Author: admin

  • জীবননগরে হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী হাসানুজ্জামান সজিবের গণসংযোগ

    জীবননগরে হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী হাসানুজ্জামান সজিবের গণসংযোগ

    জীবননগর বাজারে গণসংযোগ করেন হাসানুজ্জামান সজিব ‎(১৫ই নভেম্বর,) শনিবার , বিকালে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের হাতপাখা প্রতীকের এমপি পদপ্রার্থী জনাব হাসানুজ্জামান সজিব নির্বাচনী গণসংযোগ পরিচালনা করেন জীবননগর বাজারে ।


    ‎গণসংযোগে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ জীবননগর উপজেলা শাখার সভাপতি মাওঃসাজেদুর রহমান সহ পৌরসভা ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড নেতৃবৃন্দ।
    ‎এ সময় জনাব সজিব এলাকার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রম, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান এবং সামাজিক সুরক্ষার বিষয়ে তার দলের পরিকল্পনা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “আমি জনগণের জন্য কাজ করতে এসেছি, আমার লক্ষ্য জনগণের সেবা এবং তাদের জীবনমান উন্নয়ন করা।”
    ‎সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নের জন্য তিনি সবার কাছে হাতপাখা মার্কায় ভোট চান।

    ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ জীবননগর বাজারে পথসভা অনুষ্ঠিত হয়

    ‎১৫ই নভেম্বর, শনিবারবাদ আছর ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ জীবননগর পৌরসভার জীবননগর বাজারে এক পথসভা অনুষ্ঠিত হয়।

    প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের হাতপাখা প্রতীকের এমপি পদপ্রার্থী জনাব হাসানুজ্জামান সজিব।

    ‎বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ জীবননগর উপজেলা শাখার সভাপতি মাওলানা সাজেদুর রহমান । এছাড়া, উপস্থিত ছিলেন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড নেতৃবৃন্দ

    ‎পথসভায় প্রধান অতিথি জনাব হাসানুজ্জামান সজিব তার বক্তব্যে বলেন, “দেশের বর্তমান পরিস্থিতি এবং জনগণের প্রয়োজনীয়তার কথা চিন্তা করে, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ জনগণের সেবায় নিজেদের দায়িত্ব পালন করবে। আমরা সকল শ্রেণীর মানুষের জন্য কাজ করতে চাই। আমাদের লক্ষ্য সবার উন্নয়ন এবং শান্তিপূর্ণ সমাজ গঠন করা।” আমি জানতে পেরেছি যে জীবননগর একটি বড় বাজার কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে কোন বাজার কমিটি নাই।এতে ব্যবসায়ীরা নানান সমস্যার সম্যুখীন হচ্ছে। আমি যদি নির্বাচিত হতে পারি তাহলে বাজার কমিটি নির্বাচন অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা করব ইনশাআল্লাহ।

    ‎পথসভা শেষে উপস্থিত জনতা হাসানুজ্জামান সজিবের প্রতি তাদের সমর্থন জানিয়ে বলেন, “হাতপাখা প্রতীকে ভোট দেয়ার মাধ্যমে এলাকার উন্নয়ন নিশ্চিত হবে এবং দেশের শান্তি প্রতিষ্ঠিত হবে।”

  • জীবননগরে জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে নির্বাচনী মহিলা সমাবেশে, রুহুল আমিন-

    জীবননগরে জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে নির্বাচনী মহিলা সমাবেশে, রুহুল আমিন-

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জীবননগর উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে মহিলা সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন সংসদ সদস্য প্রার্থী জননেতা রুহুল আমিন। তিনি বলেন- আমরা মানুষের কল্যাণের জন্য কাজ করি। ১৮ কোটি মানুষের অধিকার আদায়ের জন্যই আমাদের আগামীর নির্বাচন। তিনি আরো বলেন শহিদদের রেখে যাওয়া কাজ সমাপ্ত করার জন্য আমাদের আগামীর নির্বাচন, আমাদের এই নির্বাচন অধিকার আদায়ের নির্বাচন, আমরা আর কোন চাদাবাজ টেন্ডারবাজ দেখতে চায় না, ১৮ কোটি মানুষের হাত কাজ দেওয়াই আমাদের আগামী নির্বাচন এইটা আমরা মুখে বলছি না আমরা বাস্তবে কাজ করে দেখিয়ে দিতে চায়। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন মহিলা যশোর- কুষ্টিয়া আঞ্চলিক সহকারী পরিচালক মুহতারামা ফিরোজা ইয়াসমিন নিউটি, জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর মাওলানা আজিজুর রহমান,জেলা সেক্রেটারি এড আসাদুজ্জামান, জেলা ওলামা বিভাগের সভাপতি মাওলানা ইসরাইল হোসেন, জেলা পেশাজীবি বিভাগ এর সভাপতি অধ্যাপক খলিলুর রহমান, জেলা তালিমুল বিভাগের সভাপতি মাওলানা মহি উদ্দিন, জেলা মাজলিসুল মোফাসসিরিন এর সভাপতি মাওলানা হাফিজুর রহমান, উপজেলা আমির মাওলানা সাজেদুর রহমান, উপজেলা সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা হাফিজুর রহমান, মাওলানা সাইদুল ইসলাম, উপজেলা প্রচার ও আইটি সম্পাদক হারুন অর রশীদ, উপজেলা বায়তুলমাল সম্পাদক আসাবুল হক মল্লিক, উপজেলা যুব বিভাগের সভাপতি মাজেদুর রহমান লিটন, পৌর আমির মাওলানা ফিরোজ হোসেন, পৌর যুব বিভাগের সভাপতি আরিফ জোয়ার্দার, হাসাদহ ইউনিয়ন আমির আখতারুজ্জামান, আন্দুলবাড়ীয়া ইউনিয়ন আমির হাজী আব্দুর রহমান মাষ্টার ও উথলী ইউনিয়ন আমীর মাওলানা আরিফুল ইসলাম। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন, উপজেলা সেক্রেটারি মাহফুজুর রহমান। সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন মহিলা উপজেলা বিভাগীয় সেক্রেটারি সুমাইয়া নূর সিদ্দিকা।

  • চাটমোহরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৮টি বসতঘর পুড়ে ছাই, ক্ষতি ২০ লক্ষাধিক টাকার

    চাটমোহরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৮টি বসতঘর পুড়ে ছাই, ক্ষতি ২০ লক্ষাধিক টাকার

    পাবনার চাটমোহরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৮টি বসতঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে প্রায় ২০ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো। বুধবার (১২ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে উপজেলার পার্শ্বডাঙ্গা ইউনিয়নের সজনাই গ্রামে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। স্থানীয় বাসিন্দা কামরুল ও রাসেল জানান, সজনাই গ্রামের সাধু সরদার ও তাঁর তিন ছেলে—আল-আমিন সরদার, আরিফ সরদার এবং সালাম সরদারের ঘর থেকে হঠাৎ আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে এবং আটটি বসতঘর ভস্মীভূত হয়। এ সময় ঘরে থাকা ধান, পাট, পেঁয়াজ, রসুন, নগদ টাকা, আসবাবপত্র, টেলিভিশন, ফ্রিজসহ মূল্যবান সামগ্রী পুড়ে যায়। ক্ষতিগ্রস্ত আল-আমিন সরদার কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, “আমাদের আটটি ঘরই পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এখন মাথা গোঁজার ঠাঁইও নেই। সব মিলিয়ে প্রায় ২০ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে।” খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যান চাটমোহর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মুসা নাসের চৌধুরী। তিনি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং তাঁদের পাশে দাঁড়ানোর আশ্বাস দেন। ইউএনও বলেন, “দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর সহায়তায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা দেওয়া হবে।” চাটমোহর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন অফিসার মো. শহিদুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয়দের সহযোগিতায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। তবে আগুনের সূত্রপাত কীভাবে হয়েছে তা এখনো নিশ্চিত করা যায়নি। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও এলাকাবাসী ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন।

  • ধানের শীষের গণসংযোগে আওয়াজ উঠেছে “ত্যাগী নেতা রাব্বানী ভাই, এমপি পদে তাকেই চাই”

    ধানের শীষের গণসংযোগে আওয়াজ উঠেছে “ত্যাগী নেতা রাব্বানী ভাই, এমপি পদে তাকেই চাই”

    কিশোরগঞ্জ-১ (কিশোরগঞ্জ সদর ও হোসেনপুর) আসনে গ্রাম-গঞ্জসহ সর্বত্র আওয়াজ উঠেছে “ত্যাগী নেতা রাব্বানী ভাই, এমপি পদে তারই চাই।” ধানের শীষ প্রতীকের প্রচারণা ও গণসংযোগে এ স্লোগানে মুখরিত হচ্ছে জনপদ।

    আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ভিপি ওয়ালীউল্লাহ রাব্বানী ধানের শীষ প্রতীকের প্রচারণা ও গণসংযোগে চষে বেড়াচ্ছেন গ্রাম-গঞ্জসহ সর্বত্র।

    গত সোমবার (১০ নভেম্বর) কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার চারটি ইউনিয়নের বিভিন্ন বাজার ও এলাকায় গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ করেন তিনি। ইউনিয়নগুলো হলো বৌলাই, কর্শাকড়িয়াইল, দানাপাটুলি ও যশোদল।
    বৌলাই ইউনিয়নের নাকভাঙ্গা বাইপাস মোড়, হবিবনগর, পুরান বাজার, শহীদ ইয়াকুবগঞ্জ বাজার, মাহতাব উদ্দিন চেয়ারম্যান বাজার, গাবতলী বাজার, বিলবরুল্লা মসজিদ মোড়, বিলবরুল্লা জালিয়া বাজার; কর্শাকড়িয়াইল ইউনিয়নের জালিয়া মোড়, জিগাতলা বাজার, বাদে কড়িয়াইল, কর্শাকাড়িয়াইল বাজার, শেওড়া বাজার ও উত্তর শেওড়া মোড়; দানাপাটুলি ইউনিয়নের পুরাতন মাঠের বাজার, গাগলাইল, মাথিয়া ও কালিয়ারকান্দা বাজার; যশোদল ইউনিয়নের পূর্ব বীর দামপাড়া বাজার, বীর দামপাড়া মোড়, যশোদল গোষাই বাজার, পাক্কারমাথা. ভূবিরচর, যশোদল গাবতলী বাজার ও সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজের সামনের এলাকা।

