Blog

  • লালমনিরহাট সংসদীয় তিনটি আসনেই ধানের শীষ প্রতীকের নিরঙ্কুশ বিজয় লাভ।

    লালমনিরহাট সংসদীয় তিনটি আসনেই ধানের শীষ প্রতীকের নিরঙ্কুশ বিজয় লাভ।

    লালমনিরহাট জেলার তিনটি সংসদীয় আসনে বেসরকারি ফলাফলে সবকটিতেই জয় পেয়েছে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীরা।
    জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে বিজয়ীদের হাতে বেসরকারি ফলাফলের তালিকা তুলে দেওয়া হয়।

    লালমনিরহাট-৩ (সদর) আসনে ধানের শীষ প্রতীকে অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলু পেয়েছেন ১ লাখ ৩৯ হাজার ৬৫১ ভোট।তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর আবু তাহের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পান ৫৬ হাজার ২৪৪ ভোট। এছাড়া অন্যান্য প্রার্থীদের মধ্যে ইসলামী আন্দোলনের আমিনুল ইসলাম ৩ হাজার ২৮৩, জাতীয় পার্টির জাহিদ হাসান ২ হাজার ১৫০, গণসংহতি আন্দোলনের দ্বীপক কুমার ৪২৯ এবং সিপিবির মধুসূধন রায় পেয়েছেন ৮৬৯ ভোট।

    লালমনিরহাট-২ (আদিতমারী- কালীগঞ্জ) আসনে বিএনপির রোকনউদ্দিন বাবুল ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ২৩ হাজার ৯৪৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর ফিরোজ হায়দার লাভলু দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পান ১ লাখ ১৭ হাজার ২৫২ ভোট। অন্যান্যদের মধ্যে জনতা দলের চেয়ারম্যান কলম প্রতীকে ব্রিগেডিয়ার (অব.) শামিম কামাল ২০ হাজার ১২৭ ভোট, ইসলামী আন্দোলনের মাহফুজুর রহমান ৬ হাজার ৯৩৯ এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী মমতাজ উদ্দিন ৩ হাজার ৪৯৯ ভোট পেয়েছেন।

    লালমনিরহাট-১ (হাতিবান্ধা-পাটগ্রাম) আসনে বিএনপির হাসান রাজিব প্রধান ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৩৮ হাজার ৬৮৬ ভোটে বিজয়ী হন।তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের আনোয়ারুল ইসলাম রাজু দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ১ লাখ ২৯ হাজার ৫৭২ ভোট পেয়েছেন। স্বতন্ত্র প্রার্থী শিহাব আহমেদ ঘোড়া প্রতীকে ৭ হাজার ৯৫৯, জাতীয় পার্টির মশিউর রহমান রাঙ্গা লাঙ্গল প্রতীকে ৫ হাজার ১৫৮, লেবার পার্টির শুভ আহম্মেদ ১৪৩, স্বতন্ত্র রেজাউল বারি সরকার মোটরসাইকেল প্রতীকে ৮০৪, স্বতন্ত্র রেদাউনুল হক তালা প্রতীকে ১৯১, ইসলামী আন্দোলনের ফজলুল কবীর শাহরীয়ার ৪ হাজার ৪৪২, জাসদের হাবিব মোহাম্মদ ফারুক পেয়েছেন ২২৬ ভোট।

  • জীবননগর প্রেসক্লাব দখলের চেষ্টা জামায়াত ও আ.লীগপন্থীদের

    জীবননগর প্রেসক্লাব দখলের চেষ্টা জামায়াত ও আ.লীগপন্থীদের

    জামায়াতপন্থী নূর আলম, আওয়ামী লীগপন্থী মিথুন মাহমুদ, হুমায়ুন কবীর, মহিবুল ইসলাম মুকুল,রায়হানসহ কয়েকজনের নেতৃত্বে চুয়াডাঙ্গার জীবননগর প্রেসক্লাব দখলের চেষ্টা চালিয়েছেন। এ সময় প্রতিবাদ করায় জীবননগর প্রেসক্লাবের সভাপতি ও যুগান্তরের প্রতিনিধি ফয়সাল মাহতাব মানিক, সাধারণ সম্পাদক এনটিভি ও আজকের পত্রিকার প্রতিনিধি মো. রিপন হোসেন, আরটিভি ও জনকণ্ঠের প্রতিনিধি ওমর ফারুক, দৈনিক নবচিত্রের প্রতিনিধি জাহিদুল ইসলাম কাজলসহ সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। গতকাল শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে এই হামলার ঘটনা ঘটে। এসময় তাদের রক্ষা করতে গেলে ব্যবসায়ী সুমন বিশ্বাস, মনির হোসেনসহ কয়েকজনের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। পরে জীবননগর থানা-পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় জীবননগর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের হয়েছে। এদিকে এই হামলার ঘটনায় গতকাল শুক্রবার বিকেলে জীবননগর প্রেসক্লাবে জরুরি সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় জীবননগর প্রেসক্লাব দখল চেষ্টার প্রতিবাদ এবং গত বৃহস্পতিবার মহেশপুর উপজেলা প্রেসক্লাবে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনার প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। একটি সূত্র জানায়, চুয়াডাঙ্গা-২ আসনে জামায়াতের প্রার্থী বিজয়ী হওয়ায় গত বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলা পরিষদের মধ্যে নূর আলম ও মিথুন মাহমুদের নেতৃত্বে ৮-১০ জন জামায়াত ও আওয়ামী লীগপন্থী সাংবাদিক জীবননগর প্রেসক্লাব দখলের পরিকল্পনা করেন। এরই অংশ হিসেবে বেলা ১১টার দিকে রিপনকে ফোন করা হয়। পরে রিপন চাবি দিতে না চাওয়ায় তাকেসহ সেখানে উপস্থিত সাংবাদিকদের সঙ্গে হামলা করা হয়। এ বিষয়ে জীবননগর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো. রিপন হোসেন বলেন, আমি বৃহস্পতিবার ভোট ডিউটি হিসেবে সারারাত সময়ের সমীকরণ অফিসে ছিলাম। সকালে বাড়ি ফিরে জীবননগর কাজী টাওয়ারের সামনে একটি মোটরসাইকেল গ্যারেজে অবস্থানকালীন নূর আলম ফোন করে প্রেসক্লাবের চাবি চান। পরে আমি প্রেসক্লাবে গেলে প্রথমে তিনি পরে পর্যায়ক্রমে মিথুনসহ আরও কয়েকজন হামলা করেন। এ সময় আমাকে রক্ষা করতে গেলে আরও কয়েকজনের ওপর হামলা করা হয়। জীবননগর প্রেসক্লাবের সভাপতি ফয়সাল মাহতাব মানিক বলেন, নূর আলমের নেতৃত্ব কয়েকজন প্রেসক্লাব দখল করতে এসেছে খবর পেয়ে আমি প্রেসক্লাবের দোকানের সামনে আসি। এসময় নূর আলমের নেতৃত্ব ৫ থেকে ৭ জন আমার ওপর হামলা করেন। সাংবাদিক জাহিদুল ইসলাম কাজল বলেন, প্রেসক্লাব দখলের খবর পেয়ে আমি এসে দেখি নূর আলম মারমুখি আচারণ করছে। এসময় হঠাৎ করে মিথুন, রায়হানসহ আরও কয়েকজন আমাদের ওপর অতর্কিত হামলা শুরু করেন।

  • কিশোরগঞ্জের ৬ আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন-২০২৬ এর আনুষ্ঠানিক ফল ঘোষণা

    কিশোরগঞ্জের ৬ আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন-২০২৬ এর আনুষ্ঠানিক ফল ঘোষণা

    কিশোরগঞ্জ জেলার ছয়টি সংসদীয় আসনের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন-২০২৬ এর আনুষ্ঠানিক ফলাফল ঘোষণা করেছেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আসলাম মোল্লা। বৃহস্পতিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ফল ঘোষণা করা হয়।
    ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, কিশোরগঞ্জের ৬টি আসনের মধ্যে ৫টিতে বিএনপির প্রার্থী এবং ১টিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন।
    কিশোরগঞ্জ-১ (কিশোরগঞ্জ সদর–হোসেনপুর)
    এই আসনের ১৮২টি কেন্দ্রের ফলাফল অনুযায়ী বিএনপির প্রার্থী মোঃ মাজহারুল ইসলাম ১,২২,৯৪৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী মাওলানা হেদায়েতউল্লাহ হাদী (রিকশা প্রতীক) পেয়েছেন ৯৯,৪৮৮ ভোট।
    কিশোরগঞ্জ-২ (পাকুন্দিয়া–কটিয়াদী)
    মোট ১৭০টি কেন্দ্রের ফল গণনা শেষে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী অ্যাডভোকেট জালাল উদ্দিন ১,৪৩,৬৬৯ ভোট পেয়ে জয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী মোঃ শফিকুল ইসলাম মোড়ল (দাঁড়িপাল্লা প্রতীক) পেয়েছেন ১,২০,৯৭৫ ভোট।
    কিশোরগঞ্জ-৩ (করিমগঞ্জ–তাড়াইল)
    মোট ১৫১টি কেন্দ্রের ফলাফল শেষে বিএনপির প্রার্থী সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ড. ওসমান ফারুক ১,১২,৪৬৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী ডা. কর্নেল জিহাদ খান (দাঁড়িপাল্লা প্রতীক) পেয়েছেন ১,০২,৪৭৬ ভোট।
    কিশোরগঞ্জ-৪ (ইটনা–মিঠামইন–অষ্টগ্রাম)
    মোট ১৫০টি কেন্দ্রের ফলাফল শেষে বিএনপির প্রার্থী অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান ১,৩২,৪৭২ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত ইসলামী প্রার্থী রোকন রেজা পেয়েছেন ৫৭,৮২৯ ভোট।
    কিশোরগঞ্জ-৫
    মোট ১১৯টি কেন্দ্রের ফল গণনা শেষে বিএনপির বহিষ্কৃত নেতা ও স্বতন্ত্র প্রার্থী শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল ৭৯,৬০৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী সৈয়দ এহসানুল হুদা (ধানের শীষ প্রতীক) পেয়েছেন ৬৬,৪৫০ ভোট।
    কিশোরগঞ্জ-৬
    মোট ১৪২টি কেন্দ্রের ফলাফল শেষে বিএনপির প্রার্থী মো. শরীফুল আলম ১,৮৭,১৫৯ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী মাওলানা আতাউল্লাহ আমীন (রিকশা প্রতীক) পেয়েছেন ৪৪,০৯৫ ভোট।
    ঘোষিত ফলাফলের মাধ্যমে জেলায় নির্বাচন প্রক্রিয়ার আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে।

  • রামগড়ে ওয়াদুদ ভূইয়া সমর্থক পরিষদের উদ্যোগে মোনাজাত ও মিষ্টি বিতরণ

    রামগড়ে ওয়াদুদ ভূইয়া সমর্থক পরিষদের উদ্যোগে মোনাজাত ও মিষ্টি বিতরণ

    খাগড়াছড়ি ২৯৮ নং সংসদীয় আসনে বিএনপি’র ধানের শীষের প্রার্থী ওয়াদুদ ভূঁইয়া বিপুল ভোটে এমপি নির্বাচিত হওয়ার রামগড়ে মোনাজাত ও মিষ্টি বিতরণ করা হয়েছে।

    শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারী) সন্ধ্যায় ওয়াদুদ ভূইয়া সমর্থক পরিষদের বাজারস্থ কার্যালয়ে রামগড় উপজেলা ও পৌর শাখার প্রধান সমন্বয়ক রিয়াজ উদ্দিন রিপন এর সভাপতিত্বে শহীদ রাষ্ট্রপ্রতি জিয়াউর রহমান, মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া ও আরাফাত রহমান কোকো সহ সকল কবরবাসীর রুহের মাগফেরাত কামনা এবং ওয়াদুদ ভূঁইয়া সহ দেশবাসীর মঙ্গল কামনায় দোয়া ও মোনাজাত করা হয়েছে।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন, ওয়াদুদ ভূঁইয়া সমর্থক পরিষদ রামগড় উপজেলা শাখার আহ্বায়ক মো. শাহআলম, সদস্য সচিব মো.নুর হোসেন সোবহান, যুগ্ম-আহ্বয়াক মো. জসিম উদ্দিন, যুগ্ম-আহ্বায়ক মো.মোস্তফা, পৌর শাখার আহ্বায়ক মো. সিরাজুল ইসলাম, সদস্য সচিব মো.নুরুল আবছার শামীম, যুগ্ম-আহ্বায়াক কাজী মো.ছাদেক, যুগ্ম-আহ্বায়ক ওয়াজেদ আলী সর্দার সহ উপজেলা ও পৌর শাখার সকল নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

