Blog

  • দেশে আগামী ১৬ ডিসেম্বর থেকে বন্ধ হবে অবৈধ মুঠোফোন।

    দেশে আগামী ১৬ ডিসেম্বর থেকে বন্ধ হবে অবৈধ মুঠোফোন।

    দেশে আগামী ১৬ ডিসেম্বর থেকে বন্ধ হবে অবৈধ মুঠোফোন। এ লক্ষ্যে ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) নামের একটি ব্যবস্থা চালু করতে যাচ্ছে সরকার।

    বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) জানিয়েছে, নতুন এ ব্যবস্থায় শুধু অনুমোদিত, মানসম্মত ও বৈধভাবে আমদানি করা মুঠোফোন সংযুক্ত হতে পারবে। অবৈধ বা ক্লোন আইএমইআই (মুঠোফোন শনাক্তকরণ নম্বর) মুঠোফোন নেটওয়ার্কে সংযুক্ত হতে পারবে না।

    বুধবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বিটিআরসি কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের ২০২৪ সালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশের ৭৩ শতাংশ ডিজিটাল জালিয়াতি হয় অবৈধ ডিভাইস ও সিম থেকে। এনইআইআর চালুর মাধ্যমে তা কমিয়ে আনা সম্ভব হবে। অবৈধ মুঠোফোন হ্যান্ডসেটের কারণে প্রতিবছর সরকারের ৫০০ কোটি টাকার রাজস্ব ক্ষতি হয়।

    রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বিটিআরসি কার্যালয়ে গতকাল বুধবার আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব
    রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বিটিআরসি কার্যালয়ে

    নতুন মুঠোফোন কেনার আগে করণীয়

    বিটিআরসি জানিয়েছে, ১৬ ডিসেম্বর থেকে যেকোনো মাধ্যম থেকে (বিক্রয়কেন্দ্র, অনলাইন বিক্রয়কেন্দ্র, ই-কমার্স সাইট ইত্যাদি) মুঠোফোন কেনার আগে অবশ্যই তার বৈধতা যাচাই করতে হবে। পাশাপাশি মুঠোফোন কেনার রশিদ সংরক্ষণ করতে হবে। মুঠোফোন বৈধ হলে তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে এনইআইআর ব্যবস্থায় নিবন্ধিত হয়ে যাবে।

    কীভাবে জানবেন মুঠোফোনটি বৈধ কি না

    ধাপ-১: মুঠোফোনের মেসেজ অপশনে গিয়ে KYD ১৫ ডিজিটের আইএমইআই নম্বর লিখুন। উদাহরণস্বরূপ KYD 123456789012345।

    ধাপ-২: আইএমইআই নম্বরটি লেখার পর ১৬০০২ নম্বরে পাঠিয়ে দিন।

    ধাপ-৩: ফিরতি বার্তার মাধ্যমে মুঠোফোনের বৈধতা সম্পর্কে জানতে পারবেন।

    বিদেশ থেকে কেনা বা উপহার পাওয়া মুঠোফোনের নিবন্ধন

    বিদেশ থেকে ব্যক্তিপর্যায়ে বৈধভাবে কেনা বা উপহার পাওয়া মুঠোফোন প্রাথমিকভাবে নেটওয়ার্কে সচল হবে। খুদে বার্তার (এসএমএস) মাধ্যমে পরবর্তী ৩০ দিনের মধ্যে অনলাইনে প্রয়োজনীয় তথ্য দাখিলের জন্য নির্দেশনা দেওয়া হবে। দাখিল করা তথ্য যাচাই–বাছাইয়ের পর শুধু বৈধ মুঠোফোন নেটওয়ার্কে সচল হবে।

    বিদেশ থেকে কেনা বা উপহার পাওয়া মুঠোফোন নিবন্ধনের উপায়

    ধাপ-১: neir.btrc.gov.bd পোর্টাল ভিজিট করে আপনার ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট রেজিস্টার করুন।

    ধাপ-২: পোর্টালের ‘Special Registration’ সেকশনে গিয়ে মুঠোফোনের আইএমইআই নম্বর দিন।

    ধাপ-৩: প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টের ছবি/স্ক্যান কপি (পাসপোর্টের ভিসা/ইমিগ্রেশন, ক্রয় রশিদ ইত্যাদি) আপলোড করুন। এরপর সাবমিট বাটনে চাপ দিন।
    ধাপ-৪: মুঠোফোনটি বৈধ হলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিবন্ধিত হবে। বৈধ না হলে এসএমএসের মাধ্যমে গ্রাহককে জানিয়ে নেটওয়ার্ক থেকে বিচ্ছিন্ন করা হবে।

    মোবাইল অপারেটরের গ্রাহকসেবা বা কাস্টমার কেয়ার সেন্টারের সাহায্যেও এই সেবা নেওয়া যাবে। যাত্রী (অপর্যটক) ব্যাগেজ (আমদানি) বিধিমালা (ব্যাগেজ রুলস নামে পরিচিত) অনুযায়ী, একজন ব্যক্তি বিদেশ থেকে দেশের নেটওয়ার্কে আগে ব্যবহৃত ব্যক্তিগত একটি বাদে সর্বোচ্চ একটি মুঠোফোন বিনা শুল্কে আনতে পারবেন। আর শুল্ক দিয়ে আরও একটি মুঠোফোন আনতে পারবেন।

    ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) নামের একটি ব্যবস্থা চালু করতে যাচ্ছে সরকার।

    বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) জানিয়েছে, নতুন এ ব্যবস্থায় শুধু অনুমোদিত, মানসম্মত ও বৈধভাবে আমদানি করা মুঠোফোন সংযুক্ত হতে পারবে। অবৈধ বা ক্লোন আইএমইআই (মুঠোফোন শনাক্তকরণ নম্বর) মুঠোফোন নেটওয়ার্কে সংযুক্ত হতে পারবে না।

    রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বিটিআরসি কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের ২০২৪ সালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশের ৭৩ শতাংশ ডিজিটাল জালিয়াতি হয় অবৈধ ডিভাইস ও সিম থেকে। এনইআইআর চালুর মাধ্যমে তা কমিয়ে আনা সম্ভব হবে। অবৈধ মুঠোফোন হ্যান্ডসেটের কারণে প্রতিবছর সরকারের ৫০০ কোটি টাকার রাজস্ব ক্ষতি হয়।

    রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বিটিআরসি কার্যালয়ে গতকাল বুধবার আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব

    নতুন মুঠোফোন কেনার আগে করণীয়

    বিটিআরসি জানিয়েছে, ১৬ ডিসেম্বর থেকে যেকোনো মাধ্যম থেকে (বিক্রয়কেন্দ্র, অনলাইন বিক্রয়কেন্দ্র, ই-কমার্স সাইট ইত্যাদি) মুঠোফোন কেনার আগে অবশ্যই তার বৈধতা যাচাই করতে হবে। পাশাপাশি মুঠোফোন কেনার রশিদ সংরক্ষণ করতে হবে। মুঠোফোন বৈধ হলে তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে এনইআইআর ব্যবস্থায় নিবন্ধিত হয়ে যাবে।

    কীভাবে জানবেন মুঠোফোনটি বৈধ কি না

    ধাপ-১: মুঠোফোনের মেসেজ অপশনে গিয়ে KYD ১৫ ডিজিটের আইএমইআই নম্বর লিখুন। উদাহরণস্বরূপ KYD 123456789012345।

    ধাপ-২: আইএমইআই নম্বরটি লেখার পর ১৬০০২ নম্বরে পাঠিয়ে দিন।

    ধাপ-৩: ফিরতি বার্তার মাধ্যমে মুঠোফোনের বৈধতা সম্পর্কে জানতে পারবেন।

    বিদেশ থেকে কেনা বা উপহার পাওয়া মুঠোফোনের নিবন্ধন

    বিদেশ থেকে ব্যক্তিপর্যায়ে বৈধভাবে কেনা বা উপহার পাওয়া মুঠোফোন প্রাথমিকভাবে নেটওয়ার্কে সচল হবে। খুদে বার্তার (এসএমএস) মাধ্যমে পরবর্তী ৩০ দিনের মধ্যে অনলাইনে প্রয়োজনীয় তথ্য দাখিলের জন্য নির্দেশনা দেওয়া হবে। দাখিল করা তথ্য যাচাই–বাছাইয়ের পর শুধু বৈধ মুঠোফোন নেটওয়ার্কে সচল হবে।

    বিদেশ থেকে কেনা বা উপহার পাওয়া মুঠোফোন নিবন্ধনের উপায়

    ধাপ-১: neir.btrc.gov.bd পোর্টাল ভিজিট করে আপনার ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট রেজিস্টার করুন।

    ধাপ-২: পোর্টালের ‘Special Registration’ সেকশনে গিয়ে মুঠোফোনের আইএমইআই নম্বর দিন।

    ধাপ-৩: প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টের ছবি/স্ক্যান কপি (পাসপোর্টের ভিসা/ইমিগ্রেশন, ক্রয় রশিদ ইত্যাদি) আপলোড করুন। এরপর সাবমিট বাটনে চাপ দিন।

    ধাপ-৪: মুঠোফোনটি বৈধ হলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিবন্ধিত হবে। বৈধ না হলে এসএমএসের মাধ্যমে গ্রাহককে জানিয়ে নেটওয়ার্ক থেকে বিচ্ছিন্ন করা হবে।

    মোবাইল অপারেটরের গ্রাহকসেবা বা কাস্টমার কেয়ার সেন্টারের সাহায্যেও এই সেবা নেওয়া যাবে। যাত্রী (অপর্যটক) ব্যাগেজ (আমদানি) বিধিমালা (ব্যাগেজ রুলস নামে পরিচিত) অনুযায়ী, একজন ব্যক্তি বিদেশ থেকে দেশের নেটওয়ার্কে আগে ব্যবহৃত ব্যক্তিগত একটি বাদে সর্বোচ্চ একটি মুঠোফোন বিনা শুল্কে আনতে পারবেন। আর শুল্ক দিয়ে আরও একটি মুঠোফোন আনতে পারবেন।

    বিশেষ নিবন্ধনের জন্য প্রয়োজনীয় নথি

    ১. পাসপোর্টে ব্যক্তিগত তথ্যের পাতার স্ক্যান বা ছবি।

    ২. পাসপোর্টে ইমিগ্রেশনের দেওয়া আগমনের সিল–সংবলিত পাতার স্ক্যান বা ছবি।

    ৩. ক্রয় রসিদের স্ক্যান বা ছবি।

    ৪. কাস্টমস শুল্ক পরিশোধসংক্রান্ত প্রমাণপত্রের স্ক্যান বা ছবি (একটি মুঠোফোনের বেশি হলে)।

    উপহারপ্রাপ্ত মুঠোফোনের ক্ষেত্রে

    ১. পাসপোর্টে ব্যক্তিগত তথ্যের পাতার স্ক্যান বা ছবি।

    ২. পাসপোর্টে ইমিগ্রেশনের দেওয়া আগমনের সিল-সংবলিত পাতার স্ক্যান বা ছবি।

    ৩. কাস্টমস শুল্ক পরিশোধসংক্রান্ত প্রমাণপত্রের স্ক্যান বা ছবি (একটি হ্যান্ডসেটের বেশি হলে)।

    ৪. ক্রয় রসিদের স্ক্যান বা ছবি।

    ৫. উপহার প্রদানকারীর প্রত্যয়নপত্র (শুধু উপহার প্রাপ্তির ক্ষেত্রে)।

    এয়ার মেইলে পাওয়া

    ১. প্রেরকের পাসপোর্টের ব্যক্তিগত তথ্যের পাতা বা জাতীয় পরিচিতির স্ক্যান বা ছবি (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)।

