Author: admin

  • সততা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিধান কান্তি হালদার।।

    সততা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিধান কান্তি হালদার।।

    লালমনিরহাট জেলার আদিতমারী উপজেলার নির্বাহী অফিসার বিধান কান্তি হালদার এই উপজেলায় যোগদানের পর থেকেই সততা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে । আদিতমারী উপজেলার ৮ টি ইউনিয়নের গ্রামগঞ্জে রাস্তাঘাট উন্নয়নের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।
    ইতিমধ্যেই অনেকটা সফল হয়ে গেছে সুযোগ্য উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিধান কান্তি হালদার।
    দীর্ঘদিন ধরে রাস্তাঘাট ভাঙ্গন সহ জর্জরিত অবস্থা রয়েছে অনেক এলাকায়, তাই দ্রুত সময়ের মধ্যে সংস্কারের ব্যবস্থা করতে নির্দেশ দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে।
    আদিতমারী উপজেলা নিবার্হী অফিসার হিসেবে যোগদানের অল্প কিছুদিনের মধ্যেই বাল্যবিবাহ, মাদক,জুয়া, মোবাইলের মাধ্যমে ক্যাসিনো জুয়া, রাস্তাঘাটের উন্নয়ন ,বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, পঙ্গু ভাতা সহ সরকারি অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা যে সকল ব্যক্তি পাওয়ার যোগ্য তাদেরকেই প্রদান করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ প্রদান করেছেন ।
    উপজেলা বিভিন্ন দপ্তরের অনিয়ম-দুরনীতি বন্ধ করতে সার্বক্ষণিক মনিটরিং করে যাচ্ছেন। কৃষকদের মাঝে সার সংক্রান্ত বিষয়গুলো তিনি অতি গুরুত্ব সহকারে তদারকি করে যাচ্ছে। উপজেলা কৃষি অফিসারের মাধ্যমে এবং সততার সাথে দায়িত্ব পালনে নির্দেশ প্রদান করেছেন।
    সেই সাথে সরকারি অনুদানের সার বীজ সঠিক কৃষকদের মাঝে বিতরণের নির্দেশ প্রদান করেছেন।
    এবং সার ডিলারের কাছে গিয়ে যেন কোন কৃষক প্রতারিত শিকার না হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।
    সার ডিলারগণ কোনক্রমে গুদামজাত করতে না পারে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে উপজেলা কৃষি অফিসারকে নির্দেশ প্রদান করেছেন। সঠিকভাবে কৃষকদের মাঝে সার ও বীজ বিতরণ করতে নির্দেশনা দিয়েছেন।
    আদিতমারী উপজেলার কৃষকরা যেন সার সংকটে পরতে না হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।
    উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা দপ্তরে নির্দেশনা দিয়েছেন সঠিক ও দায়িত্বশীল হয়ে কার্যক্রম চালিয়ে যেতে ।
    উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দিয়েছে যে সকল জনগণ যে বিষয় গুলো পাওয়ার যোগ্য সেই বিষয় গুলো সঠিক ভাবে দায়িত্ব সহ তাদের নাম অন্তর্ভুক্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
    অনিয়ম ও দুর্নীতি করলে কোন প্রকার প্রমাণ পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানিয়েছেন ।
    উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে সকল গ্রাহকগণ লোন গ্রহণ করেছেন সরকারি স্বার্থে সেই সকল লোন দ্রুত সময়ের মধ্যে আদায় করার জন্য কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