    এর আগে গত শনিবার (৮ নভেম্বর) সারাদিন দলীয় নেতা, কর্মী ও সমর্থক নিয়ে তিনি হোসেপুর উপজেলার বিভিন্ন বাজার ও এলাকায় গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ করেন। প্রথমে যান পুমদি এলাকায়। পুমদি ইউনিয়নের ডাবলি বাজার, রামপুর বাজার ও চর পুমদি বাজার, গোবিন্দপুর ইউনিয়নের কেশেরা চৌরাস্তা বাজার, গোবিন্দপুর চৌরাস্তা, গোবিন্দপুর বাজার, বাকচান্দা বাজার, হোসেনপুর পৌরসভা বাজার, দক্ষিণ মাধখলা বাজার, মাধখলা চৌরাস্তা বাজার ও আমান সরকার বাজার, আড়াইবাড়িয়া ইউনিয়নের জামাইল বাজার ও কাওনা বাজার, শাহেদল ইউনিয়নের ঠাডারকান্দা বাজার, কুড়িমারা বাজার, গলাচিপা বাজার ও আশুতিয়া নতুন বাজার এলাকায় ব্যাপক গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ করেন রাব্বানী ও নেতাকর্মীরা।

    রাব্বানী সকল শ্রেণি ও পেশার মানুষের সঙ্গে করমর্দন ও কুশল বিনিময় করেন। এ সময় সকলেই দলীয় মনোনয়ন লাভে রাব্বানীর জন্য দোয়া, আশীর্বাদ এবং তার সফলতা কামনা করেন।

    গত বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) সারাদিন কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার মহিনন্দ ও মাইজখাপন ইউনিয়নের বিভিন্ন বাজার ও এলাকায় গণসংযোগ ও প্রচারণা চালান রাব্বানী। মহিনন্দন ইউনিয়নের কলাপাড়া মোড় থেকে শুরু করে অক্টোর মোড়, ক্ষিরোদা বাজার, জালালপুর বাজার, গালিমগাজী বাজার, কাশুরারচর বাজার, গাছ বাজার, মাদ্রাসা মোড়, গাঙ্গাইল বাজার এবং মাইজখাপন ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের বাজার, নীলগঞ্জ বাজার ও আমিরগঞ্জ বাজার এলাকায় প্রচারণা ও লিফলেট বিতরণ করেন তিনি।

    বুধবার (৫ নভেম্বর) সদর উপজেলার রশিদাবাদ, লতিবাবাদ ও মাইজখাপন ইউনিয়নের বিভিন্ন বাজার ও এলাকায় গণসংযোগ করেন তিনি। রশিদাবাদ বিশ্বরোড (বেইলি ব্রিজ সংলগ্ন) এলাকা থেকে শুরু করে যান লতিবপুর বাজারে। পরে শিমুলিয়া মাদ্রাসা মোড়, উলুহাটি মধ্য বাজার হয়ে যান ঠাডাপড়া বাজার। সেখান থেকে লক্ষ্মীগঞ্জ বাজার, ইউএনডিপি মোড়, ভাটগাঁও মোড়, জাঙ্গালিয়ার মোড়, বড়ভাগ জয়নালের মোড় হয়ে যান সাদুল্লারচর বাজার। সেখান থেকে যান মাইজখাপন ইউনিয়নের সুন্দিরবন বাজার ও পাঁচধা বাজার। পরে যান কাটাবাড়িয়া বাজার, বড়পুল মোড়, সগড়া বিশ্বরোড, রশিদাবাদ ইউনিয়ন পরিষদ মোড়, মাটিয়ার মোড়, জামতলা মোড় হয়ে সরকারি গোরস্তান মোড়ে গিয়ে শেষ করেন দিনের কর্মসূচি।

    সোমবার (৩ নভেম্বর) সদর উপজেলার চৌদ্দশত ও মারিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ করা হয়।
    মারিয়া ইউনিয়নের আমলিতলা, স্বল্প মারিয়া, চর মারিয়া, মিতালী মার্কেট, এসডিও মার্কেট, বিসিক শিল্প নগরী, তালতলা বাজার ও নতুন জেলখানা মোড়; চৌদ্দশত ইউনিয়নের চৌদ্দশত বাজার, নান্দলা বাজার ও পুলেরঘাট বাজার এবং বিন্নাটি ইউনিয়নের কালটিয়া বাজার ও বিন্নাটি চৌরাস্তা বাজারে গণসংযোগ ও প্রচারণায় অংশ নেন তিনি।

    একটি প্রাইভেটকার এবং শতাধিক মোটর সাইকেলের বহরে কর্মী সমর্থক নিয়ে গণসংযোগ করছেন রাব্বানী। সকলের হাতে হাতে পৌঁছে দিচ্ছেন ধানের শীষের শুভেচ্ছা ও পরিচিতিমূলক লিফলেট। যেখানেই যাচ্ছেন, সৃষ্টি হচ্ছে গণজোয়ার। স্থানীয় লোকজন তাকে পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়ছেন। ত্যাগী এবং সততা ও আদর্শের পরীক্ষিত নেতা হিসেবে রাব্বানীকে অভিহিত করছেন সকলেই।
    গ্রাম গঞ্জের প্রচারণা শেষে সন্ধ্যার পর কিশোরগঞ্জ শহরে রাব্বানীর পক্ষে প্রচার মিছিল হচ্ছে প্রতিদিনই। এ সময় “খালেদা জিয়ার সালাম নিন, ধানের শীষে ভোট দিন,” “তারেক জিয়ার সালাম নিন, ধানের শীষে ভোট দিন,” “রাব্বানী ভাই ভালো লোক, মনোনয়ন তারই হোক,” “রাব্বানী ভাইয়ের সালাম নিন, ধানের শীষে ভোট দিন” “ত্যাগী নেতা রাব্বানী ভাই, মনোনয়ন তারই চাই” ইত্যাদি স্লোগানে মুখরিত হচ্ছে সর্বত্র।
    নির্বাচনী প্রচারণার শুরুতে গত সোমবার (৩ নভেম্বর) বিএনপির প্রয়াত নেতাদের কবর জিয়ারত করেন ভিপি রাব্বানী। কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা আহ্বায়ক ও সদর আসনের সাবেক সংসদ সদস্য, তৎকালীন স্বাস্থ্য, গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী ডাক্তার আবু আহমেদ ফজলুল করিম এবং দলের প্রতিষ্ঠাকালীন সহকর্মী মো. মাঈন উদ্দিন, মো. আব্দুল লতিফ, মো. আব্দুল মান্নান, মো. আব্দুল মোতালিব, মো. আসমত আলী, মো. আব্দুল করিমের কবর জিয়ারত করেন তিনি। তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় কবরের পাশে দাঁড়িয়ে পবিত্র কোরআনের অংশবিশেষ পাঠ, দরূদ ও দোয়া করেন। এ সময় দলীয় নেতাকর্মীসহ প্রয়াত নেতাদের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া যেসব এলাকায় যাচ্ছেন, সেখানকার প্রয়াত বিএনপি নেতাদের কবর জিয়ারত করছেন রাব্বানী।
    বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ১০ দিনের রিমান্ডে থাকা ও একাধারে ১৭ মাস কারাগারে থাকা মো. রুহুল আমীন বলেন, আমিসহ আমার পুরো পরিবার শহীদ জিয়ার আদর্শ ধারণ করে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। ফ্যাসিস্ট সরকার মিথ্যা সাজানো মামলায় আমাকে গ্রেফতার করে টানা ১৭ মাস কারাগারে আটক রাখে এবং ১০ দিনের রিমান্ডে নিয়ে অমানুষিক নির্যাতন চালায়। ফ্যাসিস্টের পতনে সামনের কাতারে থেকে লড়াই করেছি। অত্যন্ত দুঃখ ও পরিতাপের বিষয় হলো ফ্যাসিস্ট পতনের পর কতিপয় পদধারী বিএনপি নেতা আওয়ামী দোসরদের নামে দায়ের করা মামলায় আমাকেও আসামি করে। আমার মনোজগতে এর যে রেখাপাত হয়েছে, সেটা সহজে মুছে ফেলা যাবেনা। বিপদে আপদে আমার মতো হাজারো কর্মী সমর্থক ভিপি রাব্বানী ভাইয়ের সাহচর্য পেয়েছি। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জীবন যৌবনকে তুচ্ছ করে শহীদ জিয়ার আদর্শ লালন করে ভিপি ওয়ালীউল্লাহ রাব্বানী ভাই রাজপথে ছিলেন এবং জীবনের মায়া ত্যাগ করে এখনো আন্দোলন সংগ্রামে সক্রিয় তিনি। নীতি-আদর্শ থেকে কখনো বিচ্যুত হননি তিনি। সততা ও আদর্শের পরীক্ষিত নেতা রাব্বানী ভাই মনোনয়ন পেলে তৃণমূলের ত্যাগী ও সহজ সরল কর্মী সমর্থকরা খুশি হবে।

    ওয়ালীউল্লাহ রাব্বানী এমপি নির্বাচিত হলে এ জনপদ সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজমুক্ত হবে এবং অবহেলিত এ অঞ্চলে উন্নয়নের নবযাত্রা শুরু হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
    উল্লেখ্য, শহীদ জিয়ার আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে ১৯৮১ সন থেকে বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয় রয়েছেন ভিপি ওয়ালীউল্লাহ রাব্বানী। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে একাধিকবার গ্রেফতার হয়ে কারাবরণসহ বিভিন্নভাবে নির্যাতিত হয়েছেন।

