সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:৩৫ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
মন্ত্রী সভার সম্ভাব্য তালিকা,রয়েছেন ডা.মাহবুবুর রহমান লিটন রাজবাড়ীর দুটি আসনে সাবেক এমপিসহ জামানত হারালেন ৯ প্রার্থী লালমনিরহাট সংসদীয় তিনটি আসনেই ধানের শীষ প্রতীকের নিরঙ্কুশ বিজয় লাভ। জীবননগর প্রেসক্লাব দখলের চেষ্টা জামায়াত ও আ.লীগপন্থীদের কিশোরগঞ্জের ৬ আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন-২০২৬ এর আনুষ্ঠানিক ফল ঘোষণা রামগড়ে ওয়াদুদ ভূইয়া সমর্থক পরিষদের উদ্যোগে মোনাজাত ও মিষ্টি বিতরণ ময়মনসিংহে বিএনপির যারা বিজয়ী হয়েছেন লালমনির হাট জেলার তিনটি সাংসদীয় আসনে ভোটের সরঞ্জামাদি কেন্দ্রে কেন্দ্রে পৌঁছাতে ব্যাস্ত জেলা প্রশাসন।। রামগড়ে র‌্যাব ৭ এর প্রেস ব্রিফিং কিশোরগঞ্জ সদরে ভোটের সরঞ্জাম বিতরণ শুরু, সেনা প্রহরায় কেন্দ্রে কেন্দ্রে পৌঁছাচ্ছে মালামাল

মন্ত্রী সভার সম্ভাব্য তালিকা,রয়েছেন ডা.মাহবুবুর রহমান লিটন

রংধনুটিভি ডেস্ক
  • আপডেটের সময়: রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৪৭৮ সময় দেখুন
মন্ত্রী সভার সম্ভাব্য তালিকা,রয়েছেন ডা.মাহবুবুর রহমান লিটন

১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পর আলোচনায় এখন নতুন সরকার গঠন ও সম্ভাব্য মন্ত্রিসভা। দলটির ঘোষণানুযায়ী চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন। স্বচ্ছ ভাবমূর্তি, প্রশাসনিক দক্ষতা ও আন্দোলন-সংগ্রামে ভূমিকা এ তিন মানদণ্ড প্রাধান্য দিয়ে ২০ থেকে ২২ জনের ছোট আকারের কার্যকর ও জবাবদিহিমূলক মন্ত্রিসভা গঠন করা হবে। এ ছাড়াও দুই থেকে তিনজন টেকনোক্র্যাট কোটায় মন্ত্রিসভায় থাকতে পারেন বলে দলের একাধিক সূত্র বাংলাদেশ প্রতিদিনকে নিশ্চিত করেছে। ১৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই নতুন মন্ত্রিসভা গঠিত হতে পারে। নির্বাচনে বিএনপি জোট ২১৩ আসন পেয়ে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে। বিএনপির সংশ্লিষ্টরা জানান, অভিজ্ঞতার পাশাপাশি তরুণ নেতৃত্বের সমন্বয়ে একটি ভারসাম্যপূর্ণ মন্ত্রিসভা গঠন করা হবে। টেকনোক্র্যাট কোটায় অনির্বাচিত বিশেষজ্ঞ ও জোটসঙ্গীদেরও অন্তর্ভুক্ত করা হবে। মন্ত্রিসভার অংশ হতে অনেকেই দৌড়ঝাঁপ করছেন, যোগাযোগ বাড়াচ্ছেন কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে। বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির অধিকাংশ সদস্যই মন্ত্রিসভায় স্থান পেতে পারেন। মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত হতে পারেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আবদুল মঈন খান, সালাহউদ্দিন আহমদ, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ। এ ছাড়াও সম্ভাব্য মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হিসেবে যাঁদের নাম শোনা যাচ্ছে, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, আমান উল্লাহ আমান, খন্দকার মোক্তাদির, অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামান, শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, রেজা কিবরিয়া, এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, আসাদুল হাবিব দুলু, আফরোজা খানম রিতা, ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, আবদুল আউয়াল মিন্টু, জয়নুল আবদিন ফারুক, মিজানুর রহমান মিনু, শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন, কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ, আ ন ম এহছানুল হক মিলন, জহির উদ্দিন স্বপন, আলী আসগার লবি, সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, রকিবুল ইসলাম বকুল, শরীফুল আলম, অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল, নজরুল ইসলাম আজাদ, জি কে গউছ, ব্যারিস্টার নওশাদ জমির, শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক, জাকারিয়া তাহের সুমন, অ্যাডভোকেট আবদুস সালাম আজাদ, শহীদুল ইসলাম বাবুল, এ কে এম ফজলুল হক মিলন, অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া, রফিকুল আলম মজনু, ডা. মাহবুবুর রহমান লিটন, সাইদ আল নোমান, হাবিবুর রশিদ হাবিব, এস এম জিলানী, খন্দকার আবু আশফাক, ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল, দীপেন দেওয়ান, নুরুল ইসলাম নয়ন, এইচএম সাইফ আলী খানের নাম আলোচনায় রয়েছে।

