Author: admin

  • ৯০ জন শিক্ষক-কর্মকর্তা ও কর্মচারীর মধ্যে অধ্যক্ষসহ ৫০ জনের নিয়োগ, সনদ জাল

    ৯০ জন শিক্ষক-কর্মকর্তা ও কর্মচারীর মধ্যে অধ্যক্ষসহ ৫০ জনের নিয়োগ, সনদ জাল

    ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলার বনপাড়া আদর্শ স্কুল অ্যান্ড কলেজে বর্তমানে ৯০ জন শিক্ষক-কর্মকর্তা ও অফিস সহায়ক কর্মরত আছেন। তাদের মধ্যে অধ্যক্ষসহ ৫৫ জনেরই নিয়োগে ব্যাপক অনিয়মের প্রমাণ মিলেছে। এর মধ্যে কলেজ শাখায় কর্মরত ৭০ জনের মধ্যে ৫০ জনের সনদই জাল। আর স্কুলের নন-এমপিওভুক্ত পাঁচজনের সনদ জাল। বিধিবহির্ভূত পদ্ধতিতে তাদের নিয়োগ সম্পন্ন করা হয়েছে। শুধু তাই নয়; এমপিওভুক্তির কাগজপত্রেও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার স্বাক্ষর জাল করা হয়েছিল। এছাড়া নিয়োগ প্রক্রিয়ার সময় মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের ভুয়া প্রতিনিধি দেখিয়ে নিয়োগ সম্পন্ন করা হয়।