    ছাত্রজীবনে জেলা
    ছাত্রদলের সভাপতি ও কেন্দ্রীয় কমিটির সহ সাংগঠনিক সম্পাদক, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক, চারদলীয় ঐক্যজোটের আহ্বায়কসহ বিভিন্ন পদে অধিষ্ঠিত থেকেছেন। ২০১১ সালের পর থেকে দলীয় কোনো পদে না থেকেও একক প্রচেষ্টায় বিশাল গণজমায়েত করেছেন ভিপি রাব্বানী। বিগত অক্টোবর মাসের মধ্যেই ধানের শীষ প্রতীক ও পরিচিতিমূলক লিফলেট কিশোরগঞ্জ সদর ও হোসেনপুর আসনের প্রতিটি গ্রামে পৌঁছাতে সক্ষম হন তিনি। প্রচারণায় ক্লান্তিহীনভাবে ছুটে চলেছেন তিনি। বিভিন্ন বয়সী মানুষ আবেগাপ্লুত হয়ে তাকে বুকে টেনে নিচ্ছেন। মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত হচ্ছেন রাব্বানী।

    এ প্রতিবেদককে ভিপি ওয়ালীউল্লাহ রাব্বানী বলেন, কিশোরগঞ্জ ও হোসেনপুর দুটি নামে একটি পরিবার। আমাদের আছে ধর্মীয় ঐতিহ্য ও সম্প্রীতি। আছে শিক্ষা, সাহিত্য, সংস্কৃতির ঋদ্যতা। আছে নদী, খাল, নালাসৃত কৃষজ শিল্প। উল্লেখযোগ্য কার্যক্রম প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রধানত অগ্রাধিকার বিবেচনাযোগ্য প্রযুক্তিসংশ্লিষ্ট শিক্ষার প্রসার; যার মাধ্যমে কর্মসংস্থান নিশ্চিত হবে। এছাড়া স্বাস্থ্যসংশ্লিষ্ট সকল বিষয় বিবেচনায় নিয়ে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থা গড়ে তোলাসহ স্বাস্থ্যসেবা সহজলভ্য করা হবে। পিছিয়ে পড়া যোগাযোগ ব্যবস্থা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দ্রুততম সময়ে সারাদেশের সঙ্গে এখানকার যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। কৃষক ও শ্রমজীবী মানুষের সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে তাদের জীবনমান উন্নয়নে সবধরণের পদক্ষেপ নেওয়া হবে। দৃঢ়তার সঙ্গে তিনি বলেন, এসবই হবে ১৯ দফা ও ৩১ দফায় দেশনেতা তারেক রহমানের নেতৃত্বে এবং দিকনির্দেশনায়।
    সকলের প্রতি অতীতের মতোই সহযোগিতা, সমর্থন, দোয়া ও আশীর্বাদ অব্যাহত রাখার অনুরোধ রেখে তিনিও সকলকে নিরন্তর সুভাশীষ জানান।

  • জীবননগরে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীর বাবু খানের মতবিনিময়

    জীবননগরে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীর বাবু খানের মতবিনিময়

    চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন বিজিএমইএর সভাপতি ও চুয়াডাঙ্গা -২ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মাহমুদ হাসান খান বাবু। আজ বুধবার বেলা দেড়টার দিকে এই মতবিনিময় সভা শুরু হয়।
    সভায় চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বাবু বলেছেন, বাংলাদেশের একজন নাগরিক যদি চাই, যদি ভাগ্য সহায় হয় ওনি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হতে পারবেন, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হতে পারবেন, সংসদ সদস্য হতে পারবেন, মন্ত্রী হতে পারবেন, প্রধানমন্ত্রী হতে পারবেন, রাষ্ট্রপতি হতে পারবেন। কিন্তু চাইলেন কেউ মুক্তিযোদ্ধা হতে পারবেন না। তো আপনারা যারা মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন, এটা বিরল সম্মান এবং সৌভাগ্যের অধিকারী। এটাই বাস্তবতা।
    বাবু খান আরও বলেন, আসন্ন সংসদ নির্বাচন আশা করি শান্তিপূর্ণ এবং সবার কাছে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হবে। নির্বাচনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল বাংলাদেশের ৩০০ আসনে প্রার্থী দেবে। কোন প্রার্থীর পক্ষে কোন আসনে কে কাকে সমর্থন দেবে এটা তার ব্যক্তিগত এবং রাজনৈতিক ইচ্ছা। এই ব্যক্তিগত এবং রাজনৈতিক ইচ্ছার যেন সঠিক প্রতিফলন হয়, সেই জন্যই দীর্ঘ ১৫ বছর সংগ্রাম করা হয়েছে। আমার ভোটের অধিকারটা যেন আমরা সঠিকভাবে প্রয়োগ করতে পারি। আপনার ভোটের অধিকারটা যেন আপনি সঠিকভাবে প্রয়োগ করতে পারেন। বিষয়টা এমন না যে সারাজীবন আপনাকে একই দলে ভোট দিতে হবে, বিশেষ করে আপনারা যারা মুক্তিযোদ্ধা, বিশেষ কোনো দলের অনুসারী না।

    তিনি বলেন, আমরা একটা দলের অনুসারী। আমরা একটা দল করি। পদ-পদবি আছে। যেকোনো সময় নির্বাচন হলে আমাদের প্রার্থীর পক্ষ ভোট দিতেই হবে। না আমাদের দলটা করার হলো দলের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া। কিন্তু আপনারা যারা দলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট না, সাধারণ মানুষ মানুষ, আপনাদের মতো যারা মহান ব্যক্তি, তারা আপাদের মতো আপনার সিদ্ধান্ত নেবেন। এই ব্যাপারে কোনো আবেদনও করব না। কারণ আপনাদের জ্ঞানের স্তর অনেক ওপরে।
    অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা দলিল উদ্দীন দলু। বীর মুক্তিযোদ্ধা আশরাফ আলীর পরিচালনায় মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা উম্বাত আলী, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কাশেম, মন্টু সরকার, মজিবর রহমান, আবদুল কাদের, সুজাউদ্দৌলা, মোজাফফর প্রমুখ