    উপজেলা সাব রেজিস্ট্রার অফিস, ইউনিয়ন ভূমি অফিস সহ অন্যান্য অফিসে যেন কোন সাধারণ জনগণ হয়রানির শিকার না হয় সেই দিকে লক্ষ্য রাখতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।
    আদিতমারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিধান কান্তি হালদার উপজেলা বাসীর একজন অভিভাবক হিসেবে সার্বিক বিষয়গুলো পর্যবেক্ষণ করে সততা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন ।
    এদিকে সরকারি প্রতিটি দপ্তরে খোঁজ খবর সহ সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করছেন কি না তা তদারকি করে হচ্ছে ।
    অতি শীতের মধ্যে শীতবস্ত্র বিতরণ করতে নিজে গাড়িতে করে কম্বল নিয়ে বিভিন্ন ইউনিয়নের অসহায়ের মাঝে কম্বল বিতরণ করে যাচ্ছেন ।
    পাশাপাশি স্কুল কলেজ সহ সরকারি বেসরকারি বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সার্বিকভাবে পাঠদানের খোঁজ খবর নিয়ে যাচ্ছেন । এবং সঠিকভাবে পাঠদান হচ্ছিল কিনা সেই বিষয়গুলো খোঁজখবর নিয়েছেন এবং বার্ষিক পরীক্ষার সার্বিক বিষয়গুলো তদারকি করেছে ।
    অল্প কিছুদিনের মধ্যেই আদিতমারী উপজেলাকে একটি মডেল উপজেলা হিসেবে পরিচিতি লাভ করা সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল।
    বিগত দিনের উন্নয়নের কাজ বন্ধ হয়ে যাওয়া সেই গুলো সুযোগ্য উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মাধ্যমে দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য ইতিমধ্যে নির্দেশ প্রদান করেছেন এবং রাস্তাঘাটের কাজ অনেকটা পাকা করুন এর কাজ সমাপ্ত হওয়ার পথে। ৫ ই আগস্ট সরকার পতনের পর থেকে এই উপজেলার দায়িত্বভার নিয়েছেন সুযোগ্য উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিধান কান্তি হালদার, দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে দেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের ও অন্যান্য বিষয়গুলো অতি সুকৌশলে আইন-শৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে সার্বিক বিষয় নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন।
    সেই সাথে উপজেলা ৮ ইউনিয়নের উন্নয়নের কাজ দ্রুতগতিতে সম্পন্ন করতে নির্দেশ প্রদান করেছেন ।
    ইতিমধ্যেই জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন উপজেলা নিবার্হী অফিসার বিধান কান্তি হালদার।
    প্রতিদিন সকাল হতে গভীর রাত পর্যন্ত বিভিন্ন এলাকা নির্বাচনীয় পর্যবেক্ষণ করে যাচ্ছেন কোথাও কোন ধরনের এ পর্যন্ত অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেনি ,
    সঠিক দায়িত্ব ও সততার ভিত্তিতে উপজেলা অভিভাবক হিসাবে ন্যায় ও নীতির আদর্শের মাধ্যমে উপজেলা পরিচালনা করে যাচ্ছে। স্থানীয় সচেতন মহল বলে উপজেলা প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তা করতে সংবাদ কর্মীসহ এলাকার সর্বসাধারণের সহযোগিতা করতে হবে।
    তাহলে উপজেলা সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকবেন বলে আশাবাদী।
    আদিতমারী উপজেলা নিবার্হী অফিসার বিধান কান্তি হালদার বলেন আপনাদের সকলের সহযোগিতা উপজেলা কে একটি মডেল উপজেলা হিসাবে রূপান্তরিত করা সম্ভব যদি আপনারা সকলেই উন্নয়ন কাজে সহায়তা করেন, সরকারের পক্ষ থেকে আমি আপনাদের জন্য সার্বিক সহযোগিতা করে যাব এতে আপনাদের সকলের একান্ত সহযোগিতা প্রয়োজন।