    সম্প্রতি আদর্শ স্কুল অ্যান্ড কলেজে নিয়োগ পাওয়া অধ্যক্ষ, প্রভাষক, প্রদর্শক, সহকারী শিক্ষকসহ বিভিন্ন পদে নিয়োগের অনিয়ম নিয়ে তদন্ত করা হয়। উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জান্নাতের নেতৃত্বে গঠিত তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি সম্প্রতি জেলা প্রশাসকের কাছে প্রতিবেদন জমা দিয়ে ↑ ওই প্রতিবেদনে অধ্যক্ষ মো. ইমদাদুল হক অনিয়মের মূল পরিকল্পনাকারী বলে সূত্র জানায়।
    তদন্ত প্রতিবেদন সূত্রে জানা যায়, বনপাড়া আদর্শ স্কুল অ্যান্ড কলেজে কর্মরত অবস্থায় পাঁচজন প্রভাষক একসঙ্গে দুটি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করে সরকারের কাছ থেকে দুই জায়গার বেতন-ভাতা নিয়েছেন। তারা হলেন- ব্যবসা সংগঠনের মুহাম্মদ আজিজুল হক, রসায়নের মো. হাবিবুল্লাহ হাসান, ইংরেজির মো. আবু রায়হান, আইসিটির মোস্তাফিজুর রহমান এবং গণিতের বিপুল দেবনাথ।অধ্যক্ষ ইমদাদুল হক নিজেও প্রধান শিক্ষক ও অধ্যক্ষের দুই পদেও সরকারি বেতন ভাতা উত্তোলন করেছেন।
    অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, অধ্যক্ষ মো. ইমদাদুল হক তাঁর প্রতিষ্ঠানে ব্যাপক অনিয়মের মাধ্যমে বিভিন্ন পদে নিয়োগ দিয়েছেন। কলেজ শাখার ৫০ জন শিক্ষক-কর্মচারী এবং স্কুল শাখার আরও পাঁচজনের নিয়োগ বিধিসম্মত হয়নি। নিয়োগ পাওয়া শিক্ষক থেকে শুরু করে সবগুলো পদেই অনিয়ম করা হয়েছে।
    সূত্র জানায়, অধ্যক্ষ ঢাকা কলেজ থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন বলে উল্লেখ করলেও সেখানে অধ্যয়ন করেছেন-এমন কোনো প্রমাণ দেখাতে পারেননি। তার কাগজপত্র যাচাইয়ে দেখা গেছে, সংযুক্ত সনদটি জাল। একইভাবে কলেজের প্রভাষক মো. কামরুল ইসলাম ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিংয়ে জাল সনদ ব্যবহার করে নিয়োগ পান। প্রভাষক মুহাম্মদ আজিজুল হক ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা বিষয়ে কাম্য শিক্ষাগত যোগ্যতা ছাড়াই নিয়োগ পেয়েছেন।ভূগোল ও পরিবেশের প্রভাষক লুবনা জাহান, অর্থনীতির হাফিজুর রহমান, কৃষি শিক্ষার জাবরুল ইসলাম, যুক্তিবিদ্যার রেহানা পারভীন, মনোবিজ্ঞানের নাসরিন আক্তার, মৃত্তিকা বিজ্ঞানের খাইরুল বাশার, শিল্পকলা ও বস্ত্র পরিচ্ছেদের হাফিজুল ইসলাম, চারু ও কারুকলার সিদ্দিকুন নাহার, পরিসংখ্যানের আলমগীর হোসেন, আরবির সেলিম, গার্হস্থ্য বিজ্ঞানের শাহানাজ পারভীন, খাদ্য ও পুষ্টির ফারহানা সুলতানা, সংস্কৃতর বিউটি রানী সরকার, পালির শেফালী খাতুন, শিশুর বিকাশের মোস্তফা হাসান, নাট্যকলার ফারুক খান, গৃহ ব্যবস্থাপনা ও পারিবারিক জীবনের ফজলুল হক, উচ্চাঙ্গ সংগীতের ইসমে তারা, লঘু সংগীতের শফি কামাল, ক্যারিয়ার শিক্ষার মনিফা খাতুন, প্রকৌশল অঙ্কন ও ওয়ার্কশপ প্র্যাকটিসের চাঁদ সুলতানা মনি, উদ্যোক্তা উন্নয়নের কুদরাত উল্লাহ, ক্রীড়ার ইসমাইল হোসেন, মানবসম্পদ উন্নয়নের ফরিদ আহম্মদ-সবাই স্ক্যান করা স্বাক্ষর ও জাল সনদ ব্যবহার করে চাকরি নিয়েছেন বলে তদন্তে উঠে এসেছে।
    সূত্র জানায়, কৃষি শিক্ষা, মৃত্তিকা বিজ্ঞান, নাট্যকলা,শিশুর বিকাশ, খাদ্য ও পুষ্টি, উদ্যোক্তা উন্নয়ন, ক্যারিয়ার শিক্ষা, চারু ও কারুকলা, গৃহ ব্যবস্থাপনা, প্রকৌশল অঙ্কনসহ অনেক বিষয়ে কলেজে কোনো অনুমোদনই ছিল না। এমনকি অনেকে আনন্দমোহন কলেজের নামে সনদ দেখালেও সেই কলেজে ওই বিষয়ে অনার্সই চালু ছিল না।
    সূত্র জানায়,তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির নুপুর রানী মিশ্র, পদার্থবিজ্ঞানের ফাতেমাতুজ জোহরা, রসায়নের মোহাম্মদ সোহাগ মিয়া, প্রাণিবিজ্ঞানের আফরিন জাহান, কম্পিউটারের মাহফুজুর রহমান, সহকারী গ্রন্থাগারিক রেফাজ উদ্দিন, শারীরিক শিক্ষার পলাশ চন্দ্র সরকার, সহকারী গ্রন্থাগারিক আহসান উল্লাহ, উদ্ভিদবিজ্ঞানের ল্যাব সহকারী শাফিকুল ইসলাম, শেফালী বেগম, প্রাণিবিজ্ঞানের ল্যাব সহকারী রাজু আহমেদ, অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর মো. আবু রায়হান, আসাদুজ্জামান, আব্দুল্লাহ আল ফাহিম, অফিস সহকারী কাম হিসাব সহকারী তামিমা আক্তার, অফিস সহায়ক আরিয়ান হাসান, রাকিবুল হাসান রনি, সুজন মিয়া, জুয়েল মিয়া, আমিনুল ইসলাম, রিফাত হাসান, নিরাপত্তাকর্মী মোস্তফা কামাল ও জাকারিয়া ইসলাম-সবাই অনিয়ম করে নিয়োগ পেয়েছেন।
    সূত্র জানায়, এমপিওবিহীন পাঁচ শিক্ষক-রায়হানা ইয়াসমিন (সমাজবিজ্ঞান), এ.এইচ.এম. রাকিবুল আলম (ব্যবসায় শিক্ষা), ঝুমুর দেবনাথ (সমাজবিজ্ঞান), রেহেনা পারভীন (সমাজবিজ্ঞান) এবং তাহমিনা সুলতানা শাম্মী (কম্পিউটার ল্যাব)-এর নিয়োগও বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নিয়োগ বিধি অনুযায়ী হয়নি।
    তদন্তে প্রতিবেদনে অনুযায়ী জানা যায়, বনপাড়া আদর্শ স্কুল অ্যান্ড কলেজে কর্মরত অবস্থায় পাঁচজন প্রভাষক একসঙ্গে দুটি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করে সরকারের কাছ থেকে দুই জায়গার বেতন-ভাতা নিয়েছেন। তারা হলেন- ব্যবসা সংগঠনের মুহাম্মদ আজিজুল হক, রসায়নের মো. হাবিবুল্লাহ হাসান, ইংরেজির মো. আবু রায়হান, আইসিটির মোস্তাফিজুর রহমান এবং গণিতের বিপুল দেবনাথ। একইভাবে অধ্যক্ষ ইমদাদুল হকও প্রধান শিক্ষক ও অধ্যক্ষ-দুটি পদে থেকেই সরকারি বেতন ভাতা উত্তোলন করেছেন।
    সূত্র জানায়, এমপিওভুক্তির কাগজপত্রে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার স্বাক্ষর স্ক্যান করে বসানো হয়, যার বিষয়ে ইউএনও অবগত ছিলেন না। নিয়োগ কমিটিতে ডিজি প্রতিনিধির স্বাক্ষরও জালভাবে ব্যবহৃত হয়। ম্যানেজিং কমিটির দুই সভাপতি-মো. ওয়ারিছ উদ্দিন সুমন ও মো. মজিবুর রহমান লিখিতভাবে জানিয়েছেন, তাঁরা যথাক্রমে ২০ জন ও ৪ জন কর্মচারী নিয়োগ দিয়েছেন, কিন্তু তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী জানা যায়, অধ্যক্ষসহ মোট ৯০ জন নিয়োগপ্রাপ্ত হয়েছেন, যার ৭৬ জন এমপিওভুক্ত।
    সূত্র জানায়,অভিযোগে উল্লিখিত ও তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী নিয়োগগুলো সম্পূর্ণ বিধি বহির্ভূত, জাল সনদ ও জাল স্বাক্ষরের মাধ্যমে সংঘটিত। তাই কলেজ শাখার ৫০ জন এবং স্কুল শাখার পাঁচজন শিক্ষক-কর্মচারীর নিয়োগ বাতিল করা এবং এদের বেতন-ভাতা বাবদ উত্তোলিত সরকারি অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফেরত নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।