  • হান্ডিয়ালে এম এ সামাদ কলেজে প্রয়াত প্রতিষ্ঠাতার মৃত্যুবার্ষিকী পালন শ্রদ্ধা ও দোয়া অনুষ্ঠিত

    হান্ডিয়ালে এম এ সামাদ কলেজে প্রয়াত প্রতিষ্ঠাতার মৃত্যুবার্ষিকী পালন শ্রদ্ধা ও দোয়া অনুষ্ঠিত

    পাবনার চাটমোহর উপজেলার হান্ডিয়ালে এম এ সামাদ টেকনিক্যাল এন্ড বিএম কলেজ-এর প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত মোঃ আব্দুস সামাদ মহোদয়ের ২১তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বুধবার (১২ নভেম্বর) দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। কলেজ পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও চাটমোহর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুসা নাসের চৌধুরী অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন। প্রধান আলোচক ছিলেন কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ রেজাউল করিম হেলাল এবং কলেজের দাতা সদস্য ও হান্ডিয়াল ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি মোঃ আবু হানিফ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হান্ডিয়াল কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ মহসিন আলম, আটলংকা এম এ মাহমুদ টেকনিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ মাহমুদুল আলম, জিন্দানী ডিগ্রী কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোঃ বেলাল হোসেন, হান্ডিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোঃ মোজাহার আলী, আশরাফ জিন্দানী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ আসাদুজ্জামান, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের সাবেক প্রিন্সিপাল অফিসার মোঃ শহিদুল ইসলাম, সাবেক শিক্ষক মোঃ আব্দুর রাজ্জাক, সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেন ও মোঃ ছহির উদ্দিন স্বপন, এবং সাবেক শিক্ষক মোঃ মোক্তার হোসেন। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন চাটমোহর পরিসংখ্যান অফিসার মোঃ মেহেদী হাসান, হান্ডিয়াল কৃষক দলের সাবেক সভাপতি মোঃ আব্দুল হান্নান খোকন, হান্ডিয়াল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোঃ সোহেল রানা জয়সহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, শিক্ষক, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীবৃন্দ। সভাপতির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুসা নাসের চৌধুরী বলেন, “প্রয়াত আব্দুস সামাদ ছিলেন এক দূরদর্শী শিক্ষানুরাগী ও সমাজসেবক। আমরা তাঁর দেখানো পথে চললে তাঁর আত্মার প্রতি শ্রদ্ধা জানানো সম্ভব হবে।” অধ্যক্ষ মোঃ রেজাউল করিম হেলাল বলেন, “কলেজের প্রতিটি সাফল্যের পেছনে প্রয়াত আব্দুস সামাদ সাহেবের অক্লান্ত পরিশ্রম ও অবদান রয়েছে। আমরা তাঁর স্বপ্ন পূরণে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।” দাতা সদস্য মোঃ আবু হানিফ বলেন, “আব্দুস সামাদ মানবতার দৃষ্টান্ত। শিক্ষা ও সমাজ উন্নয়নে তিনি অনন্য ভূমিকা রেখেছেন।” অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন কলেজের শিক্ষক মোঃ খাইরুল ইসলাম, এবং দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন পাকপাড়া আলিম মাদ্রাসার প্রভাষক মাওলানা মোঃ তারিকুল ইসলাম।

  • হোসেনপুরে মাজহারুল ইসলামের মত বিনিময়সভা, জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত সাড়া

    হোসেনপুরে মাজহারুল ইসলামের মত বিনিময়সভা, জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত সাড়া

    আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কিশোরগঞ্জ-১ (সদর-হোসেনপুর) সংসদীয় আসনে বিএনপি মনোনীত প্রত্যাশী ও জেলা বিএনপির তিনবারের সফল সাধারণ সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম তার নির্বাচনী কার্যক্রম জোরদার করেছেন। তারই অংশ হিসেবে মঙ্গলবার (আজ) তিনি হোসেনপুর উপজেলার ৩ নং গোবিন্দপুর ইউনিয়নে এক মত বিনিময়সভা ও গণসংযোগে অংশ নেন।

    ​গণসংযোগে মানুষের ভিড় দিনের শুরুতে গোবিন্দপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে গণসংযোগ করেন মাজহারুল ইসলাম। এ সময় ধানের শীষের এই প্রত্যাশীকে কাছে পেয়ে এলাকার সর্বস্তরের জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে তাকে শুভেচ্ছা জানান। ভোটারদের সঙ্গে হাত মেলান এবং তাদের খোঁজখবর নেন তিনি। ইউনিয়নের পথে পথে ধানের শীষের পক্ষে স্লোগান ওঠে।

