Blog

  • ঝিনাইদহ সরিষার তেলে পোড়া মবিল মেশানোর দায়ে ১ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

    ঝিনাইদহ সরিষার তেলে পোড়া মবিল মেশানোর দায়ে ১ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

    ঝিনাইদহ শহরের হামদহ এলাকায় সততা অয়েল মিলের ১০ ড্রাম সরিষার তেলে শত্রুতাবশত পোড়া মবিল মেশানোর ঘটনায় দায়েরকৃত মামলার ১ জন আসামীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। মামলার বাকি ৫ আসামীকে খালাস পেয়েছেন। সোমবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে মামলার রায় প্রদান করেন ঝিনাইদহ অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত-১ এর বিচারক মোঃ মাহবুব আলম। আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. শামীম হোসেন রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। দন্ডপ্রাপ্ত আসামী হলেন আশরাফুল ইসলাম ওরফে আশরাফ মিস্ত্রি। তিনি ঝিনাইদহ শহরের খন্দকার পাড়ার বাসিন্দা। মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১০ সালের ১৬ ডিসেম্বর মধ্যরাতে ঝিনাইদহের হামদহ এলাকার শেরে বাংলা অয়েল এন্ড রাইস মিলের মালিক আঃ মালেক ও কালীচরণপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমানের পরিকল্পনা ও প্রত্যক্ষ মদদে সততা অয়েল মিলসের ১০ ড্রাম সরিষার তেলের মধ্যে পোড়া মবিল মিশিয়ে দেয় আসামী আশরাফ সহ আরো পাঁচজন। ওই সময় ঘটনাটি জেলাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে। ওই ঘটনায় সততা অয়েল মিলের মালিক নওশের আলী বাদী হয়ে ঝিনাইদহ সদর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। যা পরবর্তীতে এজাহার হিসেবে রেকর্ড হয়। তদন্ত শেষে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আজিজুর রহমান আদালতে ৭জন কে আসামী করে অভিযোগপত্র দেন। মামলা চলাকালীন ২০২১ সালে মামলার অপর আসামী হাফিজ চেয়ারম্যান মারা যান। ওই মামলায় দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে সোমবার (২০ অক্টোবর) রায় প্রদান করেছেন ঝিনাইদহ অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত-১ এর বিচারক মোঃ মাহবুব আলম। রায়ে আসামী আশরাফ কে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দিয়েছেন আদালত। মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট রাশিদুল হাসান জাহাঙ্গীর বলেন, অভিযোগ আদালতে আমরা প্রমাণ করতে সমর্থ হয়েছি। রায় সন্তোষজনক। মামলার বাদী মরহুম নওশের আলীর ছেলে সততা অয়েল মিলসের বর্তমান সত্বাধিকারী মিরাজ জামান রাজ বলেন, রায়ে আমরা আংশিক সন্তুষ্ট। তবে চাঞ্চল্যকর ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারী ও অর্থদাতা আব্দুল মালেক সহ সহযোগী আসামীরা খালাস পাওয়ায় আমরা সংক্ষুব্ধ। অন্যান্য আসামীদের শাস্তি নিশ্চিত করতে উচ্চ আদালতে আমরা আপীল করব। কোর্ট পরিদর্শক মো. মোক্তার হোসেন বলেন, চাঞ্চল্যকর মামলায় একজন আসামীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

  • মোগল হাট সীমান্তে দুই বাংলার মিলন মেলা, কান্নায় ভাসলো স্বজনরা।

    মোগল হাট সীমান্তে দুই বাংলার মিলন মেলা, কান্নায় ভাসলো স্বজনরা।

    রবিবার (১৯ অক্টোবর) দিনব্যাপী মা বৃদ্ধেশ্বরী পুজো (‘বুড়ির মেলা’) উপলক্ষে লালমনিরহাটের মোগল হাট সীমান্ত ছিল একেবারে উন্মুক্ত।

    লালমনিরহাট মোগল হাট সীমান্তের জারিধরলা নদীর পাড় ঘেষা শ্রী শ্রী মা বৃদ্ধেশ্বরী পুজোয় দুই দেশের মানুষের বিনা পাসপোর্ট ও ভিসা ছাড়াই ভারতের পূজারী এবং বাংলাদেশের পুরোহিতের অংশগ্রহণে এই মিলন মেলায় হাজারো লোকের সমাগম ঘটে।