  • পড়াশোনার পাশাপাশি পেঁপে চাষে  সফল উদ্যোক্তা রাজবাড়ীর আরিফুল

    পড়াশোনার পাশাপাশি পেঁপে চাষে সফল উদ্যোক্তা রাজবাড়ীর আরিফুল

    রাজবাড়ীর পাংশা সরকারি কলেজের অনার্স তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আরিফুল ইসলাম। কৃষক পরিবারের সন্তান হওয়ায় ছোটবেলা থেকেই তার কৃষির প্রতি ছিল ঝোঁক। স্বপ্ন দেখতেন কৃষি উদ্যোক্তা হওয়ার। সেই স্বপ্ন পূরণে পড়ালেখার পাশাপাশি ইউটিউব দেখে পরিবারের সহযোগিতায় ৪০ শতাংশ জমি লিজ নিয়ে শুরু করেছেন পেঁপে চাষ।

    শুরুতে উপজেলা কৃষি অফিসের পরামর্শে ঢাকা ও রংপুর থেকে বীজ সংগ্রহ করে নিজ বাড়িতে তৈরি করেন চারা। এর পর ৪০ শতাংশ জমিতে রোপণ করেন দেশী জাতের ৩শ পেঁপের চারা।

    এর সে সাথী ফসল হিসেবে রোপণ করেছেন টমেটো। এখন আরিফুল তার বাগান থেকে সপ্তাহে ৩ দিন কাঁচা ও পাকা পেঁপে তোলে। এসব পেঁপে পাংশা ও রাজবাড়ী শহর ছাড়াও কুষ্টিয়া জেলা শহরে বিক্রি করে থাকেন। আরিফুল রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার বাবুপাড়া ইউনিয়নের বউ বাজার এলাকার মো: আব্দুল গফুর এর ছেলে। সে পাংশা সরকারি কলেজে রাষ্ট্র বিজ্ঞান বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী।

