Blog

  • সিন্দুকছড়ি সেনা জোনের উদ্যোগে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও ঔষধ বিতরন

    সিন্দুকছড়ি সেনা জোনের উদ্যোগে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও ঔষধ বিতরন

    খাগড়াছড়ির গুইমারা উপজেলার বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ২০ ফিল্ড রেজিমেন্ট আর্টিলারি সিন্দুকছড়ি জোন এর উদ্যোগে একদিন ব্যাপি বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও ঔষধ বিতরন করা হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (২৮ আগষ্ট) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত সিন্ধুকছড়ি জোনের বাটনাতলী ক্যাম্পের আওতাধীন ডাইনছড়ি সরকারি বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত এ ক্যাম্পে সিন্দুকছড়ি জোন সদর থেকে আগত মেডিকেল অফিসার ক্যাপ্টেন নাহিয়ান কবির (এএমসি) এর নেতৃত্বে মেডিকেল ক্যাম্পেইন পরিচালনা করা হয়।

    মেডিকেল ক্যাম্পেইনে ১৯০ জন পাহাড়ি ও ৮৫ জন বাঙালিসহ মোট ২৭৫ জন অসুস্থ রোগীকে বিনামূল্যে চিকিৎসা ও ওষুধ প্রদান করা হয়। ক্যাম্পে বিভিন্ন বয়সী নারী, পুরুষ ও শিশু চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করেন।
    স্থানীয় বাসিন্ধারা জানান, এই ক্যাম্পের মাধ্যমে তারা প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা ও ওষুধ পেয়ে উপকৃত হয়েছেন।

    সেবা গ্রহণকারীরা সেনাবাহিনীর এ ধরনের মানবিক উদ্যোগের জন্য জোন কমান্ডারসহ সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

    সেনাবাহিনীর কর্মকর্তারা জানান, পার্বত্য এলাকার সাধারণ মানুষের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

  • রামগড়ে অবৈধভাবে পাহাড় কাটায় ভ্রাম্যমান আদালতে এক ব্যক্তিকে  জরিমানা

    রামগড়ে অবৈধভাবে পাহাড় কাটায় ভ্রাম্যমান আদালতে এক ব্যক্তিকে জরিমানা

    খাগড়াছড়ির রামগড় সদর ইউনিয়ন এর ওয়াইফাপাড়া এলাকায় অবৈধভাবে পাহাড় কাটার দায়ে মোঃ ইউছুপ নামে এক ব্যক্তিকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত।

    বুধবার (২৮ আগষ্ট) সকালে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিষ্ট্রেট ইসমত জাহান তুহিন এর পরিচালিত ভ্রাম্যমান আদালত এই জরিমানা করেন।

    জানা গেছে, অবৈধভাবে পাহাড় কাটার দায়ে ‘পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫” অনুযায়ী ওই এলাকার মজিবুল হক এর ছেলে মোঃ ইউছুপ কে একটি মামলায় ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

    বিষয়টি নিশ্চিত করে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাকারী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিষ্ট্রেট ইসমত জাহান তুহিন বলেন, অবৈধভাবে পাহাড় কাটা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। অভিযুক্তর ব্যক্তির বিরুদ্ধে অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় ব্যক্তিকে অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়েছে। উপজেলার সর্বত্র অবৈধভাবে পাহাড় কাটা ও বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।’

  • তজুমদ্দিন উপজেলার মোল্লাপুকুরের পশ্চিম পাশে তালিমুল কোরআন মডেল মাদ্রাসার সামনে একটি নবজাতক শিশুকে রেখে যায় নিষ্ঠুর মা

    তজুমদ্দিন উপজেলার মোল্লাপুকুরের পশ্চিম পাশে তালিমুল কোরআন মডেল মাদ্রাসার সামনে একটি নবজাতক শিশুকে রেখে যায় নিষ্ঠুর মা

    ভোলা জেলার তজুমদ্দিনে এক হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটেছে। উপজেলার মোল্লা পুকুর মক্কী জামে মসজিদ সংলগ্ন তালিমুল কুরআন মডেল মাদ্রাসার সামনে এক নবজাতক কন্যাশিশুকে ফেলে রেখে যায় অজ্ঞাত ব্যক্তি।
    বুধবার (২৭ আগস্ট ২০২৫) সন্ধ্যা ৭টার দিকে স্থানীয়রা শিশুটির কান্নার শব্দ শুনে বিষয়টি টের পান এবং দ্রুত উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান।

    প্রথমে শিশুটিকে তজুমদ্দিন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তার অবস্থা আশঙ্কাজনক দেখে দ্রুত ভোলা সদর হাসপাতালে রেফার করেন।

    পুলিশ জানায়, নবজাতককে প্রাথমিক চিকিৎসার পর আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী হেফাজতে নেয়ার প্রক্রিয়া চলছে। এদিকে শিশুটিকে দত্তক নেয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় এক ব্যবসায়ী। আইনী প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার লক্ষ্যে শিশুটিকে তাদের জিম্মায় অ্যাম্বুল্যান্সযোগে ভোলা সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।

    তজুমদ্দিন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বলেন, “শিশুটিকে কে বা কারা ফেলে গেছে তা খুঁজে বের করতে তদন্ত চলছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

    স্থানীয়রা ঘটনাটিকে অমানবিক ও নিন্দনীয় বলে অভিহিত করেছেন। তারা বলেন, “এভাবে একটি নিরপরাধ শিশুকে ফেলে যাওয়া মানবতাবিরোধী কাজ। সমাজের দায়িত্বশীল মানুষদের এগিয়ে আসা উচিত।”

  • পরকীয়া প্রেমিকা চাচির বটির কোপে ছাত্রলীগ নেতার গোপনাঙ্গ কর্তন

    পরকীয়া প্রেমিকা চাচির বটির কোপে ছাত্রলীগ নেতার গোপনাঙ্গ কর্তন

    আপন চাচাতো ভাতিজার সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে পরকীয়া চলছিল দুই সন্তানের জননী চাচীর। সম্পর্ক জানাজানি হওয়ায় স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদ ঘটে।পরে বিষয়টি নিয়ে গ্রাম্য সালিশ থেকে শুরু হয়ে থানা পুলিশে গড়ায়।তবে ওই চাচিকে বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানায় পরকীয়া প্রেমিক নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সাবেক ওই নেতা। পরে সালিশ মীমাংসার মাধ্যমে আগের স্বামীর সঙ্গে পুনরায় বিয়ে হয় ওই গৃহবধূর। তবে কিছুদিন পরই আবারো দু’জনের মধ্যে পরকীয়া সম্পর্ক জোড়া লাগে। সেই পরকীয়া প্রেমিকা চাচির ঘরে গিয়ে তার হাতের বটির কোপে গোপনাঙ্গ হারালেন ভাতিজা। ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার রাতে ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার হাকিমপুর ইউনিয়নের হরিহরা গ্রামে। বটির কোপে আহত সজল হোসেন ওই গ্রামের মৃত লোকমান হোসেনের ছেলে। তিনি নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের শৈলকুপা সরকারি ডিগ্রি কলেজ শাখার সাবেক সাধারণ সম্পাদক।

  • ত্রিশালে বাঁধার মুখে আটকে গেছে কালিয়াকৈর-শম্ভুগঞ্জ চারশত কেভি ডাবল সার্কিটের নির্মাণ কাজ

    ত্রিশালে বাঁধার মুখে আটকে গেছে কালিয়াকৈর-শম্ভুগঞ্জ চারশত কেভি ডাবল সার্কিটের নির্মাণ কাজ

