Blog

  • রাজবাড়ীতে ভোট কেন্দ্র সংস্কারে ভয়াবহ অনিয়ম

    রাজবাড়ীতে ভোট কেন্দ্র সংস্কারে ভয়াবহ অনিয়ম

    রাজবাড়ীতে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মেরামত ও সংস্কার খাতে বরাদ্দকৃত অর্থ নিয়ে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে ভোটকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর সংস্কার ও মেরামতের জন্য এ অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হলেও বাস্তবে অধিকাংশ বিদ্যালয়ে কোনো কাজই হয়নি বলে অনুসন্ধানে উঠে এসেছে।

    প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, প্রথম ধাপে সারাদেশের ১২ হাজার ৫৩১টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য ৪১ কোটি ১২ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। দ্বিতীয় ধাপে একই বিদ্যালয়গুলোতে দ্বিগুণ বরাদ্দ দিয়ে আরও ৮২ কোটি ২৩ লাখ ৫২ হাজার ৬৪২ টাকা প্রদান করা হয়। এর অংশ হিসেবে জেলার ১৩৫টি বিদ্যালয়ের কেন্দ্র মেরামতের জন্য দুই ধাপে ১ কোটি ১ লাখ ৫৫ হাজার ২৭ টাকা বরাদ্দ প্রদান করা হয়।

    এর মধ্যে প্রথম ধাপে ৩৩ লাখ ৮৫ হাজার ৯ টাকা এবং দ্বিতীয় ধাপে ৬৭ লাখ ৭০ হাজার ১৮ টাকা বরাদ্দ প্রদান করা হয়। বালিয়াকান্দিতে ৩২টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অনুকূলে প্রথম ধাপে ৯ লাখ ৪৬ হাজার ৬৬৪ টাকা এবং দ্বিতীয় ধাপে একই বিদ্যালয়গুলোতে আরও দ্বিগুণ বাড়িয়ে ১৮ লাখ ৯৩ হাজার ৩৩৬ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। দুই ধাপে মোট বরাদ্দের পরিমাণ দাঁড়ায় ২৮ লাখ ৪০ হাজার টাকা। গড়ে প্রতিটি বিদ্যালয় ৪০ হাজার থেকে দেড় লাখ টাকা পর্যন্ত বরাদ্দ পায়।

    বরাদ্দের শর্ত অনুযায়ী বিদ্যালয় ভবনের ক্ষতিগ্রস্ত কক্ষ, দরজা-জানালা, বেঞ্চ-ডেস্ক, স্যানিটেশন ব্যবস্থা এবং বিদ্যুৎ ও পানির লাইনের জরুরি সংস্কার করার কথা থাকলেও অনুসন্ধানে এর বিপরীত চিত্র দেখা গেছে। অনেক বিদ্যালয়ে কোনো জরুরি সংস্কার প্রয়োজন না থাকায় বিধিলঙ্ঘন করে নতুন নতুন মালামাল কেনার নামে ভুয়া বিল-ভাউচার করে শিক্ষা কর্মকর্তার নিকট থেকে অনুমোদনের পায়তারা করছে। কেউ কেউ বলেছেন এরই মধ্যে শিক্ষা কর্মকর্তা ভাগবাটোয়ারার মাধ্যমে অনুমোদনের ইতিবাচক সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন।

    অনুসন্ধানে দেখা গেছে, বেশিরভাগ বিদ্যালয়গুলো তাদের কেনাকাটার মধ্যে এলইডি বাল্প, সিটকিনি, হ্যাজবোল্ড, হারপিক, বালতি, ইলেক্ট্রনিক ফিটিংস, বৈদ্যতিক তার, ইট , বালু, সিমেন্ট ও মাটিসহ বিভিন্ন জিনিস ক্রয়, জানালা-দরজা মেরামত, টয়লেট পরিষ্কারের কথা উল্লেখ করেছেন। যা গত স্লিপ ফান্ড থেকে তারা এগুলো ক্রয় করেছিলেন বলে একাধিক শিক্ষক নাম গোপন রেখে নিশ্চিত করেছেন।

    অনুসন্ধানে দেখা যায়, ২৫০ টাকার এনার্জি বাল্ব হাজার টাকা দেখিয়ে ৫-১০টি এনার্জি বাল্ব কেনাকাটার বিল করা হয়েছে। একটি টিউবওয়েল মেরামতে ৪-৫ হাজার টাকা ব্যয়, বৈদ্যতিক মটর মেরামত ৪-৫ হাজার টাকা, কয়েকটি বিদ্যালয়ে অর্ধশত জানালা মেরামতের কথা শোনা গেলেও সরেজমিনে গিয়ে জানালা সংস্কারকাজের কোনো চিহ্ন পাওয়া যায়নি। সূত্রের দাবী অনুযায়ী সরেজমিনে গিয়ে সেসব প্রতিষ্ঠানে গিয়ে খুঁজে পাওয়া যায়নি ক্রয়কৃত মালামাল। এছাড়া কিছু বিদ্যালয়ে সংস্কারকাজের পরিবর্তে নতুন পণ্য কেনার বিল দেখানো হলেও বাস্তবে সেসব পণ্যের কোনো অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি।