    মো: আব্দুল গফুর বলেন, আমার ছেলে ছোট বেলা থেকে মেধাবী। তবে আমরা কৃষক অনেক দূর লেখাপড়া করানোর মতো সামর্থ্য নাই। তাই আরিফুল একাধিকবার চাকরির জন্য চেষ্টা করছে। তবে চাকরি না পেয়ে আমাকে ছেলে বলে কৃষি কাজ করবে। আমি জানি কৃষি কাজে কতটা কষ্ট তাই প্রথম দিকে রাজি ছিলাম না। ছেলের জেদের কাছে হার মানতে হয়। পরে ৪০ শতাংশ জমি লিজ নিয়ে দিয়েছি। প্রথমে আরিফুল আমাকে বলে পেঁপে চাষ করবে। আমি বাধা দিয়েছিলাম। আমি জানি বেশিরভাগ গাছ পুরুষ হয়, আর তাতে ফল আসে না। তবে আরিফুল আমাকে বলে বিদেশি জাতের বীজ থেকে চারা তৈরি করবে। এই চারা পুরুষ হওয়ার সম্ভাবনা খুব কম। এখন প্রতিটি গাছেই ফুল ধরেছে। আমি নিজেই ওর কাজে সহযোগিতা করি।আমি পাংশা শহরে নিয়ে বিক্রি করি। বেশিরভাগ পেঁপে কুষ্টিয়া শহরে পাঠানো হয়।

    উদ্যোক্তা আরিফুল ইসলাম বলেন, ছোট বেলা থেকে আমার কৃষি কাজের প্রতি আগ্রহ ছিলো। এইচএসসি পরীক্ষার পর থেকে চাকরির চেষ্টা করছি। চাকরি না হওয়ায় ইউটিউব দেখে আগ্রহ জাগে পেঁপে চাষে। পেঁপে চাষ শুরুর আগে উপজেলা কৃষি অফিসের পরামর্শ নেই। তারা আমাকে উন্নত জাতে বীজ সংগ্রহ করে নিজে চারা তৈরি করতে বলে। পরে ঢাকা ও রংপুর থেকে ৬ প্যাকেট বীজ সংগ্রহ করে বাড়িতে চারা তৈরি করি। প্রথমে ৩০০ চারা রোপণ করছিলাম। তবে সেখান থেকে ৮০ পিচ চারা রাতের অন্ধকারে চুরি করে নেয় দুর্বৃত্তরা। পরে অন্য রাজশাহী থেকে চারা এনে রোপণ করেছিলাম। চারা রোপণের মাত্র ৩ মাস পর থেকে প্রতিটি গাছে ফল ধরতে থাকে।

    তিনি আরও বলেন, তার জমি লিজ ও চারা রোপণ পরিচর্যা করতে মোট ৫০ হাজার টাকার মতো খরচ হয়েছে। এখন অব্দি লক্ষাধিক টাকার পেঁপে বিক্রি করেছেন। এখনো পরিমাণ ফল আছে গাছে তাতে আরও ৭০-৮০ হাজার টাকা বিক্রি করা যাবে। আগামীতে আরও বেশি জায়গা নিয়ে পেঁপে চাষ করবেন বলে জানান তিনি।

    পাংশা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মুহাম্মদ তোফাজ্জল হোসেন বলেন, আরিফুলের সাফল্য একটি উদাহরণ। সে প্রথমেই ৪০ শতাংশ জমিতে পেঁপে চাষ করে লাভবান হয়েছেন। এখন থেকে সে লক্ষাধিক টাকার বেশি মুনাফা লাভ করেছে। তিনি আরও বলেন, তরুণ শিক্ষিত যুবকেরা বিদেশ না গিয়ে কৃষিতে ফিরে এসে মাটির যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করতে পারে তাহলে দেশে এগিয়ে যাবে। এতে করে আমদানি নির্ভরতা কমবে।

  • চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে মিনি ম্যারাথন প্রতিযোগিতা

    চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে মিনি ম্যারাথন প্রতিযোগিতা

    চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে ‘এসো দেশ বদলাই, পৃথিবী বদলাই’ তারুণ্যে ও উৎসবে নতুন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে মিনি ম্যারাথন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৭টায় জীবননগর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে জীবননগর মুক্তমঞ্চ এই প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করা হয়। প্রতিযোগিতারা মুক্তমঞ্চ থেকে জীবননগরের শেষ সীমানা পাথিলা পর্যন্ত ৫ কিলোমিটার দৌড়িয়ে যান। মিনি ম্যারাথনে প্রথম হয়েছে আব্দুল কাদের, দ্বিতীয় হয়েছ রাব্বি এবং তৃতীয় হয়েছে শামীম। প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ ও উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ছিলেন জীবননগর উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা জুয়েল শেখ, উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার সৈয়দ আব্দুল জব্বার, জীবননগর প্রেসক্লাবের আহ্বায়ক মো. রিপন হোসেন, সদস্য ডিএম মতিয়ার রহমান, সাংবাদিক জাহিদুল ইসলাম কাজল, মনিরুজ্জামান রিপন। সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন জীবননগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার গোপন সহকারী সালাউদ্দীন, জীবননগর কমিউনিটি গ্রুপের অ্যাডমিন মামুম নীরব ও কিবরিয়া। প্রতিযোগিতা শেষে সবাইকে কমন পুরস্কার হিসেবে সাবান দেওয়া হয়েছে। আর বেলা ১১টায় জীবননগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আল আমীন বিজয়ীদের পুরস্কৃত করবেন বলে জানা গেছে।

  • ঝিনাইদহে জাতীয় কন্যা শিশু দিবস পালিত

    ঝিনাইদহে জাতীয় কন্যা শিশু দিবস পালিত

    ‘আমি কন্যা শিশু,স্বপ্ন গড়ি,সাহসে লড়ি,দেশের কল্যাণে কাজ করি’এই প্রতিপাদ্য নিয়ে ঝিনাইদহে জাতীয় কন্যা শিশু দিবস পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসন ও মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের আয়োজনে বুধবার (৮ অক্টোবর) দুপুরে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সাইফুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুল আওয়াল। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের উপ-পরিচালক মোজাম্মেল করিম, এলজিইডি’র নির্বাহী প্রকৌশলী মনোয়ার উদ্দীন। এছাড়াও বক্তব্য রাখেন  জেলা দোকান মালিক সমিতির সভাপতি ও জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি আনোয়ারুল ইসলাম বাদশা, তহুরা খাতুন, নাছরিন ইসলাম এবং মিরাজ হোসেন। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ইসরাত জাহান।প্রধান অতিথি বলেন, কন্যা শিশুরা যেন অবহেলায় না থাকে সে লক্ষেই এই দিবসটি পালিত হচ্ছে। তিনি বলেন বাল্য বিবাহ,আত্মহত্যা প্রতিরোধ, শিশুদের পুষ্টি, টীকা প্রদান, স্বাস্থ্য, শিক্ষা এবং নিরাপত্তা দেয়া আমাদের দায়িত্ব। সে লক্ষ্যে মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর অনেক প্রকল্পের মাধ্যমে নারীদের অধিকার রক্ষায় কাজ করে যাচ্ছে। আলোচনা সভা শেষে বেশ কয়েকটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের মধ্যে অনুদানের চেক বিতরণ করা হয়। পরে তারুণ্যের উৎসব উদযাপন উপক্ষ্যে ঝিনাইদহ কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার চত্বরে পথ নাটক ‘ শিউলি ফুল’ মঞ্চস্থ করা হয়।