    ময়মনসিংহে শহর কিংবা গ্রাম—সর্বত্রই বিদ্যুৎ আসা–যাওয়া নৈমিত্তিক ঘটনা। বিশেষ করে গরমে একটু পরপর লোডশেডিং দুর্ভোগ যেন আরও বাড়িয়ে দেয়। বিদ্যুৎ বিভাগ বলছে, একদিকে উৎপাদন কম, অন্যদিকে চাহিদা বাড়ায় বেড়েছে লোডশেডিং। এদিকে, লোডশেডিং এর দুর্ভোগ কমাতে ২০২২ সালের ১০ জুন চায়না সরকার ও বাংলাদেশ সরকারের যৌথ অর্থায়নে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে কালিয়াকৈর-শম্ভুগঞ্জ ৪০০ কেভি ডবল বিদ্যুৎ সঞ্চালক সার্কিট লাইন নির্মাণ কাজ শুরু করেন। উৎপাদিত বিদ্যুৎ পাবনা থেকে কালিয়াকৈর হয়ে ময়মনসিংহ আসার কথা। বিদ্যুৎ এর সার্কিট লাইনের নির্মাণ কাজটি ২০২৫ সালের জুন মাসে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও ময়মনসিংহের ত্রিশালে স্থানীয় সুবিধা ভোগীর প্ররোচনায় এবং একটি ফ্যাক্টরির বাধার কারনে কিছু কিছু টাওয়ার নির্মাণ কাজ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছেন বলে একটি সূত্র নিশ্চিত করেছেন। সূত্র জানায়, ময়মনসিংহের ১৩টি উপজেলার ১৪৩টি ইউনিয়ন ও মহানগরের ৩৩টি ওয়ার্ডের নিরবিছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য ২টি ১৩২ কেভি বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন রয়েছে। তবে এ অঞ্চলের চাহিদা রয়েছে ১২০০ মেগাওয়াট যা ক্রমাগতভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই ১৩২ কেভি সোর্স লাইনের মাধ্যমে এই বিদ্যুৎ বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলে সরবরাহ করায় যে কোন একটি লাইন ত্রুটি হলে বিদ্যুৎ বিপর্যয় দেখা দেয়। এতে বিশেষ করে গরমে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয় সাধারণত মানুষের। এ দুর্ভোগ নিরসনে ময়মনসিংহে কালিয়াকৈর-শম্ভুগঞ্জ ৪০০ কেভি ডবল সার্কিট লাইন নির্মাণ কাজ শুরু হলেও ত্রিশাল অঞ্চলে স্থানীয় সুবিধা ভোগীর প্ররোচনায় এবং একটি ফ্যাক্টরির বাধার কারনে কিছু কিছু টাওয়ার নির্মাণে বাধা প্রদান করা হচ্ছে। কোন কোন ক্ষেত্রে মামলার মাধ্যমে এই গুরুত্বপূর্ন কাজ বন্ধ করা হচ্ছে। এর ফলে যথা সময়ে এই গুরুত্বপূর্ন সঞ্চালন নির্মাণ শেষে ময়মনসিংহ অঞ্চলে নিরবিছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের বিষয়টি অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে বলে সূত্র নিশ্চিত করেছে। জানা গেছে, ময়মনসিংহ অঞ্চলে অনেকগুলো বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র রয়েছে, যা তেল-গ্যাস দিয়ে চালাতে হয়। এই তেল-গ্যাস ভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন খরচ কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন খরচের তুলনায় অনেক বেশি। দেশের অন্য অঞ্চল থেকে কয়লাভিত্তিক উৎপাদিত বিদ্যুৎ ময়মনসিংহ অঞ্চলে সঞ্চালনের জন্য বহুল প্রতিক্ষীত কালিয়াকৈর-শম্ভুগঞ্জ ৪০০ কেভি ডবল সার্কিট লাইন নির্মাণ করা