  • সীমান্ত সুরক্ষা ও জনকল্যাণে ৭ বিজিবি বাবুছড়া

    সীমান্ত সুরক্ষা ও জনকল্যাণে ৭ বিজিবি বাবুছড়া

    খাগড়াছড়ি জেলার দীঘিনালা উপজেলার বাবুছড়া ইউনিয়নের দুর্গম আরান্দিছড়া সীমান্ত এলাকায় সীমান্ত সুরক্ষা জোরদার ও জনকল্যাণ নিশ্চিত করতে ব্যতিক্রমধর্মী কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেছে বাবুছড়া ব্যাটালিয়ন (৭ বিজিবি)। আজ মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের উদ্যোগে স্থানীয় শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ, সাধারণ মানুষের জন্য বিনামূল্যে মেডিকেল ক্যাম্প পরিচালনা, খেলাধুলার সামগ্রী বিতরণ এবং সীমান্ত নিরাপত্তা বিষয়ে জনসচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়। পরে দজর আদাম বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য ঢেউটিনসহ প্রয়োজনীয় সংস্কার সামগ্রী প্রদান করা ও বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেওয়া হয় প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণ। বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিউটন চাকমা ও জোনাকি চাকমা বলেন, “বিজিবির সহায়তা না পেলে সীমান্ত এলাকার এই বিদ্যালয়ে পাঠদান কার্যক্রম ঝুঁকির মুখে পড়ত।” বাবুছড়া ব্যাটালিয়ন (৭ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল ইসতিয়াক আহাম্মদ ইবনে রিয়াজ বলেন, “সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্থানীয় জনগণের সহযোগিতা অপরিহার্য। জনগণের জীবনমান উন্নয়ন ও শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ বিবেচনায় রেখেই এসব জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।” সীমান্ত এলাকার নিরাপত্তা ও মানুষের কল্যাণে বিজিবির এ ধরনের কার্যক্রম আগামীতেও অব্যাহত থাকবে।