  • কালীগঞ্জে  ডাকাত দলের ৩ জনকে ধৃত করে পুলিশে দিল জনতা

    কালীগঞ্জে ডাকাত দলের ৩ জনকে ধৃত করে পুলিশে দিল জনতা

    ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে ডাকাতির সময় স্বশস্ত্র তিন ডাকাতকে আটক করেছে জনতা।পরে পুলিশে সোপর্দ। সোমবার দিবাগত রাত ৮টার দিকে উপজেলার বেজপাড়া গ্রামে ডাকাতির সময় জনতা তাদের ধরে ফেলে। স্থানীয়রা বলছেন, ঘটনার দিন সন্ধ্যারাতে ডাকাতরা অস্ত্রের মুখে বাড়ির সকলকে জিম্মি করে প্রায় ৩ লক্ষাধিক টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। এসময় বাড়ির অন্যান্যদের চিৎকারে আশেপাশের লোক এগিয়ে এসে ডাকাতদলের ৩ সদস্যকে আটক করতে সক্ষম হয়েছে। এলাকাবাসী জানায়, ৬ অক্টোবর সোমবার রাত ৮টার দিকে ঝিনাইদহ সদর উপজেলার চান্দুয়ালী গ্রামের মতিয়ার রহমানের ছেলে রোকনের নেতৃত্বে হরিনাকুন্ডু উপজেলার আবুল হোসেনের ছেলে শাহাবুর মন্ডল (৩২) একই উপজেলার বৈঠাপাড়া গ্রামের মহিউদ্দিন সর্দারের ছেলে রানা হোসেন (২৩), ঝিনাইদহ সদর উপজেলার চান্দুয়ালী গ্রামের ওবায়দুল মন্ডলের ছেলে তুষার আহম্মেদ সাকিব (২১) একই গ্রামের মিজানুর রহমানের ছেলে তৌহিদ হোসেন (১৮), মহামায়া গ্রামের কুরবান আলী, একই গ্রামের তরিকুল ইসলাম (৩৮) সহ ৮ জন সশস্ত্র ডাকাত বেজপাড়া গ্রামের আব্দুর রশিদের বাড়িতে হানা দেয়। তারা আব্দুর রশিদের স্ত্রী রিজিয়া বেগমকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে প্রায় ৩ লক্ষাধিক টাকা মূল্যের স্বর্ণের চেইন, কানের দুল ও আংটি ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এসময় রিজিয়া বেগম ডাকাতদের পিছু ধাওয়া করেন এবং চিৎকার করে আশপাশের লোকজনকে ডাকেন। এসময় প্রতিবেশীরা এগিয়ে এসে ডাকাতদলের পিছু ধাওয়া করে শাহাবুর মন্ডল, রানা হোসেন ও তুষার আহম্মেদ সাকিবকে আটক করেন। ডাকাতদলের সদস্যদের মধ্যে তুষার আহাম্মেদ সাকিব এবার এসএসসি পরীক্ষা দিয়েছে ও রানা মালয়েশিয়া ফেরত। কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ শফিকুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায়। পরে এএসপি (সার্কেল) ও সেনাবাহিনীর একটি দল ঘটনাস্থলে আসে। এসময় সবার উপস্থিতে ডাকাতদের উদ্ধার করে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়।

  • ঝিনাইদহে টাইফয়েড টিকাদান বিষয়ক কনসালটেশন কর্মশালা অনুষ্ঠিত।

    ঝিনাইদহে টাইফয়েড টিকাদান বিষয়ক কনসালটেশন কর্মশালা অনুষ্ঠিত।

    ঝিনাইদহে টাইফয়েড টিকাদান ক্যাম্পেইন ২০২৫ বাস্তবায়ন উপলক্ষে এক কনসালটেশন কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) দুপুরে জেলা শহরের আরাপপুর ইসলামিক ফাউন্ডেশন কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। এতে জেলায় কর্মরত ৪০ জন সংবাদকর্মী অংশ নেন। জেলা তথ্য অফিসার মোহাম্মদ আব্দুর রউফ এর সভাপতিত্বে কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ঝিনাইদহ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের তত্বাবধায়ক ডা. মো. মোস্তাফিজুর রহমান। কর্মশালায় বক্তব্য রাখেন গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক (মাঠ প্রচার) ফাহিমা জাহান, জেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ লুৎফর রহমান, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ রিজাউল করিম, ঝিনাইদহ সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মিথিলা ইসলাম ও গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক উজ্জ্বল হোসেন। কর্মশালায় বক্তারা বলেন, টাইফয়েড একটি জীবানুবাহিত রোগ। এটি পানি ও খাবারের মাধ্যমে মানবদেহে সংক্রমণ ছড়ায়। আগামী ১২ অক্টোবর২৫ থেকে সারাদেশে ৯ মাস থেকে ১৫ বছর বয়সী শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের টাইফয়েড টিকা প্রদান করা হবে। সারাদেশে বিশেষ ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে এই টিকাদান কর্মসূচি বাস্তবায়িত হবে। কর্মশালায় জানানো হয়, টিকাদানের জন্য অনলাইনে ঝিনাইদহ জেলায় ৪ লাখ ৮৯ হাজার রেজিস্ট্রেশন করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। কিন্তু এ পর্যন্ত অনলাইনে ১ লাখ ৫৩ হাজার রেজিষ্ট্রেশন হয়েছে বলে জানান।

  • তিস্তাপারের বন্যার্ত পানিবন্দি পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করেছেন সাবেক উপমন্ত্রী অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলু

    তিস্তাপারের বন্যার্ত পানিবন্দি পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করেছেন সাবেক উপমন্ত্রী অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলু

    লালমনিরহাটে বন্যায় বিপর্যস্ত তিস্তা পারের পানিবন্দী পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক সাবেক উপমন্ত্রী অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলু। সোমবার বিকেল ৫ টায় তিনি নৌকাযোগে সদর উপজেলার রাজপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন বন্যাকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন।এ সময় তিনি ৫ শতাধিক পরিবারের মধ্যে ত্রাণ ও শুকনো খাবার বিতরণ করেন।এসময় তার সঙ্গে ছিলেন জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক একেএম মমিনুল হক, এবিএম ফারুক সিদ্দিকী, জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক পাটোয়ারী সাজু, রাজপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মাহবুবার রহমান লিটন, সিনিয়র সহ-সভাপতি রেজাউল কবির সরকার, সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম সহ বিএনপি ও সহযোগী অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। ত্রাণ বিতরণের পর দুলু বলেন,তিস্তার ভয়াবহ বন্যায় মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছে।তাদের পাশে দাঁড়ানো আমাদের মানবিক দায়িত্ব। বিএনপি সবসময় জনগণের পাশে ছিল এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। তিনি আরও বলেন, প্রকৃতির সামনে মানুষ কতটা অসহায়, এই বন্যায় তা স্পষ্টভাবে পরিলক্ষিত হয়েছে। সর্বসাধারণের ক্ষতি কমানোর জন্য সরকারের পাশাপাশি সমাজের বিত্তবান ও রাজনৈতিক দলগুলো একযোগে কাজ করলে পরিস্থিতি অনেকটা নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব। দুলু বলেন,কেউ যেন অনাহারে না থাকে এবং চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত না হয়—তার জন্য দলীয়ভাবে সব ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমাদের লক্ষ্য সব বিপর্যস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো। তিনি আরো আশ্বাস দিয়ে বলেন বিএনপি এবং ব্যাক্তিগত উদ্যোগ থেকে এই ত্রাণ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। উল্লেখ্য,গত কয়েক দিনের টানা বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে তিস্তা নদীর পানি ডালিয়া পয়েন্টে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়।এতে জেলা সদর, আদিতমারী,কালীগঞ্জ, হাতীবান্ধা,পাটগ্রাম সহ তিস্তা তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলের বিশাল এলাকা প্লাবিত হয়েছে। ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট এবং ফসলি জমি পানির নিচে তলিয়ে গেছে, দুর্ভোগে পড়েছে শত শত সাধারণ মানুষ।

  • ইসলামী ব্যংকসহ অন্যরা ব্যংকে অবৈধ নিয়োগ বাতিল ও স্বচ্ছ নিয়োগের দাবিতে মানববন্ধন

    ইসলামী ব্যংকসহ অন্যরা ব্যংকে অবৈধ নিয়োগ বাতিল ও স্বচ্ছ নিয়োগের দাবিতে মানববন্ধন

    ইসলামী ব্যংকসহ ব্যকিং সেক্টরে বিশষ অঞ্চলের একচ্ছত্র অবৈধ নিয়োগ বাতিল করে অবিলম্বে মেধাভিত্তিক নিয়োগের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ- সমাবেশ হয়েছে রাজবাড়ীতে। বৈষম্য মুক্ত চাকুরি প্রত্যাশী পরিষদ ও ইসলামী ব্যংক গ্রাহক ফোরাম যৌথভাবে সোমবার রাজবাড়ী শহরের কলেজ রোডে এই কর্মসুচি পালন করে। মানববন্ধন শেষে সমাবেশ বক্তব্য রাখেন বৈষম্য মুক্ত চাকুরি পরিষদের সভাপতি মো, গোলাম মোস্তফা ও সেক্রটারি মাসুদুর রহমান। বক্তারা বলেন,২০১৭সাল থেকে ২০২৪সাল পর্যন্ত ইসলামী ব্যংকসহ অন্যান্য ব্যংকে লুটেরা ও মাফিয়া চক্র এস আলম কর্তৃক অবৈধ ভাবে নিয়োগকৃর্ত অদক্ষ কর্মকতা ও কর্মচারিদের অনতিবিলম্বে ছাটাই করতে হবে। তদস্থলে স্বচ্ছ নিয়োগ বোডের মাধ্যমে সৎ ও দক্ষ যোগ্য কর্মকতা – কর্মচারি নিয়োগের দাবি জানান। অন্যথায় আন্দোলনকারি আরো বৃহত্তর পরিসরে সংগ্রাম করার মতামত ব্যক্ত করেন।
    ছবি দেয়া আছে।

