১৭/০৩/২০২৬ ইং তারিখ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, বিভাগীয় গোয়েন্দা কার্যালয়, ময়মনসিংহ এঁর সহকারী পরিচালক জনাব মোঃ কাওসারুল হাসান রনি স্যারের তত্ত্বাবধানে ঈশ্বরগঞ্জ থানাধীন শিমরাইল এলাকায় ময়মনসিংহ টু কিশোরগঞ্জ মহাসড়কের উপর মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে- মোঃ আব্দুল মান্নান (৪৮), পিতামৃত- সৈয়ব আলী, মাতামৃত-সুফিয়া বেগম, সাং পিল্লাকান্দি (শরীফগঞ্জ বাজার), ওয়ার্ড নং- ০৫, ইউপি- ০৭ং বারঠাকুরী, থানা-জকিগঞ্জ, জেলা- সিলেটকে ১,১০০ (এক হাজার একশত) পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ গ্রেফতার করা হয়। অতঃপর উপ-পরিদর্শক জনাব আজগর আলী বাদী হয়ে আসামীর বিরুদ্ধে ঈশ্বরগঞ্জ থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করেন।
Author: admin
-

ত্রিশালে মাদরাসার শিক্ষকের লালসার শিকার এক গৃহবধূ
ময়মনসিংহের ত্রিশালে এক মাদরাসা পরিচালকের বিরুদ্ধে গৃহবধূকে কুপ্রস্তাব ও শ্লীলতাহানির গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী ওই নারী (৩৮) গত ১৪ মার্চ ত্রিশাল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযুক্ত ওই পরিচালকের নাম রেজাউল করিম শেখ (৩৫)। তিনি উপজেলার মোক্ষপুর ইউনিয়নের বাহারুল উলুম কওমী মাদরাসার পরিচালক বলে সূত্র জানায়।
সূত্রে জানায়, ভুক্তভোগী নারীর সন্তানরা রেজাউল করিমের মাদরাসায় পড়াশোনা করার সুবাদে ওই পরিচালক প্রায়ই তাদের বাড়িতে যাতায়াত করতেন।এ সুযোগে দীর্ঘদিন ধরেই ওই গৃহবধূকে অনৈতিক প্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন তিনি। কিন্তু লোকলজ্জা ও ধর্মীয় গুরুর সম্মানের কথা ভেবে ওই নারী বিষয়টি এড়িয়ে চলতেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে রেজাউল তাকে প্রাণনাশের হুমকিও প্রদান করেন।
সূত্র জানায়,গত ১৪ জানুয়ারি রাতে সন্তানকে নিয়ে নিজ ঘরে ঘুমিয়ে ছিলেন গৃহবধূ। এসময় কৌশলে ঘরের ভেতরে প্রবেশ করে রেজাউল। তিনি ওই নারীকে অনৈতিক সম্পর্কের প্রস্তাব দেন। গৃহবধূ তীব্র প্রতিবাদ জানালে রেজাউল তার ওপর চড়াও হয় এবং ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে পরনের কাপড় ছিড়ে ফেলে শ্লীলতাহানি করে।ভুক্তভোগীর চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা এগিয়ে আসলে রেজাউল পালিয়ে যায়।
গৃহবধূর অভিযোগ, ঘটনার পর থেকে তিনি ও তার স্বামী-সন্তান চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। বিবাদী পক্ষ প্রভাবশালী হওয়ায় বিভিন্ন মাধ্যমে তাকে ও তার মাদরাসা পড়ুয়া ছেলেকে অপহরণসহ বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির হুমকি দিচ্ছে। স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের পরামর্শে ও নিরাপত্তার কথা ভেবে মামলা করতে কিছুটা বিলম্ব হয়েছে বলে জানান তিনি। -

ডিজিটাল সংগ্রামে তরুণ নেতৃত্ব: মো: মামুন রানা ও নতুন বাংলাদেশের প্রত্যাশা