হচ্ছে। লাইনটি চায়না সরকার ও বাংলাদেশ সরকারের যৌথ অর্থায়নে বাস্তবায়িত হচ্ছে। সঞ্চালাইনটি নির্মাণ করা হলে বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলের বিদ্যুৎ সঞ্চালন এবং বিতরন ব্যবস্থার প্রভূত উন্নতি সাধিত হবে। তাছাড়া অধিক উৎপাদন খরচ বিশিষ্ট তেল-গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের উপর নির্ভরতা কমবে তথা সরকারের আর্থিক সাশ্রয় হবে। স্থানীয় সচেতন নাগরিক ও সমাজকর্মী ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, ময়মনসিংহ অঞ্চলের বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণার্থে ও বিদ্যুৎজনিত সমস্যা লাঘবের লক্ষ্যে কালিয়াকৈর-শম্ভুগঞ্জ ৪০০ কেভি ডাবল সার্কিট লাইন নির্মাণ কার্যক্রম দ্রুততার সাথে শেষ করা অত্যন্ত জরুরি। এই জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ নির্মাণ কাজে ব্যক্তি ও গোষ্ঠীর স্বার্থে যারা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে তাদেরকে সরকারের তরফ থেকে নিক্রিয় করা উচিত। অধিকতর গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় কাজে বাঁধা সৃষ্টি করার এখতিয়ার কেউ রাখে না। নগরের আমলাপাড়া এলাকার কামরুল হাসান নামের স্থানীয় আরেক সচেতন নাগরিক জানান, রুপপুর পারমানবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদিত বিদ্যুৎ এই কালিয়াকৈর -ময়মনসিংহ ৪০০ কেভি সঞ্চালন লাইনের মাধ্যমে ময়মনসিংহ বিভাগ কে সংযুক্ত করলে এই অঞ্চল কে লোডশেডিং মুক্ত এবং ভবিষ্যতে শিল্পোন্নত ও অর্থনৈতিক ভাবে সমৃদ্ধ অঞ্চল তৈরিতে অসামান্য অবদান রাখবে। এবং সর্বসাধারণ ও সর্বশ্রেনীর মানুষের বিদ্যুৎ সরবরাহ মানসম্মত হবে।এ বিষয়ে ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক মোঃ মুফিদুল আলম বলেন,ত্রিশালে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের যে কার্যক্রম, সেখানে চাইনিজ একটা কোম্পানির সাথে সমস্যা আছে আমরা বিষয়টা জানি। দু’পক্ষের মধ্যে আলোচনা চলছে। আশাকরছি খুব দ্রুত বিষয়টি সমাধান হয়ে যাবে। অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (রাজস্ব) তাহমিনা আক্তার বলেন, সরকারি বিভিন্ন দপ্তর যখন যে সহযোগিতা চায় এটা দেওয়ার জন্য প্রশাসন সব সময় প্রস্তুত। গত ১৯ আগষ্ট আমাদের মিটিং হয়েছে। সেখানে বিদ্যুৎ এর লাইন স্থাপন নিয়ে স্থানীয়দের বাধার সম্মুখীন হচ্ছে সেটি আমরা জেনেছি এবং এ বিষয়ে কমিশনার স্যার নির্দেশনা দিয়েছেন। গত ১৭ আগষ্ট ঢাকায় মন্ত্রনালয়ে বিদ্যুৎ বিভাগের মিটিং ছিলো। মিটিংয়ে এ সমস্যা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তিনি আরোও বলেন, কমিশনার স্যার বলেছেন, প্রশাসনের কাছে যদি সহায়তা চাওয়া হয়, পুলিশ ম্যাজিস্ট্রেট নিয়ে যেকোনো সহায়তা দেওয়া হবে। তারপরও দ্রুত যেন এ লাইনগুলো স্থাপন হয় সেটার জন্য নির্দেশনা দিয়েছেন কমিশনার স্যার।

  • ঢাকার চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে শেখ হাসিনা সহ ১১০ জনকে আসামি করে মামলা,অজ্ঞাত ৪০০/৫০০

    ঢাকার চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে শেখ হাসিনা সহ ১১০ জনকে আসামি করে মামলা,অজ্ঞাত ৪০০/৫০০

    মামলার সূত্রে জানা যায়,বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময়,১৯ আগষ্ট/২৪ দুপুর ২ ঘটিকার সময় শান্তিপূর্ণ আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের কে হত্যার ষড়যন্ত্রমূলক পরিকল্পনা বাস্তবায়নের উদ্দেশ্য ১ ও ২ নং আসামির সরাসরি নির্দেশে এবং সিটি কর্পোরেশনের মেয়র, স্থানীয় আওয়ামী লীগ সহ সুবিধাভোগী কতিপয় পুলিশ ও আরো অজ্ঞাতনামা ২০০/৩০০ নেতাকর্মীদের সশস্ত্র অংশগ্রহণ,উপস্থিতিও হামলা ও শান্তিপূর্ণ আন্দোলন তো ছাত্র জনতার তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে নির্বিচারে সশস্ত্র আক্রমণ ও গুলি বর্ষণ করেন।তার কিছুক্ষণ পর দুপুর ২:৩০ ঘটিকার সময় রামপুরা থানাধীন বাড়ি নং ২৯,রোড নং ৫,ব্লক-ডি দিয়ে শান্তা টাওয়ারের সামনে যাওয়ার সময় পুলিশ, আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের ছোড়া গুলি বাদী হাদিউজ্জামানের ডান পায়ে লাগলে,বাদী মাটিতে লুটে পড়লে আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীরা বাদিকে এলো পাথাড়ী পিটিয়ে অর্ধ-মৃত অবস্থায় রাস্তায় ফেলে রেখে যায় এবং আরো মৃত অনেক ছাত্র জনতার লাশ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা গুম করার উদ্দেশ্যে নিয়ে যায় এবং আসামিগণ আন্দোলনকারীদের অনবরত প্রাণনাশের হুমকি প্রদান করিতে থাকেন।তৎপরবর্তীতে ছাত্র জনতা কোনোভাবে বাঁদিকে উদ্ধার করে জাতীয় পঙ্গু হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা করেন। মামলায় যারা আসামী হয়েছে:-শেখ হাসিনা,ওবায়দুল কাদের,আসাদুজ্জামান খান কামাল,জুনায়েদ আহমেদ পলক,ফজলে নূর তাপস,সামছুল আলম,জালাল আহমেদ,মিজানুর রহমান,প্যাট্রিক পালমা,ডঃ মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম,কামরুল ইসলাম,মেহেদী হাসান শিপন,প্রফেসর নুরজাহান লিপি,প্রফেসর ড. হারুনর রশিদ,মোঃ হেমায়েত,মোহাম্মদ মিজানুর রহমান,মোঃ মনোয়ার হোসেন, আবুল বশার, মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন,মোঃ আব্দুল্লাহ,খাঁ মোহাম্মদ আবু বকর সিদ্দিক,মহিউদ্দিন আহমেদ,আগস্টিং পিউরীফিকেশন,মোহাম্মদ নুর উদ্দিন রাসেল,মোহাম্মদ আবুল হোসেন,বিএম ইউসুব আলী,মোঃ মুজিবুর রহমান,ইশফাকুর রহমান, মিনহাজ মান্নান ইমন,সৈয়দ সেফুল হক,ইরফানুর রহমান,মোহাম্মদ মকবুল হোসেন,আবুল কালাম আজাদ,মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান, মোঃ মনিরুল ইসলাম,মোঃ রফিকুল ইসলাম,তোফাজ্জল হোসেন,মোঃ আবুল হোসেন, মোঃ আক্তার হোসেন,মোহাম্মদ এরশাদ,মোঃ সুমন, মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম,মোঃ শফিউল্লাহ,মোঃ মোবারক,মোঃ মনিরুজ্জামান,মোঃ বজলুর রহমান রাড়ী,মোহাম্মদ মামুন মিকার,শ্রী খোকন চন্দ্র রায়,মোহাম্মদ নাজমুল হুদা,মোহাম্মদ রিয়াজ শরীফ,মোহাম্মদ জালাল শরীফ,মোঃ রাজিব শরীফ,মোহাম্মদ শামীম মিয়া,আবুল বাসার সরকার, মোহাম্মদ কবির হোসেন,মোহাম্মদ বিল্লাল হুসেন,মোহাম্মদ মারুফ হাসান,মিন্নাত খানম মুক্তা, আব্দুর রাজ্জাক,মোঃ খলিল,মোঃ শামসুল খান,মনিরুজ্জামান মনির,আমির হোসেন,মাওলানা কামাল হোসেন খান,বাবুল শিকদার,শাকিল খান,বারুন টেক, লুৎফুর রহমান,ওয়ালিদ ইসলাম মজুমদারসিদ্দিকুর রহমান,শওকত আলী চৌধুরী, আলহাজ্ব জসিম উদ্দিন আহমেদ,আনিসুর রহমান সোহাগ,গোলাম মোস্তফা, মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন, শেখ মোহাম্মদ এহসানুল ইমাম,মোঃ আতাউর রহমান, মিজানুর রহমান,মোঃ নাঈম কাওসার,কাজী নূরে আলম শাওন,কাজী আলমগীর হোসেন,মীর হাফিজুর রহমান,কাজী কানিজ সুলতানা হেলেন,মোহাম্মদ মাসদুল ইসলাম,তৈমুর জামান মিথুন,রাশিদুল হাসান,মোঃ স্বপন শিকদার,মামুন বেপারী,মোঃ মাসুম বেপারী,মোঃ কামাল বেপারী,মোহাম্মদ সোহেল বেপারী,মোহাম্মদ মোরশেদ বেপারী,মোঃ হারুন বেপারী,মোঃ সিয়াম বেপারী, রিয়াদ মাহমুদ,আরাফাত রহমান অনিক,আব্দুল জাব্বার,এসএম মনির হোসেন, বাবুল,মোঃ হিরা মিয়া,মোঃ আব্দুল হালিম,মোহাম্মদ আকরাম,ফয়জুর রহমান,আসাদ,মাহবুবুর রহমান, শাকিল পারভেজ,মুশফিকুর রহমান মানিক,লাভলু মিয়া,মোবারক হোসেন,কাওসার আহমেদ,আকরাম হোসেন,এ কে এম আব্দুর রাজ্জাক,শহিদুল ইসলাম জসিম উদ্দিন বাচ্চু শফিকুল ইসলাম মোঃ নজরুল ইসলাম মফিজুর রহমান আনিছুর রহমান সর্দার,মুক্তার হোসেন,মুজিবুর রহমান,মোঃ সাইফুল হাসান,রামচন্দ্র দাস।