  • তজুমদ্দিনে ইলিশ সংরক্ষণে জেলেদের মাঝে ভিজিএফ চাল বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন।

    তজুমদ্দিনে ইলিশ সংরক্ষণে জেলেদের মাঝে ভিজিএফ চাল বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন।

    ভোলা জেলার তজুমদ্দিন উপজেলায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রধান প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ সংরক্ষণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে জেলে পরিবারের মাঝে ভিজিএফ চাল বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে।সোমবার ৬ অক্টোবর ২০২৫, সকাল ১১.৩০ ঘটিকার সময় উপজেলার ৩নং চাঁদপুর ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গণে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি ভোলা জেলা প্রশাসক মোঃ আজাদ জাহান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব শুভ দেবনাথ। তত্ত্বাবধায়নে ছিলেন, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আমির হোসেন। জেলা মৎস্য অধিদপ্তর সুত্র জানায়, চলতি অর্থবছরে ভোলা জেলার ১ লক্ষ ৪৩ হাজার ৪ শত ৪৮ জন জেলের জন্য জনপ্রতি ২৫ কেজি করে ৩ হাজার ৫ শত ৮৫ মেঃটন চাল বরাদ্দ পাওয়া গেছে। ভোলায় মোট নিবন্ধিত জেলের সংখ্যা ১ লক্ষ ৬৮ হাজার। হিসাব মতে জেলায় প্রায় ২৫ হাজার নিবন্ধিত জেলে ভিজিএফ বরাদ্দ বঞ্চিত হয়েছে। এদিকে তজুমদ্দিনে নিবন্ধিত ১৮ হাজার ৭১৪ জন জেলের জন্য ৪৬৭ মেঃ টন চাল বরাদ্দ আসে। অনুষ্ঠানে ভোলা জেলা প্রশাসক মোঃ আজাদ জাহান বলেন, ২২ দিনের প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ সংরক্ষণ কর্মসূচির সফল করতে সরকার জেলে পরিবারের পাশে থেকে সহায়তা করছেন। এক্ষেত্রে মা ইলিশ সংরক্ষণে জেলেদের সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এসময় বক্তরা সরকার ঘোষিত নিষেধাজ্ঞা মেনে চলার আহ্বান জানান।

  • ঝিনাইদহে ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহক ও চাকুরী প্রত্যাশীদের মানববন্ধন

    ঝিনাইদহে ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহক ও চাকুরী প্রত্যাশীদের মানববন্ধন

    ইসলামী ব্যাংকসহ ব্যাংকিং সেক্টরে অবৈধ নিয়োগ বাতিল করে মেধাভিত্তিক নিয়োগের দাবীতে ঝিনাইদহে মানববন্ধন কর্মসূচী পালিত হয়েছে। সোমবার (৬ অক্টোবর)সকালে ইসলামী ব্যাংক ঝিনাইদহ শাখার সামনে এ কর্মসূচীর আয়োজন করে গ্রাহক ও চাকুরী প্রত্যাশীরা। সেসময় ব্যানার ফেস্টুন নিয়ে ওই শাখার গ্রাহকসহ নানা শ্রেণী পেশার মানুষ অংশ নেয়। ঘন্টাব্যাপী চলা এই কর্মসূচীতে গ্রাহক আল মাহমুদ, হাদি মহম্মদ, জিয়াউল ইসলাম খান, কাজী রফিকুল ইসলাম, আব্দুল্লাহ আল মামুন, আব্দুল কুদ্দুস, আব্দুস সবুরসহ অন্যান্যরা বক্তব্য রাখেন। সেসময় বক্তারা অভিযোগ করেন, ২০১৭ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত এস আলম কর্তৃক অবৈধভাবে হাজার হাজার কর্মী ইসলামী ব্যাংকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। একই সাথে ব্যাংকের বিপুল পরিমাণ অর্থ বিদেশে পাচার করা হয়েছে। তাই দ্রুত অবৈধ ভাবে নিয়োগ দেওয়া কর্মীদের ছাটাই করে মেধাভিত্তিক নিয়োগ দেওয়ার দাবী জানান বক্তারা।