সময়ের সাথে রাজনীতির চরিত্র বদলেছে, বদলেছে সংগ্রামের ক্ষেত্রও। একসময় রাজনীতির প্রধান মঞ্চ ছিল রাজপথ; আজ সেই রাজপথের পাশাপাশি সমান শক্তিশালী আরেকটি মঞ্চ তৈরি হয়েছে—ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, অনলাইন সংবাদমাধ্যম এবং বিভিন্ন ডিজিটাল মাধ্যম এখন জনমত গঠনের অন্যতম প্রধান ক্ষেত্র। এই নতুন বাস্তবতায় যারা দক্ষতার সাথে প্রযুক্তিকে ব্যবহার করে আদর্শ ও রাজনৈতিক অবস্থানকে মানুষের কাছে পৌঁছে দিচ্ছেন, তাদের মধ্যে মো: মামুন রানা একটি উল্লেখযোগ্য নাম।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সাইবার ফোর্সের চেয়ারম্যান হিসেবে মো: মামুন রানা দীর্ঘদিন ধরে অনলাইনে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ, জিয়া পরিবার এবং ধানের শীষের পক্ষে শক্তিশালী জনমত গড়ে তুলতে কাজ করে যাচ্ছেন। বর্তমান সময়ে যখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমকে ব্যবহার করে নানা ধরনের বিভ্রান্তিকর তথ্য, অপপ্রচার এবং পরিকল্পিত প্রপাগান্ডা ছড়ানো হয়, তখন তার নেতৃত্বে একটি সংগঠিত সাইবার টিম সেই অপপ্রচারের বিরুদ্ধে তথ্যভিত্তিক ন্যারেটিভ তৈরি করে প্রতিনিয়ত লড়াই করে যাচ্ছে।
ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে রাজনৈতিক লড়াই শুধু বক্তব্য দেওয়ার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; এটি একটি কৌশলগত যুদ্ধ, যেখানে দ্রুত প্রতিক্রিয়া, তথ্য বিশ্লেষণ এবং সংগঠিত টিমওয়ার্ক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই বাস্তবতা উপলব্ধি করেই বিগত নির্বাচনের সময় মো: মামুন রানা অনলাইন কুইক রেসপন্স টিম গঠন করেন। সারা বাংলাদেশে চারটি পৃথক টিম গঠন করে ২৪ ঘণ্টা অনলাইন মনিটরিংয়ের মাধ্যমে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভ্রান্তিকর তথ্যের বিরুদ্ধে দ্রুত প্রতিক্রিয়া প্রদান করা হয়। ডিজিটাল এই সংগঠিত প্রচেষ্টা রাজনৈতিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে একটি কার্যকর উদাহরণ হয়ে উঠেছে।
এছাড়াও তিনি ঢাকা-১৭ আসনে জনাব তারেক রহমানের নির্বাচন পরিচালনা প্রচার উপকমিটির সদস্য হিসেবে নির্বাচনী প্রচারণায় সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। মাঠের রাজনীতি এবং ডিজিটাল রাজনীতির সমন্বয় ঘটিয়ে তিনি নতুন প্রজন্মের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের একটি আধুনিক ধারা তুলে ধরেছেন।
মো: মামুন রানার রাজনৈতিক যাত্রা শুরু হয় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের মাধ্যমে। ছাত্ররাজনীতি থেকেই তিনি সংগঠনের আদর্শ, নেতৃত্ব এবং তৃণমূলের সাথে সংযোগের শিক্ষা অর্জন করেন। দীর্ঘদিনের সেই অভিজ্ঞতা এবং প্রযুক্তিগত দক্ষতার সমন্বয়ে তিনি আজ ডিজিটাল রাজনৈতিক সংগঠনের একজন দক্ষ সংগঠক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছেন।
রাজনীতির পাশাপাশি পেশাগত জীবনেও তিনি নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। তিনি একজন ব্রিটিশ কাউন্সিল সার্টিফাইড এডুকেশন কনসালট্যান্ট এবং ডিজিটাল মার্কেটিং বিশেষজ্ঞ। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলাদেশি প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করার মাধ্যমে তিনি আন্তর্জাতিক শিক্ষা অঙ্গনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। একই সঙ্গে বিভিন্ন দেশের ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীদের সাথে তার গড়ে ওঠা সম্পর্ক ভবিষ্যতে দেশের শিক্ষা ও বিনিয়োগ খাতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করতে পারে।
বর্তমান বিশ্বে নেতৃত্বের মানদণ্ড বদলে গেছে। এখন শুধু রাজনৈতিক অভিজ্ঞতাই যথেষ্ট নয়; প্রয়োজন প্রযুক্তিগত দক্ষতা, আন্তর্জাতিক দৃষ্টিভঙ্গি এবং তথ্যভিত্তিক কৌশল। সেই অর্থে মো: মামুন রানার মতো তরুণ, মেধাবী এবং প্রযুক্তিবান্ধব নেতৃত্ব নতুন প্রজন্মের রাজনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিচ্ছবি।
বাংলাদেশ আজ একটি নতুন সময়ের মধ্য দিয়ে অগ্রসর হচ্ছে। এই পরিবর্তনের যুগে দেশের উন্নয়ন, গণতন্ত্রের শক্তিশালী ভিত্তি এবং আধুনিক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তুলতে তরুণ নেতৃত্বের সক্রিয় অংশগ্রহণ অপরিহার্য। দেশের প্রয়োজনে এমন মেধাবী, দক্ষ ও দেশপ্রেমিক তরুণদের রাষ্ট্র ও রাজনীতির মূলধারায় আরও বেশি সম্পৃক্ত করা গেলে তারা নিঃসন্দেহে ভবিষ্যতের বাংলাদেশ বিনির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারবেন।
একটি শক্তিশালী, প্রযুক্তিনির্ভর এবং প্রগতিশীল বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন বাস্তবায়নে মো: মামুন রানার মতো তরুণ নেতৃত্বই হতে পারে আগামী দিনের অন্যতম চালিকাশক্তি।
-

কিশোরগঞ্জে আড়ি বিল খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন
কিশোরগঞ্জের নিকলি উপজেলায় আড়ি বিল খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। খাল খনন শুধু লোক দেখানোর জন্য নয়, বরং নদী–বিলের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করে পানির স্বাভাবিক প্রবাহ নিশ্চিত করা হবে বলে মন্তব্য করেছেন পাট ও বস্ত্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম।
সোমবার (১৬ মার্চ) দুপুরে নিকলি উপজেলার আড়ি বিল এলাকায় আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, “এটি কোনো নিছক কর্মসূচি নয় বা লোক দেখানোর উদ্যোগও নয়। খাল খননের মাধ্যমে এলাকার কৃষিকাজ, মৎস্যসম্পদ উন্নয়ন এবং খাদ্য উৎপাদনে সহায়ক পরিবেশ সৃষ্টি করাই আমাদের লক্ষ্য।”
তিনি আরও বলেন, অনেক স্থানে খালের জমি সরকারি হলেও দীর্ঘদিন পানি না থাকায় স্থানীয় কৃষকরা সেখানে সাময়িকভাবে ফসল ফলান। তবে খাল খননের সময় কৃষকদের স্বার্থ যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সেদিকেও সরকার গুরুত্ব দেবে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচিতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মাজহারুল ইসলাম, কিশোরগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট জালাল উদ্দিন এবং কিশোরগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল।
অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা এবং বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
আয়োজকরা জানান, প্রাথমিকভাবে নিকলি উপজেলার আড়ি বিল খালের প্রায় ৬০০ মিটার অংশ খননের মাধ্যমে প্রকল্পটির কাজ শুরু হয়েছে। পর্যায়ক্রমে জেলার অন্যান্য এলাকাতেও এ কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হবে।
-

রামগড়ের কৃতি সন্তান সিআইডি প্রধান মোসলেহ উদ্দিন আহমদ তুহিন
পাহাড়ী জনপদ খাগড়াছড়ির রামগড় থেকে উঠে এসে জাতীয় পর্যায়ে অনন্য কৃতিত্বের স্বাক্ষর রাখলেন মোসলেহ্ উদ্দিন আহমেদ তুহিন। বাংলাদেশ পুলিশের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ সিআইডি প্রধান হিসেবে তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
আজ সোমবার সকালে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয় এর পুলিশ-১ শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। রাষ্ট্রপতির আদেশ ক্রমে প্রজ্ঞাপনে সই করেন উপসচিব তোছিফ আহমেদ।
প্রজ্ঞাপনে পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত আইজিপি মোসলেহ উদ্দিন আহমেদকে সিআইডির প্রধান হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
এই খবর রামগড়ে পৌঁছানোর পর থেকেই খুশিতে ভাসছে পুরো এলাকা। সীমান্ত শহর রামগড়ের মাটি ও মানুষের সঙ্গে বেড়ে ওঠা মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ তুহিন এখন বাংলাদেশ পুলিশের অন্যতম শীর্ষ কর্মকর্তা। তার এই নিয়োগ কেবল তার ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, বরং পুরো রামগড় বাসীর জন্য এক বিশাল গর্বের বিষয়।
খবরটি জানাজানি হওয়ার পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম সহ পাড়া-মহল্লায় বইছে উৎসবের আমেজ। স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, পাহাড়ের এক শান্ত ছেলে আজ দেশের নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা কার্যক্রমের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে, এটি আমাদের জন্য বড় প্রাপ্তি। এবং অভিনন্দন জানিয়ে এই আনন্দ উদযাপন করছেন।
তরুণ প্রজন্মের কাছে মোসলেহ্ উদ্দিন আহমেদ তুহিন এখন এক অনুকরণীয় আদর্শ। প্রতিকূল পরিবেশ জয় করে মেধা আর সততার জোরে কীভাবে সাফল্যের শিখরে পৌঁছানো যায়, তিনি তার জীবন্ত উদাহরণ। রামগড়ের বিভিন্ন স্তরের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এবং সাধারণ মানুষ তার উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ ও সুস্বাস্থ্য কামনা করছেন।
মেধা ও কর্মদক্ষতার মাধ্যমে তিনি যেমন রামগড় কে আলোকিত করেছেন, তেমনি আগামী দিনে ও দেশ ও জাতির সেবায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন—এমনটাই প্রত্যাশা সকলের। -

জীবননগরে ভুয়া দুই ডিবি সদস্য জনতার হাতে আটক, গণপিটুনি দিয়ে পুলিশের সোপর্দ
চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে ছিনাতাইকালে ভুয়া দুই ডিবি সদস্যকে আটক করেছে স্থানীয় জনতা। পরে গণপিটুনি দিয়ে তাদের পুলিশের সোপর্দ করা হয়েছে। তবে আরও চারজন পালিয়ে গেছেন। আজ সোমবার দুপুর ১২টার দিকে জীবননগরের সীমান্ত ইউনিয়নের পীচমোড় চিংড়িখালী ব্রিজ এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
আটক দুজন হলেন কোটচাঁদপুর বাজারপাড়ার ইউসুফ আলী বিশ্বাসের ছেলে রিজভী সালমান রহমান (২৯) ও একই এলাকার গাবতলাপাড়া আক্কাস আলীর ছেলে আহাদ আলী (৩৫)।
স্থানীয় কয়েকজন জানান, আজ সোমবার দুপুরে পীচমোড় চিংড়িখালী ব্রিজ এলাকায় ৬ জন ডিবি পোশাক পরে কয়েকজনকে আটক করে টাকা ও জিনিসপত্র কেড়ে নিচ্ছিল। পরে বিষয়টি জানতে পেরে বাজার থেকে কয়েকজন সেখানে গেলে তারা পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এসময় দুই মোটরসাইকেলে চারজন পালিয়ে গেললও একটি মোটরসাইকেলসহ দুজনকে আটক করা হয়। পরে স্থানীয় জনতা তাদের গণপিটুনি দেয়। পরে পুলিশ এসে তাদের থানায় নিয়ে যায়।
ভুক্তভোগী গোয়ালপাড়া গ্রামের আব্দুল মজিদের ছেলে লিখন আহমেদ বলেন, গত ১০ মার্চ আমি ব্যাংক থেকে টাকা তুলে বাড়ি যাচ্ছিলাম। আমি চিৎড়িখালী ব্রিজে পৌঁছালে ডিবি পোশাকপরা ৬ জন আমাকে আটক করে। পরে আমার হাতে হ্যানক্যাফ পরিয়ে পাশ্ববর্তী উপজেলায় নিয়ে যেয়ে টাকা ও মোটরসাইকেল নিয়ে নেয়। তারা আমাকে বেধড়ক মারধর করে ফেলে রেখে চলে যায়। আজ যে দুজন আটক হয়েছে তাদের মধ্যে একজন সেদিন ছিল বলে জানান তিনি।
মেদনীপুর গ্রামের আলমগীর হোসেন বলেন, গত বছরের জুলাই মাসে আমি বাজার থেকে বাড়ি যাচ্ছিলাম। আমি পীচমোড় পার হয়ে চটকাতলা এলাকায় পৌঁছালে ডিবির পোশাক পরা ৫ জন আমাকে ধরেন। এর মধ্যে প্রাইভেটকারে ৩ জন আর মোটরসাইকেলে দুজন ছিল। তারা আমাকে মারধর করে মোটরসাইকেল ও ১০ হাজার টাকার মালামাল ছিনিয়ে নিয়ে চলে যান। আজ যে দুজনকে আটক করা হয়েছে তাদের মধ্যে একজন সেদিন ছিল।
এ বিষয়ে জীবননগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোলায়মান সেখ বলেন, আমি চুয়াডাঙ্গায় মিটিংয়ে রয়েছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে থানা-পুলিশের একটি টিম পাঠানো হয়েছিল। দুজনকে আটক করে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে থানা হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। -

রাজবাড়ীতে তেল নিতে এসে ট্রাক চাপায় প্রাণ গেল দুজনের
রাজবাড়ীতে তেল নিতে এসে ট্রাক চাপায় নিহত হয়েছে ২ জন।
রাজবাড়ী সদর উপজেলায় ফিলিং স্টেশনে তেল নিতে এসে ট্রাকচাপায় রোববার (১৫ মার্চ) সন্ধ্যা সোয়া ৭ টার দিকে সদর উপজেলার গোয়ালন্দ মোড়ে সপ্তবর্ণা ফিলিং স্টেশনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।নিহতরা হলেন- রাজবাড়ী সদর উপজেলার খানখানাপুর ব্রাকপাড়ার ইদ্রিস পাটোয়ারীর ছেলে সোবাহান পাটোয়ারী (৪৫) ও ঢাকার ধামরাই উপজেলার নান্নার গ্রামের সরল মিয়ার ছেলে স্বপন মিয়া (২২)।