    লালমনিরহাটের দুর্গাপুর ও মোগলহাট সীমান্তে ধরলা নদীর পাড়ে ৯২৭ নম্বর সীমান্ত পিলারের কাছে রবিবার দিনভর অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত মিলনমেলায় উপস্তিত হৃদয় কুমার জানান প্রায় দুই যুগ পরে দেখা হয় আপন দুই বোনের। একে অপরকে দেখেই তারা কান্নায় ভেঙে পড়েন। প্রায় দশ- পনের মিনিট ধরে শুধু কান্নাই চলেছে। চোখের জলে ফুটে উঠেছে সেই দীর্ঘ অপেক্ষার প্রশান্তি।

    বড় বোন শুশীলা রানী (বাংলাদেশ) এনেছিলেন মিষ্টি, ইলিশ মাছ ও টাঙ্গাইলের শাড়ি। ছোট বোন নিয়তি রানী (ভারত) নিয়ে এসেছিলেন ভারতের মিষ্টি, মসলা, প্রিন্ট শাড়ি ও জামদানি। উপহার বিনিময়ের সময়ও তাদের চোখে অশ্রু থামেনি।
    বাংলাদেশের শুশীলা রানী (৬০) কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, “প্রায় ২৪ বছর হলো বোনের সঙ্গে দেখা হয় না। ২০০৯ সালের পর মোবাইল ফোনে কথা হতো, তাতে মন ভরত না। ২০২১ সালের পর ভিডিও কলে কথা বলেছি, কিন্তু বুকের কষ্ট যায়নি। আজ বুড়ির মেলায় এসে বোনের দেখা পেয়ে মনটা জুড়িয়ে গেল।”

    শুশীলা রানীর (৬০) বাড়ি লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলার দেওডোবা গ্রামে। আর নিয়তি রানীর (৫৮) বাড়ি ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহার জেলার দিনহাটা থানার গিদালদহ গ্রামে।

    নিয়তি রানী জানান, প্রায় ২৪-২৫ বছর আগে তিনি ভারতে চলে যান। বাবা-মা দুজনেই মারা গেছেন— দেখা হয়নি। এখন বাংলাদেশে কেবল দিদি বেঁচে আছেন।

    এমন হাজারো পরিবারের আবেগ ভরা গল্প জানা যায় এই মিলন মেলায়। প্রতি বছরই ধরলা নদীর পাড়ে সীমান্ত ঘেঁষে ভারতের কোচবিহার জেলার দিনহাটা থানার দড়িবাস এলাকায় শ্রী শ্রী মা বৃদ্ধেশ্বরী দেবীর পূজা উপলক্ষে বসে এই সীমান্ত মেলা।

    একটি সূত্র জানায়, এ বছরের পূজার বিশেষত্ব হলো— মন্দিরের পুরোহিত আসেন বাংলাদেশ থেকে, আর পূজারী ভারতের। দুই দেশের মানুষ একসাথে পূজা দেন, প্রসাদ খান, আর একদিনের জন্য হলেও ভুলে যান সীমান্তের বিভাজনরেখা।

    বাংলাদেশের পুরোহিত বিকাশ চন্দ্র চক্রবর্তী ও ভারতের পূজারী জ্যোতিষ চন্দ্র রায় বলেন, এই আয়োজন সম্প্রীতির প্রতীক। দুই দেশের ভক্তরাই মন্দির পরিচালনা করেন। এটি সীমান্ত পেরোনো ভালোবাসার এক অফুরন্ত দৃশ্য।

    উল্লেখ্য এ মিলন মেলায় শুধু লালমনিরহাটের মানুষ জনই নয় — রংপুর, গাইবান্ধা, দিনাজপুর, নীলফামারী, ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড় ও কুড়িগ্রাম থেকেও বিভিন্ন ধর্মাবলম্বী মানুষজন এসেছে তাদের নিজ নিজ স্বজনদের এক নজর দেখতে।