  • ময়মনসিংহে বিএনপির যারা বিজয়ী হয়েছেন

    ময়মনসিংহে বিএনপির যারা বিজয়ী হয়েছেন

    ময়মনসিংহ-১ (হালুয়াঘাট ও ধোবাউড়া) আসনে জয় পেয়েছেন স্বতন্ত্র ঘোড়া প্রতীকের প্রার্থী সালমান ওমর রুবেল। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্সকে ছয় হাজার ৩৩৯ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেছেন। সালমান ওমর রুবেল পেয়েছেন ১ লাখ ৮ হাজার ২৬৫ ভোট ও সৈয়দ ইমরান সালে প্রিন্স পেয়েছেন ১ লাখ ১ হাজার ৯২৬ ভোট। এই আসনে মোট ১৪৩টি কেন্দ্রে (হালুয়াঘাটে ৯৪টি ও ধোবাউড়ায় ৪৯টি) ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    ময়মনসিংহ-২ (ফুলপুর-তারাকান্দা) আসনে জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলীয় জোট মনোনীত খেলাফত মজলিসের রিকশা প্রতীকের প্রার্থী মুহাম্মদুল্লাহ বিজয়ী হয়েছেন। তিনি ভোট পেয়েছেন এক লাখ ৪৬ হাজার ২০২টি। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী মোতাহার হোসেন তালুকদার পেয়েছেন এক লাখ ১৮ হাজার ৪৩৮ ভোট।
    ময়মনসিংহ-৩ (গৌরীপুর) আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী প্রকৌশলী মো. ইকবাল হোসেইন ৭৫ হাজার ৩২০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির বিদ্রোহী স্বতন্ত্র ঘোড়া প্রতীকের প্রার্থী আহমেদ তায়েবুর রহমান হিরন পেয়েছেন ৬৫ হাজার ৯৯৫ ভোট।
    ময়মনসিংহ-৪ (সদর) আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী আবু ওয়াহাব আকন্দ বিজয়ী হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন এক লাখ ৮১ হাজার ৪৪৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় জোট মনোনীত জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী কামরুল আহসান এমরুল পেয়েছেন এক লাখ ৭৪ হাজার ১৮০ ভোট।
    ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী জাকির হোসেন বাবলু এক লাখ ২৮ হাজার ৯০৬ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী অ্যাডভোকেট মতিউর রহমান আকন্দ পেয়েছেন এক লাখ ২ হাজার ২২৬ ভোট।
    ময়মনসিংহ-৬ (ফুলবাড়িয়া) আসনে জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলীয় জোট মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী কামরুল হাসান মিলন বিজয়ী হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ৭৭ হাজার ৩২৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির বিদ্রোহী স্বতন্ত্র ফুটবল প্রতীকের প্রার্থী আখতার সুলতানা ফুটবল পেয়েছেন ৫৩ হাজার ২৯১ ভোট।
    ময়মনসিংহ-৭ (ত্রিশাল) আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ডা. মাহবুবুর রহমান লিটন ৯৯ হাজার ৪৯ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আসাদুজ্জামান সোহেল পেয়েছেন ৮৪ হাজার ৮৫১ ভোট।
    ময়মনসিংহ-৮ (ঈশ্বরগঞ্জ) আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী লুৎফল্লাহেল মাজেদ বিজয়ী হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন এক লাখ ৮ হাজার ৬৮৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এলডিপির অ্যাডভোকেট আওরঙ্গজেব বেলাল ছাতা প্রতীকে পেয়েছেন ৪৬ হাজার ৫১৫ ভোট।
    ময়মনসিংহ-৯ (নান্দাইল) আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ইয়াসের খান চৌধুরী ৮৬ হাজার ১৯৫ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিডিপির ফুলকপি প্রতীকের প্রার্থী আনোয়ারুল ইসলাম পেয়েছেন ৭১ হাজার ২৯১ ভোট।
    ময়মনসিংহ-১০ (গফরগাঁও) আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী আখতারুজ্জামান বাচ্চু বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ৭৫ হাজার ৫৭৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির বিদ্রোহী স্বতন্ত্র হাঁস প্রতীকের প্রার্থী আবু বক্কর সিদ্দিকুর রহমান পেয়েছেন ৬৬ হাজার ৯৯৯ ভোট।
    ময়মনসিংহ-১১ (ভালুকা) আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ফখর উদ্দিন আহমেদ বাচ্চু এক লাখ ১১ হাজার ২৩০ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির স্বতন্ত্র হরিণ প্রতীকের প্রার্থী মোরশেদ আলম পেয়েছেন ৬৬ হাজার ১৬ ভোট।
    ময়মনসিংহ-৯ (নান্দাইল) আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ইয়াসের খান চৌধুরী ৮৬ হাজার ১৯৫ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিডিপির ফুলকপি প্রতীকের প্রার্থী আনোয়ারুল ইসলাম পেয়েছেন ৭১ হাজার ২৯১ ভোট। এই আসনের ১২১টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    ময়মনসিংহ-১০ (গফরগাঁও) আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী আখতারুজ্জামান বাচ্চু বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ৭৫ হাজার ৫৭৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির বিদ্রোহী স্বতন্ত্র হাঁস প্রতীকের প্রার্থী আবু বক্কর সিদ্দিকুর রহমান পেয়েছেন ৬৬ হাজার ৯৯৯ ভোট। এই আসনের ১১১টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    ময়মনসিংহ-১১ (ভালুকা) আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ফখর উদ্দিন আহমেদ বাচ্চু এক লাখ ১১ হাজার ২৩০ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির স্বতন্ত্র হরিণ প্রতীকের প্রার্থী মোরশেদ আলম পেয়েছেন ৬৬ হাজার ১৬ ভোট। এই আসনের ১০৭টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

