ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহবায়ক অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, শনিবার এক বিবৃতিতে বলেছেন, ভোলা-১ আসনে জামায়াতে কর্মীদের ঔদ্ধত্য ধৈর্যের সীমা ছাড়িয়ে যাচ্ছে। নির্বাচনী পরিবেশকে উত্তপ্ত করে তুলছে। আজ ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে আমাদের কর্মীদের ওপরে যে হামলার ঘটনা ঘটেছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ তার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছে এবং প্রশাসনের প্রতি আহবান করছে যেন, অবিলম্বে অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা হয়। কারণ এই ধরণের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড উৎসবমূখর নির্বাচনের পরিবেশকে কলুষিত করবে।
অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান স্থানীয় সূত্রের বরাত দিয়ে বলেন, ঘটনার সূত্রপাত দুইদিন আগে নির্বাচনী উঠান বৈঠক থেকে শুরু হয়েছে। হাতপাখার উঠান বৈঠকে নির্বাচনী প্রচারণা চলাকালে কিছু সত্য কথা জামায়াত নেতাদের বিরুদ্ধে গেলে তারা সেখানে বাঁধা দেয়। যা হাতপাখার নেতাকর্মীরা সহনশীলতা প্রদর্শন করে সমাধান করেন। তবে স্থানীয় জামায়াত থেকে অনবরত হামলার হুমকি আসতে থাকে। বলা হয়, ‘১২তারিখের পর সবাইকে দেখে নেওয়া হবে!’
এমতবস্থায় আজ ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, সকাল ১০টার দিকে স্থানীয় বাজারে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর নির্বাচনী কার্যালয়ের সামনে স্থানীয় জামায়াত রোকনের নেতৃত্বে জামায়াতের কিছু নেতাকর্মী জড়ো হয়ে পীর সাহেব চরমোনাই ও হাতপাখার নামে নোংরা ও মিথ্যারোপ করতে শুরু করে। যা ইউনিয়ন ইসলামী যুব আন্দোলনের সভাপতি শফিকুল ইসলামের দৃষ্টিগোচর হলে তিনি বাঁধা প্রদান করেন। পরবর্তীতে তারা আরো নেতাকর্মী জড়ো করে যুব আন্দোলনের সভাপতির বাড়িতে ধারালো অস্ত্রসহ হামলা চালায়। এসময়ে তার ছেলে ও ১০ বছরের মেয়েকে কোদালের আঘাত দিয়ে হাত ভেঙে ফেলাসহ আহত করা হয়। মেয়ের আর্তচিৎকারে উক্ত নেতার স্ত্রী বের হয়ে এলে তাকেও এলোপাতাড়ি হামলা করা হয়। এ সংবাদ শফিকুল ইসলামের কাছে পৌঁছলে তিনি পাশের ক্ষেতে কাজ করা রেখে দৌড়ে ছুটে আসেন এবং তিনিও হামলায় রক্তাক্ত হোন। পরবর্তীতে স্থানীয় মানুষরা ছুটে আসলে জামায়াত নেতারা উক্ত স্থান ত্যাগ করে।
অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান বলেন, এই ধরণের হামলা যারা করছে তারা দেশের শান্তি ও শৃংখলার জন্য হুমকি। তাদেরকে অবিলম্বে গ্রেফতার করতে হবে এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে।