ত্রিশালে মোবাইলে প্রেমের পর বিয়ের প্রলোভনে ১০ শ্রেণির ছাত্রীকে ভাগিয়ে নিয়ে দলবদ্ধ ধর্ষণের চেষ্টা,ডাক চিৎকারে এলাকাবাসীর হাতে একজন আটক হলেও মেম্বারের স্বামীর সহযোগিতায় পালিয়ে যায়
মামলার সূত্রে জানা যায়,মোঃ আব্দুল মোতালেব (৬৫), পিতা-মৃত আমছর আলী মুন্সী, মাতা-মৃত নিন্দু জান, সাং-সানকিভাঙ্গা, ১১নং মোক্ষপুর ইউনিয়ণ, থানা-ত্রিশাল, জেলা-ময়মনসিংহ বাদী হয়ে লিখিত অভিযোগে জানান, আমার ঔরষজাত মেয়ে সন্তান সিমা আক্তার (১৫)-কে সাথে নিয়া থানায় আসিয়া এই মর্মে বিবাদী ১। রিয়াদ আহমেদ (১৯), পিতা-জাহের আলী, ২। জাহের আলী (৫০), পিতা-মৃত সহেদ মন্ডল, ৩। রূপালী আক্তার (৪৫), স্বামী-জাহের আলী, ৪। সেলিম মিয়া (৪৫), পিতা-সেকান্দর আলী, সর্বসাং-কোনাবাখাইল প্যাচপাড়া, ১১নং মোক্ষপুর ইউনিয়ন, থানা-ত্রিশাল, জেলা-ময়মনসিংহগনসহ অজ্ঞাত ২/৩ জন বিবাদীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করিতেছি যে, আমি ও বিবাদীগন একই ইউনিয়নের পাশা-পাশি গ্রামের বাসিন্দা। আমার ০২টি মেয়ে ও ০১টি ছেলে সন্তান। তন্মমধ্যে আমার ছোট মেয়ে সিমা আক্তার (১৫) দশম শ্রেণীতে পড়া-শুনা করে এবং মোবাইল ফোনের মাধ্যমে কিছুদিন পূর্বে ০১নং বিবাদীর সহিত পরিচয় হয়। কিন্তু আমার মেয়েকে বিবাহের প্রলোভন দিয়া আমাদের সকলের অগোচরে ০১নং বিবাদী ইং-২৫/০৫/২০২৬ তারিখ সোমবার রাত অনুমান ০৯.০০ ঘটিকার সময় ত্রিশাল থানাধীন সানকিভাঙ্গা সাকিনস্থ আমার নিজ বসত বাড়ী হতে আমার মেয়ে সিমা আক্তারকে নিয়া যায়। পরবর্তীতে আমার মেয়েকে নিয়া রাত অনুমান ০৯.৩০ ঘটিকার সময় ত্রিশাল থানাধীন কোনাবাখাইল দরগা বাজারে পৌঁছানোর পর ০১নং বিবাদী রিয়াদ আহমেদ অজ্ঞাত ২/৩ জন বিবাদীর সহায়তায় আমার মেয়েকে ধর্ষন করার চেষ্টায় আমার মেয়ের সহিত ধস্তা-দন্তি শুরু করিলে আমার মেয়ের ডাকচিৎকার শুনিয়া স্থানীয় লোকজন আগাইয়া আসিয়া ১নং বিবাদীকে আটক করিলেও অজ্ঞাত ২/৩ জন বিবাদী পালাইয়া যায়। পরবর্তীতে বিষয়টি এলাকায় জানা জানি হইলে মিমাংসার শর্তে (স্থানীয় ইউপি সদস্য রিপা আক্তারের স্বামী পরিচয়ে) ৪নং বিবাদী সেলিম মিয়া জোড় পূর্বক ১নং বিবাদীকে নিয়া যায়। কিন্তু স্থানীয়দের সহায়তায় আমার মেয়ে সিমা আক্তার দিবাগত রাত অর্থাৎ ইং-২৬/০৫/২০২৬ তারিখ রাত অনুমান ০২.০০ ঘটিকার সময় ত্রিশাল থানাধীন কোনাবাখাইল সাকিনস্থ ১ হতে ৩নং বিবাদীগনের বসত বাড়িতে গেলে গালমন্দসহ তর্কে লিপ্ত হইয়া একপর্যায়ে আমার মেয়ে সিমা আক্তারকে মারপিট শুরু করে। তখন আশ পাশের অনেকেই আগাইয়া আসিয়া ফিরাইয়া দিলেও বিবাদীগন প্রকাশ্য বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতিসহ খুন জখমের হুমকি প্রদর্শন করত: বিবাদীগন সুকৌশলে স্থানীয় গ্রাম পুলিশ সহ আমছর আলী মেম্বারের সহায়তায় আমার মেয়েকে আমার বাড়ীতে দিয়া যায়। তথাপিও বিষয়টি একাধিক দরবার শালিসের মাধ্যমে মিমাংসা করে নেওয়ার চেষ্টা করি। কিন্তু ১নং বিবাদী আমার মেয়েকে বিবাহ করিতে অস্বীকার করার পাশা-পাশি স্থানীয় মিমাংসায় আন্তরিক না হইয়া ঘটনার বিষয়টি ১,০০,০০০/-টাকায় ধামা-চাপা দেওয়ার প্রচেষ্টায় লিপ্ত রহিয়াছে এবং আইনের আশ্রয় না নেওয়ার জন্য স্থানীয় ভাবে চাপ প্রয়োগ করিয়া আসিতেছে।