  • Untitled post 488

    প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেছেন, ডিসেম্বরের প্রথমার্ধে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে।তিনি বলেন, ‘আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে যদি আমাদের নির্বাচন করতে হয়, তাহলে ডিসেম্বরের প্রথমার্ধে তফসিল ঘোষণা করতে হবে। আমরা সেই লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছি।’সিইসি বলেন, আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে রমজানের আগে নির্বাচনের লক্ষ্য নিয়ে প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নির্বাচনের কর্মপরিকল্পনায়ও
    তিনি বলেন, ‘আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে যদি আমাদের নির্বাচন করতে হয়, তাহলে ডিসেম্বরের প্রথমার্ধে তফসিল ঘোষণা করতে হবে। আমরা সেই লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছি।’
    সিইসি বলেন, আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে রমজানের আগে নির্বাচনের লক্ষ্য নিয়ে প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
    প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেছেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তারিখ যথাসময়ে ঘোষণা করা হবে। নির্ধারিত সময়েই নির্বাচনের তফসিল জানানো হবে।
    শনিবার (২১ জুন) সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচনি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে ‘নির্বাচনি আইন ও বিধি’ বিষয়ক দু’দিনব্যাপী প্রশিক্ষণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি। নির্বাচন কমিশন সচিবালয় ও নির্বাচনি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের কর্মকর্তারা ওই প্রশিক্ষণে অংশ নেন।

  • ঝিনাইদহে “ডোঙ্গা বাইচ” প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

    ঝিনাইদহে “ডোঙ্গা বাইচ” প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

    “নদী বাঁচলে, বাঁচবে দেশ, সোনার এই বাংলাদেশ” এই শ্লোগানকে সামনে রেখে ঝিনাইদহে “ডোঙ্গা বাইচ” প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (১৯ অক্টোবর) সকালে এ ডোঙ্গা বাইচ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।
    সদর উপজেলার পারমথুরাপুর নতুন ব্রীজ থেকে শুরু হয়ে ধোপাঘাটা পুরাতন ব্রীজ পর্যন্ত দীর্ঘ ৮ কিলোমিটার এই প্রতিযোগিতা প্রধান অতিথি হিসেবে উদ্বোধন করেন জেলা বিএনপি’র সভাপতি অ্যাডভোকেট এম. এ. মজিদ। প্রতিযোগিতায় ৩৫ জন অংশ গ্রহনের মধ্যে ২ ঘন্টা ব্যাপী চলা প্রতিযোগিতায় প্রথম, ২য় ও তৃতীয় বিজয়ীদের মধ্যে আকর্ষণীয় পুরস্কারের ব্যবস্থা ছিল। প্রতিযোগিতা শেষে এক সমাপনী আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সমাজসেবক ও জেলা বিএনপি’র সভাপতি অ্যাডভোকেট এম. এ. মজিদ। সভাপতিত্ব করেন শামসুল আলম। বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ক্রীড়ানুরাগী, ক্রীড়া সংগঠক ও জেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক জাহিদুজ্জামান মনা, চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ’র সভাপতি মোয়াজ্জেম হোসেন, জেলা বিএনপি’র সহ-সভাপতি ও জেলা দোকান মালিক সমিতির সভাপতি আনোয়ারুল ইসলাম বাদশা, জেলা বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মজিদ বিশ্বাস, রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক, সমাজসেবক ও ক্রীড়া সংগঠক, আহসান হাবিব রনক, কাঞ্চন নগর স্কুল এন্ড কলেজের সভাপতি এম আকতার মুকুল, ঝিনাইদহ সুইমিং ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক নাজিম উদ্দিন জুলিয়াস। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা ও পরিচালনা করেন জেলা বিএনপি’র সহ-সভাপতি ও জেলা দোকান মালিক সমিতির সভাপতি আনোয়ারুল ইসলাম বাদশা। অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, এই ধরনের আয়োজন সমাজে ইতিবাচক বার্তা দেয়, সারাদেশে জানান দেওয়া দরকার এ ধরণের আয়োজন করার। আলোচনা শেষে অংশ গ্রহণ কারি ও বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন আয়োজক কমিটি। নদীর দুই পাড়ের হাজার-হাজার মানুষ “ডোঙ্গা বাইচ” প্রতিযোগিতা উপভোগ করেন।

  • রাজবাড়ী সরকারি কলেজ প্রভাষকের কলার ধরে মারধর করলেন সহযোগী অধ্যাপক, ভিডিও ভাইরাল