    ​গণসংযোগ শেষে ইউনিয়নের গোবিন্দপুর স্কুল মাঠে ইউনিয়ন বিএনপি আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন মাজহারুল ইসলাম। তিনি তার বক্তব্যে বলেন,
    ​”আপনারা দেখছেন দেশের মানুষ আজ ভালো নেই। নিত্যপণ্যের দাম আকাশছোঁয়া। মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। জনগণের ভোটাধিকার হরণ করা হয়েছে। আমরা এই অবস্থা থেকে মুক্তি চাই।”
    ​তিনি আরও বলেন, তার দল সবসময় জনগণের পক্ষে কাজ করেছে এবং ভবিষ্যতেও করবে। তিনি গোবিন্দপুর ইউনিয়নের জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, “এই এলাকার মানুষের ভালোবাসাই আমার অনুপ্রেরণা। আপনারা যদি ধানের শীষকে বিজয়ী করেন, তবে কিশোরগঞ্জ-১ আসন হবে জনগণের সেবার প্রতীক।”
    ​তিনি বর্তমান সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে স্থানীয় সমস্যাগুলো তুলে ধরেন এবং এর সমাধানে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা জানান। তিনি সকল ভোটারকে আগামী নির্বাচনে নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগের আহ্বান জানান।

    ​সমাবেশে স্থানীয় বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, শিক্ষক ও পেশাজীবীরাও উপস্থিত থেকে মাজহারুল ইসলামকে সমর্থন জানান।
    ​গণসংযোগ ও মতবিনিময়ে সভাকে কেন্দ্র করে গোবিন্দপুর ইউনিয়নে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়। স্থানীয় ভোটারদের অনেকেই মাজহারুল ইসলামের পক্ষে তাদের সমর্থন ব্যক্ত করেন।

  • ত্রিশাল উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটি পুনর্গঠন,সভাপতি কামরুল,সাধারণ সম্পাদক মাহবুব

    ত্রিশাল উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটি পুনর্গঠন,সভাপতি কামরুল,সাধারণ সম্পাদক মাহবুব

    দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ১৭ (ছ) ধারা অনুসারে দুর্নীতি প্রতিরোধের উদ্দেশ্যে সতারা ও নিষ্ঠাবোধ এটি করা দুর্নীতির বিরুদ্ধে গণসচেতনতা গড়ে তোলার লক্ষ্যে নিম্নেবর্ণিত ব্যক্তিবর্গের সমন্বয়ে ৯ সদস্য বিশিষ্ট উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটি ত্রিশাল পুনর্গঠন করা হয়েছে।

    ১. এ.কে.এম কামরুল হাসান, অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক, ত্রিশাল সরকারি নজরুল একাডেমি, পিতা-মো: আবুল কালাম আজাদ, সাং-দরিরামপুর ৪ নং ওয়ার্ড, ত্রিশাল পৌরসভা, ত্রিশাল, ময়মনসিংহ।
    সভাপতি
    ২. সালমা আক্তার, সমাজকর্মী, স্বামী-ফয়সাল আহমেদ, সাং-বীররামপুর, ডাকঘর-গফাকুড়ি, ত্রিশাল, ময়মনসিংহ।
    সহ সভাপতি
    ৩. রফিকুল ইসলাম, প্রধান শিক্ষক, বড়মা উচ্চ বিদ্যালয়, পিতা-মো: হাসান আলী, সাং-বড়মা, ডাকঘর-বড়মা, ত্রিশাল, ময়মনসিংহ।
    সহ সভাপতি
    ৪.শাহ্ মো: মাহবুব হাসান, পেশা-শিক্ষক, চকরামপুর কামিল মাদ্রাসা, পিতা-শাহ্ আহমেদ খবির, সাং-পাঁচপাড়া, ডাকঘর-চক পাঁচপাড়া, ত্রিশাল, ময়মনসিংহ।
    সাধারণ সম্পাদক
    ৫. মুরসালিনা আক্তার, শরীর চর্চা শিক্ষক, কালির বাজার স্কুল এন্ড কলেজ, স্বামী-মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান, সাং-কালির বাজার, ডাকঘর-ফাতেমা নগর, ত্রিশাল, ময়মনসিংহ।
    সদস্য
    ৬. ফাতেমা তুজ জোহরা, সহকারী শিক্ষক, আখরাইল উচ্চ বিদ্যালয়, স্বামী-শহীদ মিয়া, সাং-আশ্বরাইল, ডাকঘর-আখরাইল বাজার, ত্রিশাল, ময়মনসিংহ।
    সদস্য
    ৭. মো: ইমদাদুল হক হিজবুল্লাহ, পেশ ইমাম, উপজেলা পরিষদ, পিতা-মো: এনমুল হক, সাং-গালর্স স্কুল রোড, ত্রিশাল, ময়মনসিংহ।
    সদস্য
    ৮.এইচ এম জোবায়ের হোসেন, (এনজিওকর্মী ও উদ্যোক্তা), পিতা-আব্দুল জব্বার, ত্রিশাল চরপাড়া, ত্রিশাল পৌরসভা, উপজেলা-ত্রিশাল, জেলা-ময়মনসিংহ।
    সদস্য
    ৯. আব্দুল্লাহ আল ফাহাদ, সংস্কৃতিকর্মী, পিতা মৃত-নূরুল ইসলাম মাষ্টার, সাং-ত্রিশাল চরপাড়া, ৩ নং ওয়ার্ড, ত্রিশাল পৌরসভা, ত্রিশাল, ময়মনসিংহ।
    সদস্য

  • কালীগঞ্জে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৪০(চল্লিশ) পিস ইয়াবা সহ মাদক ব্যাবসায়ী গ্রেফতার।।

    কালীগঞ্জে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৪০(চল্লিশ) পিস ইয়াবা সহ মাদক ব্যাবসায়ী গ্রেফতার।।

    লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার ৫ নং চন্দ্রপুর ইউনিয়নের হররাম গ্রামের মোঃ শফিকুল ইসলাম নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে ৪০ পিস ইয়াবা সহ গ্রেফতার করেছেন কালিগঞ্জ থানা পুলিশ। ০৩ নভেম্বর (সোমবার) আনুমানিক রাত ১১টার দিকে কালিগঞ্জ থানার বিশেষ অভিযান পরিচালনার সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চন্দ্রপুর ইউনিয়নের হররাম গ্রামের কুখ্যাত মাদক ব্যাবসায়ী মোঃ সফিকুল ইসলামকে তার বাড়ির মেইন গেট থেকে ৪০ পিস ইয়াবা সহ আটক করেন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,দীর্ঘদিন যাবত ধরে শফিকুল ইসলাম মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত। ঘটনার দিন কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ জাকির হোসেনের নির্দেশে এস আই মোঃ সানারুল হকের নেতৃত্বে একটি চৌকস আভিযানিক দল মাদক ব্যবসায়ী মোঃ সফিকুল ইসলামের নিকট হইতে ৪০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করেন। গ্রেফতার মাদক ব্যাবসায়ী ওই এলাকার মোঃ আব্দুল খালেকের ছেলে। এ বিষয়ে কালিগঞ্জ থানায় নিষিদ্ধ মাদকদ্রব্য ২০১৮ আইন অনুযায়ী একটি মাদক মামলা দায়ের করা হয়। ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মোঃ জাকির হোসেন বলেন মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।সেই সাথে এলাকা বাসী সহ সকলের সহোযোগিতাও কামনা করেন তিনি।

  • জীবননগর হরিহর নগরে রাতের আধারে পেয়ারা গাছ কেটে দিল দুর্বৃত্তরা

    জীবননগর হরিহর নগরে রাতের আধারে পেয়ারা গাছ কেটে দিল দুর্বৃত্তরা

    চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে শত্রুতার জেরে জালাল উদ্দিন নামের কৃষকের প্রায় ৩০০টি উচ্চ ফলনশীল জাতের পেয়ারা গাছ কেটে ফেলেছে দুর্বৃত্তরা । রোববার দিনগত রাতে উপজেলার হরিহরনগর গ্রামের মাঠে ঘটনাটি ঘটেছে । স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হরিহরনগর গ্রামের মৃত মহিউদ্দিন মোল্লার ছেলে জালাল উদ্দিনের ২৫ কাঠা জমিতে ৩০০টি পেয়ারার চারা রোপণ করেন এবং গত দুই বছর ধরে নিবিড় পরিচর্যার মাধ্যমে বাগানটিকে ফল ধরা শুরু হয়। রাতের আঁধারে অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা বাগানের সমস্ত গাছ কেটে ফেলে যায়। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক জালাল উদ্দিন জানান, প্রায় দেড় লাখ টাকা খরচ করে তিনি এই পেয়ারা বাগান তৈরি করেছিলেন। গাছে ফুল ও ফল ধরায় তিনি লাভের আশা করছিলেন। এই বছর তিনি প্রায় তিন লক্ষ টাকার ফল বিক্রি করতে পারতেন। তিনি বলেন, হরিহার নগর গ্রামের মৃত মহিউদ্দিন মোল্লার ছেলে আলমগীর হঠাৎ করে আমার এই জমি তার বলে দাবি করে। এই নিয়ে কয়েকবার তার সাথে আমার ঝামেলা হয়েছে সে বিভিন্নভাবে আমাকে হুমকি দেয় এবং আমার ছেলের গলায় হেসো ধরে। এর আগেও সে একবার আমার জমির নেটের বেড়া কেটে দেয়। আমরা এই জমিতে ৫৩ বছর চাষাবাদ করছি আমার দাদার কেনা জমি আজ হঠাৎ করে তারা এই জমি তাদের বলে দাবি করছে এবং রাজনৈতিক ক্ষমতা দেখিয়ে আমাদের বারবার হুমকি দিচ্ছে। দুর্বৃত্তরা আমার সব গাছ কেটে দিল। আমার অনেক ক্ষতি হয়ে গেল। কয়েক লাখ টাকার ফল উৎপাদনের স্বপ্ন ভেঙে গেল। এই ঘটনায় দোষীদের খুঁজে বের করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান তিনি। জীবননগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ মামুন হোসেন বিশ্বাস জানান,অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। তিনি বলেন, “বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে এবং পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”