    ২. প্রাপকের জাতীয় পরিচিতির স্ক্যান বা ছবি।

    ৩। ক্রয় রসিদের স্ক্যান বা ছবি।

    ৪। শুল্ক প্রদানের রসিদের স্ক্যান বা ছবি (একটি হ্যান্ডসেটের বেশি হলে)।

    ব্যবহৃত হ্যান্ডসেটের বর্তমান অবস্থা যাচাইয়ের প্রক্রিয়া

    বর্তমানে মোবাইল নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত সব হ্যান্ডসেট আগামী ১৬ ডিসেম্বরের মধ্যে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিবন্ধিত হবে। ১৬ ডিসেম্বরের আগে ব্যবহৃত হ্যান্ডসেট আলাদাভাবে নিবন্ধনের প্রয়োজন নেই। ব্যবহৃত হ্যান্ডসেটের বর্তমান অবস্থা নিচের পদ্ধতি অনুসরণ করে জানা যাবে—

    ধাপ-১: হ্যান্ডসেট থেকে *১৬১৬১# নম্বরে ডায়াল করুন।

    ধাপ-২: অটোমেটিক বক্স এলে হ্যান্ডসেটের ১৫ ডিজিটের আইএমইআই নম্বর লিখে পাঠিয়ে দিন।

    ধাপ-৩: ফিরতি এসএমএসের মাধ্যমে ব্যবহৃত হ্যান্ডসেটের হালনাগাদ অবস্থা জানানো হবে।

    তবে neir.btrc.gov.bd পোর্টাল অথবা মোবাইল অপারেটরের কাস্টমার কেয়ার সেন্টারের সাহায্যেও উল্লিখিত সেবা গ্রহণ করা যাবে।

  • চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদায় পথসভায় জেলা বিএনপির সভাপতি বাবু খান

    চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদায় পথসভায় জেলা বিএনপির সভাপতি বাবু খান

    ‘এসপি ফোন করে বলেছিলেন বাবু সাহেব কাল থেকে নির্বাচনী প্রচারণায় যাবেন না’
    বিজিএমইএ ও চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বাবু বলেছেন, দিনের ভোট রাতে হয়ে গেছে, আপনার ভোট আরেকজন দিয়ে গেছে। ভোট কেন্দ্রে আমি, আপনি, আমরা যেতে পারিনি। স্মৃতি, দুঃস্বপ্ন বলব, স্মৃতি বলবো না। ১৮ সালের নির্বাচনে ধানের শীষের প্রতীক নিয়ে আমি নির্বাচন করেছিলাম। ৩০-শে ডিসেম্বর নির্বাচনের তারিখ ছিল। প্রকাশ্যে জনসভায় এখানে বলতে কোনো দ্বিধা নাই, ২৫-শে ডিসেম্বর এসপি সাহেব ফোন করলেন, বাবু সাহেব কাল থেকে নির্বাচনী প্রচারণায় যাবেন না। কেন যাব না? আপনার নিরাপত্তা দিতে পারব না। আমি বলেছিলাম, নির্বাচনে দাঁড়িয়েছি, রাজনীতি করি আমি, আপনি নিরাপত্তা দিবেন কী দিবেন না এটা আপনার বিষয়। আমি ঠিকই নির্বাচনী প্রচারণায় যাব। ২৬ তারিখ আমি উথলীতে, আমার সাথে যারা সফরসঙ্গী নির্বাচনী প্রচারণায় ছিলেন তাদের রক্তাক্ত শরীর নিয়ে আমাদের ফিরে আসতে হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আমাদের সাহায্য সহযোগিতা করেনি। হয়তো ১৮ সালে আমরা নির্বাচন করতে পারিনি। কিন্তু আমাদের সংগ্রাম, আমাদের আন্দোলন বীথা গিয়েছে?
    আজ শনিবার দামুড়হুদা উপজেলার কার্পাসডাঙ্গা ইউনিয়নে নির্বাচনী পথসভায় অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন তিনি। এদিন কার্পাসডাঙ্গা ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের পথসভা করেন মাহমুদ হাসান খান বাবু।
    তিনি আরও বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর আমরা আন্দোলন সংগ্রাম করেছি, প্রকাশ্যে দিবালোকে। কোনো দলের মতো আমরা গুপ্তচরের মতো গোপন রাজনীতি করিনি। দলের ভেতর দল তৈরি করি নাই। আমরা জিয়ার দল করি, প্রকাশ্যে দিবালোকে সব সময় একই কথা বলি। আমরা বিএনপি করি, আমরা জাতীয়তাবাদে বিশ্বাস করি। আমরা দলে ভেতরে ঢুকি, গোয়ান্দাগিরি করি নাই। আমরা যেটা করি নাই, আমাদের ইমান বিক্রি করি নাই। আমরা কেবলা পরিবর্তন করি নাই। যারা আজকে আমাদের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চান, তারা এদেশের স্বধীনতায় বিশ্বাস করে না।
    চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপি বলেন, ১৯৭১ সালে তাদের কী ভূমিকা ছিল আমরা জানি। এখন বাংলাদেশের মানুষের জন্য তাদের মায়া কান্না। যারা আমাদের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বে বিশ্বাস করে না, তাদের এই মায়া কান্না একটি বিবরান্তি তৈরি করা বিষয়। এটা আমরা ইতিমধ্যেই বুঝে গেছি। বুঝে গেছি বলেই তারা উন্নয়নের কথা বলে না। বুঝে গেছি বলেই তারা শিক্ষাব্যবস্থার কথা বলে না। স্বাস্থ্যব্যবস্থার কথা বলে না। কৃষির উন্নয়নের কথা বলে না। কী বলে? তারা বলে, বেহেশতের টিকিটি বিক্রির কথা। এগুলো আজ থেকে ১০ বছর, ১৫ বছর আগে চলত। এসব অচল জিনিস এখন আর চলে না। কীভাবে বেহেশতে যাওয়া যায়, কী করলে বেহেশতে যাওয়া যায় আমরা জানি।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ মিলটন, দামুড়হুদা উপজেলা বিএনপির সভাপতি মনিরুজ্জামান মনির, সিনিয়র সহসভাপতি আব্দুল ওয়াহেদ, সাধারণ সম্পাদক রফিকুল হাসান তনু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মন্টু মিয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল হাশেম, দর্শনা থানা বিএনপির সভাপতি খাঁজা আবুল হাসনাত, কার্পাসডাঙ্গা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শামসুল আলম, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক জুলফিকার আলি ভুট্টু, সাংগঠনিক সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম টুটুল প্রমুখ।

  • জীবননগরে ৫৪তম জাতীয় সমবায় দিবস পালিত

    জীবননগরে ৫৪তম জাতীয় সমবায় দিবস পালিত

    “সাম্য ও সমতায়, দেশ গড়বে সমবায়” স্লোগানে চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে নানা আয়োজনে ৫৪তম জাতীয় সমবায় দিবস পালিত হয়েছে। আজ শনিবার বেলা ১০টায় জীবননগর উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে জাতীয় ও সমবায় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে দিবসের কর্মসূচি শুরু হয়। পরে উপজেলা পরিষদ চত্বরে থেকে একটি শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি জীবননগর বাসস্ট্যান্ড ঘুরে একই স্থানে এসে শেষ হয়৷
    এরপর জীবননগর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। সভার শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তিলাওয়াত করেন জীবননগর উপজেলা জামে মসজিদ ইমাম হাসানুজ্জামান জামান। সভায় স্বাগত বক্তব্য ও সভাপতিত্ব করেন জীবননগর উপজেলা সমবায় অফিসার মেহা. নূর আলম। সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন জীবননগর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সৈয়দজাদী মাহবুবা মঞ্জুর মৌনা। বিশেষ অতিথি ছিলেন জীবননগর উপজেলা শিক্ষা অফিসার ইসমাইল হোসেন, মেহেরপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জীবননগর জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার আব্দুল মাজেদ, জীবননগর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার পাভেল রানা, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মুশফিকুর রহমান, উপজেলা আনসার ভিডিপি কর্নকর্তা মনিরুজ্জামান। সভায় উপজেলা সমবায় অফিসার মেহা. নূর আলম জানান, তারা এ বছর ২৭টি সমবায় সমিতির নির্বাচন সম্পন্ন করেছেন। ৭৮ সভা করেছেন। জীবননগরের ৩০ জন বিভিন্ন জায়গা থেকে প্রশিক্ষণ নিয়েছেন।

  • ত্রিশালে ২২ সদস্য বিশিষ্ট মৎস্যজীবী দলের নতুন কমিটি:-সোহান আহ্বায়ক,মোবারক সিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক,রুবেল সদস্য সচিব

    ত্রিশালে ২২ সদস্য বিশিষ্ট মৎস্যজীবী দলের নতুন কমিটি:-সোহান আহ্বায়ক,মোবারক সিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক,রুবেল সদস্য সচিব

    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মৎস্যজীবী দল ত্রিশাল উপজেলা শাখার অধিনস্থ ৪ নং কানিহারী ইউনিয়ন শাখার ২২ সদস্যের নতুন কমিটি ৩০ অক্টোবর ত্রিশাল উপজেলা শাখার সদস্য সচিব মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম সাজ্জাদ,সিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক আলহাজ্ব রাকিব হোসেন তরফদারের সুপারিশিতে আহ্বায়ক মো: নিজাম উদ্দিন অনুমোদন দেন।
    কমিটি নিম্নে উল্লেখ করা হলো:-
    আহ্বায়ক:-মোঃ সোহান আহাম্মেদ
    সিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক:-মোঃ মোবারক হোসেন
    যুগ্ম আহ্বায়কঃ-মোঃ শহিদুল ইসলাম
    মোঃ এনামুল হক
    মোঃ রাকিব শেখ
    মোঃ রমজান আলী
    মোঃ রাহাদ আকন্দ
    মোঃ শামছুজ্জামান
    সদস্য সচিব:-মোঃ রুবেল হোসেন
    সম্মানিত সদস্যঃ-
    মোঃ রনি
    মোঃ শহিদ
    মোঃ আতিকুল
    মোঃ সজিব
    মোঃ রবি
    মোঃ রানা
    মোঃ কবির
    মোঃ হাসিব
    মোঃ এমদাদুল
    মোঃ ফারুক
    মোঃ সুজাত
    মোঃ রাতুল

  • ঝিনাইদহে মাঠ থেকে কৃষকের লাশ উদ্ধার

    ঝিনাইদহে মাঠ থেকে কৃষকের লাশ উদ্ধার

    ঝিনাইদহ সদর উপজেলার রাঙ্গিয়ার পোতা গ্রামের মাঠ থেকে পা ও গলা বাঁধা অবস্থায় ইসাহাক আলী (৬৫) নামের এক কৃষকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার সকালে বংকিরা- রাঙ্গিয়ার পোতা সড়কের বটদাড়ির মাঠ থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহত ইসাহাক আলী রাঙ্গিয়ার পোতা গ্রামের মৃত রুস্তম আলীর ছেলে। স্থানীয়রা জানায়, সকালে রাস্তার পাশে ধান ক্ষেতে আইলে ইসাহাক আলীর লাশ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেয় এলাকাবাসী। পরে পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে স্বজনদের খবর দেয়। স্বজনরা এসে ইসাহাক আলীকে শনাক্ত করলে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। ডাকবাংলা পুলিশ ক্যাম্পের এস আই আনিছুর রহমান বলেন, পাঁ বেঁধে গলায় ফাঁস দিয়ে ইসাহাক আলীকে হত্যা করে ওই স্থানে ফেলে গেছে দুর্বৃত্তরা। কে বা কারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে তা দ্রুত শনাক্ত করে অপরাধীদের আইনের আওতায় আনার কাজ চলছে।