    রাজবাড়ী সরকারি কলেজ প্রভাষকের কলার ধরে মারধর করলেন সহযোগী অধ্যাপক, ভিডিও ভাইরাল

    রাজবাড়ী সরকারি কলেজে মব সৃষ্টি করে আওয়ামী পন্থী এক শিক্ষককে কলার ধরে নিচে নামিয়ে মারধরের অভিযোগ উঠেছে একই কলেজের এক সহযোগী অধ্যাপকের বিরুদ্ধে। গতকাল বুধবার (১৬ অক্টোবর) বিকেল ৪টার দিকে কলেজের একাডেমিক ভবনের নিচতলায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার একটি ১০ সেকেন্ডের ভিডিও ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওতে মারধরের দৃশ্যের একটি অংশ দেখা যায়। এ বিষয়ে কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর এ কে এম ইকরামুল করিম বলেন, ‘আমি শুনেছি কিছুটা কথা-কাটাকাটি হয়েছে। তবে মারধরের বিষয়টি এখনো নিশ্চিত নই। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’ ঘটনার পর শিক্ষক সমাজে ভুক্তভোগী শিক্ষক, হিসাববিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক এ কে এম আজাদুর রহমান জানান, পূর্ব ঘটনার সূত্র ধরে অর্থনীতি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোস্তফা কামাল তাকে কলার ধরে নিচে নামিয়ে এনে কিল-ঘুষি মারেন। এ সময় তার ঘাড়, চোখ ও মুখে আঘাত লাগে। পরে তিনি রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। আজাদুর রহমান বলেন, ‘দুপুরে পরীক্ষার দায়িত্ব পালনের সময় আমার বন্ধু ও ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রভাষক কুতুব উদ্দিনকে ইসলামের ইতিহাস বিভাগের এক শিক্ষক ধাক্কা দেন। আমরা অধ্যক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ দিতে গেলে মোস্তফা কামাল স্যার হঠাৎ এসে আমার ওপর হামলা করেন।’ প্রিন্সিপালের সামনেই মব সৃষ্টি করে আমাদের নাজেহাল করা হয়েছে।আমরা এর উপযুক্ত বিচার চাই।প্রভাষক কুতুব উদ্দিন ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে বলেন, ‘আজাদ স্যারের ওপর হামলা ঠেকাতে গেলে বাংলা বিভাগের জাহাঙ্গীর আলম স্যারকেও ঘুষি দেওয়া হয়। পরে আমরা আজাদ স্যারকে হাসপাতালে নিয়ে যাই। তিনি গুরুতর আহত হয়েছেন। অভিযুক্ত অর্থনীতি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান মোস্তফা কামাল অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘আজাদ স্যার খারাপ ব্যবহার করায় আমি কলার ধরেছিলাম, তবে মারধর করিনি। আর ওই শিক্ষকরা একজন সহকর্মীকে হুমকি দিয়েছিলেন, আমি সেটা জানতে গিয়েছিলাম।’ তবে হুমকিপ্রাপ্ত শিক্ষকের নাম জানাতে পারেননি তিনি। ঘটনার পর শিক্ষক সমাজে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। অনেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, দুজন শিক্ষকই বিসিএস ক্যাডার। সর্বোচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত। অথচ একজন শিক্ষক প্রকাশ্যে আরেকজন শিক্ষককে কলার ধরে মারধর করছেন, এটা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য চরম লজ্জাজনক ও নিন্দনীয় ঘটনা। তারা ঘটনার তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

     

