বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০:০৪ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
জীবননগরে ১ হাজার পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ৩ জন ময়মনসিংহ জেলার ত্রিশাল থানার গণধর্ষণ মামলার ধর্ষক ফরিদ (৩২) সিপিএসসি, র‌্যাব-১৪, ময়মনসিংহ এর অভিযানে গ্রেফতার। জীবননগরে বাজার মনিটরিং অভিযান ৪ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা তজুমদ্দিনে রমজান উপলক্ষে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, প্রসাশনের নেই দৃশ্যমান কোনো বাজার মনিটরিং রামগড়ে দুই হোটেল মালিককে ভ্রাম্যমান আদালতে জরিমানা সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে আলোচনায় সাবরিনা বিনতে আহমেদ মানসম্মত শিক্ষা ব্যবস্থাসহ বিভিন্ন বিষয়ে উপজেলায় এগিয়ে যাচ্ছে রামপুর উচ্চ বিদ্যালয় জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভাষক প্রদিতি রাউত প্রমার বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগ, বিভাগে তালা জীবননগরে পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষ্য ৩শত অসহায় পরিবারের পাশে দোস্ত এইড বাংলাদেশ সোসাইটি রাজবাড়ীতে ধার পরিশোধ না করায় যুবককে কুপিয়ে হত্যা

স্টেট ইউনিভার্সিটির ৭ম সমাবর্তন ওসমান হাদিকে উৎসর্গ।

desk Report
  • আপডেটের সময়: রবিবার, ২১ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ২৫৮ সময় দেখুন
স্টেট ইউনিভার্সিটির ৭ম সমাবর্তন ওসমান হাদিকে উৎসর্গ।

স্টেট ইউনিভার্সিটির ৭ম সমাবর্তন ওসমান হাদিকে উৎসর্গ।৬৭২ জনকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি,তিনজন চ্যান্সেলর’স গোল্ড মেডেল,চারজনকে ভাইস-চ্যান্সেলর সিলভার মেডেল,২০ জনকে ডিনস অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়। বিশ্ব প্রতিযোগিতায় কেবল ডিগ্রি নয়, প্রয়োজন সক্ষমতা: আসিফ নজরুল বিশ্ব প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে শুধু ডিগ্রি অর্জন যথেষ্ট নয়, প্রয়োজন সক্ষমতা-শৃঙ্খলা ও বিশ্বাসযোগ্যতা দরকার বলেছেন আইন,বিচার ও সংসদ মন্ত্রণালয়,প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল। রোববার (২১ ডিসেম্বর) পূর্বাচল নতুন শহরে অবস্থিত স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের (এসইউবি) সপ্তম সমাবর্তন অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এবারের সমাবর্তন ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদির স্মরণে উৎসর্গ করা হয়।
তিনি বলেন, দক্ষতাকে লক্ষ্য নয়, অভ্যাসে পরিণত করতে হবে; সততাকে নীতি নয়, পরিচয় বানাতে হবে এবং দেশপ্রেমকে আবেগ নয়, আচরণে রূপ দিতে হবে।
অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল বলেন, ‘স্বাধীনতার ৫৪ বছরে ব্যক্তি পর্যায়ে অনেক অর্জন থাকলেও টেকসই প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার ক্ষেত্রে আমরা পিছিয়ে রয়েছি। পুলিশ, বিচার ও প্রশাসনের মতো প্রতিষ্ঠানগুলো এক সময় অগ্রসরমান অবস্থায় থাকলেও গত দেড় দশকে তাদের ভিত দুর্বল করা হয়েছে। ফলে সেগুলো কার্যকরভাবে পরিচালনা করা কঠিন হয়ে পড়েছে।’
তিনি আরও বলেন, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী ইউরোপের অগ্রযাত্রা প্রমাণ করে যে দেশ গঠনে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান কতটা গুরুত্বপূর্ণ। যেসব দেশ প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পেরেছে, তারাই এগিয়ে গেছে। কিন্তু আমাদের দেশে ব্যক্তি ও পরিবার প্রাধান্য পেয়েছে, প্রতিষ্ঠান নয়। ফলে অর্জন থাকলেও তা টেকসই হয়নি। বক্তব্যের শুরুতেই ওসমান হাদির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে এবং তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করে আসিফ নজরুল বলেন, ‘আমি কখনো এত বড় জানাজা দেখিনি। মানুষের যে আহাজারি ও দোয়া প্রত্যক্ষ করেছি, তাতে আমার দৃঢ় বিশ্বাস- আল্লাহ তাকে জান্নাতের সর্বোচ্চ স্থানে অধিষ্ঠিত করবেন। আমি বিশ্বাস করি, হাদি এই নশ্বর পৃথিবী ছেড়ে আরও উত্তম এক স্থানে অবস্থান করছেন।’ উপদেষ্টা আরও বলেন, হাদির জন্য এত মানুষের শোকের কারণ হলো- তিনি (হাদি) কখনো নিজের কথা ভাবতেন না; ভাবতেন ইনসাফ প্রতিষ্ঠার কথা। তিনি সৎ জীবনযাপন করতেন, সবাইকে ভালোবাসতেন। কর্মীদের জন্য তিনি যা করে গেছেন, তা অনেক নেতার জন্যই অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত।
সমাবর্তন বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এস এম এ ফায়েজ। তিনি বলেন, আজকের গ্র্যাজুয়েটরা মেধাবী ও সাহসী; কারণ জ্ঞানার্জন এখন বইয়ের পাতায় সীমাবদ্ধ নয়। প্রযুক্তি বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে শিক্ষার পরিসরও বিস্তৃত হচ্ছে, তৈরি হচ্ছে নিত্য-নতুন চ্যালেঞ্জ। এই চ্যালেঞ্জকে সম্ভাবনা হিসেবে কাজে লাগাতে হবে। এ সময় তিনি নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে তরুণদের ভূমিকার প্রশংসা করে বলেন, তরুণদের মানবতার শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে দেশ গঠনে অবদান রাখতে হবে।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তা স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মো. আখতার হোসেন খান। এছাড়া বক্তব্য দেন স্টেট ইউনিভার্সিটির ট্রাস্টি বোর্ডের প্রেসিডেন্ট ডা. এ এম শামীম, ভাইস-প্রেসিডেন্ট ডা. মো. মাহবুবুর রহমান, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ডা. নওজিয়া ইয়াসমীনসহ বিভিন্ন অনুষদের ডিনবৃন্দ।
সমাবর্তনে এবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০টি বিভাগের মোট ৬৭২ জনকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি প্রদান করা হয়। একই সঙ্গে তিনজন শিক্ষার্থীকে চ্যান্সেলর’স গোল্ড মেডেল, চারজন শিক্ষার্থীকে ভাইস-চ্যান্সেলর সিলভার মেডেল এবং ২০ জন শিক্ষার্থীকে ডিনস অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়।
সমাবর্তন অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অ্যালামনাই, রেজিস্টার্ড গ্র্যাজুয়েট, সিন্ডিকেট ও একাডেমিক কাউন্সিলের সদস্যরা, সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তা, গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব এবং বিশিষ্টজনেরা উপস্থিত ছিলেন।
স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ ২০০২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়ে বর্তমানে বাংলাদেশের অন্যতম বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়। এর আগে ছয়টি সমাবর্তনে ১৫ হাজারের বেশি গ্র্যাজুয়েট স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন।
এর আগে সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হয় ২০২২ সালে। সমাবর্তন উপলক্ষে ক্যাম্পাসজুড়ে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ, যেখানে গাউন ও হ্যাট পরিহিত গ্র্যাজুয়েটদের আনন্দ ও স্মৃতিচারণে প্রাণবন্ত হয়ে ওঠেছিলো পুরো ক্যাম্পাস

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2025 রংধনুটিভি
ESAITBD Sof-Lab UAE/BD