    রাজবাড়ী বালিয়াকান্দি উপজেলার নওপাড়া সরকারি বালক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নির্বাচন উপলক্ষে দুই ধাপে ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ পেয়েছে। প্রথম ধাপে পেয়েছিল ২০ হাজার টাকা। সেই টাকায় তিন হাজার টাকায় টয়লেট পরিষ্কার, ইলেক্ট্রনিক মটর মেরামত বাবদ ৫ হাজার টাকা, আলমারির লক, সিটকিনি, হ্যাজবোল্ড, তালা ও আলমারির লক স্থাপনের কথা উল্লেখ করেছেন। কিন্তু টয়লেট পরিষ্কারের বিষয়টি দৃশ্যমান থাকলেও মটর মেরামতহর যেসব জিনিস ক্রয় করার কথা উল্লেখ করেছেন তা বাস্তবে দেখাতে পারেননি প্রতিষ্ঠানটি।

    নওপাড়া সরকারি বালক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নাসরিন নাহার জেসমিনের সঙ্গে মুঠোফোনে কথা হয়। তিনি বলেন, আমরা প্রথম ধাপের টাকা দিয়ে মটর মেরামত করেছি। টয়লেট সম্পূর্ন পরিষ্কার করা হয়নি। সিটকিনি, হ্যাজবোল্ডসহ অন্যান্য জিনিস ক্রয়ের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। একজন সহকারী শিক্ষক বলেন, পোটরা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় নতুন সাবমার্সেবল পাম্প ক্রয়ের নামে ২০ হাজার টাকা ব্যয় দেখানো হয়েছে। তবে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, তিনি নতুন করে সাবমার্সেবল ক্রয়-স্থাপন করেননি। তবে পুরাতন একটি সংস্কার করা হয়েছে।

    নওপাড়া বালিকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বরাদ্দকৃত অর্থের মধ্যে টিউবয়েল, দরজা-জানালা মেরামত, এলইডি বাল্প ও বৈদ্যতিক ফিটিংস ক্রয়ের কথা বলে টাকা তুললেও টিউবয়েল মেরামতে নামে একটি নতুন টিউবয়েল দৃশ্যমান রয়েছে। এছাড়া বাকি জিনিসের কোন হদিস পাওয়া যায়নি।

    প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক (চলতি দায়িত্ব) মোছা. রেবেকা সুলতানা বলেন, বিদ্যালয়ের টিউবয়েলটি নষ্ট হয়ে যাওয়ায় একটি নতুন টিউবয়েল কেনা হয়েছে। অন্য জিনিসগুলো কাজ শেষ হয়নি। এটা চলমান রয়েছে।

    একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নামে নতুন দরজা কেনার বিল দেখানো হলেও বিদ্যালয়টিতে গিয়ে নতুন কোনো দরজা স্থাপনের সত্যতা পাওয়া যায়নি। স্থানীয় শিক্ষক ও কর্মচারীরা জানিয়েছেন, সেখানে দীর্ঘদিন ধরে পুরোনো দরজাটিই ব্যবহার করা হচ্ছে। একটি বিদ্যালয় ৫ ব্যাগ সিমেন্ট ক্রয়ের বিল দাখিল করেছেন, বাস্তবে ভাউচারের ঠিকানার দোকানে সিমেন্ট বিক্রিই হয় না।

    একাধিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, সংস্কারের নামে যেসব মালামাল কেনা দেখানো হয়েছে, তার বেশিরভাগই বিদ্যালয়ে কাগজে-কলমে। কোন দোকান বা সরবরাহকারীর নামে বিল দেখানো হয়েছে, সে সম্পর্কেও তারা নির্দিষ্ট তথ্য দিয়েছেন। অভিযোগ রয়েছে, সংশ্লিষ্ট শিক্ষা কর্মকর্তার যোগসাজশে ভুয়া বিল তৈরি করে সিংহভাগ অর্থ আত্মসাৎ করার পরিকল্পনার অংশ হিসেবে শিক্ষকরা কাজ না করেই ইচ্ছামতো বিল-ভাউচার করেছেন।

    এই অনুসন্ধানে নিজেকে শিক্ষক পরিচয় দিয়ে একাধিক সহকারী শিক্ষক ও প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে কথোপকথনের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এসব শিক্ষক স্বীকার করেছেন, কাগজে-কলমে দেখানো অধিকাংশ কাজ বাস্তবে হয়নি-হবেও না। তারা অভিযোগ করেন, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার বরাদ্দকৃত অর্থের অর্ধেক টাকা তার জন্য রেখে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

    একাধিক শিক্ষক আরও অভিযোগ করেন, অর্ধেক টাকা না দিলে বিল অনুমোদন আটকে দেওয়ার হুমকি দিয়ে বারবার মুঠোফোনে ফোন করা হচ্ছে। যার রেকর্ডও দেশ রুপান্তরের হাতে রয়েছে।

    এক সহকারী শিক্ষক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আমাদের স্কুলে কোনো কাজই হয়নি, অথচ বিল-ভাউচারে অনেক কিছু দেখানো হয়েছে।

    এই বিষয়ে বালিয়াকান্দি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোছা. তাজমুন্নাহারকে মুঠোফোনে কল করা হলে সাংবাদিক পরিচয় জানার পর সংযোগ বিছিন্ন করে দেন। পরে তাকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি ফোনকল রিসিভ করেননি।

    জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. তবিবুর রহমান বলেন, এই বরাদ্দগুলো ভিন্ন ভিন্ন খাতে এসেছে। খাত অনুযায়ী এই অর্থ ব্যয় করবে প্রতিষ্ঠানগুলো। ভোটকেন্দ্র মেরামতের জন্য যে বরাদ্দ এসেছে তা নির্বাচনের আগেই ব্যয় করতে হবে। অনিয়মের বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।

  • লালমনিরহাটে হেলিকপ্টার মাধ্যমে নির্বাচনী পর্যবেক্ষণ ও সহিংসতা রোধে সেনাবাহিনীর প্যারা কমান্ডো কতৃক উদ্ধার

    লালমনিরহাটে হেলিকপ্টার মাধ্যমে নির্বাচনী পর্যবেক্ষণ ও সহিংসতা রোধে সেনাবাহিনীর প্যারা কমান্ডো কতৃক উদ্ধার

    সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সকালে লালমনিরহাট শহরের সোহরাওয়ার্দী মাঠে এ মহড়া অনুষ্ঠিত হয়। মহড়াটি পরিদর্শন করেন ৬৬ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি ও রংপুর এরিয়া কমান্ডার মেজর জেনারেল মোহাম্মদ কামরুল হাসান।
    সার্বিক দিকনির্দেশনায় আয়োজিত এ মহড়ায় ৬৬ পদাতিক ডিভিশনের বিভিন্ন ইউনিট অংশগ্রহণ করে। মহড়ার মাধ্যমে নির্বাচনকালীন সম্ভাব্য সহিংসতা মোকাবিলা, দাঙ্গা নিয়ন্ত্রণ, সন্দেহজনক পরিস্থিতি সামাল দেওয়া, গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, দ্রুত প্রতিক্রিয়া এবং সমন্বিত অভিযানের কৌশল প্রদর্শন করা হয়।
    বাস্তব পরিস্থিতির আদলে আধুনিক সরঞ্জাম ব্যবহার করে এ প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালিত হয়। সেনাবাহিনীর এই মহড়ার মূল উদ্দেশ্য হলো সাধারণ জনগণের মধ্যে নিরাপত্তা ও আস্থার পরিবেশ সৃষ্টি করা এবং নির্বাচনকালীন দায়িত্ব পালনে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিশ্চিত করা।
    মহড়ার মাধ্যমে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পেশাদারিত্ব, শৃঙ্খলা ও কার্যকর প্রস্তুতির সক্ষমতা স্পষ্টভাবে ফুটে ওঠেছে।
    সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে এবং যেকোনো পরিস্থিতিতে দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত।
    এ সময় সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, সংশ্লিষ্ট ইউনিটের কমান্ডার ও সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। মহড়াটি প্রত্যক্ষ করা লালমনিরহাটের সাধারণ জনগণ সেনাবাহিনীর এই প্রস্তুতিকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, এ ধরনের মহড়া নির্বাচনকে ঘিরে জনমনে স্বস্তি ও আস্থার বার্তা পৌঁছে দিবে।

  • লালমনিরহাট ২ সংসদীয় আসনের ১৬ ইউনিয়নের জনতার দলের কলম প্রতীক নিয়ে এগিয়ে রয়েছে জনতার দল মোটা প্রার্থী ৭ জন

    লালমনিরহাট ২ সংসদীয় আসনের ১৬ ইউনিয়নের জনতার দলের কলম প্রতীক নিয়ে এগিয়ে রয়েছে জনতার দল মোটা প্রার্থী ৭ জন