  • বগুড়ায় বিএনপির প্রার্থীদের সবুজ সংকেত দিলেন তারেক রহমান

    বগুড়ায় বিএনপির প্রার্থীদের সবুজ সংকেত দিলেন তারেক রহমান

    যারা সবুজ সংকেত পেয়েছেন,বগুড়া-১ (সারিয়াকান্দি-সোনাতলা) আসনে সাবেক এমপি কাজী রফিকুল ইসলাম, বগুড়া-৩ (আদমদীঘি-দুপচাঁচিয়া) আসনে জেলা বিএনপির সহসভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আবদুল মুহিত তালুকদার, বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসনে সাবেক এমপি ও জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মোশাররফ হোসেন এবং বগুড়া-৫ (শেরপুর-ধুনট) আসনে সাবেক এমপি গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ। কাজী রফিকুল ইসলাম(সাবেক এমপি) জানান, তারেক রহমান মঙ্গলবার রাত সোয়া ১০টার দিকে ফোনে তাকে আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-১ আসনে প্রার্থী হওয়ার কথা বলেছেন। নির্বাচনে কীভাবে বিজয়ী হওয়ার ব্যাপারে দিকনির্দেশনা দিয়েছেন। জেলা বিএনপির সহসভাপতি মুহিত তালুকদার জানান, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ফোন করে তাকে বগুড়া-৩ আসনে প্রার্থী হওয়ার কথা বলেছেন।তিনি সবাইকে ঐক্যবদ্ধ করে মাঠে নামার ও নির্দেশ দিয়েছেন। মোশাররফ হোসেন জানান, মঙ্গলবার রাত ১০টা ৪০ মিনিটে নেতা তারেক রহমান ফোন করে বগুড়া-৪ আসনে প্রার্থী হওয়ার কথা বলেছেন। সবাইকে সঙ্গে নিয়ে আমাকে সংসদ নির্বাচনের জন্য কাজ করতে বলেছেন। বগুড়া জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সংসদ-সদস্য (এমপি) মোশাররফ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেন বলেন নেতা তাকে বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসনে কাজ করতে বলেছেন। সাবেক এমপি গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ বলেন, নেতা আমাকে বগুড়া-৫ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার কথা ↑ বলেছেন।