টেকনোক্রাট ও জোটসঙ্গীদের সম্ভাবনা : টেকনোক্র্যাট কোটায় মন্ত্রিসভায় স্থান পেতে পারেন বিএনপির নজরুল ইসলাম খান, বেগম সেলিমা রহমান, রুহুল কবির রিজভী, হুমায়ন কবির, অধ্যাপক মওদুদ হোসেন আলমগীর পাভেল, মাহদী আমিন, আমিনুল হক। এ ছাড়া জোটসঙ্গী গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি, এনডিএম চেয়ারম্যান ববি হাজ্জাজ, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান আন্দালিভ রহমান পার্থ এবং জাতীয় পার্টির একাংশের চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দারের নামও আলোচনায় রয়েছে।

বিএনপির নীতিনির্ধারকরা বলছেন, নতুন মন্ত্রিসভা কার্যকর ও জবাবদিহিমূলক কাঠামোয় গড়ে তোলা হবে। দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নাম গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় ছাড়াও তাঁকে রাষ্ট্রপতি করা হতে পারে এমন আলোচনাও রয়েছে। এ ছাড়াও স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনও রাষ্ট্রপতি হওয়ার আলোচনায় রয়েছেন। অন্যদিকে স্থায়ী কমিটির সদস্যদের মধ্য থেকে দু-একজন স্পিকার হওয়ার আলোচনায়ও রয়েছেন। নতুন সরকারের লক্ষ্য সম্পর্কে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, আমাদের লড়াই ছিল রাষ্ট্র কাঠামোর গণতান্ত্রিক সংস্কারের। শহীদদের আকাক্ষা ও তরুণ প্রজন্মের প্রত্যাশা অনুযায়ী আমরা একটি মেধা ও প্রযুক্তিনির্ভর রাষ্ট্র বিনির্মাণ করতে চাই। আমাদের নির্বাচনি ইশতেহার এবং ‘৩১ দফা’ অনুযায়ী সংবিধানের কাঙ্ক্ষিত সংস্কার করা হবে। ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ একটি রাজনৈতিক সমঝোতার দলিল, যা অক্ষরে অক্ষরে পালন করা হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, স্বাধীনতার পর এ সংসদই হবে সবচেয়ে বেশি আইন প্রণয়নকারী ও জন-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলক। নতুন সরকারের তিনটি মূল অগ্রাধিকার হবে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি ও দুর্নীতি নির্মূল করা। তিনি বলেন, কেমন মন্ত্রিসভা হতে যাচ্ছে, তা দেখার জন্য দেশবাসীকে আর অল্প কিছু সময় অপেক্ষা করতে হবে।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2025 রংধনুটিভি
ESAITBD Sof-Lab UAE/BD