  • ময়মসিংহ মেডিকেলে র‍্যাব-১৪ এর অভিযানে ১৮ জন দালাল চক্রের সক্রিয় সদস্য গ্রেফতার

    ময়মসিংহ মেডিকেলে র‍্যাব-১৪ এর অভিযানে ১৮ জন দালাল চক্রের সক্রিয় সদস্য গ্রেফতার

    ১। সদর কোম্পানি, র‍্যাব-১৪, ময়মসিংহ এর আভিযানিক দল ২৯ অক্টোবর ২০২৫ খ্রি. সকাল অনুমান ০৯:০০ ঘটিকা হতে ১৫:৩০ ঘটিকা পর্যন্ত সদর কোম্পানি, র‍্যাব-১৪, ময়মনসিংহ এর কোম্পানি কমান্ডার স্কোয়াড্রন লীডার শাহ্ মোঃ রাশেদ রাহাত, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, ময়মনসিংহ এর বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জনাব মোঃ রাশিক খান শুষান গনদের নেতৃত্বে ময়মসিংহ জেলার কোতোয়ালী থানাধীন ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অভিযান পরিচালনা করেন। উক্ত মোবাইল কোর্ট দালাল চক্রের সক্রিয় সদস্য ১। মোঃ মাসুদুল করিম (৪৮), পিতা-আক্কাস আলী, সাং-চরপাড়া, ২। ছামির (২৩), পিতা-চান মিয়া, সাং-কিসমত, ৩। রুবেল (৫৫), পিতা-শফিক, সাং-বেলতলী, ৪। আজাহার (৪৮), পিতা-তোতা মিয়া, সাং- চরপাড়া, ৫। শামীম (২৭), পিতা-আঃ রাহেদ, সাং-ছিপান, ৬। আশরাফুল (২৩), পিতা-নৈমদ্দিন, সাং-বালিপাড়া, থানা-ত্রিশাল, ৭। হারিদুল ইসলাম (৪২), পিতা- আঃ সিদ্দিক, সাং-সরিষা, থানা-ঈশ্বরগঞ্জ, ৮। মোঃ আলামিন (২৫), পিতা-ছালু মিয়া, সাং-চরপাড়া, ৯। তুষার আহম্মেদ (২৭),পিতা-আব্দুল হান্নান, সাং-চড়পাড়া, ১০। বিজয়(৫০), পিতা-বসুনাথ হরিজন, সাং-নতুন বাজার,
    সর্বথানা-কোতোয়ালী, ১১। নজরুল ইসলাম(৪৫), পিতা-মৃত আলতাফ হোসেন, সাং-শিকারীকান্দা,১২। ইদ্রসি আলী (৪০), পিতা আরশেদ আলী, সাং-দিত্তপাড়া, থানা-গৌরীপুর,১৩। শহিদুল ইসলাম (৩০), পিতা-কামরুজ্জামান, সাং-দাড়াইকুটি, থানা-মুক্তাগাছা, ১৪। ইমন (১৯), পিতা- মনির, সাং-চরপাড়া ১৫। নয়ন মিয়া (৪৮), পিতা- আঃ গফুর, সাং-চরপাড়া, উভয় থানা-সদর, সর্বজেলা-ময়মনসিংহ, ১৬। চঞ্চল (৩৩), পিতা-সুশিল দাস, সাং-সজবরুখীলা, থানা-সদর, জেলা-শেরপুরদের সরকারী কাজে বাধা প্রদান করায় ১৮৬০ সনের দন্ডবিধি আইনের ১৮৬ ধারা মোতাবেক প্রত্যেককে ২০ (বিশ) দিন বিনাশ্রম কারাদন্ড ও ১৭। আঃ রাজ্জাক (৬২), পিতা- মৃত শওকত আলী, সাং-চাপাড়া, থানা-সদর জেলা-ময়মনসিংহকে ১৪ (চৌদ্দ) দিন বিনাশ্রম কারাদন্ড এবং ১৮। মোঃ আলামিন (৪৫), পিতা-নওশের আলী, সাং-সারটিয়া, থানা-ফুলবাড়ীয়া, জেলা-ময়মনসিংহকে উক্ত ধারা মোতাবেক ১০ (দশ) দিনের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান পূর্বক জেল হাজতে প্রেরন করেন। উল্লেখ্য যে, উক্ত দালাল চক্রের সদস্যরা গরীব অসহায় রোগী ও তাদের স্বজনদের ভুল তথ্য দিয়ে, কম খরচ ও উন্নত চিকিৎসার মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে এমনকি জিম্মি করে ফাঁদে ফেলে পছন্দের অনুমোদনহীন ক্লিনিক বা ডায়াগনস্টিক সেন্টারে পাঠায়, যা দরিদ্র রোগীদের আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন করে।

    ২। জনগনের কল্যাণের স্বার্থে র‍্যাবের এমন জনবান্ধব কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

  • জীবননগরে  শহীদদের স্মরণে আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠানে রুহুল আমিন

    জীবননগরে শহীদদের স্মরণে আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠানে রুহুল আমিন

    জীবননগর উপজেলা জামায়াতের উদ্যোগে আয়োজিত ২০০৬ সালে ২৮ শে অক্টোবর আওয়ামীলীগ সন্ত্রাসীদের বর্বরতা হামলায় নিহত শহীদদের স্মরণে দোয়া ও আলোচনা সভায় চুয়াডাঙ্গা ২ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী ও চুয়াডাঙ্গা জেলা আমির রুহুল আমিন বলেন, স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে জামায়াতে ইসলামী আপসহীন। যার প্রমাণ ঐতিহাসিক ২৮ অক্টোবর। সেদিন সারাদেশে জামায়াতের কর্মীরা জীবন উৎসর্গ করেছে ইসলামী আন্দোলন ও দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য। আমাদের শহীদের শুধু জামায়াতের কাছে নয় পুরো জাতির কাছে প্রেরণার বাতিঘর।

    মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) বিকাল ৪ টায় জীবননগর মুক্ত মঞ্চে ঐতিহাসিক ২৮ অক্টোবর আওয়ামীলীগ সন্ত্রাসীদের হাতে শহীদদের স্মরণে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
    সাধারণ জনতার উদ্দেশ্যে তিনি আরো বলেন আওয়ামী লীগ ও ১৪ দলীয় জোটের কি পরিকল্পনা ছিল তা পরবর্তী ১৭ বছরে জাতি পরিষ্কারভাবে বুঝতে পেরেছে। তারা বাংলাদেশকে ভারতের একটি তাবেদার রাজ্য পরিণত করার জন্য সেদিন এদেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বের অতন্দ্র প্রহরী জামায়াতে ইসলামী, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের ওপর চূড়ান্ত আঘাত করেছিল। তারা চেয়েছিল এদেশের মাটি থেকে ইসলামী আন্দোলন ও তার নেতৃত্বকে মুছে ফেলার। তার প্রথম পরিকল্পনা হিসাবে তারা সেই সময় ২৮ অক্টোবরকে বেছে নিয়েছে। তারা সারাদেশে লগি বৈঠার তাণ্ডব চালিয়ে শহীদ মুজাহিদ, মাসুম, জসিম, হাবিবুরসহ অসংখ্য নেতাকর্মী ও সাধারণ নাগরিককে হত্যা করেছে। হাজার হাজার নেতাকর্মীকে পঙ্গু করে দিয়েছে। আমাদের অফিসগুলো জ্বালিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছে। একই সাথে বহু মানুষের ঘরবাড়ি, ব্যবসা-বাণিজ্য ও প্রতিষ্ঠান পুড়িয়েছে। পুরো বিশ্ব সেদিন হতবাক হয়ে গিয়েছিল। রাজনীতির নামে এ কোন ধরনের জ্বালাও পোড়াও নীতি। আসলে তাদের মূল উদ্দেশ্য ছিল ক্ষমতার মসনদ দখল করা। তারা ভারতের প্রেসক্রিপশনে এদেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব বিলিয়ে দিয়ে দেশ ও জাতির ওপর অসভ্য ও বর্বর আঘাত হেনেছে।

    উপজেলা জামায়েত ইসলামীর সহ-সাধারণ সম্পাদক আবু বক্করের সঞ্চালনায় এ সময় উপস্থিত ছিলেন , জামায়াতের জেলা সেক্রেটারি এ্যাডভোকেট আদুজ্জামান, ছাত্রশিবিরের জেলা সভাপতি সাগর আহম্মেদ, জেলা তালিমুল কুরআন বিভাগের সভাপতি মাওলানা মহিউদ্দীন, জেলা প্রশিক্ষণ সম্পাদক জিয়াউল হক, জেলা উলামা বিভাগের সভাপতি মাওলানা’ ইসরাইল হোসেন, জেলা মাজিলিসুল মুফাসসিরিন পরিষদের সভাপতি মাওলানা হাফিজুর রহমান, জীবননগর উপজলো আমীর মাওলানা সাজেদুর রহমান, জেলা শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের সেক্রেটারি এমদাদুল্লাহ মহসিন, নায়েবে আমীর হাফেজ বিল্লাল হোসেন,, সহকারী সেক্রেটারী সাইদুল হক, বায়তুলমাল সম্পাদক আশাবুল হক মল্লিক, উপজেলা আইটি সম্পাদক হারুন অর রশীদ, উপজেলা শ্রমিক কল্যাণ সভাপতি কামাল হোসেন, উপজেলা যুব বিভাগের সভাপতি মাজেদুর রহমান লিটন, সেক্রেটারি জাহিদুল ইসলাম, যুবনেতা আব্দুল মোতালেব, পৌর যুব বিভাগের সভাপতি আরিফুল ইসলাম জোয়ারদার, সালাউদ্দীন আহম্মদ জামায়াত নেতা ফজলুর রহমান, শফিকুল ইসলাম, মোহাম্মদ আলী সহ প্রমুখ।

  • জীবননগর শাপলাকলি আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির বিএনপির সমর্থিত প্যানেল বিজয়ী

    জীবননগর শাপলাকলি আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির বিএনপির সমর্থিত প্যানেল বিজয়ী

    চুয়াডাঙ্গা জেলার জীবন নগর শাপলাকলি আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির অভিভাবক সদস্য পদে নির্বাচনের ফলাফল
    বিএনপি’র সমর্থিত সম্পূর্ণ প্যানেল বিজয়ী।

    রবিবার ( ২৬ অক্টোবর) সকাল ১০টা থেকে ভোট গ্রহণ শুরু হয় এবং বিকাল ৪ টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ চলে।

    মোট ভোটারের সংখ্যা-৪৯৭
    ভোট পোল হয়েছে-৩৪০
    ভোট পরিত্যক্ত হয়েছে-১০

    বিএনপির সমর্থিত
    ক্রমিক নম্বর
    ২. আরিফুল ইসলাম -২১৫
    ৩. আল হাসান মোঃ আবু তালেব -২৩৩
    ৫. জাহিদুল ইসলাম -২২৩
    ৬. মোঃ দেলোয়ার হোসেন মুকুল-১৯২

    জামায়াত সমর্থিত
    ক্রমিক নম্বর

    ১ মোঃ আনোয়ারুল ইসলাম -১০৮
    ৪.মো: ওবায়দুল হক -৯৩
    ৭.মিজানুর রহমান -১১৭
    ৮.মো: হাফিজুর রহমান:-১০৯

  • জীবননগরে চালক সমাবেশে  জামায়াতের জেলা আমীর  রুহুল আমিন

    জীবননগরে চালক সমাবেশে জামায়াতের জেলা আমীর রুহুল আমিন

    জীবননগর উপজেলা জামায়াতের উদ্যোগে আয়োজিত চালক সমাবেশে জেলা আমীর রুহুল আমিন বলেছেন, আগামী নির্বাচনে জয়লাভ করে জামায়াতে ইসলামী রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় যেতে চাই। জামায়াত ইসলামী
    রাষ্ট্র পরিচালনার সুযোগ পেলে আমরা মানবতার কল্যাণে আত্ম নিয়োগ করবো।
    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনিত চূয়াডাঙ্গা-২ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী জেলা আমীর রুহুল আমিন চালক সমাবেশে আরো বলেন, আমরা মানুষের পাশে থাকতে চাই। জামায়াতে ইসলামী নেতারা দলকানা জনপ্রতিনিধি হতে চাইনা । আমরা জনপ্রতিনিধিদের কে জনগেণের নিকট জবাবদিহিতার কালচার প্রতিষ্ঠা করতে চাই। জামায়াতে ইসলামী করতে কলিজা লাগে। মুরগীর কলিজা নিয়ে জামায়াতে ইসলামী করা যায়না। আওয়ামী ফ্যাসিবাদের হাজারো আঘাতেও জামায়াতে ইসলামীর কর্মিরা রাজপথে দাড়িয়ে আছে। জামায়াতের শীর্ষ নেতাদের ফাসিঁ, দিয়েও থামানো যায়নি এ দলের জানবাজ কর্মীদের। জুলুম, নিযাতন সহ্য করেই জামায়াত আজ এই অবস্থানে এসেছে। গতকাল শনিবার বিকাল ৪ টার সময় জীবননগর পাইলট হাইস্কুল মন্চে আয়োজিত সমাবেশে তিনি আরো বলেন, চালক ভাইয়েরা ২৪ এর গণঅভুত্থানে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করেছে। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও তারা দাড়িপাল্লার পক্ষে ভোট করবেন। জামায়াতে ইসলামী দেশের শ্রমিক সমাজসহ সাধারণ প্রান্তিক জনগোষ্ঠি চাওয়া পাওয়া কে মাথায় নিয়ে দেশ পরিচালনা কররে। দাড়িপাল্লা সাধারণ মানুষের প্রিয় প্রতিক। তিনি বলেন, যারা শ্রমিকদের বন্ধু হবেনা তাদেরকে প্রত্যাখ্যান করুন। আমরা শ্রমিকদের উত্তম বন্ধু হতে চাই। জামায়াতে ইসলামী সরকার গঠন করলে এ দেশে শ্রমিকদের কাজের পরিবেশ উন্নত করা হবে। শমিকদের ন্যায্য ন্যুন্যতম মুজুরি ধায করে দেয়া হবে। আমরা রাষ্ট্র পরিচালনার সুযোগ পেলে উন্নতি দূর্নীতি একসাথে চলবে না। সব রকম দূর্নীতিকে জাদুঘরে পাঠানো হবে। টাকা ছাড়াই আপনার সন্তানকে চাকুরির ব্যবস্থা করতে চাই। জামায়াত মানুষের হক তার দোর গোড়ায় পৌছে দিতে চাই। আমরা শাসক নই বরং জনগণের সেবক হতে চাই। জীবননগর হাসপাতালকে আধুনিকায়ন করে স্বাস্থ্য সেবার মান আরো উন্নত করা হবে। তিনি আরো বলেন, বৈচিত্রময় কৃষি প্রধান জীবননগর এলাকায় একটি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেয়া হবে। জীবননশর উপজেলা জামায়াতের ইসলামীর সভাপতি আমীর মাওলানা সাজেদুর রহমানের সভাপতিত্বে সমাবেশে আরো উপস্থিত ছিলেন, চুয়াডাঙ্গা জেলা নায়েবে আমীর মাওলানা আজিজুর রহমান, জেলা পেশাজীবি পরিষদের সভাপতি সহকারী অধ্যাপক খলিলুর রহমান, জেলা তালিমুল কুরআন বিভাগের সভাপতি মাওলানা মহিউদ্দীন, জেলা প্রশিক্ষণ সম্পাদক জিয়াউল হক, জেলা উলামা বিভাগের সভাপতি মাওলানা’ ইসরাইল হোসেন, জেলা মাজিলিসুল মুফাসসিরিন পরিষদের সভাপতি মাওলানা হাফিজুর রহমান, জেলা শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের সেক্রেটারি এমদাদুল্লাহ মহসিন জামেন, উপজেলা নায়েবে আমীর হাফেজ বিল্লাল হোসেন, সহকারী সেক্রেটারী সাইদুল হক, বায়তুলমাল সম্পাদক আশাবুল হক মল্লিক, উপজেলা আইটি সম্পাদক হারুন অর রশীদ, উপজেলা শ্রমিক কল্যাণ সভাপতি কামাল হোসেন, উপজেলা যুব বিভাগের সভাপতি মাজেদুর রহমান লিটন, সেক্রেটারি জাহিদুল ইসলাম, যুবনেতা আব্দুল মোতালেব, পৌর যুব বিভাগের সভাপতি আরিফুল ইসলাম জোয়ারদার, প্রমুখ। অনুষ্ঠান টি পরিচালনা করেন উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাহফুজুর রহমান#

  • প্রতিষ্ঠার ৬০ বছরেও উন্নয়নের ছোয়া লাগেনি রাজবাড়ী বিসিকে

    প্রতিষ্ঠার ৬০ বছরেও উন্নয়নের ছোয়া লাগেনি রাজবাড়ী বিসিকে

    এলাকার নাম রামকান্তপুর। ১৯৬৪ সালে সেখানে ১৫ দশমিক ২৮ একর জমির ওপর প্রতিষ্ঠত হয় রাজবাড়ী বিসিক শিল্পনগরী। ৭৭টি প্লট নিয়ে যাত্রা শুরু করা এই শিল্পনগরী বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানই এখন বন্ধ। প্রথমদিকে ৫৩টি প্রতিষ্ঠান চালু হলেও ৬০ বছরের মাথায় উন্নয়নের বদলে বেহাল দশা। মনে হয়, কেবল কঙ্কাল নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে এই শিল্পনগরীটি। লোডশেডিং, খাবার পানি সংকট, ড্রেনেজ ব্যবস্থা অকেজোসহ রয়েছে অনিরাপদ পরিবেশ। সঠিক পরিকল্পনা ও সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা না পাওয়ায় ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি শিল্পনগরীর প্রতিষ্ঠানগুলো। লোকসানের মুখে প্রায় সব শিল্পপ্রতিষ্ঠানই বন্ধ হয়ে গেছে।

    সরেজমিনে দেখা গেছে, বিসিক শিল্প নগরীতে গড়ে ওঠা বেশিরভাগ শিল্পপ্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে গেলেও কিছু প্রতিষ্ঠান খোলা। সেখানে কাজ করছেন শ্রমিকরা। আবার কিছু কিছু প্রতিষ্ঠান তালাবদ্ধ। বিভিন্ন জায়গায় ময়লা-আর্বজনা ও চারপাশ জঙ্গলে ভরা। অনেক প্লট পরিত্যক্ত, রাস্তার অবস্থা বেহাল। সামান্য বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয় শিল্পনগরীর বেশিরভাগ এলাকায়। কোনোরকমে সচল রয়েছে সিলভার পণ্য তৈরির কারখানা, চাল ও স্বয়ংক্রিয় ময়দার মিল, তেলের মিল, আয়েশা আবেদ ফাউন্ডেশনের আড়ংয়ের উৎপাদন কেন্দ্র, অরবিট অ্যাগ্রোসহ কয়েকটি ফ্যাক্টারি।

    সিলভার পণ্য তৈরির কারখানার হারুন সারাবাংলার এই প্রতিবেদককে বলেন, ‘বিসিক শিল্প এলাকায় লোডশেডিং হওয়ার কথা না। তবুও মাঝে মাঝে লোডশেডিং হয়। এতে অনেক ঝামেলাতে পড়তে হয়। বিদ্যুৎ চলে গেলে আমাদের মেশিন চলে না, কাজের অনেক ক্ষতি হয়।’ শহীদ নামের আরেক সারাবাংলাকে বলেন, ‘এখানে কোনো নিরাপত্তা নেই। প্রতিনিয়ত এই এলাকায় ঘটছে চুরির ঘটনা। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে ব্যবসায়ীরা। বিদ্যুতের তার, ফ্যাক্টরির মোটর চুরি হয় নিয়মিত। বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে বলার পর মিলছে না সমাধান।’

    অরবিট অ্যাগ্রোর কয়েকজন কর্মচারী বলেন, বৃষ্টি হলে আমাদের গেটের পাশেই হাঁটু পানি জমে যায়। ড্রেনগুলো নোংরা, পরিষ্কার করা হয় না। বেশি বৃষ্টি হলে বাথরুমের ময়লা পানি (দুর্গন্ধ) আসে। পানি বের হতে না পেরে ফ্যাক্টারির ভেতরে চলে আসে। এখানে যাতায়াতের সমস্যা প্রকট। এছাড়া, খাবারের পানিতে অনেক সমস্যা রয়েছে। আয়রন তো আছেই, মাঝে মাঝে পানিও দুর্গন্ধ হয়।

    সাগর অটো ফ্লাওয়ার ও সাগর অয়েল অয়েল মিলের সহকারী ব্যবস্থাপক জাহাঙ্গীর আলম সারাবাংলাকে বলেন, ‘এখানে প্রধান সমস্যা হলো ড্রেন ও ভাঙা রাস্তা। কারণ, একটু বৃষ্টি হলে পানি জমে যায়। পানি নিষ্কাশনের তেমন কোনো ব্যবস্থা নেই। ফলে পানি জমলে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আসা-যাওয়া ও গাড়ি চলাচলে অনেক সমস্যা হয়। মিলের নিজস্ব খরচে বেশ কয়েকবার রাস্তা সংস্কার করা হয়েছে।’ বিসিকের কর্মকর্তাদের একাধিকবার সমস্যার কথা বলা হলেও কিছুতেই সমাধান মিলছে না।

    রাজবাড়ী চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি ইমামুল করিম জকি সারাবাংলাকে বলেন, ‘বিসিকের ব্যবসায়ীদের জন্য সরকারি কোনো সুযোগ সুবিধা নেই বললেই চলে। জমি ট্যাক্সের টাকা কয়েকগুণ বেড়েছে। যে কারণে বেশিরভাগ ব্যবসায়ী তাদের ব্যবসা গুটিয়ে নিয়েছে। এছাড়া, একটা ইন্ডাস্ট্রিজ করতে গেলে কমপক্ষে আট থেকে ১০টি লাইসেন্স নিতে হয়। আবার এই লাইসেন্স নিতে গিয়ে তাদের সন্তুষ্ট করতে না পারলে সেটাও পাওয়া যায় না। নতুন উদ্যোক্তারা এগিয়ে আসবে কীভাবে।’

    রাজবাড়ী বিসিকের সহকারী মহাব্যবস্থাপক চয়ন বিশ্বাস বেশ কিছু সমস্যার কথা স্বীকার করে সারাবাংলাকে বলেন, ‘বিসিক শিল্পনগরীতে যে রাস্তাটি রয়েছে সেটির অবস্থা খারাপ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, নিরাপত্তা, বাউন্ডারিসহ বেশকিছু সমস্যা রয়েছে। এসব বিষয় নিয়ে হেড অফিসে যোগাযোগ করা হয়েছে। আশা করা যাচ্ছে, আগামী অর্থবছরে কিছু বরাদ্দ পাওয়া যেতে পারে।’ বরাদ্দ পেলে সমস্যাগুলো ধাপে ধাপে কাটিয়ে ওঠা যাবে বলে জানান শিল্পনগরীর সহকারী এই মহাব্যবস্থাপক।