  • জীবননগরে আন্ত:জেলা চোর সিন্ডিকেটের প্রধান সাগর ২ সহযোগীসহ গ্রেফতার

    জীবননগরে আন্ত:জেলা চোর সিন্ডিকেটের প্রধান সাগর ২ সহযোগীসহ গ্রেফতার

    চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার পৌর শহরের বিভিন্ন স্থানে গত কয়েক মাসের ব্যবধানের প্রায়ই অর্ধ শতাধিক চুরির ঘটনায় জড়িত আন্ত:জেলা চোর সিন্ডিকেটের প্রধান গোপালনগর গ্রামের চোর সিন্ডিকেটের প্রধান আন্ত:জেলা চোরচক্রের হোতা সাগর মিয়াকে(২৫) দু’সহযোগীসহ অবশেষে গ্রেফতার করা হয়েছে। তারা গ্রেফতার হওয়ায় এলাকাবাসীর মধ্যে এক ধরণের স্বস্তি বিরাজ করছে। বিরুদ্ধে জীবননগর থানায় একটি চুরির মামলা করা হয়েছে। চোরচক্রের হোতা সাগর মিয়ার অন্য সহযোগীদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবিয়ে জানিয়েছেন এলাকাবাসী। এলাকাবাসী ও ভুক্তভোগী পরিবার সুত্রে জানা যায়,জীবননগর পৌর এলাকার গোপালনগর গ্রামের কিরন হোসেনের ছেলে সাগর মিয়া একজন মাদকাসক্ত এবং দীর্ঘদিন ধরে ছোটখাটো চুরি-ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটিয়ে আসছিল। কিন্তু সাগর মিয়া গত বছরের ৫ আগষ্টের পর থেকে বেপরোয়া হয়ে ওঠে এবং একের পর এক চুরি-ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটাতে থাকে। সাগর মিয়া বিগত ৩-৪ মাসের ব্যবধানে তার সহযোগীদের নিয়ে এলাকার ছোট বড় মিলে প্রায় অর্ধ শতাধিক স্থানে চুরির ঘটনার ঘটায়। এ অবস্থায় এলাকার মানুষ তাদের ভয়ে শঙ্কিত হয়ে পড়ে এবং তাদেরকে গ্রেফতারের জন্য বার বার পুলিশের স্মরণাপন্ন হলেও পুলিশ তাদেরকে নানা অজুহাতে ইতিপুর্বে গ্রেফতার করেনি। সাগর মিয়া তার বাহিনীর সদস্যদের নিয়ে থানার আশেপাশের বসবাসকারীদের বাড়ীতে একের পর এক চুরির ঘটনা ঘটাতে থাকে। সম্প্রতি তারা জীবননগর থানার পিছনে সরকারী প্রাথমিক বালিকা বিদ্যালয়ের গ্রিল ভেঙ্গে মনিটর চুরি করে নিয়ে যায়। এ ঘটনার কয়েক দিনের মাথায় একই মহল্লার অর্থাৎ গোপালনগর গ্রামের জনৈক মুকুল মিয়ার বাড়ীতে সোমবার দিনগত মঙ্গলবার গভীর রাতে গ্যাসের চুলা,বৈদ্যুতিক মটর,গ্যাস সিলিন্ডার,ডিজিটাল মাপ যন্ত্র চুরি করে নিয়ে যাওয়ার সময় বাড়ীর মালিকের লোকজন টের পেয়ে তাদেরকে ধাওয়া করে এবং আটক করে। এ ঘটনায় থানায় মামলা হলে পুলিশ সাগর মিয়াসহ একই গ্রামের শরিফুলের ছেলে আসিফ(২২)এবং পিন্টু মিয়ার ছেলে নাসির উদ্দিন রিন্টু বাবুদেরকে(২২) বুধবার সকালে চুয়াডাঙ্গা আদালতে সোপর্দ করেন। এলাকার একাধিক ভুক্তভোগী ক্ষোভের সাথে জানান,সাগর মিয়াসহ তার গ্যাঙের সদস্যদের বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগ করে কোন কাজ হয়নি। তাদের বিরুদ্ধে থানা পুলিশে একাধিকবার অভিযোগ করলেও তেমন কোন সাড়া পাওয়া যায়নি। ফলে চুরির কোন ঘটনায় মানুষ আর থানায় কোন অভিযোগ করতে চায় না।
    গোপালনগর গ্রামে রাঙা মিয়া ও রাজনগর গ্রামের সাইদুর রহমান বলেন,থানার আশেপাশে ইদানিং মাদকাসক্তের পাশাপাশি চোরের উপদ্রুপ আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে এ অবস্থা চলে আসলেও পুলিশের পক্ষ থেকে কোন কার্যকরি কোন ব্যবস্থা না থাকায় এলাকার মানুষের মধ্যে চরম ক্ষোভ আর কষ্ট বিরাজ করছে। তারা এখন নিজেরাই চোর ধরে পুলিশে দিতে বাধ্য হচ্ছ। গ্রেফতারকৃত চোর সাগর মিয়ার গ্যাঙের আরো কিছু সদস্য রয়েছে,তাদেরকে আটক করতে না পারলে চুরি থামবে না। থানা পুলিশের নিকট জোর দাবি এলাকার সমস্ত চোর ও মাদকাসক্ত এবং মাদক ব্যবসায়ীদের আটক করে আইনে সোপর্দ করতে হবে। জীবননগর থানার অফিসার ইনচার্জ(অপারেশন) আতিয়ার রহমান বলেন,গ্রেফতারকৃত সাগর মিয়া,আসিফ ও বাবুদেরকে জিজ্ঞাসাবাদে তারা কোন ঘটনা সরাসরি স্বীকার না করে কৌশলে এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। ব্যাপক জিজ্ঞাসা করে তাদের নিকট থেকে এলাকার কয়েকটি চুরির সাথে জড়িত থাকার কথা আংশিক স্বীকার করে।

  • জীবননগর বাঁকার মোড়ে ভেজাল ও নিম্নমানের দস্তা সার বিক্রির অপরাধে ব্যবসায়ীকে জরিমানা

    জীবননগর বাঁকার মোড়ে ভেজাল ও নিম্নমানের দস্তা সার বিক্রির অপরাধে ব্যবসায়ীকে জরিমানা

    চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ভেজাল ও নিম্নমানের দস্তাসার বিক্রি করার অপরাধে ব্যবসায়ীকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা সহ জব্দকৃত ৬৫০কেজি ভেজাল দস্তা সার ধ্বংস করা হয়।

    বুধবার (১৫ই অক্টোবর)বিকেলে জীবননগর পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ড বাঁকামোড় শহিদুল ট্রেডার্সে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

    ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন জীবননগর উপজেলা সহকারী কমিশনার( ভূমি) সৈয়দজাদী মাহবুবা মঞ্জুর মৌনা।

