Blog

  • জামায়াত নেতার মৃত্যুর প্রতিবাদে জীবননগরে বিক্ষোভ, ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম

    জামায়াত নেতার মৃত্যুর প্রতিবাদে জীবননগরে বিক্ষোভ, ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম

    চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার হাসাদাহ এলাকায় বিএনপি-জামায়াতের সংঘর্ষে জামায়াত নেতার মৃত্যুর প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। আজ রোববার বেলা ১১টার দিকে জীবননগর উপজেলা জামায়াতের কার্যালয় থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি বের হয়।
    মিছিলটি জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ইসলামী ব্যাংকের সামনে দিয়ে ঘুরে জীবননগর বাসস্ট্যান্ডে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
    সমাবেশে বক্তব্য দেন উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা সাজেদুর রহমান, নায়েবে আমির সাখাওয়াত হোসেন, জেলা মাজলিসুল মুফাসসিরিনের সভাপতি হাফিজুর রহমান, সহকারী সেক্রেটারি আবু বক্কর এবং পৌর যুব জামায়াতের সভাপতি আরিফ জোয়ার্দার প্রমুখ। বক্তারা দাবি করেন, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করতে হবে। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তার না হলে কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলেও তারা হুঁশিয়ারি দেন।
    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সুটিয়া গ্রামের জামায়াত সমর্থক কেরামত আলীর ছেলে সোহাগের সঙ্গে হাসাদাহ ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা জসিম উদ্দীনের ছেলে মেহেদীর পূর্ব বিরোধ ছিল। বিষয়টি মীমাংসার লক্ষ্যে শনিবার রাতে হাসাদাহ বাজারে দুই পক্ষের বৈঠকের কথা থাকলেও সন্ধ্যার দিকে কথা-কাটাকাটি থেকে ধাক্কাধাক্কি এবং পরে সংঘর্ষে রূপ নেয়।
    সংঘর্ষে সুটিয়া গ্রামের বাসিন্দা ও বাঁকা ইউনিয়ন জামায়াতের আমির মৃত ওহাবের ছেলে মফিজুর রহমান (৪৫), তার বড় ভাই হাফিজুর রহমান (৫০), মৃত গোপাল মণ্ডলের ছেলে খায়রুল ইসলাম (৫০) এবং হাপু আহত হন। আহতদের মধ্যে হাফিজুর রহমানকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়ার পথে রাত ২টার দিকে তিনি মারা যান।
    অন্যদিকে সংঘর্ষে হাসাদাহ ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা মেহেদী হাসান (৩৬), তার পিতা জসিম উদ্দিন (৬৫) এবং তৌফিক হোসেন (৪০) আহত হয়েছেন।
    রোববার সকাল ১০টায় চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে হাফিজুর রহমানের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়। বিকেল ৩টায় সুটিয়া গ্রামে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
    এ বিষয়ে জীবননগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোলায়মান সেখ বলেন, বিএনপি ও জামায়াতের সংঘর্ষে আহত একজনের মৃত্যু হয়েছে। ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে।

  • ত্রিশালে ধানের শীষের বিজয়ের নেপথ্যের আরেক নায়ক এনামুল হক ভুঁইয়া

    ত্রিশালে ধানের শীষের বিজয়ের নেপথ্যের আরেক নায়ক এনামুল হক ভুঁইয়া

    ময়মনসিংহ-৭ (ত্রিশাল) আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী ডা. মাহবুবুর রহমান লিটনের বিপুল ভোটে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পেছনে নেপথ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক, ত্রিশাল উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক, ত্রিশাল থানা ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক এবং সাবেক যুবনেতা এনামুল হক ভুঁইয়া।

    দলের নেতাকর্মীরা জানান, নির্বাচনের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত কৌশলী নেতৃত্ব, সংগঠনের সমন্বয়, পরিকল্পিত প্রচারণা এবং জনসম্পৃক্ত বক্তব্যের মাধ্যমে তিনি তৃণমূল পর্যায়ে দলকে সুসংগঠিত করেন। বিশেষ করে ইউনিয়ন থেকে ওয়ার্ড পর্যায়ে কর্মীসভা, পথসভা, গণসংযোগ এবং ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের মাধ্যমে তিনি ধানের শীষের পক্ষে গণজোয়ার সৃষ্টি করতে সক্ষম হন।