  • লালমনির হাট জেলার  তিনটি সাংসদীয় আসনে ভোটের সরঞ্জামাদি কেন্দ্রে কেন্দ্রে পৌঁছাতে ব্যাস্ত জেলা প্রশাসন।।

    লালমনির হাট জেলার তিনটি সাংসদীয় আসনে ভোটের সরঞ্জামাদি কেন্দ্রে কেন্দ্রে পৌঁছাতে ব্যাস্ত জেলা প্রশাসন।।

    লালমনিরহাট জেলার ০৩টি সংসদীয় আসনে ৩৮৬টি ভোট কেন্দ্রের নির্বাচনী সরঞ্জাম ইতিমধ্যে পৌছে গেছে।ব্যালট পেপার,ব্যালট বাক্স,সিল,অমোচনীয় কালি সহ প্রিজাইডিং কর্মকর্তাগন দ্বায়িত্বপুর্ন কেন্দ্রে পৌছে গিয়েছেন।

    বুধবার(১১ ফেব্রুয়ারী)সকাল থেকে জেলার ০৩ টি সংসদীয় আসনের ৩৮৬টি ভোট কেন্দ্রের নির্বাচনী সরঞ্জাম বিতরন শুরু করেন উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তাগন।আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য,প্রিজাইডিং কর্মকর্তা,ভোট গ্রহনের জন্য দ্বায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তা গন নির্বাচনী সরঞ্জাম বুঝে নিয়ে কেন্দ্রভিমুখে রওয়না দিয়েছেন।

    লালমনিরহাট জেলার ০৩টি সংসদীয় আসনের মোট ভোটার সংখ্যা১১লাখ ৪৪ হাজার ৪৯৬জন
    ৩৮৬টি কেন্দ্রের মধ্যে ২১৮টি ঝুঁকি পুর্ন কেন্দ্র হিসেবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী চিহ্নিত করেছে, ১১১টি গুরুত্বপুর্ন কেন্দ্রের তালিকায় রাখা হয়েছে,১০৮টি অতিগুরুত্বপুর্ন লাল তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।
    সীমান্তবর্তী ১৬৪টি কেন্দ্র রয়েছে যার মধ্যে ১৫টি ঝুঁকিপুর্ন এবং ২৫টি অতিমাত্রায় ঝুঁকিপুর্ন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।প্রতিটি কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরার আওতায় আনা হয়েছে, এর পাশাপাশি ভোট কারচুপি ঠেকাতে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীকে বডি ক্যামেরা সরবরাহ করা হয়েছে।
    প্রতিটি কেন্দ্রের ভিতর এবং বাহিরে নিরাপত্তার জন্য নির্বাচন কমিশন সেনাবাহিনি,র‍্যাব, পুলিশ,আনসার সদস্য নিয়োগ দেওয়া দিয়েছে।সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় সুষ্ঠ ভোট গ্রহনে এখন পর্যন্ত ভোটের পরিবেশ অনুকুলে রয়েছে বলে মনে করেন সাধারন ভোটারগন।

  • রামগড়ে  র‌্যাব ৭ এর প্রেস ব্রিফিং

    রামগড়ে র‌্যাব ৭ এর প্রেস ব্রিফিং

    আগামীকাল খাগড়াছড়ি ২৯৮ নং সংসদীয় আসনের আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে নির্বাচন কমিশন ও জেলা প্রশাসন। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে মাঠে নেমেছে সেনাবাহিনী, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), র‌্যাবসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

    আগামীকাল ১২ই ফেব্রুয়ারী বৃহস্প্রতিবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন খাগড়াছড়ি আসন অবাধ সুষ্ঠ ও নিরপেক্ষ করার লক্ষ্যে রামগড়ে মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্র প্রাঙ্গনে র‌্যাব ৭ সিপিসি-১ কোম্পনী কমান্ডার স্কোয়াড্রন লিডার মোঃ মিজানুর রহমান এই প্রেস ব্রিফিং করেন।

    আজ বুধবার বিকেলের রামগড় জেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় র‌্যাব ৭ নিরাপত্তার জন্য টহল ও মহড়া কার্যক্রম পরিচালনা করেন।

    এসময় র‌্যাব ৭ এর একটি টহল টিম খাগড়াছড়ি জেলা ও উপজেলার কয়েকটি প্রধান সড়কে মহড়া দেয়। এতে র‌্যাবের সদস্যরাও অংশ নেন, যা সাধারণ মানুষের মাঝে নিরাপত্তার অনুভূতি জোরদার করেছে।

    দুর্গম এলাকা ছাড়াও উপজেলা সদর ও জেলা শহরজুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা ব্যাপকভাবে জোরদার করা হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, খাগড়াছড়ি জেলায় নির্বাচনী নিরাপত্তায় মোট ২ হাজার ৬৩৯ জন আনসার ও ভিডিপি সদস্য, ১ হাজার ২৫০ জন পুলিশ সদস্য, ৩০ প্লাটুন বিজিবি এবং র‌্যাবের ২টি টহল দলসহ বিপুল সংখ্যক অস্ত্রধারী আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকবে।

    জেলা নির্বাচন কার্যালয়ের তথ্যমতে, খাগড়াছড়ি সংসদীয় আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৫ লাখ ৫৪ হাজার ১১৪ জন। জেলার ২০৩টি ভোটকেন্দ্রে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে ৬৮টি ভোটকেন্দ্রকে ‘অতি গুরুত্বপূর্ণ’ হিসেবে চিহ্নিত করে সেখানে অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
    নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা আশা প্রকাশ করে বলেন, কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থার মাধ্যমে খাগড়াছড়িতে একটি শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

  • কিশোরগঞ্জ সদরে ভোটের সরঞ্জাম বিতরণ শুরু, সেনা প্রহরায় কেন্দ্রে কেন্দ্রে পৌঁছাচ্ছে মালামাল

    কিশোরগঞ্জ সদরে ভোটের সরঞ্জাম বিতরণ শুরু, সেনা প্রহরায় কেন্দ্রে কেন্দ্রে পৌঁছাচ্ছে মালামাল

    বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি): ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে কিশোরগঞ্জ সদরে বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রে নির্বাচনী সরঞ্জামাদি বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। বুধবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে উপজেলা কার্যালয়ে অবস্থিত সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে এই কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়।

    জানা গেছে, সেনাবাহিনীর কঠোর নিরাপত্তা প্রহরায় পর্যায়ক্রমে প্রতিটি কেন্দ্রে প্রয়োজনীয় মালামাল পাঠানো হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, আজ রাতের মধ্যেই সকল কেন্দ্রেই সরঞ্জাম পৌঁছে যাবে।

    কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে সকল প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। সকাল সাড়ে ১০টা থেকে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সেনা সদস্যদের নিরাপত্তায় কেন্দ্রগুলোতে সরঞ্জাম পৌঁছে দেওয়ার কাজ চলছে।

    এবার কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলায় মোট ১২২টি ভোটকেন্দ্রে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। রাত পোহালেই ভোট গ্রহণ শুরু হবে। এ উপলক্ষে প্রতিটি কেন্দ্রে পাঠানো হচ্ছে স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স, অমোচনীয় কালি, দলীয় ভোটের জন্য সাদা ব্যালট পেপার, গণভোটের জন্য গোলাপি ব্যালট পেপার, ভোটার তালিকাসহ প্রয়োজনীয় অন্যান্য সামগ্রী।