নিহতরা ২ জনই ট্রাক চালক ও হেলপার ছিল।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ড্রাম ট্রাকের মালিক সোবাহান পাটোয়ারী তার ট্রাকে তেল নেয়ার জন্য সপ্তবর্ণা ফিলিং স্টেশনে এসে ট্রাক থেকে নেমে ডিজেল সরবরাহকারী ফুয়েল ডিসপেনসার মেশিনের সামনে দাঁড়ান। অন্যদিকে ঢাকা থেকে বেনাপোলগামী ট্রাকের হেলপার স্বপন মিয়া ট্রাক সিরিয়ালে রেখে ফুয়েল ডিসপেনসার মেশিনের সামনে দাঁড়ান। এসময় মেশিন থেকে তেল নিচ্ছিল একটি মাহেন্দ্র গাড়ি। হঠাৎই একটি ট্রাক বেপরোয়া গতিতে পাম্পে এসে পেছন থেকে মাহেন্দ্র গাড়িটিকে চাপা দিয়ে মাহেন্দ্রর সামনে থাকা সোবাহান পাটোয়ারী ও স্বপন মিয়াকে চাপা দেয়। এতে গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে সেখানকার জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসক দুজনকেই মৃত ঘোষণা করেন।
রাজবাড়ীর খানখানাপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ ইন্সপেক্টর হারুন-অর-রশিদ বলেন, দুর্ঘটনাকবলিত ট্রাকটি আটক করা হয়েছে। তবে এর চালক ও হেলপার পালিয়ে গেছে। মরদেহ দুটি ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রয়েছে। সেখান থেকে ময়নাতদন্ত করা হবে। এ ব্যাপারে পরবর্তী আইনি কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলেও জানান তিনি।
-

রামগড়ে ত্যাগ,নির্যাতন সহ্য করেও বিএনপি’র রাজনৈতিতে হাফেজ আহমেদ ভুঁইয়া
ত্যাগ,নির্যাতন এবং একটি পরিবারের দীর্ঘ ১৭ বছরের গল্প লিখেছেন তাঁর ছেলে ফরমানুল ইসলাম। আওয়ামীলীগ আমলের ১৭ বছর আমাদের পরিবারের জন্য ছিল এক কঠিন সময়ের ইতিহাস। আমার বাবা একজন বিএনপি রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত মানুষ হওয়ায় তাকে এমন কোনো নির্যাতন নেই যা সহ্য করতে হয়নি।
মিথ্যা মামলা, হামলা, চাঁদাবাজি, রাজনৈতিক হয়রানি—এসব যেন আমাদের জীবনের অংশ হয়ে গিয়েছিল। আমার বাবার বহু বছরের পরিশ্রমে গড়ে তোলা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানও নিরাপদ ছিল না। বারবার লুটপাট, চাঁদাবাজি এবং চাপের মধ্যে দিয়ে আমাদের পরিবারকে দিন পার করতে হয়েছে।তখন এমন কোনো জাতীয় দিবস ছিল না যে দিন চাঁদা নিতে কেউ আসেনি। শুধু তাই নয়, অনেক সময় ব্যক্তিগত নানা অজুহাত দেখিয়েও চাঁদা নেওয়া হতো। না দিলে মামলা হামলার ভয়ভীতি দেখিয়ে উসুল করত তারা।
এখনও মনে পড়লে হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হয় সেই দিনের কথা—যেদিন আমার বাবাকে চট্টগ্রামের বাসায় আনা হয়েছিল গুরুতর আহত অবস্থায়। তার পা ভাঙা, হাতের বাহু ভেঙে চামড়ার সঙ্গে ঝুলছিল ,সারা শরীর রক্তে ভেজা। সেই ঘটনার খবর পরদিন দেশের অনেকগুলো দৈনিক পত্রিকায়ও প্রকাশিত হয়েছিল। কিন্তু আজও আমরা জানি না ঠিক কী কারণে তখনকার ক্ষমতাসীনদের কিছু লোক এই বর্বর হামলা করেছিল।
তবে এর আগের দিনই আমাদের ব্রিকফিল্ডে তখনকার কিছু সরকার দলীয় লোক এসেছিল একজন জাতীয় নেতার মৃত্যুবার্ষিকী পালনের জন্য চাঁদা নিতে। ওইদিন ক্যাশ এ টাকা কম থাকায় টাকা কম দেওয়া হয়েছিল হয়তো সেটাই ছিল আমার বাবার “অপরাধ”।
৬০ উর্ধ্ব একজন বয়স্ক মানুষ কে মারতে মারতে প্রায় ৪০০–৫০০ গজ দূরে একটি ভাঙা বাড়ির পাশে ফেলে রেখে যায়। হয়তো তারা ভেবেছিল তিনি আর বেঁচে নেই। পরে গুরুতর অবস্থায় তাকে উদ্ধার করা হয়।