    জানা যায়, জীবননগর কৃষি বিভাগের সহযোগিতায় উপজেলা প্রশাসন সম্প্রতি সময়ে উপজেলা জুড়ে ভেজাল সার ও কীটনাশক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় বাঁকা মোড়ে অবস্থিত শহিদুল ট্রেডার্সে ভেজাল সার বিরোধী একটি অভিযান পরিচালনা করা হয়। আর এই অভিযানে ৬৫০ কেজি নিম্নমানের দস্তা সার উদ্ধার করা হয়। আর নিম্নমানের দস্তা সার বিক্রির অপরাধে শহিদুল ট্রেডার্সের মালিক শহিদুল হক কে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।এরপর জব্দকৃত নিম্নমানের দস্তা সার সাধারণ জনসম্মুখে বিনষ্ট করা হয়।

    জীবননগর উপজেলা সরকারি কমিশনার( ভূমি) সৈয়দজাদী মাহবুবা মঞ্জুর মৌনা বলেন ,কৃষক হচ্ছে অর্থনীতির মেরুদন্ড কিন্তু এক শ্রেণির কোম্পানী বাজারে ভেজাল সার সরবরাহ করে কৃষকদের সাথে প্রতারণা করে চলেছে। কৃষকরা যাতে প্রতারিত না হতে পারে ও ফসলের উৎপাদন যাবে ক্ষতিগ্রস্থ না হয় এ জন্য ভেজাল সার বিরোধী অভিযান পরিচালনা অব্যাহত রয়েছে।

    জীবননগর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন বলেন, আমরা ইতোমধ্যে জীবননগর উপজেলায় ভেজাল সার বিক্রির অপরাধে বিভিন্ন সার জব্দসহ ব্যবসায়ীদের নিকট থেকে জরিমানা আদায় করতে সক্ষম হয়েছি। এছাড়াও কৃষকদের সাথে এবং কৃষকরা যাতে ভেজাল সার ব্যবহারের মধ্য দিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সে ব্যাপারে আমরা নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রাখবো।

    এ সময় উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা পাভেল রানা, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা শাহ আলম, জীবননগর থানা পুলিশের সদস্য ও সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

  • নিখোঁজের চার দিন পর এক যুবতীর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার

    নিখোঁজের চার দিন পর এক যুবতীর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার

    নিখোঁজের চার দিন পর সায়মা আক্তার মীম (২২) নামের এক যুবতীর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মোগরাপাড়া ইউনিয়নের কাইকারটেক ব্রিজ এলাকার ঝোপঝাড় থেকে তার মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয় এলাকা থেকে তিনি নিখোঁজ হয়েছিলেন।
    নিহত সায়মা পাবনা জেলার সুজানগর থানার দয়ালনগর গ্রামের সাইফুল ইসলামের মেয়ে। তিনি সোনারগাঁয়ের মোগরাপাড়া আমতলা এলাকার ফিরোজ মিয়ার বাড়িতে ভাড়া থাকতেন এবং স্থানীয় কলাপাতা বার্গারে কাজ করতেন।
    সূত্র জানায়,গত শুক্রবার সকাল ১০টার পর থেকে সায়মা নিখোঁজ ছিলেন। বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির পরও সন্ধান না পেয়ে মঙ্গলবার সকালে স্বজনরা সোনারগাঁ থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। বিকেলে স্থানীয়রা কাইকারটেক ব্রিজ এলাকার পাশে একটি বড় ব্যাগ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ব্যাগটি উদ্ধার করলে দেখা যায়, এর ভেতরে কালো পলিথিনে মোড়ানো এবং কসটেপে প্যাঁচানো অবস্থায় হাত-পা বাঁধা এক নারীর মরদেহ। পরবর্তীতে নিহতের মামা খোকন শেখ সাগর মরদেহটি শনাক্ত করেন।
    নিয়তের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়,সায়মা দুই বছর আগে কুমিল্লার রায়হান নামে এক যুবকের সঙ্গে প্রেম করে বিয়ে করেছিলেন। তবে পারিবারিকভাবে বিয়েটি স্বীকৃতি না পাওয়ায় তারা আলাদা বাসায় বসবাস করতেন।

  • ভোলায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ৫ দফা বাস্তবায়নের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে

    ভোলায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ৫ দফা বাস্তবায়নের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে

    ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ভোলা জেলা উত্তর শাখা ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ভোলা জেলা দক্ষিণ শাখার উদ্যোগে জুলাই জাতীয় সনদের আইনী ভিত্তি, পিআর পদ্ধতিতে জাতীয় নির্বাচন, ফ্যাসিস্ট সরকারের গণহত্যার বিচার, নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা, ফ্যাসিবাদের দোসর জাতীয় পার্টি ও ১৪ দলের কার্যক্রম নিষিদ্ধসহ ৫ দফা দাবিতে ১৫ অক্টোবর ২০২৫, বুধবার, সকাল ১০ ঘটিকার সময় ভোলা কে জাহান মার্কেটের সামনে ও চরফ্যাশন সদর রোডে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

    উক্ত মানববন্ধনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ভোলা জেলা উত্তর শাখায় উপস্থিত ছিলেন, ইসলামী শ্রমিক আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি মাওলানা ওবায়দুর রহমান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ভোলা উত্তর শাখার সভাপতি মাওলানা আতাউর রহমান মমতাজি, সাধারণ সম্পাদক মাওলানা তরিকুল ইসলাম তারেক, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা ইউসুফ আদনানসহ জেলা উত্তরের সকল অঙ্গ সংগঠনের দায়িত্বশীল ও সাধারণ জনতা।

    ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ভোলা জেলা দক্ষিণ শাখায় উপস্থিত ছিলেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ভোলা-৪ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী অধ্যাপক মাওলানা কামাল উদ্দিন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সুরা সদস্য আলহাজ্ব আলাউদ্দিন তালুকদার, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ভোলা জেলা দক্ষিণ শাখার সভাপতি মুফতি নুরুদ্দিন, সহসভাপতি মাওলানা গোলাম মোর্শেদ, সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আব্বাস উদ্দিন, ইসলামী শ্রমিক আন্দোলন বাংলাদেশ ভোলা জেলা দক্ষিণ শাখার জয়েন্ট সেক্রেটারি হেলাল উদ্দিন মুজাহিদসহ জেলা, উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বশীলরা।

    মানববন্ধনে বক্তারা, জুলাই জাতীয় সনদের আইনী ভিত্তি, পিআর পদ্ধতিতে জাতীয় নির্বাচন, ফ্যাসিস্ট সরকারের গণহত্যার বিচার, নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা, ফ্যাসিবাদের দোসর জাতীয় পার্টি ও ১৪ দলের কার্যক্রম নিষিদ্ধসহ ৫ দফা দাবি বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়েছেন।

    বক্তারা আরো বলেন,আমরা দেখেছি ৫৪ বছর এদেশের রাজনীতিবিদরা স্বার্থের রাজনীতি করে গেছেন। লক্ষ কোটি টাকা বিদেশে পাচার করা হয়েছে। হত্যা, গুম, সন্ত্রাসী,চাঁদাবাজি হয়েছে। স্বার্থের রাজনীতি করতে পারবে না বলে আজ অনেকে পিআর নির্বাচনের বিরোধিতা করছে। পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন হলে শতভাগ ভোটের মূল্যায়ন হবে। সংসদে ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত প্রতিনিধি থাকবে। আর কোন সৈরাচারের জন্ম হবে না। তাই এদেশের জনগণ পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন চায়। এই সরকারকে বলতে চাই আগামী নির্বাচন পিআর পদ্ধতিতে করার ব্যবস্থা করুন অন্যথায় এদেশের জনগন আপনাদের রুখে দিবে। ২৪ এর পরে এদেশের মানুষ অনেক সচেতন হয়েছে, অধিকার আদায়ে রক্ত দিতে শিখেছে। প্রয়োজন হলে আবারও রক্ত দিতে প্রস্তুত এদেশের মানুষ।’

    দলটির উত্থাপিত পাঁচ দফা দাবিসমূহ হলো—আগামী জাতীয় নির্বাচনের পূর্বে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের আদেশ জারি ও উক্ত আদেশের উপর গণভোট আয়োজন করা, আগামী জাতীয় নির্বাচনে উভয় কক্ষে পিআর পদ্ধতি চালু করা, অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের লক্ষ্যে সকলের জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা, ফ্যাসিস্ট সরকারের সকল জুলুম-নির্যাতন, গণহত্যা ও দুর্নীতির বিচার দৃশ্যমান করা এবং স্বৈরাচারের দোসর জাতীয় পার্টি ও ১৪ দলের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা।