Author: admin

  • ঈদ আনন্দ,তিস্তা পারে  দর্শনার্থীদের ঢল।

    ঈদ আনন্দ,তিস্তা পারে দর্শনার্থীদের ঢল।

    পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলায় তিস্তা নদীর পাড় আবারও পরিণত হয়েছে বিনোদনপ্রেমীদের মিলনমেলায়। উপজেলার মহিষখোচা ইউনিয়নের গোবর্দ্ধন ২নং স্পার ব্রিজ সংলগ্ন তিস্তা নদীর তীরে ঈদের দিন থেকেই হাজারো মানুষের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। ঈদের নামাজ শেষে সকাল গড়াতেই স্পার ব্রিজের আশপাশে মানুষের ঢল নামে। পরিবার-পরিজন, বন্ধু-বান্ধব নিয়ে আনন্দ উপভোগ করতে আসা দর্শনার্থীদের উপস্থিতিতে পুরো এলাকা পরিণত হয় উৎসবমুখর পরিবেশে। এক পর্যায়ে সেখানে তিল ধারণের ঠাঁই থাকে না। তিস্তা চরাঞ্চলের এই মনোরম পরিবেশে ঈদের আনন্দ যেন নতুন মাত্রা পায়। নদীর ভাটিতে নৌকা ভ্রমণ দর্শনার্থীদের জন্য বাড়তি আকর্ষণ হয়ে উঠেছে। পালতোলা নৌকায় চড়ার অপেক্ষায় অনেককেই দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। স্থানীয়রা জানান, প্রতি বছর ঈদসহ বিভিন্ন উৎসবে তিস্তা নদীর এই পাড়ে দর্শনার্থীদের ভিড় বাড়তে থাকে। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আর খোলা পরিবেশের কারণে এটি এখন এলাকাবাসীর অন্যতম বিনোদনকেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। দর্শনার্থীদের একজন বলেন, “প্রতি ঈদেই আমরা এখানে আসি। নদীর পাড়ে এমন সুন্দর পরিবেশে সময় কাটাতে ভালো লাগে, মনে হয় যেন সমুদ্র সৈকতে আছি।”
    সব মিলিয়ে, ঈদের আনন্দকে ঘিরে আদিতমারীর তিস্তা নদীর পাড় এখন মানুষের প্রাণের মিলনমেলায় রূপ নিয়েছে।

  • ত্রিশালের বাউলূম নূরানীয় হাফেজীয় ও কওমি মাদরাসা নিয়ে চক্রান্ত,জনমনে ক্ষোভ

    ত্রিশালের বাউলূম নূরানীয় হাফেজীয় ও কওমি মাদরাসা নিয়ে চক্রান্ত,জনমনে ক্ষোভ

    আসসালামু আলাইকুম সম্মানিত এলাকাবাসী ইতিমধ্যেই আপনারা সকলেই অবগত আছেন যে আমাকে নিয়ে এলাকায় মিথ্যা ও কাল্পনিক অভিযোগের ভিত্তিতে আপনাদের মনে এক ভিব্ব্রান্তের সৃষ্টি হয়েছে সেই বিষয়ে কথা বলার জন্য বিডিওতে আসা,আপনারা জানেন যে ত্রিশাল উপজেলার আওতাধীন মোক্ষপুর ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডে কোনাবাখাইল চৌরাস্তায় ২০১৮ সালে উলামায়ে কেরাম ও আপনাদের সার্বিক পরামর্শে বাহরুল উলূম নূরানীয় হাফেজীয় ও কওমি মাদরাসা প্রতিষ্ঠা করি। আপনাদের সার্বিক সহোযোগিতায় ও আমার অকালন্ত পরিশ্রমের মধ্য দিয়ে এই প্রতিষ্ঠান চালিয়ে আসছি। একই এলাকার জয়নাল আবেদীনের পুত্রবধূ শাহজাহান পারভীন তার সন্তানকে আমার মাদারাসায় ভর্তি করে সেই সুবাদে তাদের পরিবারের সাথে আমার একটি সুসম্পর্ক গড়ে উঠে, সন্তানের খুঁজ খবর নিতে শাহজাহান পারভীন প্রায় সময় মাদরাসায় আসে এবং লালসার দৃষ্টিতে ভিবিন্ন অঙ্গভঙ্গিতে আমার সাথে কথা বলার চেষ্টা করে কিন্তু আমি এই গুলো গ্রাহ্য করিনা,এক পর্যারে তিনি আমাকে জানায় যে আমাকে তার ভালো লাগে, আমার সাথে পরিচয়ের পর ওনার স্বামী সংসার ভালো লাগেনা তিনি আমাকে জীবনসঙ্গী হিসেবে পেতে প্রস্তাব দেয়, তিনি আরো জানান যে,আমাকে পেতে পৃথিবীর সবকিছুই ত্যাগ করতে পারেন এমন কি স্বামী, সন্তান কেও।আমি বিবাহিত তাই আমি আমার মানবিক বিবেচনায় সম্মানের কথা চিন্তা করে ওনার এমন ভুল সিদ্ধান্ত ও জঘন্য, পাপিষ্ঠ প্রস্তাবকে তাৎক্ষণিকভাবে প্রত্যাখান করি, ওনাকে আমি বলি যে দেখুন আপনি যে সব চিন্তা ভাবনা করছেন তা সম্পূর্ণ মরিচীকার মতো এসব বাদ দেন ও নানান ভাবে বুঝানোর চেষ্টা করি। তখন তিনি নিরবতা অবলম্বন করে, আমিও ওনার এবং ওনার পরিবারের সম্মানের কথা চিন্তা করে বিষয়টি গুপন রাখি এবং কৌশলে তার সন্তানকে মাদারাসা থেকে বরখাস্ত করি যাতে তিনি কোন অজুহাতে আর আমার মাদারাসায় আসতে না পারে, তারপর তিনি ১৪ ই জানুয়ারি তার বাসায় আমাকে দাওয়াত করে। আমি ভেবেছিলাম যে হইতো ওনার মনে এখন আর কোন খারাপ চিন্তা ভাবনা বিদ্যামান নেই, তাই আমি সরল মনে সেখানে উপস্থিত হই, উপস্হিত হওয়ার পর তিনি তার অনৈতিক চরিতার্থ উদ্দেশ্য সফল করার জন্য ঘরের দরজা বন্ধ করে দেই এবং দৈহিক পাপিষ্ঠ কাজে লিপ্ত হওয়ার জন্য আমার কাছে আসার চেষ্টা করে, তখন আমি আমার ইজ্জতের কথা চিন্তা করে কৌশলে সেখান থেকে বেরিয়ে আসি,পরে শাহজাহান পারভীন কেও সতর্ক করে দেই যে আপনি দ্বিতীয় বার যদি এমন কোন চিন্তা ভাবনা করেন তাহলে বিষয়টি আপনার স্বামী, শশুড় ও এলাকাবাসীকে জানাতে বাধ্য হবো,তাই তিনি তার অনৈতিক উদ্দেশ্য সফল করতে না পারায় নিজের দোষ আড়াল করতে আমার প্রতি ক্ষিপ্ত হয়ে তার শশুড় জয়নাল আবেদীন কে জানায় যে আমি তাকে শ্লীলতাহানি করার চেষ্টা করেছি,তখন জয়নাল আবেদীন এই ব্যাপারে সত্যি টা জানার জন্য বা যাচাইয়ের জন্য আমার সাথে কোনরকম যোগাযোগ না করেই বর্তমান জনপ্রতিনিধি নরপিশাচ সাইফুল ইসলামের সাথে পরামর্শ করে, যেহেতো আমার সাথে পূর্ব থেকেই সাইফুল ইসলামের বিরোধ রয়েছে, আপনাদেরকে আরেকটা বিষয় স্পষ্ট জানিয়ে রাখি যে সাইফুল ইসলাম বিগত দিনগুলোতে এই প্রতিষ্ঠানের চরম বিরোধিতা করে আসছে এমনি কি এই প্রতিষ্ঠান চালাতে দিবেনা বলে আমাকে একাধিকবার হুমকি দিয়ে আসছে শুধু তাই নয় প্রতি বছরই যখন এই মাদ্রাসার কোন উন্নয়ন উন্নয়নমূলক কাজ এবং ওয়াজ মাহফিলের আয়োজন করতে চায় তখন এই নরপিশাচ জনপ্রতিনিধি সাইফুল সর্বোচ্চ বাঁধা দেওয়ার চেষ্টা করে, এখানে আমার একটা ভুল হলো যে আমি যদি ওদের নামে পূর্ব থেকেই থানায় একটি জিডি করে রাখতাম তাহলে হয়তো আজ আমার এই দিন দেখতে হতোনা, আমি এদেরকে আমার আপন মানুষ ভাবতাম যে হয়তোবা কোন একদিন এই প্রতিষ্ঠানের জন্য ওদের অন্তরে ভালোবাসার সৃষ্টি হবে, কিন্তু বুঝতে পারিনি যে যারা ইসলামের কল্যান চয়না তাদের অন্তর সহজে পরিবর্তন হয়না,হ্যা সেই সুযোগ কে পুঁজি করে জয়নাল আবেদীন ও তার পুত্রবধূর শাহজাহান পারভীন আনুমানিক রাত ১০ থেকে ১২টার মধ্যে বর্তমান ৭ নং ওয়ার্ডের জনপ্রতিনিধি নরপিশাচ সাইফুল ইসলামের সহোযোগিতায় আমার নামে মিথ্যা অভিযোগতুলে এলাকার সহজ সরল মানুষের মনে ভিব্ব্রান্ত সৃষ্টি করে আমার অনুপস্থিতিতে মাদ্রাসায় হামলা চালিয়ে ভাঙ্গচুর করে এবং মাদারাসা থাক শিক্ষকেও ভয়ভীতি প্রদর্শন করে বের করে দেয়, কোন এক মাধ্যমে আমার কাছে খবর আসে, আমি আত্নীয় বাড়ি থাকায় তাৎক্ষণিকভাবে সেখানে উপস্থিত হতে পারিনি, তবে পরের দিন সকালে গিয়ে দেখি মাদরাসা ভাঙ্গচুর করে প্রায় ৭০থেকে ৮০ হাজার টাকার মালামাল ক্ষতিগ্রস্ত করেছে এবং নগদ ৫০ হাজার টাকা নিয়ে যায় তখন তাদের এমন নিকৃষ্ট কর্মকাণ্ডের একটি বিডিও চিত্র আমার মোবাইল ফোনে প্রমান হিসেবে ধারন করি, তারা এখানেই ক্ষান্ত হননি নিজেদের অপরাধ আড়াল করার জন্য থানায় একটি মিথা অভিযোগ দ্বায়ের করে সাইফুলের পরামর্শে, আমার নামে,এই ব্যাপারে প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করছি সেই সাথে ভারাক্রান্ত হ্রদয়ে বলছি যারা এমন অপৃত্তিকর ঘটনা ঘটিয়েছে আমি তাদের জন্য আল্লাহর কাছে হেদায়েত কামনা করছি

  • হালুয়াঘাটে বৃষ্টি গাছের ছালে ‘আল্লাহ’ লেখা সদৃশ চিহ্ন,ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি

    হালুয়াঘাটে বৃষ্টি গাছের ছালে ‘আল্লাহ’ লেখা সদৃশ চিহ্ন,ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি

    হালুয়াঘাটের ধুরাইলে একটি বৃষ্টি গাছের ছালে ‘আল্লাহ’ লেখা সদৃশ চিহ্ন দেখতে পেয়ে স্থানীয়দের মাঝে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনাটি উপজেলার ধুরাইল বাজার জামে মসজিদ রোড সংলগ্ন এলাকায় ঘটেছে।
    সূত্রে জানায়, সম্প্রতি মোনায়েম নামের এক ব্যক্তি গাছটির কিছু অংশের ছাল তুলতে গেলে ভেতরের অংশে আরবি হরফে ‘আল্লাহ’ লেখা সদৃশ একটি চিহ্ন দেখতে পান। পরে বিষয়টি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে উৎসুক জনতা ঘটনাস্থলে ভিড় জমাতে শুরু করেন। অনেকেই এটিকে মহান আল্লাহর কুদরতের নিদর্শন হিসেবে দেখছেন। গাছটি এক নজর দেখতে প্রতিদিনই বিভিন্ন স্থান থেকে মানুষ সেখানে আসছেন। কেউ কেউ গাছটির পাশে দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন, আবার অনেকে দোয়া-মোনাজাতও করছেন। ফলে পুরো এলাকাজুড়ে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। গাছটির ছাল অযথা না তোলার জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন, যাতে গাছটির কোনো ধরনের ক্ষতি না হয়। স্থানীয়রা জানান, গাছটি রক্ষা এবং শৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া দরকার।

  • ময়মনসিংহের সাবেক এসপি ডিআইজি মঈনুল হক ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে ফুলবাড়িয়ায় ১০০ একর জমি দখলের অভিযোগ

    ময়মনসিংহের সাবেক এসপি ডিআইজি মঈনুল হক ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে ফুলবাড়িয়ায় ১০০ একর জমি দখলের অভিযোগ

    ময়মনসিংহের সাবেক এসপি,বাংলাদেশ পুলিশের উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মঈনুল হক ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে প্রায় ১০০ একর জমি দখলের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। সূত্র জানায়,আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ময়মনসিংহের পুলিশ সুপার থাকাকালে তিনি ক্ষমতার অপব্যবহার করে ব্যক্তিমালিকানাধীন ও ফুলবাড়িয়া বন বিভাগের জমি জবরদখল করেন। স্থানীয়ভাবে এই প্রকল্পটি ‘এসপি গরুর ফার্ম’ নামে পরিচিতি পায়। সূত্র জানায়, অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। ইতোমধ্যে বিষয়টি তদন্তে একটি বিশেষ অনুসন্ধানী টিম গঠন করা হয়েছে। গত ২৪ ফেব্রুয়ারি দুদকের বিশেষ অনুসন্ধান ও তদন্ত-১ শাখার উপপরিচালক রেজাউল করিম স্বাক্ষরিত একটি চিঠিতে অনুসন্ধান শুরুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। জানা যায়, সম্প্রতি ডিআইজি মঈনুল হকের বিরুদ্ধে ময়মনসিংহে দায়িত্বপালনকালে প্রায় ১০০ একর জমি দখলের অভিযোগ জমা পড়ে। যাচাই-বাছাই শেষে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় কমিশন এটি আমলে নিয়ে আনুষ্ঠানিক অনুসন্ধান শুরু করে। সূত্র আরও জানায়, ডিআইজি মঈনুলের সঙ্গে বিতর্কিত সাবেক ডিবি প্রধান হারুন-অর-রশিদের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল। তার মাধ্যমেই তিনি ডিআইজি পদে পদোন্নতি পান এবং খুলনা রেঞ্জের দায়িত্ব পেতেও সহায়তা নেন। সূত্র জানায়, মঈনুল হক (সাবেক পুলিশ সুপার, ময়মনসিংহ ও নারায়ণগঞ্জ এবং সাবেক ডিআইজি, খুলনা রেঞ্জ) ও অন্যান্যদের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে ব্যক্তিমালিকানাধীন ও বন বিভাগের জমি দখলের অভিযোগ রয়েছে। দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ ও বিধিমালা, ২০০৭ অনুসরণ করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অনুসন্ধান শেষ করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দুদকের সূত্র জানান, অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় কমিশন ইতোমধ্যে উন্মুক্ত অনুসন্ধান শুরু করেছে। অনুসন্ধান কর্মকর্তার প্রতিবেদনের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জানা যায়, ২০২২ সালের নভেম্বরে মঈনুল হক খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি হিসেবে দায়িত্ব পান। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর তাকে ওএসডি করে পুলিশ সদর দপ্তরে সংযুক্ত করা হয়। পরবর্তীতে গত বছরের ৭ আগস্ট তাকে সারদা পুলিশ একাডেমিতে সংযুক্ত করা হয়।

  • হোসেনপুরসহ দেশবাসীকে ইউএনও কাজী নাহিদ ইভার ঈদের শুভেচ্ছা

    হোসেনপুরসহ দেশবাসীকে ইউএনও কাজী নাহিদ ইভার ঈদের শুভেচ্ছা

    কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলাবাসীসহ দেশবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক জানিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কাজী নাহিদ ইভা।
    ​এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি বলেন, দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনার পর অর্জিত ত্যাগ ও সংযমের শিক্ষা যেন সবার ব্যক্তিগত ও সমাজ জীবনে প্রতিফলিত হয়। মাহে রমজানের আত্মশুদ্ধির মহান দীক্ষার মধ্য দিয়ে যে পবিত্র ঈদুল ফিতরের আনন্দঘন মুহূর্ত আসে, তা প্রতিটি মুসলমানকে গভীর ভ্রাতৃত্ববোধে উদ্বুদ্ধ করে।

    ​ইউএনও কাজী নাহিদ ইভা ইসলামের শাশ্বত শিক্ষার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, “ধনী-গরিব ভেদাভেদ ভুলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে দেশকে এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যয়ে কাজ করতে হবে।” ঈদের এই খুশির দিনে দেশ ও মানুষের ভাগ্যোন্নয়নে শপথ নেওয়ার জন্য তিনি সকলের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান।

    ​শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি বিশেষভাবে সুবিধাবঞ্চিত ও হতদরিদ্র মানুষের প্রতি সহানুভূতিশীল হওয়ার অনুরোধ জানান। তিনি উল্লেখ করেন:
    ​”ঈদের শিক্ষা থেকে আমাদের অঙ্গীকার হওয়া উচিত—হিংসা, বিদ্বেষ ও হানাহানি পরিহার করে ন্যায়, সাম্য, ঐক্য ও মানবতার ভিত্তিতে একটি সুন্দর সমাজ ও দেশ গড়ে তোলা।”
    ​শান্তি ও সমৃদ্ধির কামনা
    ​তিনি আরও বলেন, কর্মস্থল বা অবস্থানের প্রেক্ষাপটে আমরা যে যেখানেই থাকি না কেন, পরিবার-পরিজন ও নিকটজনদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে হবে। পবিত্র ঈদুল ফিতরের এই দিনে দেশের প্রতিটি ঘরে শান্তির সুধা প্রবাহিত হোক—এমনটাই প্রত্যাশা করেন তিনি।
    ​পরিশেষে, হোসেনপুর উপজেলাসহ বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর সুখ, শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করে নিজের বক্তব্য শেষ করেন ইউএনও কাজী নাহিদ ইভা।

  • উপজেলা প্রশাসন ও ইসলামিক ফাউন্ডেশন ত্রিশালের আয়োজনে সরকারি যাকাত ফান্ডের যাকাত বিতরণ করেন ডা.মাহবুবুর রহমান লিটন এমপি

    উপজেলা প্রশাসন ও ইসলামিক ফাউন্ডেশন ত্রিশালের আয়োজনে সরকারি যাকাত ফান্ডের যাকাত বিতরণ করেন ডা.মাহবুবুর রহমান লিটন এমপি

    আজ ১৯ মার্চ ২০২৬খ্রি. উপজেলা প্রশাসন ও ইসলামিক ফাউন্ডেশনে, ত্রিশাল এর আয়োজনে সরকারি যাকাত ফান্ডের যাকাত বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাননীয় সংসদ সদস্য, ১৫২, ময়মনসিংহ-৭ (ত্রিশাল), ডাঃ মোঃ মাহাবুবুর রহমান মহোদয়। অনুষ্ঠানটি সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার, ত্রিশাল আরাফাত সিদ্দিকী। এছাড়া অনুষ্ঠানে অফিসার ইনচার্জ ত্রিশাল থানা মোহাম্মদ ফিরোজ হোসেন,ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারী, উপজেলার বিভিন্ন মসজিদের ইমাম, সাংবাদিক ও সুধিজন উপস্থিত ছিলেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার আরাফাত সিদ্দিকী সমাজের বিত্তবান ব্যক্তিগণকে সরকারি যাকাত ফান্ডে যাকাতের অর্থ জমা দেওয়ার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানান।

  • শোলাকিয়ায় ১৯৯তম ঈদ জামাতের প্রস্তুতি সম্পন্ন,জামাত শুরু ১০টায়

    শোলাকিয়ায় ১৯৯তম ঈদ জামাতের প্রস্তুতি সম্পন্ন,জামাত শুরু ১০টায়

    কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দান-এ দেশের সবচেয়ে বড় ঈদ জামাত আয়োজনের লক্ষ্যে সম্পন্ন হয়েছে সব ধরনের প্রস্তুতি।

    ঈদগাহ ময়দানকে আকর্ষণীয় ও উপযোগী করে তুলতে ইতোমধ্যে ধোয়ামোছা, রং করা এবং প্রয়োজনীয় সংস্কার কাজ শেষ হয়েছে।১৯৯তম বৃহৎ এই ঈদ জামাতে মুসল্লিরা যেন নির্বিঘ্নে নামাজ আদায় করতে পারেন, সে জন্য নেওয়া হয়েছে বিশেষ ব্যবস্হা।

    বুধবার (১৮ মার্চ) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কিশোরগঞ্জ-১ (সদর-হোসেনপুর) আসনের সংসদ সদস্য মাজহারুল ইসলাম, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আসলাম মোল্লা ও পুলিশ সুপার এস এম ফরহাদ হোসেন, র‍্যাব-১৪, সিপিসি-২ কিশোরগঞ্জ ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার স্কোয়াড্রন লিডার মো. আলী নোমান শোলাকিয়া মাঠের প্রস্তুতি নিয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।

    কিশোরগঞ্জ-১ (সদর-হোসেনপুর) আসনের সংসদ সদস্য মাজহারুল ইসলাম বলেন,শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দান দেশের প্রাচীনতম এবং সর্ববৃহৎ ঈদগাহ ময়দান। এই ঈদগাহ ময়দানটি ২০০ বছর ধরে টিকে আছে। এখানে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আগত মুসল্লিরা নামাজ আদায় করেন। এর ধারাবাহিকতায় এই শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানে এবার ১৯৯তম ঈদুল ফিতরের জামাত অনুষ্ঠিত হবে।