পরবর্তীতে দেশের চিকিৎসকদের পরামর্শে তাকে সিঙ্গাপুরে নিয়ে চিকিৎসা করাতে হয়।হাতে পায়ে স্টিলের ক্যালাম লাগিয়ে চলতে হয়েছে বহু বছর। সেই চিকিৎসার খরচ মেটাতে গিয়ে আমরা লক্ষ লক্ষ টাকার ঋণে জর্জরিত হয়ে পড়েছিলাম।

আর মামলার কথা কী বলবো এমন হাস্যকর ও হয়রানি মূলক মামলাও করা হয়েছিল যে আমাদের নিজের ৪/৫ টা পুকুর থাকা সত্ত্বেও অভিযোগ দেওয়া হয়েছিল অন্যের পুকুরের মাছ নাকি আমরা খেয়ে ফেলেছি।
এমন একটা সময় ছিল যখন আমার বাবাকে ঘরের চেয়ে কোর্ট বিল্ডিংয়েই বেশি দেখা যেত।
আর নাহলে গ্রেপ্তারের ভয়ে অন্যের বাসায় গিয়ে দিনের পর দিন লুকিয়ে থাকতে হতো।একটি পরিবার হিসেবে আমরা শুধু আর্থিক শারীরিক ক্ষতির সম্মুখীন হইনি, মানসিক কষ্টও বহন করেছি দীর্ঘদিন। তবুও আমার বাবা তার রাজনৈতিক আদর্শ ও বিশ্বাস থেকে কখনো পিছিয়ে যাননি। দলের জন্য, আদর্শের জন্য তিনি অনেক ত্যাগ স্বীকার করেছেন। এত কিছুর পরও কখনো নিজের এলাকা, কর্মস্থল বা রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড ছেড়ে যাওয়ার কথা ভাবেননি।
এখনতো অনেকেই রাজনীতি করে ১/২ বছরে আঙুল ফুলে কলাগাছ হয়ে যায়। গ্রাম ছেড়ে শহরে ,শহর ছেড়ে বিদেশে জায়গা বাড়ি বাসস্থান গড়ে ,কিন্তু ওনারা ছিল ভিন্ন ওনাদের কাছে দল দলের আদর্শ অস্তিত্ব সবার আগে।
তাই শহরে বিদেশে দুরের কথা ,গ্রামের বাড়িটাও এখন টিনের।আজ যখন সেই সময়গুলোর কথা মনে করি, তখন মনে হয় একজন রাজনৈতিক কর্মীর ত্যাগ ও সংগ্রামের যথাযথ মূল্যায়ন হওয়া উচিত। যারা কঠিন সময়ে দলের পাশে থেকেছে, দলের জন্য নিজের ,পরিবারের ,আত্মীয় স্বজনদের জিবন ঝুঁকির মুখে ফেলে দলের পতাকা নিয়ে দাঁড়িয়ে ছিলো ,তাদের অবদান ও ত্যাগ স্মরণ করা এবং সম্মান দেওয়া প্রয়োজন।
মানুষ অতীত থেকেই শিখে ,ত্যাগের মূল্যায়ন না হলে দেশে ত্যাগী নেতা জন্মাবে না। আমার বাবার এই গল্প শুধু একজন মানুষের গল্প নয়; এটি সেইসব মানুষের গল্প, যারা আদর্শের জন্য অনেক কষ্ট ও নির্যাতন সহ্য করেও নিজেদের বিশ্বাস ধরে রেখেছে।
আমাদের আশা একদিন এমন একটি সমাজ ও রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে উঠবে, যেখানে ত্যাগের মূল্যায়ন হবে, অন্যায়ের বিচার হবে, এবং সাধারণ মানুষের অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত থাকবে।
-

কিশোরগঞ্জে উদ্ধারকৃত ৫০টি মোবাইল মালিকদের কাছে হস্তান্তর
কিশোরগঞ্জ জেলা পুলিশের বিশেষ অভিযানে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে উদ্ধার হওয়া ৫০টি চোরাই ও হারানো মোবাইল ফোন প্রকৃত মালিকদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। শনিবার (১৪ মার্চ) দুপুরে জেলা পুলিশ কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এসব মোবাইল ফিরিয়ে দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানের মূল আলোকপাত