  • স্টেট ইউনিভার্সিটির ৭ম সমাবর্তন ওসমান হাদিকে উৎসর্গ।

    স্টেট ইউনিভার্সিটির ৭ম সমাবর্তন ওসমান হাদিকে উৎসর্গ।

    স্টেট ইউনিভার্সিটির ৭ম সমাবর্তন ওসমান হাদিকে উৎসর্গ।৬৭২ জনকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি,তিনজন চ্যান্সেলর’স গোল্ড মেডেল,চারজনকে ভাইস-চ্যান্সেলর সিলভার মেডেল,২০ জনকে ডিনস অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়। বিশ্ব প্রতিযোগিতায় কেবল ডিগ্রি নয়, প্রয়োজন সক্ষমতা: আসিফ নজরুল বিশ্ব প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে শুধু ডিগ্রি অর্জন যথেষ্ট নয়, প্রয়োজন সক্ষমতা-শৃঙ্খলা ও বিশ্বাসযোগ্যতা দরকার বলেছেন আইন,বিচার ও সংসদ মন্ত্রণালয়,প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল। রোববার (২১ ডিসেম্বর) পূর্বাচল নতুন শহরে অবস্থিত স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের (এসইউবি) সপ্তম সমাবর্তন অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এবারের সমাবর্তন ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদির স্মরণে উৎসর্গ করা হয়।
    তিনি বলেন, দক্ষতাকে লক্ষ্য নয়, অভ্যাসে পরিণত করতে হবে; সততাকে নীতি নয়, পরিচয় বানাতে হবে এবং দেশপ্রেমকে আবেগ নয়, আচরণে রূপ দিতে হবে।
    অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল বলেন, ‘স্বাধীনতার ৫৪ বছরে ব্যক্তি পর্যায়ে অনেক অর্জন থাকলেও টেকসই প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার ক্ষেত্রে আমরা পিছিয়ে রয়েছি। পুলিশ, বিচার ও প্রশাসনের মতো প্রতিষ্ঠানগুলো এক সময় অগ্রসরমান অবস্থায় থাকলেও গত দেড় দশকে তাদের ভিত দুর্বল করা হয়েছে। ফলে সেগুলো কার্যকরভাবে পরিচালনা করা কঠিন হয়ে পড়েছে।’
    তিনি আরও বলেন, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী ইউরোপের অগ্রযাত্রা প্রমাণ করে যে দেশ গঠনে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান কতটা গুরুত্বপূর্ণ। যেসব দেশ প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পেরেছে, তারাই এগিয়ে গেছে। কিন্তু আমাদের দেশে ব্যক্তি ও পরিবার প্রাধান্য পেয়েছে, প্রতিষ্ঠান নয়। ফলে অর্জন থাকলেও তা টেকসই হয়নি। বক্তব্যের শুরুতেই ওসমান হাদির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে এবং তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করে আসিফ নজরুল বলেন, ‘আমি কখনো এত বড় জানাজা দেখিনি। মানুষের যে আহাজারি ও দোয়া প্রত্যক্ষ করেছি, তাতে আমার দৃঢ় বিশ্বাস- আল্লাহ তাকে জান্নাতের সর্বোচ্চ স্থানে অধিষ্ঠিত করবেন। আমি বিশ্বাস করি, হাদি এই নশ্বর পৃথিবী ছেড়ে আরও উত্তম এক স্থানে অবস্থান করছেন।’ উপদেষ্টা আরও বলেন, হাদির জন্য এত মানুষের শোকের কারণ হলো- তিনি (হাদি) কখনো নিজের কথা ভাবতেন না; ভাবতেন ইনসাফ প্রতিষ্ঠার কথা। তিনি সৎ জীবনযাপন করতেন, সবাইকে ভালোবাসতেন। কর্মীদের জন্য তিনি যা করে গেছেন, তা অনেক নেতার জন্যই অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত।
    সমাবর্তন বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এস এম এ ফায়েজ। তিনি বলেন, আজকের গ্র্যাজুয়েটরা মেধাবী ও সাহসী; কারণ জ্ঞানার্জন এখন বইয়ের পাতায় সীমাবদ্ধ নয়। প্রযুক্তি বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে শিক্ষার পরিসরও বিস্তৃত হচ্ছে, তৈরি হচ্ছে নিত্য-নতুন চ্যালেঞ্জ। এই চ্যালেঞ্জকে সম্ভাবনা হিসেবে কাজে লাগাতে হবে। এ সময় তিনি নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে তরুণদের ভূমিকার প্রশংসা করে বলেন, তরুণদের মানবতার শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে দেশ গঠনে অবদান রাখতে হবে।
    অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তা স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মো. আখতার হোসেন খান। এছাড়া বক্তব্য দেন স্টেট ইউনিভার্সিটির ট্রাস্টি বোর্ডের প্রেসিডেন্ট ডা. এ এম শামীম, ভাইস-প্রেসিডেন্ট ডা. মো. মাহবুবুর রহমান, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ডা. নওজিয়া ইয়াসমীনসহ বিভিন্ন অনুষদের ডিনবৃন্দ।
    সমাবর্তনে এবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০টি বিভাগের মোট ৬৭২ জনকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি প্রদান করা হয়। একই সঙ্গে তিনজন শিক্ষার্থীকে চ্যান্সেলর’স গোল্ড মেডেল, চারজন শিক্ষার্থীকে ভাইস-চ্যান্সেলর সিলভার মেডেল এবং ২০ জন শিক্ষার্থীকে ডিনস অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়।
    সমাবর্তন অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অ্যালামনাই, রেজিস্টার্ড গ্র্যাজুয়েট, সিন্ডিকেট ও একাডেমিক কাউন্সিলের সদস্যরা, সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তা, গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব এবং বিশিষ্টজনেরা উপস্থিত ছিলেন।
    স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ ২০০২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়ে বর্তমানে বাংলাদেশের অন্যতম বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়। এর আগে ছয়টি সমাবর্তনে ১৫ হাজারের বেশি গ্র্যাজুয়েট স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন।
    এর আগে সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হয় ২০২২ সালে। সমাবর্তন উপলক্ষে ক্যাম্পাসজুড়ে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ, যেখানে গাউন ও হ্যাট পরিহিত গ্র্যাজুয়েটদের আনন্দ ও স্মৃতিচারণে প্রাণবন্ত হয়ে ওঠেছিলো পুরো ক্যাম্পাস

  • খাগড়াছড়িতে ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ মনোনিত প্রার্থী নুর ইসলাম শামীম শাহ্

    খাগড়াছড়িতে ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ মনোনিত প্রার্থী নুর ইসলাম শামীম শাহ্

    আসন্ন ত্রায়োদশ রাষ্ট্রীয় সংসদ নির্বাচনে পার্বত্য খাগড়াছড়ি ২৯৮ সংসদীয় আসনে সত্য ও মানবতার পরম বন্ধু আল্লামা ইমাম হায়াত প্রবর্তিত ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ এর আপেল মার্কার মনোনীত প্রার্থী নুর ইসলাম শামীম শাহ্।

    আপেল মার্কায় ভোট দিয়ে সত্য ও মানবতার পক্ষে সব মানুষের পক্ষে অবস্থান নিন।
    মানবতার রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় অংশীদার হোন ভোটের সাথে ঈমান জীবন জড়িত।

    সত্যের সাথে আমাদের প্রেম, মানবতার সাথে আমাদের প্রেম। সত্য ও মানবতার উৎস ও দাতা দয়াময় স্রষ্টা ও স্রষ্টার আলো মহান রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লাম। প্রকৃত প্রেমে লাভ ক্ষতির হিসেব নেই আছে কেবল প্রাণপণ বিশ্বস্ততায় ত্যাগ ও উৎসর্গতা। আল্লামা ইমাম হায়াত আমাদেরকে সত্য ও মানবতার দায়িত্ববোধে উজ্জীবিত করেছেন।

    সত্য ও মানবতার প্রেমিক সব মানুষের দোয়া ও সমর্থন প্রত্যাশী।

  • চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের বিএনপির মনোনীত প্রার্থী বাবু খানের সঙ্গে শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদের সৌজন্য সাক্ষাৎ

    চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের বিএনপির মনোনীত প্রার্থী বাবু খানের সঙ্গে শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদের সৌজন্য সাক্ষাৎ

    চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপি ও বিজেএমইএর সভাপতি এবং বিএনপি মনোনীত চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী মাহমুদ হাসান খান বাবুর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদ জীবননগর উপজেলার নেতৃবৃন্দ। শনিবার জেলা বিএনপির সভাপতির বাসভবনে এ মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়।
    সাক্ষাতে উপস্থিত ছিলেন—- আহবায়ক মো. বশির উন নাজির, সদস্যসচিব প্রভাষক মো. হাসান ইমাম, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক সাংবাদিক মো. আজিজুর রহমান, যুগ্ম আহবায়ক মো. মাহফুজ আহমেদ মুসা, মো. আদম আলী, মো. ইউসুফ আলী, মো. মিনারুল ইসলাম, মো. মিলন মিয়া, মো. সেলিম রেজা, মো. শিলন প্রমুখ।
    এসময় বাবু খান আসন্ন জাতীয় নির্বাচন ও সাংগঠনিক কার্যক্রম নিয়ে নেতৃবৃন্দকে দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। তিনি দলীয় ঐক্য ও তৃণমূল পর্যায়ে সক্রিয় ভূমিকা রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
    নেতৃবৃন্দ বাবু খানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে জীবননগর উপজেলার রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট, তৃণমূল পর্যায়ের কর্মীদের সক্রিয়তা এবং সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধির নানা দিক তুলে ধরেন। তারা আসন্ন নির্বাচনে ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

  • তজুমদ্দিনে বেড়িবাঁধ নির্মাণে ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের দাবিতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন

    তজুমদ্দিনে বেড়িবাঁধ নির্মাণে ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের দাবিতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন

    ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলায় বেড়িবাঁধ নির্মাণ প্রকল্পে বসতবাড়ি উচ্ছেদ বন্ধ ও ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের দাবিতে মানববন্ধন করেছে প্রায় দুই শতাধিক পরিবার।

    ১৯ ডিসেম্বর ২০২৫, শুক্রবার বেলা ১১টায় তজুমদ্দিন উপজেলার ৩নং চাঁদপুর ইউনিয়নের দালাল কান্দি বেড়িবাঁধের ওপর এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। একই দিন সকাল ১০টায় উপজেলার ১নং ওয়ার্ডের গন ভূইয়া বাড়ির দরজার বেড়িবাঁধ এলাকায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো মানববন্ধন করে পরে দালাল কান্দিতে এসে একত্রিত হন।

    মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা অভিযোগ করেন, পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) অধীনে মেরিন ড্রাইভের জন্য হাইওয়ে বেড়িবাঁধ প্রকল্পের আওতায় ২০১৮ সালে নির্মাণাধীন বেড়িবাঁধটি সংস্কারের নামে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কোনো ধরনের পূর্ব নোটিশ ছাড়াই খামখেয়ালি ও অপরিকল্পিতভাবে বসতবাড়ি উচ্ছেদ করছে। এতে শত শত পরিবার খোলা আকাশের নিচে পড়ে মানবেতর জীবনযাপন করতে বাধ্য হচ্ছে।

    ক্ষতিগ্রস্তদের দাবি, জমির মালিকদের কোনো ক্ষতিপূরণ বা পুনর্বাসনের ব্যবস্থা না করেই কয়েকদিন ধরে এক্সাভেটর দিয়ে ঘরবাড়ি ভেঙে ফেলা হচ্ছে। মানববন্ধনে ক্ষতিগ্রস্ত হাসান ভূইয়া বলেন, উচ্ছেদে বাধা দিলে ঠিকাদারের লোকজন ১৫ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার প্রস্তাব দেয়, কিন্তু তা তারা প্রত্যাখ্যান করেন। তিনি আরও বলেন, বেড়িবাঁধ সোজা করার জন্য পূর্ব পাশে পর্যাপ্ত জায়গা থাকা সত্ত্বেও পশ্চিম দিকে কাজ করায় শত শত পরিবার ভিটেমাটি হারানোর মুখে পড়েছে।

    আরেক ক্ষতিগ্রস্ত তানবীন হাসান বলেন, ভূমি অধিগ্রহণ আইন অনুযায়ী ক্ষতিপূরণ ছাড়া কাউকে জোরপূর্বক উচ্ছেদ করা আইনবিরোধী। তিনি অভিযোগ করেন, পানি উন্নয়ন বোর্ড তাদের সুবিধার্থে উত্তর ও দক্ষিণ অংশে পূর্ব দিক দিয়ে বেড়িবাঁধ নির্মাণ করলেও এ এলাকায় নিজেদের স্বার্থে পশ্চিম দিকে কাজ করতে চাচ্ছে। কাজের ধীরগতির কারণে সরকারের চাপ থাকায় এখন তড়িঘড়ি করে বসতবাড়ি উচ্ছেদ করা হচ্ছে বলেও তিনি দাবি করেন।

    পানি উন্নয়ন বোর্ডের দায়িত্বরত উপ-সহকারী প্রকৌশলী তানবীর হাসান জানান, হাইওয়ে বেড়িবাঁধ প্রকল্পে জমি অধিগ্রহণ বাবদ ক্ষতিপূরণের কোনো বরাদ্দ নেই। এ কারণে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনের সুযোগও নেই। তবে এলাকাবাসীর দাবিগুলো ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে এবং তাদের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আছেন বলে জানান তিনি।

    এ বিষয়ে তজুমদ্দিন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রেজাউল ইসলাম বলেন, বসতবাড়ি উচ্ছেদের অভিযোগ পাওয়ার পর সরেজমিনে পরিদর্শন করা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের সমস্যাগুলো তুলে ধরে জেলা প্রশাসক (ডিসি) কার্যালয়ে একটি দরখাস্ত পাঠানো হয়েছে।

  • জীবননগরে যথাযথ মর্যাদায় মহান বিজয় দিবস পালিত

    জীবননগরে যথাযথ মর্যাদায় মহান বিজয় দিবস পালিত

    চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে যথাযোগ্য মর্যাদায় নানা কর্মসূচির মধ্যে দিয়ে বিজয় দিবস উদযাপিত হয়েছে। আজ মঙ্গলবার সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। এর আগে সকাল ৬টায় উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সের সামনে ৩১ বার তোপধ্বনি দেওয়া হয়।এরপর সকাল সাড়ে ৮টায় জীবননগর থানা মডেল পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠে বিজয় দিবসের কুচকাওয়াজ এবং ডিসপ্লে প্রদর্শন করা হয়।
    এরপর মাধবখালীতে শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে শ্রদ্ধা জানানো হয়। পরে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহিদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়। এছাড়া খাবার বিতরণ, উপজেলা পরিষদ চত্বরে তিন দিনব্যাপী বিজয় মেলার উদ্বোধনসহ বিভিন্ন আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জীবননগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আল আমীন। বিশেষ অতিথি ছিলেন সৈয়দজাদী মাহবুবা মঞ্জুর মৌনা, জীবননগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোলায়মান সেখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন জীবননগর উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার সৈয়দ আব্দুল জব্বার, জীবননগর থানার পরিদর্শক (অপারেশন) আতিয়া রহমান, জীবননগর উপজেলা সমবায় অফিসার নূর আলম। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জীবননগর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা সাইদুর রহমান, সাবেক কমান্ডার দলিল উদ্দীন দলু, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মকবুল হাসান, উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা জুয়েল শেখ, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ইসমাইল হোসেন, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা জাকির উদ্দিন মোড়ল, উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা সাজেদুর রহমান, জীবননগর উপজেলা ছাত্রদলের সদস্যসচিব রিমন, জীবননগর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো. রিপন হোসেন প্রমুখ।

  • ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে মাদকাসক্ত স্বামী কর্তৃক স্ত্রীকে  গলা কেটে হত্যার চেষ্টা

    ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে মাদকাসক্ত স্বামী কর্তৃক স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যার চেষ্টা

    ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে মাদকাসক্ত স্বামী কর্তৃক স্ত্রী স্ত্রী হালিমা খাতুন (৩২) কে গলা কেটে হত্যার চেষ্টা করেছে। মঙ্গলবার (১৬ডিসেম্বর) দুপুরে কালীগঞ্জ পৌর এলাকার আড়পাড়ায় এ ঘটনাটি ঘটে। মাদকাসক্ত ওই স্বামীর নাম হানিফ আলী। তাদের দুটি মেয়ে রয়েছে। হালিমা আড়পাড়ার একটি ভাড়া বাসায় দুই মেয়েকে নিয়ে থাকতো। স্থানীয়রা জানান, হালিমা খাতুনের দুই মেয়ে নিয়ে আড়পাড়ায় ভাড়া বাসায় থেকে মানুষের বাড়িতে বাড়িতে কাজ করতো। তার স্বামী হানিফ আলাদা থাকতো কিন্তু প্রায়ই এসে হালিমাকে মারধর করতো। মঙ্গলবার(১৬ ডিসেম্বর) দুপুরে একইভাবে তার বাসায় প্রবেশ করে ধারালো ছুরি দিয়ে গলা কেটে দেয়। এসময় প্রতিবেশীরা টের পেয়ে তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ভর্তি করে এবং মাদকাসক্ত স্বামীকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে। কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডাক্তার খালিদ হাসান জানান, হালিমার গলায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তার চিকিৎসার পর্যাপ্ত সাপোর্ট এখানে না থাকায় যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে।
    কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ জেল্লাল হোসেন ঘটনার সতত্য স্বীুকার করে জানান, সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মাদকাসক্ত হানিফকে আটক করা হয়েছে।

  • তজুমদ্দিনে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান বিজয় দিবস পালিত

    তজুমদ্দিনে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান বিজয় দিবস পালিত

    আজ ভোলার তজুমদ্দিনে ১৬ ডিসেম্বর রক্তস্নাত বিজয় দিবস ২০২৫ পালিত হয়েছে। বাঙালি জাতির হাজার বছরের বীরত্বের স্মরণে ভোরে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে দিবসের সূচনা হয়।