    কেন্দ্রের দায়িত্বে থাকা প্রিসাইডিং অফিসার ও নির্বাচনী কর্মকর্তারা নিজ নিজ কেন্দ্রের সরঞ্জাম বুঝে নিচ্ছেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন আয়োজনের লক্ষ্যে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন রয়েছে।

  • রাজবাড়ীতে নির্বাচনে আনসারের ডিউটি দেয়া প্রলোভনে অর্থ আত্মসাৎ, যুবক আটক

    রাজবাড়ীতে নির্বাচনে আনসারের ডিউটি দেয়া প্রলোভনে অর্থ আত্মসাৎ, যুবক আটক

    রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দিতে আসন্ন নির্বাচনে আনসার সদস্য হিসেবে ডিউটি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ৬৫ হাজার টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে উঠে। এই ঘটনায় আখের আলী নামে এক ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয় জনতা।

    মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে উপজেলার জামালপুর এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১০ দিন আগে আখের আলী নিজেকে প্রভাবশালী পরিচয় দিয়ে বালিয়াকান্দির গোসাই গোবিন্দপুর গ্রামের ৬৫ জন নারী-পুরুষের কাছ থেকে জনপ্রতি এক হাজার টাকা করে আদায় করেন। প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, তাদের মধুখালী উপজেলায় নির্বাচনি ডিউটিতে নিয়োগ দেওয়া হবে। কিন্তু ভোটের আর মাত্র দুই দিন বাকি থাকলেও নিয়োগসংক্রান্ত কোনো কাগজপত্র না আসায় স্থানীয়দের মনে সন্দেহ জাগে। মঙ্গলবার

    বিকেলে আখের আলী ওই এলাকায় এলে ভুক্তভোগীরা তাকে ধরে ফেলেন।

    গোসাই গোবিন্দপুর গ্রামের বাসিন্দা ওয়াজ শেখ বলেন, আমার স্ত্রীর কাছ থেকেও আনসারে ডিউটি দেওয়ার কথা বলে এক হাজার টাকা নেওয়া হয়েছে। কিন্তু ডিউটির কোনো দেওয়া হয়নি।

    অভিযুক্ত আখের আলী জানান, তিনি ৬৫ জনের কাছ থেকে নেয়া টাকা মধুখালী উপজেলা আনসার কমান্ডার লুৎফার রহমানের কাছে দিয়েছেন। তবে তিনি কাউকে ডিউটি দিতে পারেননি।

    মধুখালী উপজেলা আনসার কমান্ডার লুৎফার রহমান অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আনসারে ডিউটি দেওয়ার কথা বলে আমি কোনো টাকা নেইনি।

    বালিয়াকান্দি উপজেলা নির্বাহী অফিসার চৌধুরী মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    বালিয়াকান্দি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রব তালুকদার বলেন, এ ঘটনার তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

  • রামগড়ে ভোট কেন্দ্রের শৃঙ্খলা-রক্ষার্থে কর্মকর্তা দের মাঝে মেগাফোন বিতরণ

    রামগড়ে ভোট কেন্দ্রের শৃঙ্খলা-রক্ষার্থে কর্মকর্তা দের মাঝে মেগাফোন বিতরণ

    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে খাগড়াছড়ির রামগড় উপজেলায় ভোটকেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের মাঝে মেগাফোন বিতরণ করা হয়েছে।

    সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা কাজী শামীম আনুষ্ঠানিক ভাবে এসব মেগাফোন দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের হাতে তুলে দেন।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইসমত জাহান তুহিন, রামগড় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজির আলম সহ নির্বাচন সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা।

    বিতরনে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা কাজী শামীম বলেন, “নির্বাচনে কোনো ধরনের অনিয়ম বা বিশৃঙ্খলা বরদাশত করা হবে না। আমরা চাই রামগড় উপজেলার প্রতিটি ভোট কেন্দ্রে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় থাকুক। দায়িত্ব পালনে কোনো ধরনের শৈথিল্য দেখানো যাবে না।

    ”তিনি আরও বলেন, ভোট গ্রহণ চলাকালে ভোটারদের সচেতন করতে, শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং যেকোনো জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত নির্দেশনা প্রদানের জন্য মেগাফোন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

    উল্লেখ্য, নির্বাচনকে ঘিরে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সার্বিক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। ভোট কেন্দ্র গুলোতে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।