কিশোরগঞ্জের পুলিশ সুপার ড. এস. এম. ফরহাদ হোসেনের সভাপতিত্বে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ মাজহারুল ইসলাম।গত এক মাসে জেলা পুলিশের গোয়েন্দা ও প্রযুক্তিগত তৎপরতায় দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে এই ৫০টি মোবাইল উদ্ধার করা হয়।
প্রধান অতিথি মোহাম্মদ মাজহারুল ইসলাম পুলিশের এই কর্মদক্ষতায় সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতে অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।
পুলিশ সুপার এই উদ্ধার অভিযানের সাথে জড়িত সকল পুলিশ সদস্যকে ধন্যবাদ জানান। বিশেষ করে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্)-এর ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেন তিনি।
উচ্ছ্বসিত সাধারণ মানুষ
হারিয়ে যাওয়া শখের মোবাইল ফোন হাতে পেয়ে উপস্থিত মালিকদের মধ্যে আনন্দের জোয়ার বয়ে যায়। দীর্ঘদিন পর ফোন ফিরে পেয়ে তারা জেলা পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। পুলিশের এই তৎপরতা সাধারণ মানুষের মধ্যে আস্থার জায়গা তৈরি করেছে বলে অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকলে মন্তব্য করেন।উপস্থিত ছিলেন:
মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসান তালুকদার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্)।
ডিআইও-১, জেলা পুলিশ কিশোরগঞ্জ।
অফিসার ইনচার্জ (ওসি), কিশোরগঞ্জ সদর মডেল থানা।
জেলা পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।
জেলা পুলিশ সূত্রে জানানো হয়েছে, অপরাধ দমন এবং জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কিশোরগঞ্জ জেলা পুলিশের এই বিশেষ অভিযান ও উদ্ধার প্রক্রিয়া নিয়মিত চলমান থাকবে। -

ভোলা সরকারি কলেজেইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ-এর কলেজ সম্মেলন ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত
১৪ মার্চ ২০২৬, শনিবার বিকাল ৪ টায় ভোলা সরকারি কলেজ অডিটোরিয়াম ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ, ভোলা সরকারি কলেজ শাখার সভাপতি মুহাম্মদ হাসান এর সভাপতিত্বে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ এর কেন্দ্রীয় জয়েন্ট সেক্রেটারি জেনারেল মুহাম্মাদ ফয়জুল ইসলাম ও কেন্দ্রীয় সূরা সদস্য মুহাম্মাদ আবু জাফর।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ, ভোলা জেলা উত্তর শাখার সভাপতি মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান।
ইফতার মাহফিল ও সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন, ভোলা সরকারি কলেজ এর শিক্ষক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক জনাব মুহাম্মদ কামাল উদ্দিন ও ভোলা সরকারি কলেজের বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের প্রমূখ নেতৃবৃন্দ।
ভোলা সরকারি কলেজ ২০২৬ সেশনের নবগঠিত কমিটির সভাপতি মুহাম্মদ হাসান, সহ-সভাপতি আরেফ বিল্লাহ ওমর, সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ জোবায়ের হোসেন মনোনীত হয়েছেন।পরে ইফতার মাহফিলে কলেজ কমিটির জন্য দোয়া করা হয়।
