অফিসার মো. মাহফুজুল হকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। কর্মশালায় উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সরকারের এই কার্যক্রমকে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে স্থানীয় সরকার প্রতিনিধি, গণমাধ্যমকর্মী, মসজিদের ইমামসহ অন্যান্য ধর্মীয় নেতা ও স্কুল-কলেজের শিক্ষকদের ভূমিকার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়।
    এ প্রশিক্ষণে জীবননগর উপজেলার ২০টি কমিউনিটি ক্লিনিকের সকল সিএইচসিপি এবং কমিউনিটি গ্রুপের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

  • চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে উপজেলা দিবস ও উন্নয়ন মেলা অনুষ্ঠিত

    চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে উপজেলা দিবস ও উন্নয়ন মেলা অনুষ্ঠিত

    জীবননগর উপজেলায় উৎসবমুখর পরিবেশে উপজেলা দিবস ও উন্নয়ন মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ওয়েভ ফাউন্ডেশনের আয়োজনে এবং পল্লী কর্ম সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ)-এর অর্থায়নে সমৃদ্ধি কর্মসূচির আওতায় পরিচালিত কৈশোর কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এ মেলার আয়োজন করা হয়।

    সোমবার (২৪ ডিসেম্বর) দিনব্যাপী এ উন্নয়ন মেলা জীবননগর স্টেডিয়াম মাঠে অনুষ্ঠিত হয়। মেলায় বিভিন্ন উন্নয়ন কার্যক্রম, সামাজিক উদ্যোগ ও কিশোর-কিশোরীদের অংশগ্রহণে নানা আয়োজন দর্শনার্থীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে।
    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জীবননগর থানার পুলিশ পরিদর্শক মোঃ আতিয়ার রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সমবায় অফিসার মোঃ নূর আলম, উথলী ইউনিয়ন প্রবীণ কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক মোঃ সাজেদুর রহমান এবং ইউনিয়ন যুব কমিটির সভাপতি মোঃ অমিত খাঁন।

    উপজেলা কৈশোর ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোঃ জিল্লুর রহমান অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন ওয়েভ ফাউন্ডেশনের সিনিয়র প্রোগ্রাম অফিসার মোঃ আব্দুল আলীম সজল। সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন উপজেলা কর্মসূচি সমন্বয়কারী মোঃ আক্তারুজ্জামান, সহকারী উপজেলা কর্মসূচি সমন্বয়কারী মোঃ হুমায়ন রশিদ পলাশ ও সমৃদ্ধি স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মোঃ সোহেল রানা।

    মেলায় সমাজসেবা, ক্রীড়া, সংস্কৃতি ও সাংবাদিকতায় বিশেষ অবদানের জন্য বিভিন্ন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বকে সম্মাননা প্রদান করা হয়। পাশাপাশি শ্রেষ্ঠ প্রবীণ সম্মাননা (পুরুষ ৩ জন ও নারী ৩ জন), শ্রেষ্ঠ সন্তান সম্মাননা (পুরুষ ৩ জন), শ্রেষ্ঠ যুব সম্মাননা (পুরুষ ৩ জন ও নারী ৩ জন), শ্রেষ্ঠ মেন্টর সম্মাননা (১০ জন) প্রদান করা হয়।
    এ ছাড়াও ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা, ম্যারাথন, সাইকেল র‍্যালিসহ বিভিন্ন আয়োজনে অংশগ্রহণকারী কিশোর-কিশোরীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

    অনুষ্ঠানে সাংবাদিকতায় অবদানের জন্য দৈনিক জনকণ্ঠ ও আজকের চুয়াডাঙ্গা পত্রিকার রিপোর্টার মোঃ ওমর ফারুককে সম্মাননা দেওয়া হয়। এছাড়া বিশিষ্ট ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব হিসেবে উথলী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ আবুল কালাম আজাদ, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে স্বপন কুমার চক্রবর্তী এবং সামাজিক কাজে বিশেষ অবদানের জন্য সাবেক পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক মোঃ সাজেদুর রহমানকে সম্মাননা প্রদান করা হয়।