  • নরেন্দ্র মোদী ও স্মৃতি ইরানির সনদ নিয়ে সন্দেহ

    নরেন্দ্র মোদী ও স্মৃতি ইরানির সনদ নিয়ে সন্দেহ

    ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির স্নাতক ডিগ্রির বিস্তারিত তথ্য প্রকাশের কেন্দ্রীয় তথ্য কমিশনের (সিআইসি) নির্দেশকে উচ্চ আদালত বাতিল করেছে। সোমবার (২৫ আগস্ট) দেশটির উচ্চ আদালত এই নির্দেশ বাতিলের রায় প্রদান করেন। সূত্র জানায়, নীরজ নামের এক ব্যক্তি তথ্য অধিকার আইনের (আরটিআই) মাধ্যমে মোদির শিক্ষাগত যোগ্যতার তথ্য জানতে চেয়ে আবেদন করেছিলেন। ২০১৬ সালে সিআইসি জানায়, দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৭৮ সালে ব্যাচেলর অব আর্টস (বিএ) পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের রেকর্ড দেখা যাবে। মোদি সেই বছর বিএ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। সিআইসির নির্দেশের বিরুদ্ধে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় আদালতে পিটিশন দায়ের করে। বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে যুক্তি দেওয়া হয়, শিক্ষার্থীদের রেকর্ড নৈতিক দায়িত্বের আওতায় সংরক্ষিত থাকে এবং বৃহত্তর জনস্বার্থ না থাকলে তথ্য অধিকার আইনে তা সম্ভব নয়। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রি অর্জন করেছিলেন কি না, তা রহস্যাবৃতই রইল। দিল্লি হাইকোর্ট গতকাল সোমবার এ-সংক্রান্ত এক মামলার রায়ে জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রীর স্নাতকের ডিগ্রি প্রকাশে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় বাধ্য নয়। তাছাড়া সাবেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও বিজেপি নেত্রী স্মৃতি ইরানির শিক্ষাগত যোগ্যতা ঘিরে ওঠা প্রশ্নটিও রহস্যাবৃত রইল। দিল্লি হাইকোর্টের যে বিচারপতি মোদি মামলার রায় শোনান, সেই বিচারপতি সচিন দত্ত গতকাল জানান, ইরানির দশম ও দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষার ফল প্রকাশ করাও বাধ্যতামূলক নয়।

  • অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যের উপর হামলা ও সম্পত্তি ভাঙচুরের অভিযোগ

    অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যের উপর হামলা ও সম্পত্তি ভাঙচুরের অভিযোগ

    নওগাঁ, ২৫ আগস্ট ২০২৫: নওগাঁ জেলার রাণীনগর উপজেলার লোহাচূড়া গ্রামে অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্য খন্দকার সুলতান আরেফিন(৬৫) এর উপর হামলা ও তার মোটরসাইকেল ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত ব্যক্তি আশিকুজ্জামান আশিক, যিনি নওগাঁ সিএনজি সাধারণ সম্পাদক পদ থেকে দুর্নীতির অভিযোগে বহিষ্কৃত আওয়ামী লীগ পন্থী হিসেবে পরিচিত। ঘটনাটি ঘটেছে গত শুক্রবার মাগরিবের নামাজের সময় হাটখোলা বাজারের একটি মসজিদে। খন্দকার সুলতান আরেফিন তার লিখিত অভিযোগে জানিয়েছেন, তিনি মসজিদে নামাজ পড়ছিলেন যখন আশিকুজ্জামান আশিক উগ্রভাবে তার উপর হামলার উদ্দেশ্যে এগিয়ে আসেন। তাকে না পেয়ে আশিক তার মোটরসাইকেল ভাঙচুর করেন এবং হৈচৈ করে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। সুলতান আরেফিন জানান, আশিকুজ্জামান বর্তমানে রাণীনগরের লোহাচূড়া গ্রামে তার শ্বশুরবাড়িতে পালিয়ে আছেন। তিনি আরও অভিযোগ করেন, পারিবারিক ব্যবসা ও জমি-সম্পত্তি নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে আশিকুজ্জামান তাকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আসছেন এবং তার সম্পত্তি জবরদখলের চেষ্টা করছেন। অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, আশিকুজ্জামান আশিক সুলতান আরেফিনের বড় ভাই মৃত আনোয়ার হোসেন বকুলের তৃতীয় মেয়ের জামাতা। বর্তমানে তিনি মৃত আনোয়ার হোসেনের বাড়িতে

    অবস্থান করছেন বলে জানা গেছে। খন্দকার সুলতান আরেফিন জানান, তিনি এ ঘটনায় রাণীনগর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন এবং মামলা দায়েরের প্রক্রিয়ায় রয়েছেন। তিনি জনসাধারণের কাছে তার জানমালের নিরাপত্তার জন্য সহযোগিতা কামনা করেছেন। তিনি বলেন, “আমি একজন অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে হুমকির মুখে আছি। আমি বাংলাদেশের সকল নাগরিকের কাছে এ ঘটনা শেয়ার করছি এবং আমার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সবার সহযোগিতা চাই।” এ বিষয়ে রাণীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, অভিযোগটি গৃহীত হয়েছে এবং তদন্ত চলমান রয়েছে। তবে অভিযুক্ত আশিকুজ্জামান আশিকের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। পুলিশ সূত্র জানায়, অভিযোগটি তদন্তাধীন রয়েছে। আশিকুজ্জামান আশিকের পক্ষ থেকে এখনও কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। এ ঘটনা স্থানীয়ভাবে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে এবং পারিবারিক বিরোধের কারণে এমন হামলার চেষ্টা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা। আরও তদন্তের পর বিস্তারিত জানা যাবে। সংবাদদাতা: এম মইন আলি

     

  • সাংবাদিক “তুহিন চত্ত্বর” ঘোষণা ও দ্রুত বিচারের দাবিতে গাজীপুর,ভালুকা,ত্রিশালে পথসভা,কবর জিয়ারত,দোয়া ও তবারক বিতরণ

    সাংবাদিক “তুহিন চত্ত্বর” ঘোষণা ও দ্রুত বিচারের দাবিতে গাজীপুর,ভালুকা,ত্রিশালে পথসভা,কবর জিয়ারত,দোয়া ও তবারক বিতরণ

    ঢাকা, বুধবার, ২০ আগস্ট, ২০২৫ খ্রী: আগামী শনিবার, ২৩ আগস্ট বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম (বিএমএসএফ) এর একটি প্রতিনিধি দল গাজীপুর ও ময়মনসিংহে শহীদ সাংবাদিক তুহিন হত্যার বিচার দাবিতে ধারাবাহিক কর্মসূচিতে অংশ নেবে। শহীদ সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিন যিনি গাজীপুরে সন্ত্রাসী হামলায় নৃশংস ভাবে নিহত হন, তাঁর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে এবং হত্যার দ্রুত বিচারের দাবিতে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। প্রতিনিধি দলটির নেতৃত্ব দেবেন বিএমএসএফ ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান আহমেদ আবু জাফর। কর্মসূচির সূচি হলো: সকাল ৯:৩০টা : গাজীপুর চান্দনা চৌরাস্তায় পথসভা এবং ঘটনাস্থলকে আনুষ্ঠানিক ভাবে “শহীদ সাংবাদিক তুহিন চত্ত্বর” ঘোষণা ও বৃক্ষরোপণ। সকাল ১০:০০টা : শ্রীপুরের মাওনা চৌরাস্তায় পথসভা। সকাল ১১:০০টা : ময়মনসিংহের ভালুকা চৌরাস্তা পথসভা। সকাল ১১:৩০টা : ত্রিশাল বাসস্ট্যান্ডে পথসভা অনুষ্ঠিত হবে। জোহর নামাজের পর ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার ভাটিপাড়া গ্রামে শহীদ সাংবাদিক তুহিনের বাড়ি গিয়ে কবর জিয়ারত, দোয়া মাহফিল ও তবারক বিতরণ। এসময় প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বিভিন্ন জেলা শাখার সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থাকবেন।

  • ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে  ঝিনাইদহ- যশোর ৬ লেন নির্মাণাধীন রাস্তার দু’পাশের ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়ীদের সংবাদ সম্মেলন

    ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে ঝিনাইদহ- যশোর ৬ লেন নির্মাণাধীন রাস্তার দু’পাশের ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়ীদের সংবাদ সম্মেলন

    ঝিনাইদহ যশোর মহাসড়কের কালীগঞ্জ উপজেলার উপরদিয়ে নির্মাণাধীন ঝিনাইদহ-যশোর মহাসড়ক ৬ লেন রাস্তার দু’পাশের ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়ীরা ক্ষতিপূরনের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে। মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) বেলা ১১ টায় শহরের মেইন বাসসট্যান্ডের কালীগঞ্জ উপজেলা ক্লিনিক ও ডায়াগনষ্টিক মালিক সমিতির ভবনে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা।

    সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে ব্যবসায়ী শামসুল আলম জুয়েল বলেন, আমরা ঝিনাইদহ জেলার কালীগঞ্জ উপজেলার ব্যবসায়ীবৃন্দ। মংলা বন্দরের সাথে দেশের উত্তরাঞ্চলসহ সারাদেশের যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়নের লক্ষ্যে বিশ্বব্যাংকের অর্থয়ানে ঝিনাইদহ-যশোর মহা সড়কটি ৬ লেনে উন্নীতকরণের প্রকল্পের কাজ চলমান। আমরা ওই মহাসড়কের দুইপাশ দিয়ে বছরের পর বছর ভাড়া দোকানঘর নিয়ে ব্যবসা-বানিজ্য পরিচালনা করে কোনোভাবে দিনযাপন করে আসছি। সম্প্রতি রাস্তার দু’পাশের জায়গা-জমিসহ অবকাঠামো অধিগ্রহনে মালিকপক্ষকে ৮ ধারায় নোটিশ দিয়ে ক্ষতিপুরণের টাকা প্রাপ্তির বিষয়ে জানানো হয়েছে কিন্তু ভাড়ার দোকানঘর নিয়ে ব্যবসায়ী ও তাদের শ্রমিকদের বিষয়ে কোন নোটিশ দেওয়া হয়নি। আমাদের মধ্যে বেশিরভাগ ব্যবসায়ী ক্ষুদ্র ঋণ ও ব্যাংক ঋণে ক্ষতিগ্রস্ত। তারপরও আমরা আমাদের ব্যবসাকে অবলম্বন করে কোন রকমে পরিবার পরিজন নিয়ে বেঁচে থাকার সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছি। এখন আমরা চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছি। বেঁচে থাকার একমাত্র অবলম্বন ব্যবসা হারিয়ে পরিবার পরিজন নিয়ে পথে বসতে চলেছি।

    আমরা যে দোকান ঘর ভাড়া নিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছি তার সৌন্দর্য্য বর্ধনে প্রতিটি ঘরেরই শ্রেণি ও ধরন অনুযায়ি ইটের গাথুনি, টাইলস, রং, পানির ফিটিংস ভাড়াটিয়াদের নিজ খরচে করে নিতে হয়েছে। যাতে লাখ টাকা পর্যন্ত খরচ হয়। এখন ঘর মালিকরা ক্ষতিপূরণ পায় তাহলে আমরাও ক্ষতিপূরণ প্রাপ্তির দাবি রাখি।

    ২০২০ সালে ৬ লেন প্রকল্প পাশ হওয়ার পর ২০২২ সালে জমি, ভবন, ব্যবসায়ী ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের কর্মরত শ্রমিকদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার লক্ষ্যে উপজেলার সকল ব্যবসায়ীদের বিনিয়োগ আয়-ব্যয়, কর্মচারির সংখ্যা ও বেতনসহ সকল প্রকার তথ্য সংগ্রহ এবং ভিডিও ধারণ করে ন্যায্য ক্ষতিপূরণ দেওয়ার প্রতিশ্রতি দিলেও তার কোন বাস্তবায়ন হচ্ছে না।

    সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয় আমরা প্রশাসন ও প্রকল্প পরিচালকদের কাছে আমাদের ব্যবসা স্থানন্তরের ক্ষতি, দোকানঘরের সৌন্দর্য্য বর্ধনের বিনিয়োগ ও শ্রমিক কর্মচারীদের ক্ষতিপূরণের দাবি জানাচ্ছি। আমদের ন্যায্য দাবি ক্ষতিপূরণের টাকা দেওয়া না হলে অচিরেই শান্তিপূর্ণ আন্দোলন ও আইনি ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে বলে উল্লেখ করেন।

    সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন,সাবেক কাউন্সিল আনোয়ার হোসেন, হোটেল ব্যবয়াসী কাজী আমিন উদ্দীন, ব্যবসায়ী জিল্লুর রহমান, প্রমুখ।