    আমিরাবাড়ী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান হিসেবে এনামুল হক ভুঁইয়া দীর্ঘদিন ধরে এলাকার মানুষের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক গড়ে তুলেছেন। নির্বাচনী প্রচারণার পুরো সময়জুড়ে তিনি দিন-রাত অক্লান্ত পরিশ্রম করে গ্রাম থেকে গ্রামে গিয়ে সাধারণ মানুষের কাছে ভোট প্রার্থনা করেছেন এবং তাদের আশা-আকাঙ্ক্ষার কথা মনোযোগ দিয়ে শুনেছেন। তার প্রাণবন্ত বক্তব্য, রাজনৈতিক দূরদর্শিতা এবং দলীয় ঐক্য গড়ে তোলার প্রচেষ্টা ত্রিশাল আসনে বিএনপির শক্ত অবস্থান তৈরিতে বিশেষ ভূমিকা রাখে।

    এছাড়াও দলীয় বিভেদ দূর করে বৃহত্তর ঐক্য প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে তিনি নিয়মিতভাবে কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতাদের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করেছেন। মাঠপর্যায়ের নেতাকর্মীদের উজ্জীবিত করা, সাংগঠনিক কার্যক্রম গতিশীল করা এবং ভোটারদের আস্থা অর্জনে তার নিরলস প্রচেষ্টা নির্বাচনের ফলাফলে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে বলে স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

    স্থানীয় নেতাকর্মীদের মতে, ডা. মাহবুবুর রহমান লিটনের বিজয়ের পেছনে যেমন জনগণের ব্যাপক সমর্থন ছিল, তেমনি এনামুল হক ভুঁইয়ার দক্ষ নেতৃত্ব, সুপরিকল্পিত প্রচারণা ও নিরলস সাংগঠনিক তৎপরতা ছিল অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি। তার ধারাবাহিক পরিশ্রম, ত্যাগ ও রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ত্রিশাল আসনে বিএনপির বিজয়কে আরও সুদৃঢ় করেছে বলে তারা অভিমত ব্যক্ত করেন।

  • কবি নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় মাদক সেবনের অভিযোগে মোবাইল কোর্টে গ্রেফতার ২

    কবি নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় মাদক সেবনের অভিযোগে মোবাইল কোর্টে গ্রেফতার ২

    ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬খ্রি. রাত আনুমানিক ১১:৪৫টায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ১নং গেটের সন্নিকটে একটি বইয়ের দোকানে মোবাইল কোর্টের অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে দোকানের ভিতরে পিছনের ঘরে মাদক সেবনের প্রস্তুতিকালে বিভিন্ন উপকরণসহ দুইজনকে পুলিশ আটক করে। ঘরটিতে নিয়মিত মাদক সেবনের আসর বসত। জিজ্ঞাসাবাদে আটককৃতরা মাদক সেবনের বিষয়টি স্বীকার করেন। উপস্থিত জনতা ঘটনার স্বাক্ষী ছিলেন। পরবর্তীতে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে আসামি মোঃ মোশারফ হোসেন (৩৫), পিতা-জয়নাল আবেদিন কে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় ০৬ (ছয়) মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১০০ টাকা অর্থদণ্ড এবং আসামি মোঃ মানিক মিয়া (৩২), পিতা- মোঃ মানিক মিয়া কে একই আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় ০৩ (তিন) মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন ত্রিশাল উপজেলার ইউএনও ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আরাফাত সিদ্দিকী। মোবাইল কোর্টে আইনানুগ সহযোগিতা করেন ত্রিশাল থানার পুলিশ ও আনসার বাহিনীর সদস্যবৃন্দ। উপজেলা নির্বাহী অফিসার আরাফাত সিদ্দিকী জানান,মাদকের বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

  • বালিয়াকান্দিতে অগাছা মারার বিষ দিয়ে২৫ একর জমির পেঁয়াজ ক্ষেত নষ্ট

    বালিয়াকান্দিতে অগাছা মারার বিষ দিয়ে২৫ একর জমির পেঁয়াজ ক্ষেত নষ্ট

    রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার জঙ্গল ইউনিয়নের বাসুখালী মাঠে ২৫ একর জমিতে ঘাস মারার বিষ দিয়ে পেঁয়াজ ক্ষেত নষ্ট করার অভিযোগ উঠেছে।
    শুক্রবার দুপুরে রাজবাড়ী-২ আসনের সংসদ সদস্য হারুন অর রশিদ, বালিয়াকান্দি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুর রব তালুকদারসহ কৃষি কর্মকর্তারা ক্ষতিগ্রস্ত পেঁয়াজের ক্ষেত পরিদর্শন করেছেন।

    গত ২২ফ্রেরুয়ারী পাংশা উপজেলার বোয়ালিয়া মাঠেও একই কায়দায় পেয়াজ ক্ষেত বিনষ্ট করা হয়েছে।
    এ সময় কৃষক আব্দুল করিম, বাদশা মিয়া, আনিসুর রহমান, বিরাজ শেখ, জাকির হোসেন ও রাজুসহ অনান্য কৃষকেরা রাজবাড়ী-২ আসনের সংসদ সদস্য হারুন অর রশিদের কাছে তাদের পেঁয়াজ ক্ষেত ক্ষতির বিষয়টি তুলে ধরেন। এ সময় বিশাল ক্ষতিতে কৃষক কান্নায় ভেঙে পড়েন।