    লালমনিরহাট ২ সংসদীয় আসন আদিতমারী ও কালীগঞ্জ উপজেলার ১৬ টি ইউনিয়নের কলম মার্কা প্রতীক এগিয়ে রয়েছে। এই আসনটি জনতার দলের চেয়ারম্যানের পিতা মরহুম আলহাজ্ব মুজিবুর রহমান এমপি স্বাধীনতা পর থেকে বিএনপি ও জাতীয় পার্টি থেকে এমপি নির্বাচিত হয়েছেন। পরবর্তীতে নির্বাচনে ৭ বারের এমপি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ না নিলে বিনা ভোটে আওয়ামী লীগের এমপি নির্বাচিত হয়েছেন। সেই সময়ে ৭ বারের এমপি সুযোগ্য পুত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল পদে সেনাবাহিনীতে কর্মরত ছিলেন। পিতা মরহুম আলহাজ্ব মুজিবুর রহমান এমপির আসনটি পুনরায় ফিরিয়ে নিতে একাধারে ৭ বারের এমপির অনুসারীদের চাপে মুখে স্বেচ্ছা চাকুরী থেকে অব্যাহতি নিয়ে জনগণের পাশে দাঁড়িয়েছেন বিগ্রেডিয়ার জেনারেল অবসরপ্রাপ্ত শামীম কামাল। বর্তমান রাজনীতিতে প্রতিহিংসা থাকার কারণে মেজর জেনারেল, লেফটেন্যান্ট জেনারেল, এই রকম সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত ঊর্ধতম কর্মকর্তাদের নিয়ে নতুন করে জনতার দল গঠন করেন। সেই দলের চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন বিগ্রেডিয়ার জেনারেল অবসরপ্রাপ্ত শামীম কামাল। তিনি তার পিতার আসনটি পুনরায় ফিরিয়ে নিতে লালমনিরহাট ২ সংসদীয় আসন থেকে এমপি পদে প্রার্থী হয়েছেন। বর্তমান জনতার দলের চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল অবসরপ্রাপ্ত শামীম কামাল কলম মার্কা নিয়ে দুই উপজেলায় ১৬ টি ইউনিয়নের ভোটারদের গণযোয়ার সৃষ্টি করেছেন। জনগণ কলম প্রতীকের পক্ষে কাজ করছেন এবং তার পিতার অনুসারীদের সাথে নিয়ে শেষ মুহূর্তে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। এই আসনটি দল-মত নির্বিশেষে সর্বস্তরের ভোটারগণ কলম মার্কায় ভোট দিয়ে বিজয়ী করবে জানিয়েছেন ৭ বারের এমপি অনুসারীরা অনেকেই গোপনে অথবা প্রকাশ্যে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন, আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ, জাতীয় পার্টির নেতৃবৃন্দ বিএনপি পন্থী ও হিন্দু সম্প্রদায়ের ভোটারগণ দল-মত নির্বিশেষে কলম মার্কায় আসনটি ব্যাপক ভোটে বিজয়ী করবে ৭ বারের এমপি সুযোগ্য পুত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল অবসরপ্রাপ্ত শামীম কামাল কে। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে জামায়াতে ইসলামের প্রার্থী ফিরোজ হায়দার লাভলু দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে, তৃতীয় স্থানে রয়েছেন। বিএনপি প্রার্থী রোকনউদ্দিন বাবুল ধানের শীর্ষ প্রতীক নিয়ে। এই আসনটি প্রার্থীদের মধ্যে শিক্ষাগত যোগ্যতা সর্বোচ্চ ডিগ্রিধারী জাতীয় নেতা ভূ- রাজনৈতিক আন্তর্জাতিক বিশ্লেষক বিগ্রেডিয়ার জেনারেল অবসরপ্রাপ্ত শামীম কামাল ।দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে এডভোকেট ফিরোজ হায়দার লাভলু এলএলবি ।তৃতীয় স্থানে রয়েছে বিএনপি প্রার্থী ধানের শীর্ষের প্রার্থী রোকনউদ্দিন বাবুল ,এস এস সি, পাশ,। বিএনপির প্রার্থী ইউপি নির্বাচন করে পরাজিত হয়েছে ,এবং উপজেলা পরিষদ নির্বাচন করে পরাজিত হয়েছে, সর্বশেষ জাতীয় সংসদ নির্বাচন করে পরাজিত হয়েছে। লালমনিরহাট ২ সংসদীয় আসনে মোট ভোটারের সংখ্যা ৪ লক্ষ ৩২ হাজার ৯ শত ৬৪ জন পুরুষ ভোটারের সংখ্যা ২ লক্ষ ১৭ হাজার ২০০ জন নারী ভোটার ২ লক্ষ ১৫ হাজার ৭ শত ৬১ জন তৃতীয় লিঙ্গ তিনটি ভোট রয়েছে । দুই উপজেলায় মোট ইউনিয়নের সংখ্যা ১৬ টি । প্রার্থী সাত জনের মধ্যে হচ্ছে জনতার দলের চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল অবসরপ্রাপ্ত শামীম কামাল কলম প্রতীক, বিএনপি’র প্রার্থী রোকন উদ্দিন বাবুল ধানের শীষ, জামাতে ইসলাম ফিরোজ হায়দার লাভলু দাঁড়িপাল্লা, ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলনের মাহফুজুর রহমান হাতপাখা, জাতীয় পার্টির প্রার্থী এহাসানুল হক নাঙ্গল , মমতাজ উদ্দিন স্বতন্ত্র মোটরসাইকেল ,নিমাই চন্দ্র রায় কাঁচি মার্কা প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

  • জীবননগরে বাবু খানরে নেতৃত্বে  বিএনপির গণমিছিলে জনতার ঢল

    জীবননগরে বাবু খানরে নেতৃত্বে বিএনপির গণমিছিলে জনতার ঢল

    চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য প্রার্থী বিজিএমইএ ও চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বাবুর নেতৃত্বে বিএনপির গণমিছিলে জনতার ঢল নেমেছিল রাজপথে। রোববার বিকেলে এক কিলোমিটারজুড়ে বিস্তৃত গণমিছিল পরিণত হয় জনসুমদ্রে। মিছিল চলাকালে স্লোগানে স্লোগানে প্রকম্পিত হয়ে ওঠে পুরো এলাকা।
    এর আগ বিকেল গড়াতেই জীবননগর শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো লোকে লোকারণ্যে পরিণত হয়। ব্যানার, ফেস্টুন আর হাতে হাতে দলীয় প্রতীক নিয়ে নানা বয়সী মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে মিছিলে অংশ নেন। মিছিলটি জীবননগর মুক্তমঞ্চ থেকে শুরু হয়ে জীবননগর স্টেডিয়ামে যেয়ে সংক্ষিপ্ত সভা অনুষ্ঠিত হয়।
    সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য প্রার্থী মাহমুদ হাসান খান বাবু। তিনি বলেন, আমাদের সুশৃঙ্খল হতে হবে। আইন মেনে চলতে হবে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে দলে দলে যেয়ে ভোট দিতে হবে। আমার ভোটটা আমি দেব। অন্যরা যাতে সুশৃঙ্খলভাবে, শান্তিপূর্ণভাবে ভোট দিতে পারে আমরা সে বিষয়ে সহযোগিতা করব।
    বিএনপির এই প্রার্থী আরও বলেন, এখন কেউ কেউ পরোক্ষভাবে হুমকি দেওয়ার চেষ্টা করে অমুক দলের লোক, অমুক ধর্মের লোক ভোট কেন্দ্রে গেলে দেখে নেব। আমাদের দায়িত্ব হবে এই নির্বাচনটা যেন উৎসবমুখর হয়। পরোক্ষ না প্রত্যক্ষ হুমকি যদি কেউ দেয় আমাদের দায়িত্ব হবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানানো।

    বাবু খান আরও বলেন, ভোট দেওয়ার পরে.. আপনি আপনার ভোট দেওয়ার পরে, আপনার পরিবারে ভোট দেওয়ার পরে আমরা কেন্দ্রের পাশে আমাদের যে ক্যাম্প আছে সেখানে আমরা অবস্থান করব। অবস্থান মানে কোনো ধরনের হাঙ্গামা, মারামারি এ জন্য না। অবস্থান করা মানে নির্বাচনটাকে আরও বেশি উৎসবমুখর করা। ‍

    বাবু খান বলেন, আমাদের প্রধান প্রতিপক্ষ জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ নাম করে বলে দিলাম। তারা আমাদের শত্রু না। তারা যে কথাটা নির্বাচনী প্রচারণায় বলে বেড়ান..আমাদের নারী ভোটাররা সব ভোট ওনাদের দিয়ে দিয়েছে। এটা ভুয়া। ভুয়া কথা। যদি নারীদের প্রতি তাদের সম্পান থাকত, নারীর ক্ষমতায়নে যদি বিশ্বাস করতেন তাহলে অন্তত ৩০০ আসনের মধ্যে একজন নারীকে নমিনেশন দিতেন। দেয় নাই।
    এসময় বক্তব্য দেন চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক খালিক মাহমুদ মিল্টন, জীবননগর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আক্তারুজ্জামান, জীবননগর পৌরসভার সাবেক মেয়র আরশাফুল ইসলাম, জীবননগর উপজেলা বিএনপির সভাপতি খোকন খান, সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান আলী। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন জীবননগর পৌর বিএনপির সভাপতি শাহজাহান কবীর।
    এসময় উপস্থিত ছিলেন জীবননগর পৌর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক শফিউদ্দীন শফি, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাহতাব উদ্দীন চুন্নু, সহসভাপিত তাজুল ইসলাম, জীবননগর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মঈন উদ্দীন উদ্দীন, সাংগঠনিক সম্পাদক আলতাফ হোসেনসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতা-কমীরা।

  • রাজবাড়ীতে জামায়াতের গণমিছিল-সমাবেশ জন সমুদ্রে পরিনত

    রাজবাড়ীতে জামায়াতের গণমিছিল-সমাবেশ জন সমুদ্রে পরিনত

    রাজবাড়ীতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে এক নির্বাচনী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার ( ০৮ ফেব্রুয়ারি ) বিকেলে শহরের রেলওয়ে মাঠে আয়োজিত এ সমাবেশে নেতাকর্মীদের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। বাদ আছর এ মিছিল হবার কথা থাকলেও বিকাল ৩ টায় রাাজবাড়ী রেলওয়ে মাঠ জনসমুদ্রে পরিনত হয়ে যায়।

    সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ রেলওয়ে ইমপ্লয়িজ লীগের (বিআরইএল) কেন্দ্রীয় কমিটির সেক্রটারী মো. আক্তারুজ্জামান। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন দাঁড়ি পাল্লার রাজরাড়ী -১ আসনের প্রার্থী ও
    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী রাজবাড়ী জেলা আমীর এডভোকেট নুরুল ইসলাম। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন সাবেক উপজেলা আমীর মাওলানা সাইয়েদ আহমেদ, ভারপ্রাপ্ত সদর উপজেলা আমীর অধ্যাপক হেলাল উদ্দিন, জেলা সেক্রেটারি মো. আলিমুজ্জামান, পৌর আমীর ডা. হাফিজুর রহমানসহ দলটির জেলা, উপজেলা ও পৌর পর্যায়ের বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ।

    সমাবেশে বক্তারা বলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি দেশের নেতৃত্ব পরিবর্তনের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন। এদিন ভোটের মাধ্যমে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে। তারা বলেন, জনগণের প্রত্যাশা বাস্তবায়নে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে বিজয় নিশ্চিত করতে নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে মাঠে থাকার আহ্বান জানানো হয়।

    বক্তারা আরও বলেন, সংসদে জামায়াতে ইসলামীর বিজয় নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন ও প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে। গণমানুষের ভোটাধিকার ও ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সবাইকে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত সক্রিয় থাকার আহ্বান জানান তারা।

  • পানুয়াছড়া সীমান্তে রামগড় বিজিবির অভিযানে ২৪ কেজি ভারতীয় গাঁজা জব্দ

    পানুয়াছড়া সীমান্তে রামগড় বিজিবির অভিযানে ২৪ কেজি ভারতীয় গাঁজা জব্দ

    খাগড়াছড়ির রামগড় ৪৩ বিজিবির অভিযানে চট্রগ্রামের ভুজপুর থানার পানুয়াছড়া সীমান্ত এলাকা থেকে চব্বিশ কেজি ভারতীয় গাঁজা জব্দ করা হয়েছে।

    গতকাল শনিবার ৭ ফেব্রুয়ারি বিকেলে রামগড় ৪৩ বিজিবির অধীনস্থ পানুয়াছড়া বিওপি ক্যাম্পের টহলদল বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানের অংশ হিসেবে সীমান্ত পিলার ২২০৫/৬ আরবি থেকে আনুমানিক ৫০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে রহমতপুর হারবাতলী এলাকায় টহলদল কৌশলগতভাবে ফাঁদ পেতে অবস্থান নেয়। বিকেল আনুমানিক ৫টার দিকে ভারত থেকে তিনজন চোরাকারবারী মাদক নিয়ে বাংলাদেশের ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা করলে বিজিবির টহলদল তাদের চ্যালেঞ্জ করে। এ সময় চোরাকারবারীরা সঙ্গে থাকা দুটি বস্তা ঘটনাস্থলে ফেলে দ্রুত ভারতের অভ্যন্তরে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে টহলদল এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে ফেলে যাওয়া দুটি বস্তার ভেতর থেকে চব্বিশটি ছোট প্যাকেটে মোড়ানো মোট ২৪ কেজি গাঁজা জব্দ করে।

    বিজিবি সূত্রে জানায়, উদ্ধারকৃত গাঁজার বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে ।

    রামগড় ৪৩ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল আহসান উল ইসলাম জানান, চোরাচালান ও মাদক পাচারের বিরুদ্ধে বিজিবি সবসময় জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে। সীমান্ত এলাকায় মাদক ও অন্যান্য চোরাচালান প্রতিরোধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতে ও অব্যাহত থাকবে।

    তিনি আরও জানান, সীমান্ত সুরক্ষা ও অভিযানিক কার্যক্রম পরিচালনার পাশাপাশি মাদকের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে সাধারণ জনগণকে সচেতন করতে বিজিবি ২৪ ঘণ্টা সীমান্তে দায়িত্ব পালন করছে। সীমান্তে চোরাচালান, মাদকদ্রব্য, মানব পাচার ও অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধে তথ্য দিয়ে বিজিবিকে সহযোগিতা করার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহ্বান জানান।

  • খাগড়াছড়িতে ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ প্রার্থীর নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা

    খাগড়াছড়িতে ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ প্রার্থীর নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা

    ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ এর খাগড়াছড়ি ২৯৮ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী মোঃ নুর ইসলাম শামীম নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছেন।
    শনিবার (০৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে খাগড়াছড়ি প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ ইশতেহার প্রকাশ করা হয়। ইশতেহারে শান্তি, সম্প্রীতি ও টেকসই উন্নয়নের অঙ্গীকার তুলে ধরা হয়। এতে ভূমি অধিকার নিশ্চিতকরণ, পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তির অবাস্তবায়িত ধারা বাস্তবায়ন এবং পাহাড়ে সকল জাতিগোষ্ঠীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার কথা বলা হয়। এছাড়া কৃষি উন্নয়নে আধুনিক হিমাগার স্থাপন, ফল প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প গড়ে তোলা, প্রান্তিক কৃষকদের জন্য সুদমুক্ত ঋণ, প্রতিটি উপজেলায় আইটি ও কারিগরি শিক্ষা কেন্দ্র স্থাপন এবং ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মাতৃভাষায় শিক্ষা সম্প্রসারণের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়। সাজেকসহ দুর্গম সড়ক উন্নয়ন, পর্যটন কেন্দ্র উন্নয়ন, প্রত্যন্ত এলাকায় উচ্চগতির ইন্টারনেট এবং খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতাল আধুনিকায়নের কথাও ইশতেহারে উল্লেখ করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংরাদেশ দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য নাছির উদ্দিন,সাইদুল ইসলাম,আনোয়ার হোসাইন, হানিফ মিয়া,বেলাল হোসেন,মোঃ কাউছার আলম, খাগড়াছড়ি জেলা কমিটির প্রচার সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম সহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

  • ভোলায় জামায়াতের সন্ত্রাসী কর্তৃক হাতপাখার নেতাকর্মীদের উপর নৃশংস হামলার দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি

    ভোলায় জামায়াতের সন্ত্রাসী কর্তৃক হাতপাখার নেতাকর্মীদের উপর নৃশংস হামলার দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি

    ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহবায়ক অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, শনিবার এক বিবৃতিতে বলেছেন, ভোলা-১ আসনে জামায়াতে কর্মীদের ঔদ্ধত্য ধৈর্যের সীমা ছাড়িয়ে যাচ্ছে। নির্বাচনী পরিবেশকে উত্তপ্ত করে তুলছে। আজ ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে আমাদের কর্মীদের ওপরে যে হামলার ঘটনা ঘটেছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ তার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছে এবং প্রশাসনের প্রতি আহবান করছে যেন, অবিলম্বে অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা হয়। কারণ এই ধরণের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড উৎসবমূখর নির্বাচনের পরিবেশকে কলুষিত করবে।

    অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান স্থানীয় সূত্রের বরাত দিয়ে বলেন, ঘটনার সূত্রপাত দুইদিন আগে নির্বাচনী উঠান বৈঠক থেকে শুরু হয়েছে। হাতপাখার উঠান বৈঠকে নির্বাচনী প্রচারণা চলাকালে কিছু সত্য কথা জামায়াত নেতাদের বিরুদ্ধে গেলে তারা সেখানে বাঁধা দেয়। যা হাতপাখার নেতাকর্মীরা সহনশীলতা প্রদর্শন করে সমাধান করেন। তবে স্থানীয় জামায়াত থেকে অনবরত হামলার হুমকি আসতে থাকে। বলা হয়, ‘১২তারিখের পর সবাইকে দেখে নেওয়া হবে!’

    এমতবস্থায় আজ ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, সকাল ১০টার দিকে স্থানীয় বাজারে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর নির্বাচনী কার্যালয়ের সামনে স্থানীয় জামায়াত রোকনের নেতৃত্বে জামায়াতের কিছু নেতাকর্মী জড়ো হয়ে পীর সাহেব চরমোনাই ও হাতপাখার নামে নোংরা ও মিথ্যারোপ করতে শুরু করে। যা ইউনিয়ন ইসলামী যুব আন্দোলনের সভাপতি শফিকুল ইসলামের দৃষ্টিগোচর হলে তিনি বাঁধা প্রদান করেন। পরবর্তীতে তারা আরো নেতাকর্মী জড়ো করে যুব আন্দোলনের সভাপতির বাড়িতে ধারালো অস্ত্রসহ হামলা চালায়। এসময়ে তার ছেলে ও ১০ বছরের মেয়েকে কোদালের আঘাত দিয়ে হাত ভেঙে ফেলাসহ আহত করা হয়। মেয়ের আর্তচিৎকারে উক্ত নেতার স্ত্রী বের হয়ে এলে তাকেও এলোপাতাড়ি হামলা করা হয়। এ সংবাদ শফিকুল ইসলামের কাছে পৌঁছলে তিনি পাশের ক্ষেতে কাজ করা রেখে দৌড়ে ছুটে আসেন এবং তিনিও হামলায় রক্তাক্ত হোন। পরবর্তীতে স্থানীয় মানুষরা ছুটে আসলে জামায়াত নেতারা উক্ত স্থান ত্যাগ করে।

    অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান বলেন, এই ধরণের হামলা যারা করছে তারা দেশের শান্তি ‍ও শৃংখলার জন্য হুমকি। তাদেরকে অবিলম্বে গ্রেফতার করতে হবে এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে।

  • ঝিনাইদহ-৪ জামায়াতের বিশাল নির্বাচনী সমাবেশ অনুষ্ঠিত।

    ঝিনাইদহ-৪ জামায়াতের বিশাল নির্বাচনী সমাবেশ অনুষ্ঠিত।

    ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে জামায়াত ইসলামী বিশাল নির্বাচনী সমাবেশ করেছে। শনিবার বিকালের শহরের নলডাঙ্গা ভূসণ স্কুল মাঠে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়। সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তৃতা করেন, ঝিনাইদহ-৪ (কালীগঞ্জ উপজেলা ও সদরের চার ইউনিয়ন) আসনের জামায়াতের দাড়িপাল্লা প্রতিকের প্রার্থী মাওলানা আবু তালিব।
    সমাবেশকে সফল করতে দুপুরের পর থেকে ঝিনাইদ-৪ নির্বাচনী এলাকার বিভিন্ন গ্রাম থেকে নারী ওপুরুষ নেতাকর্মীরা আসতে থাকে। অনুষ্ঠান শুরু হওয়ার আগেই সমাবেশস্থল পেরিয়ে শহরের সব রাস্তার জনসমুদ্রে পরিনত হয়। বিশেষ করে নারী কর্মীদের উপস্থিতি ছিল লক্ষনীয়। সব মিলিয়ে নির্বাচনের চারদিন আগে দলটি তাদের শক্তির জানান দিয়েছে।

    সমাবেশে দাড়িপাল্লা প্রতিকের প্রার্থী মাওলানা আবু তালিব বলেন, ৫৪ বছর পার হয়েছে। এসময়ে দেশে ১২ সংসদ নির্বাচন হয়েছে। ১৩তম নির্বাচন ১২ ফেব্রুয়ারি। মানুষ উপলব্ধি করছে এতোদিন যারা নির্বাচিত হয়েছে তারা লুট ও হত্যার রাজনীতি করেছে। আমাদের হাজার হাজার নেতাকর্মীকে হত্যা করা হয়েছে। আজ মানুষ বুঝতে শিখেছে আমরা আর তাদের ফাদে পা দিতে চাই না। আমরা একটি ইনসাফ ভিত্তিক ন্যায় প্রতিষ্ঠার রাষ্ট্র গড়তে চাই। আপনাদের ভোটে জামায়াত নির্বাচিত হলে অপসাশসন ও অনিময়ম থাকবে না। শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে একটি ন্যায়ভিত্তিক দেশ গড়ে তোলা হবে।
    আমাকে জামায়াত মনোনয়ন দিয়েছেন। আমাদের সাথে আছে আরো ১০টি দল। আপনাদের কাছে আবেদন করতে চাই। সাংবাদিক ও আলেম ওলামাদের সাথে নিয়ে কালীগঞ্জকে মডেল করে গড়ে তুলতে চাই। আমি নির্বাচিত হলে পিছিয়ে পড়া গোষ্ঠিকে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করা হবে। কৃষকদের প্রনোনদনাসহ আধুনিক যন্ত্রপাতি ব্যবহারের বিষয়টি গুরুত্ব দেওয়া হবে। নদী ও খাল খনন করা হবে, মাদকমুক্ত সমাজ গড়া হবে। মোবারকগঞ্জ চিনিকলকে দুর্নীতির হাত থেকে উদ্ধার করে উৎপাদনশীল ও লাভজনক করা হবে। আমাদের কালীগঞ্জে একটি দলের সন্ত্রাসী হামলায় দুইভাইকে হত্যা করা হয়েছে। এ নৃশংস হত্যার বিচার করা হবে। নারীদের দক্ষতা বৃদ্ধি করে সামাজিক বলয় গড়ে তোলা হবে। মোড়ে মোড়ে অভিযোগ বক্স করা হবে। জনগণের অভিযোগ নিয়ে উন্নয়ন করা হবে। আমার কোন অর্থ দরকার নেই, আমার কোন লোভ নেই। আমি কালীগঞ্জবাসির উন্নয়নে কাজ করতে চাই।
    জামায়াতে ইসলামীর হিন্দু শাখার নেতা বাবু পিকুল মজুমদার বলেন, বাংলাদেশ স্বাধীনতার পর থেকে দেখে এসেছি প্রর্থীরা কথা দেয় কিন্তু নির্বাচিত হওয়ার পর আর কথা রাখে না। তারা লুটপাটের রাজনীতি করে। হোটেলে পর নারী নিয়ে পড়ে থাকে। রাতের বেলা গাছকে ধাক্কা দিয়ে বলে গাছ তুই সরে যা আমি বাড়ি যাবো। আমরা কি এ ধরনের মানুষ ভোট দিয়ে সংসদে পাঠাতে চাই না। এলাকার উন্নয়নে সৎ, যোগ্য, দুর্নীতিমুক্ত ও শিক্ষিত জামায়াতের দাড়িপাল্রার প্রার্থী আবু তালিবকে ভোট দিয়ে সংসদে পাঠানোর আহবান করেন।
    সমাবেশে আরো বক্তৃতা করেন, কেন্দ্রী সুরা সদস্য ও ঝিনাইদহ জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির আব্দুল আলিম, জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি আব্দুল আওয়াল, মহেশপুর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল হাই, কালীগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের আমির আব্দুল হক মোল্লা, কালীগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের সাবেক আমির মাওলানা ওয়ালিউর রহমান, সদর উপজেলার আমির ড. হাবিবুর রহমান, ঝিনাইদহ শহর শাখার আমির এ্যাড. ইসমাইল হোসেন, কালীগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি অধ্যাপক লুৎফর রহমান ও কালীগঞ্জ উপজেলা ছাত্রশিবিরের সভাপতি ঈশা খানসহ স্থানীয় নেতারা।
    সমাবেশ শেষে বিশাল একটি র‌্যালী কালীগঞ্জ শহর প্রদক্ষিণ করে।

  • ।।লালমনিরহাট ২ সংসদীয় আসনে প্রার্থী জনতার দলের চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল অবসরপ্রাপ্ত শামীম কামাল চট্টগ্রামে জনসভায়।।

    ।।লালমনিরহাট ২ সংসদীয় আসনে প্রার্থী জনতার দলের চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল অবসরপ্রাপ্ত শামীম কামাল চট্টগ্রামে জনসভায়।।

    চট্টগ্রামে জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লালমনিরহাট ২ সংসদীয় আসনে এমপি প্রার্থী বিগ্রেডিয়ার জেনারেল অবসরপ্রাপ্ত শামীম কামাল তিনি আজ এক বিশাল নির্বাচনী জনসভায় জনগণের জোয়ার নেমেছে। জনতার দলের সুযোগ্য প্রার্থী হায়দার আলী চৌধুরী-র নেতৃত্বে আজ চট্টগ্রামের মাটি ও মানুষের অধিকার আদায়ের শপথ নিল হাজার হাজার জনগণ ।জনতার দলের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে আজকের এই জনসভা প্রমাণ করে যে, সাধারণ মানুষ পরিবর্তনের পক্ষে ভোটারগণ ব্যালটের মাধ্যমেই জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জনতার দলের চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল অবসরপ্রাপ্ত শামীম কামাল কলম মার্কা প্রতীক ভোট দিয়ে নির্বাচিত করার আহ্বান করেন।তিনি আরো বলেন আগামী নির্বাচনে এলাকার উন্নয়ন ও জনগণের অধিকার রক্ষায় আপনার মূল্যবান ভোটটি “কলম” মার্কায় ভোট দিয়ে প্রার্থী বিজয়ী করে এলাকার উন্নয়নে সহযোগিতা করতে আহ্বান করেন এসময়ে জনতার দলের কেন্দ্রীয় কমিটির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন ।