সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:১৯ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
জীবননগরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান অবৈধ মজুতের দায়ে জরিমানা নান্দাইলে এমপি’র বিশেষ সহকারী হিসেবে সাদ্দাম হোসেনের নিয়োগ চেঙ্গী নদীতে ফুল বিজুর মধ্য দিয়ে খাগড়াছড়িতে বৈসাবি শুরু পানছড়ি সীমান্তে বিজিবির অভিযানে বিপুল গোলা বারুদ উদ্ধার চরশোলাকিয়ায় চলাচলের রাস্তা দখল নিয়ে উত্তেজনা, প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ ইঞ্জিনিয়ার থোয়াইচিং মং চাককে বান্দরবান জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান হিসেবে, দেখতে চায় সর্বস্তরের মানুষ দীঘিনালায় আগুনে নয়টি দোকান পুড়ে ছাই ত্রিশালের উন্নয়ন শুরু সংসদ সদস্য ডা: লিটনের ৩ মেগা প্রকল্প -উন্নয়নে বদলে যাবে উপজেলার চিত্র বসন্ত উৎসবে রঙিন কিশোরগঞ্জ উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় খাগড়াছড়িতে ইউপিডিএফ সদস্যকে গুলি করে হত্যা

জীবননগরে শহীদদের স্মরণে আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠানে রুহুল আমিন

আজিজুর রহমান স্টাফ রিপোর্টারঃ
  • আপডেটের সময়: মঙ্গলবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৫
  • ১৭৪ সময় দেখুন
জীবননগরে শহীদদের স্মরণে আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠানে রুহুল আমিন

জীবননগর উপজেলা জামায়াতের উদ্যোগে আয়োজিত ২০০৬ সালে ২৮ শে অক্টোবর আওয়ামীলীগ সন্ত্রাসীদের বর্বরতা হামলায় নিহত শহীদদের স্মরণে দোয়া ও আলোচনা সভায় চুয়াডাঙ্গা ২ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী ও চুয়াডাঙ্গা জেলা আমির রুহুল আমিন বলেন, স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে জামায়াতে ইসলামী আপসহীন। যার প্রমাণ ঐতিহাসিক ২৮ অক্টোবর। সেদিন সারাদেশে জামায়াতের কর্মীরা জীবন উৎসর্গ করেছে ইসলামী আন্দোলন ও দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য। আমাদের শহীদের শুধু জামায়াতের কাছে নয় পুরো জাতির কাছে প্রেরণার বাতিঘর।

মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) বিকাল ৪ টায় জীবননগর মুক্ত মঞ্চে ঐতিহাসিক ২৮ অক্টোবর আওয়ামীলীগ সন্ত্রাসীদের হাতে শহীদদের স্মরণে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
সাধারণ জনতার উদ্দেশ্যে তিনি আরো বলেন আওয়ামী লীগ ও ১৪ দলীয় জোটের কি পরিকল্পনা ছিল তা পরবর্তী ১৭ বছরে জাতি পরিষ্কারভাবে বুঝতে পেরেছে। তারা বাংলাদেশকে ভারতের একটি তাবেদার রাজ্য পরিণত করার জন্য সেদিন এদেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বের অতন্দ্র প্রহরী জামায়াতে ইসলামী, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের ওপর চূড়ান্ত আঘাত করেছিল। তারা চেয়েছিল এদেশের মাটি থেকে ইসলামী আন্দোলন ও তার নেতৃত্বকে মুছে ফেলার। তার প্রথম পরিকল্পনা হিসাবে তারা সেই সময় ২৮ অক্টোবরকে বেছে নিয়েছে। তারা সারাদেশে লগি বৈঠার তাণ্ডব চালিয়ে শহীদ মুজাহিদ, মাসুম, জসিম, হাবিবুরসহ অসংখ্য নেতাকর্মী ও সাধারণ নাগরিককে হত্যা করেছে। হাজার হাজার নেতাকর্মীকে পঙ্গু করে দিয়েছে। আমাদের অফিসগুলো জ্বালিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছে। একই সাথে বহু মানুষের ঘরবাড়ি, ব্যবসা-বাণিজ্য ও প্রতিষ্ঠান পুড়িয়েছে। পুরো বিশ্ব সেদিন হতবাক হয়ে গিয়েছিল। রাজনীতির নামে এ কোন ধরনের জ্বালাও পোড়াও নীতি। আসলে তাদের মূল উদ্দেশ্য ছিল ক্ষমতার মসনদ দখল করা। তারা ভারতের প্রেসক্রিপশনে এদেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব বিলিয়ে দিয়ে দেশ ও জাতির ওপর অসভ্য ও বর্বর আঘাত হেনেছে।

উপজেলা জামায়েত ইসলামীর সহ-সাধারণ সম্পাদক আবু বক্করের সঞ্চালনায় এ সময় উপস্থিত ছিলেন , জামায়াতের জেলা সেক্রেটারি এ্যাডভোকেট আদুজ্জামান, ছাত্রশিবিরের জেলা সভাপতি সাগর আহম্মেদ, জেলা তালিমুল কুরআন বিভাগের সভাপতি মাওলানা মহিউদ্দীন, জেলা প্রশিক্ষণ সম্পাদক জিয়াউল হক, জেলা উলামা বিভাগের সভাপতি মাওলানা’ ইসরাইল হোসেন, জেলা মাজিলিসুল মুফাসসিরিন পরিষদের সভাপতি মাওলানা হাফিজুর রহমান, জীবননগর উপজলো আমীর মাওলানা সাজেদুর রহমান, জেলা শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের সেক্রেটারি এমদাদুল্লাহ মহসিন, নায়েবে আমীর হাফেজ বিল্লাল হোসেন,, সহকারী সেক্রেটারী সাইদুল হক, বায়তুলমাল সম্পাদক আশাবুল হক মল্লিক, উপজেলা আইটি সম্পাদক হারুন অর রশীদ, উপজেলা শ্রমিক কল্যাণ সভাপতি কামাল হোসেন, উপজেলা যুব বিভাগের সভাপতি মাজেদুর রহমান লিটন, সেক্রেটারি জাহিদুল ইসলাম, যুবনেতা আব্দুল মোতালেব, পৌর যুব বিভাগের সভাপতি আরিফুল ইসলাম জোয়ারদার, সালাউদ্দীন আহম্মদ জামায়াত নেতা ফজলুর রহমান, শফিকুল ইসলাম, মোহাম্মদ আলী সহ প্রমুখ।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2025 রংধনুটিভি
ESAITBD Sof-Lab UAE/BD