    উপজেলা প্রশাসন, থানা পুলিশ ও মুক্তিযোদ্ধা সংসদসহ বিভিন্ন সংগঠন সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে তজুমদ্দিন শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে দেশের জন্য জীবন উৎসর্গকারী শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

    ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫, মঙ্গলবার, সকাল ৯টায় তজুমদ্দিন সরকারি কলেজ মাঠে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, কবুতর উড়িয়ে কুচকাওয়াজ ও প্যারেডের উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রেজাউল ইসলাম। এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।
    পরে উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর উপজেলা পরিষদ চত্বরে বর্ণাঢ্য বিজয় মেলা উদ্বোধন ও পরিদর্শন করা হয়।

    বিকেলে প্রীতি ফুটবল খেলা এবং সন্ধ্যায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। একই সঙ্গে মসজিদ, মন্দির ও অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের সুস্বাস্থ্য এবং জাতির শান্তি ও অগ্রগতির জন্য মোনাজাত ও প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হয়।

    কুচকাওয়াজে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রেজাউল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তজুমদ্দিন থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুস সালাম, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ তজুমদ্দিন উপজেলা শাখার সহ-সভাপতি আলহাজ্ব হারুনুর রশিদ, সহ-সভাপতি হোসাইন আহমদ, ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ তজুমদ্দিন থানা শাখার সাধারণ সম্পাদক ও সাংবাদিক এইচ এম হাছনাইন, উপজেলা বিএনপির সভাপতি গোলাম মোস্তফা মিন্টু, সাধারণ সম্পাদক ওমর আসাদ রিন্টু, উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা আব্দুর রব, সেক্রেটারি মহিউদ্দিন মাষ্টার, বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, শিক্ষার্থী, শিক্ষক, সাংবাদিক ও সাধারণ জনগণ।

  • পাকিস্তানের বিখ্যাত বুজুর্গ শায়খ জুলফিকার আহমদ নকশবন্দির ইন্তেকালে পীর সাহেব চরমোনাই এর শোক প্রকাশ

    পাকিস্তানের বিখ্যাত বুজুর্গ শায়খ জুলফিকার আহমদ নকশবন্দির ইন্তেকালে পীর সাহেব চরমোনাই এর শোক প্রকাশ

    ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর ও বাংলাদেশে প্রাতিষ্ঠানিক তাসাউফ চর্চার কার্যক্রম বাংলাদেশ মুজাহিদ কমিটির আমীরুল মুজাহিদীন মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম, পীর সাহেব চরমোনাই পাকিস্তানের বিখ্যাত আধ্যাত্মিক শায়খ ও বুজুর্গ আল্লাহ জুলফিকার আহমদ নকশবন্দির ইন্তেকালে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। তার রুহের মাগফিরাত কামনা করেছেন এবং জান্নাতে তাঁর উচু মাকাম কামনা করেছেন। আজ ১৪ ডিসেম্বর, রবিবার এক বিবৃতিতে পীর সাহেব চরমোনাই বলেন, বস্তুবাদ ও আত্মবাদের এই কালে আধ্যাত্মিকতা ও তাসাউফ চর্চায় তিনি আলোকবর্তিকা ছিলেন। জাগতিক ও দ্বীনি শিক্ষার সমন্বয় তাকে করেছিলো সমকালীন দুনিয়ার অন্যতম প্রভাবশালী আধ্যাত্মিক রাহবারে। তার আত্মিক বন্ধনের সিলসিলা বাংলাদেশেও বহু মানুষকে আল্লাহর সাথে সম্পৃক্ত করেছে। তার ইন্তেকালে মুসলিম দুনিয়া আরেকজন দরদী অভিভাবক হারালো। পীর সাহেব চরমোনাই তার শোকহত পরিবার ও ভক্তবৃন্দের প্রতি সমবেদনা জানান।