    জামাতে নামাজ আদায়ের জন্য দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে মুসল্লিরা এখানে আসেন এবং তাঁদের থাকা-খাওয়ার সুব্যবস্থা করে থাকে

    ​শোলাকিয়া ঈদগাহ পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আসলাম মোল্লা বলেন, দূরদূরান্ত থেকে আসা মুসল্লিদের যাতায়াতের সুবিধার্থে বিশেষ ট্রেনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ভৈরব থেকে বিশেষ ট্রেনটি সকাল ৬টায় ছেড়ে কিশোরগঞ্জ পৌঁছাবে সকাল ৮টায়। অন্যদিকে ময়মনসিংহ থেকে ট্রেন ছাড়বে ভোর ৫টা ৪৫ মিনিটে এবং কিশোরগঞ্জ পৌঁছাবে সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে। ঈদ জামাত শেষে উভয় ট্রেন কিশোরগঞ্জ স্টেশন থেকে দুপুর ১২টায় ফিরতি যাত্রা শুরু করবে।

    আগত মুসল্লিদের আবাসন ও অজুর জন্য স্থানীয় বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিশেষ ব্যবস্থা করা হয়েছে। জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে অস্থায়ী অজুখানাও স্থাপন করা হয়েছে। থাকবে সুপেয় পানির ব্যবস্থা। এ ছাড়া সরযূ বালা সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ে নারীদের জন্য পৃথক জামাতের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। জরুরি চিকিৎসাসেবায় মাঠে পর্যাপ্ত মেডিকেল টিম ও অ্যাম্বুলেন্স প্রস্তুত থাকবে।

    নিরাপত্তার স্বার্থে মুসল্লিরা মাঠে কেবল জায়নামাজ নিয়ে প্রবেশ করতে পারবেন। ব্যাগ, ছাতা বা অন্য কিছু বহন নিষিদ্ধ করা হয়েছে।নিরাপত্তার দায়িত্বে ১ হাজার ১০০ পুলিশ সদস্যের পাশাপাশি ৪ প্লাটুন সেনাবাহিনী, ৬টি র‍্যাব টিম, ৫ প্লাটুন বিজিবি ও ব্যাটালিয়ন আনসার মোতায়েন থাকবে। পুরো এলাকা ৬৪টি সিসিটিভি ক্যামেরা ও ৬টি ওয়াচ টাওয়ার রাখা হয়েছে।

    ​পুলিশ সুপার এস এম ফরহাদ হোসেন বলেন, শোলাকিয়া ঈদগাহে চার স্তরের কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। ইউনিফর্ম পরা পুলিশের পাশাপাশি সাদাপোশাকে ডিবি, র‍্যাব এবং অ্যান্টি টেররিজম ইউনিটের বম্ব ডিসপোজাল ইউনিট সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করবে। পুরো ঈদগাহ ময়দান সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় থাকবে এবং ড্রোনের মাধ্যমে আকাশপথ থেকে নজরদারি করা হবে। বিশেষ ট্রাফিক ব্যবস্থা থাকবে এবং প্রতিটি প্রবেশপথে মেটাল ডিটেক্টর বা তল্লাশির মাধ্যমে মুসল্লিদের প্রবেশ করানো হবে।

    র‍্যাব-১৪, সিপিসি-২ কিশোরগঞ্জ ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার স্কোয়াড্রন লিডার মো. আলী নোমান বলেন, চেকপোস্ট ও মোবাইল টহলের মাধ্যমে সন্দেহভাজন ব্যক্তি ও গাড়ি তল্লাশি করা হচ্ছে। এ ছাড়া মহাসড়কেও টহল টিম নিয়োজিত আছে। স্নাইপার, স্ট্রাইকিং ফোর্স এবং সাদাপোশাকে গোয়েন্দা সদস্যরা প্রস্তুত রয়েছেন। দূরদূরান্ত থেকে আসা মুসল্লিরা যেন হয়রানির শিকার না হন, সেদিকে বিশেষ নজর রাখা হয়।
    প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, এবার প্রায় ৬ লাখ মুসল্লির সমাগমের প্রস্তুতি রাখা হয়েছে। সকাল ১০টায় ঈদের জামাত শুরু হবে এবং ইমামতি করবেন মুফতি আবুল খায়ের মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ।

  • জীবননগরে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের অনুদান বিতরণ করলেন এমপি রুহুল আমিন

    জীবননগরে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের অনুদান বিতরণ করলেন এমপি রুহুল আমিন

    চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলায় সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ত্রাণ তহবিলের অনুদান বিতরণ করা হয়েছে। আজ বুধবার বেলা ১০টায় উপজেলা মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এ আর্থিক অনুদান তুলে দেওয়া হয়। জীবননগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশরাফুল আলম রাসেল অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. রুহুল আমিন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে রুহুল আমিন বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে প্রত্যেক এমপিকে ১০ লক্ষ করে টাকা দিয়েছে তার নির্বাচনীয় এলাকার জন্য। সেই হিসেবে আমরা আপনাদের এখানে যে টাকা দিয়েছি, আপনারা ২ হাজার করে টাকা পাবেন। আমরা ১০ লক্ষ টাকাই আপনাদের মতো গরিব-দুঃখী অসহায় মানুষের মধ্যে বিলিয়ে দিতে চাই। তিনি আরও বলেন, খুব ভালো হতো যদি আমরা বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দিতে পারতাম, তাহলে আপনারা সম্মানিত হতেন। আমরাও সম্মানিত হতাম। কিন্তু সময় কম থাকার কারণে আপনাদের এক জায়গায় ডেকেছি, আপনারা মনে কিছু করবেন না। ভবিষ্যতে উন্নয়নের জন্য আমাদের দারস্থ হওয়া লাগবে না, বরই আমরাই আপনাদের কাছে পৌঁছে দেব। জীবননগর উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, জীবননগরে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে ২১৩ জনকে দুই হাজার করে টাকা দেওয়া হয়েছে।

  • ত্যাগী ও অভিজ্ঞ নেতৃত্বে ভরসা রাখতে চায় হোসেনপুরবাসী: আলোচনায় বিএনপি নেতা  জহিরুল ইসলাম মবিন

    ত্যাগী ও অভিজ্ঞ নেতৃত্বে ভরসা রাখতে চায় হোসেনপুরবাসী: আলোচনায় বিএনপি নেতা জহিরুল ইসলাম মবিন

    হোসেনপুর উপজেলায় আসন্ন উপজেলা পরিষদের প্রশাসক নিয়োগকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা-প্রত্যাশা ক্রমেই বাড়ছে। স্থানীয় বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে একাধিক সম্ভাব্য নাম আলোচনায় এলেও সবচেয়ে বেশি উচ্চারিত হচ্ছে অভিজ্ঞ রাজনৈতিক সংগঠক জহিরুল ইসলাম মবিন-এর নাম।
    দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তৃণমূল থেকে উঠে আসা এই নেতার রয়েছে সংগঠন পরিচালনায় উল্লেখযোগ্য অভিজ্ঞতা ও গ্রহণযোগ্যতা। ইতিপূর্বে তিনি হোসেনপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করে রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। পরবর্তীতে হোসেনপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে দলের সাংগঠনিক ভিত্তি শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

    সূত্রে জানা যায়, হোসেনপুরের দুঃসময়ে বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয় থাকার পাশাপাশি নেতাকর্মীদের সংঘবদ্ধ রেখে দলীয় কর্মকাণ্ড সচল রাখতে গিয়ে তিনি একাধিক রাজনৈতিক মামলা ও হামলার শিকার হয়েছেন। এরপরও তিনি দলের আদর্শ থেকে বিন্দুমাত্র বিচ্যুত হননি বলে দাবি করেন তার ঘনিষ্ঠরা।

    এছাড়াও তিনি কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক হিসেবে দলীয় কর্মকাণ্ডে সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত রয়েছেন।
    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাজনৈতিক অস্থিরতা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগপ্রবণ এই অঞ্চলে নেতৃত্বের ক্ষেত্রে অভিজ্ঞতা ও গ্রহণযোগ্যতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস মতো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় স্থানীয়ভাবে কাজ করার অভিজ্ঞতা থাকায় জহিরুল ইসলাম মবিনকে এগিয়ে রাখছেন অনেকেই। অতীতে বিভিন্ন দুর্যোগের সময় ত্রাণ কার্যক্রম সমন্বয়, ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং সংগঠনের মাধ্যমে সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার কারণে সাধারণ মানুষের মধ্যেও তার একটি ইতিবাচক ভাবমূর্তি তৈরি হয়েছে বলে দাবি করেন নেতাকর্মীরা।
    স্থানীয় বিএনপি নেতারা বলেন, “দলকে সুসংগঠিত করা, ত্যাগ স্বীকার করা এবং দীর্ঘদিন মাঠে থেকে রাজনীতি করার অভিজ্ঞতা—সব দিক বিবেচনায় জহিরুল ইসলাম মবিন একজন পরীক্ষিত নেতা। তাকে উপজেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হলে প্রশাসনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে।”

    এছাড়া ব্যবসায়ী, শিক্ষক ও সচেতন মহলের একাংশও মনে করেন, রাজনৈতিক পরিচয়ের পাশাপাশি এলাকার সামাজিক উন্নয়ন, শিক্ষা বিস্তার ও অবকাঠামো উন্নয়নে যাদের সম্পৃক্ততা রয়েছে, তাদের মধ্য থেকে প্রশাসক নির্বাচন করা হলে জনগণের প্রত্যাশা পূরণ সহজ হবে। এ ক্ষেত্রে জহিরুলইসলাম মবিনকে একজন সম্ভাব্য যোগ্য প্রার্থী হিসেবে দেখছেন তারা।
    একাধিক নেতাকর্মী জানান, “দল ও জনগণের দুঃসময়ে পাশে থাকা একজন পরীক্ষিত নেতা হচ্ছেন জহিরুল ইসলাম মবিন। তাকে উপজেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হলে এলাকার উন্নয়ন, সুশাসন এবং জনসেবামূলক কার্যক্রম আরও বেগবান হবে।”
    তবে প্রশাসক নিয়োগের বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না আসায় বিষয়টি নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছেন স্থানীয়রা। সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে, সরকারের উচ্চপর্যায়ের সিদ্ধান্তের ওপরই নির্ভর করছে কে হচ্ছেন হোসেনপুর উপজেলা পরিষদের পরবর্তী প্রশাসক।

  • রাজবাড়ীতে ভিজিএফের চাল ক্রয় ও মজুদের দায়ে দুজনের কারাদণ্ড

    রাজবাড়ীতে ভিজিএফের চাল ক্রয় ও মজুদের দায়ে দুজনের কারাদণ্ড

    রাজবাড়ীর কালুখালীতে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে অসহায় ও দরিদ্র মানুষের মধ্যে বিতরণকৃত ভিজিএফের চাল অবৈধভাবে ব্যবসায়ীক উদ্দেশ্যে ক্রয় ও মজুদের দায়ে দুজনকে কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

    মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) দুপুরে উপজেলার রতনদিয়া ইউনিয়ন পরিষদ এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. মেজবাহ উদ্দিন।

    দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন— উপজেলা তোফাদিয়া এলাকার ইছহাক আলী মোল্লার ছেলে মো. সাজ্জাদ হোসেন ও গংগানন্দপুর এলাকার মাখনলাল বিশ্বাসের ছেলে চিত্ত রঞ্জন বিশ্বাস।

    ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, দরিদ্রদের মাঝে বিতরণের জন্য বরাদ্দকৃত ১০ কেজি হারে চাল অবৈধভাবে ক্রয় ও মজুদ করার অপরাধে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়। অভিযানে তাদের কাছ থেকে ৭টি স্বাক্ষরযুক্ত এবং ৬৯টি স্বাক্ষরবিহীন জাল কার্ডসহ মোট ৭৬টি কার্ড জব্দ করা হয়। এছাড়াও ৫০ কেজি ওজনের দুই বস্তা খোলা ত্রাণের চাল উদ্ধার করা হয়।

    অত্যাবশ্যকীয় পণ্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ১৯৫৬ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় সাজ্জাদ হোসেন কে ৩০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরো ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড,অন্যজন চিত্ত রঞ্জন বিশ্বাসকে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৪০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরো ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

    অভিযানকালে দেখা যায়, উপকারভোগীদের মাঝে ১০ কেজির পরিবর্তে কম পরিমাণে চাল বিতরণ করা হচ্ছিল, যা প্রমাণিত হওয়ায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সতর্ক করা হয়। পরবর্তীতে ইউনিয়ন পরিষদের ভবনের বিভিন্ন কক্ষ থেকে ৫৬টি কার্ডের বিপরীতে ৫৫৯ কেজি চাল জব্দ করা হয়।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন কালুখালী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আব্দুল আলীম, রতনদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মেহেদী হাসিনা পারভীন এবং ট্যাগ অফিসার হিসেবে দায়িত্বে থাকা উপজেলা প্রশাসনিক কর্মকর্তা আফরোজা চৌধুরী.