    ক্ষতিগ্রস্ত পেঁয়াজ চাষী আব্দুল করিম বলেন, আমার বাড়ি কালুখালী উপজেলার মৃগী ইউনিয়নে। আমি কয়েক বছর ধরে এখানে ৫ একর জমিতে পেঁয়াজের আবাদ করি। এ বছর সুমন মিয়া, লিটন শেখ ও মৃত্যুঞ্জয় বিশ্বাসের কাছ থেকে বছর চুক্তি জমি লীজ নিয়ে হালি পেঁয়াজ রোপণ করি। ২০ দিন পর পেঁয়াজ ঘরে তোলা যেত।

    গত ১৭ ফেব্রুয়ারি (মঙ্গলবার) রাতে আমার ৫ একর জমির পেঁয়াজে ঘাস মারা ঔষুধ দিয়ে শেষ করে দিয়েছে। আমি সর্বশান্ত হয়ে গেছি। অপরাধীদের দ্রুত গ্রেফতার ও শাস্তির দাবিও করেন তিনি।
    স্থানীয় কৃষক আনিসুর রহমান বলেন, আমি ধার দেনা করে ৬০ শতাংশ জমির পেঁয়াজের আবাদ করেছিলাম।

    পেঁয়াজের ভালো ফলনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল। আমাদের পেঁয়াজ ক্ষেতের সকল পরিচর্যা প্রায় শেষ পর্যায়ে। কয়েকদিন পর জমি থেকে পেঁয়াজ ঘরে তুলবো। আমাদের পেঁয়াজ ক্ষেতে ঘাস মারা ওষুধ দিয়ে সব শেষ করে দিয়েছে।
    কৃষি কর্মকর্তা সুজিত দাস বলেন, কৃষকেরা বলছেন মঙ্গলবার দিবাগত রাতে বাসুখালী মাঠের প্রায় ২৫ একর জমিতে ঘাস মারার ওষুধ দিয়েছেন।

    এখন পর্যন্ত বোঝা যাচ্ছে না ক্ষতির পরিমাণ। দুই একদিন অতিবাহিত হলে ক্ষতির পরিমাণ জানা যাবে।
    এ সময় শতাধিক কৃষকের তোপের মুখে পড়েন তারা। বাজারে যত্রযত্র কীটনাশক বিক্রিকে দোষারোপ করেন ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকেরা।

    বালিয়াকান্দি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুর রব তালুকাদার বলেন, বালিয়াকান্দি উপজেলার বাসুখালী মাঠে অনেক জমির পেঁয়াজের ক্ষেত নষ্ট করার অভিযোগ উঠেছে। থানায় এ ব্যাপারে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। আমরা আইনগত ভাবে বিষয়টি নিয়ে কাজ করছি।

    রাজবাড়ী-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. হারুন অর রশিদ হারুন বলেন, রাজবাড়ীতে রাতের অন্ধকারে পেঁয়াজের ক্ষেত নষ্ট করার বিষয়টি বেড়ে চলছে। এটা বড় কোন ষড়যন্ত্র রয়েছে কিনা আমরা পুলিশকে সেটা খতিয়ে দেখার অনুরোধ করছি। তিনি আরও বলেন, রাজবাড়ীর বিভিন্ন স্থানে ঘাস মারার ওষুধ অহরহ বিক্রি হচ্ছে। এই জায়গায় কৃষি বিভাগকে কাজ করতে হবে। অপরাধীরা যেকোন দোকান থেকে কিটনাশক ক্রয় করতে পারছেন। এভাবে তো হতে পারে না। ঘাস মারা ওষুধ বিক্রির ক্ষেত্রে কৃষি বিভাগ, ক্রেতা ও বিক্রিতাদের সতর্ক হওয়ার পরামর্শ করেন তিনি।

  • জীবন নগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ঝাড়ু হাতে পরিষ্কার অভিযানে এমপি রুহুল আমিন

    জীবন নগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ঝাড়ু হাতে পরিষ্কার অভিযানে এমপি রুহুল আমিন

    চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা জামায়াতের আমির রুহুল আমিনের উদ্যোগে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানো হয়েছে। আজ শুক্রবার সকাল ৯টার দিকে জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পৌঁছে এই পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযানের উদ্বোধন করেন তিনি।
    এমপি রুহুল আমিন প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে থাকা ঝোপঝাড় কাটেন। পরে আশপাশসহ পেছনে গিয়ে ঝোপঝাড় কাটেন। এ সময় হাতে ঝাড়ু নিয়ে পরিষ্কার করেন তিনি।

    পরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সভাকক্ষে হাসপাতালের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের সংসদ সদস্য। এ সময় হাসপাতালের কর্মকর্তাদের মুখ থেকে সমস্যার কথা শোনেন এবং সেগুলো সমাধানের প্রতিশ্রুতি দেন রুহুল আমিন। মতবিনিময়কালে নির্বাচনের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ৬ মাসের মধ্যে অপারেশন চালুর অঙ্গীকার করেন তিনি।
    মতবিনিময় শেষে এমপি রুহুল আমিন সাংবাদিকদের বলেন, আজকে আমি আমার প্রাণের শহর, আমার জন্মস্থান জীবননগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এসেছিলাম। এখানকার যে পরিবেশ, বাইরের সাইটের যে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা—এগুলো দেখে আমি মুগ্ধ হয়েছি। কর্তৃপক্ষকে অসংখ্য ধন্যবাদ। হাসপাতালে যে গন্ধ থাকে, আজকে অন্তত সেটি পাইনি। এগুলো খুবই ইতিবাচক দিক, ভালো দিক।
    রুহুল আমিন আরও বলেন, এখানে এক্স-রে মেশিন দীর্ঘদিন খারাপ আছে। অন্যান্য মেশিনারিজ ভালো আছে, সেগুলোতে কাজ চলছে। আমি কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করেছি এগুলো যত দ্রুত সম্ভব ঠিক করতে। আমাদের স্বপ্ন এখানকার অপারেশন থিয়েটার খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে চালু করার। একজন অ্যানেস্থেসিয়ান পেলেই এই অপারেশন চালু করা সম্ভব হবে।
    চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের সংসদ সদস্য বলেন, ৩১ শয্যার জনবল দিয়ে ৫০ শয্যার হাসপাতাল চলছে। তারপরও অনেকজন বিভিন্ন জায়গায় সংযুক্তি রয়েছে। আমরা সেই সংযুক্তি বাতিল করে হয় শূন্য করব অথবা তাদের ফিরিয়ে আনব। চিকিৎসদের কাছে আমার আহ্বান থাকবে অযথা যেন রোগীদের রেফার্ড করা না হয়। বিষয়টি আপনারা আন্তরকিতার সঙ্গে দেখবেন।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) শ্যামল কুমার, আবাসিক মেডিকেল অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) মোস্তাফিজুর রহমান সুজনসহ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

    জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জীবননগর উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা সাজেদুর রহমান, নায়েবে আমির সাখাওয়াত হোসেন, সেক্রেটারি মাফুজুর রহমান, সহকারী সেক্রেটারি আবু বক্কর, পৌর আমির ফিরোজ হোসেন, উপজেলা যুব জামায়াতের সভাপতি মাজেদুর রহমান লিটন, পৌর সেক্রেটারি আরিফ জোয়াদ্দার প্রমুখ।

  • জীবননগরে ১ হাজার পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ৩ জন

    জীবননগরে ১ হাজার পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ৩ জন

    জীবননগর থানা পুলিশের গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ১ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল আনুমানিক ১১টা থেকে সাড়ে ১১টার মধ্যে জীবননগর থানার ৫নং হাসাদহ ইউনিয়নের পুরোন্দপুর গ্রামে এ অভিযান পরিচালিত হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—মোঃ জিয়াউর রহমান (৩৫), পিতা: শুকুর আলী, সাং- পুরোন্দপুর, হাসাদহ ইউনিয়ন, জীবননগর; রিপন চাকমা (৩২), পিতা: সৈমাংপু চাকমা; এবং মং চাকমা (২৮), পিতা: মং পূজাইন। রিপন চাকমা ও মং চাকমার বাড়ি রাঙ্গামাটি জেলার শুভলং থানার পাগলা সূরা এলাকায় বলে জানা গেছে। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, পূর্বে প্রাপ্ত গোপন তথ্যের ভিত্তিতে ওই এলাকায় অভিযান চালিয়ে সন্দেহভাজনদের দেহ তল্লাশি করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে ১ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। পরে তাদের আটক করে থানা হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রুজুর প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। স্থানীয়দের মতে, এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে পুলিশের এমন তৎপরতায় স্বস্তি ফিরে এসেছে এবং তারা এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখার দাবি জানান।

  • ময়মনসিংহ জেলার ত্রিশাল থানার গণধর্ষণ মামলার ধর্ষক ফরিদ (৩২) সিপিএসসি, র‌্যাব-১৪, ময়মনসিংহ এর অভিযানে গ্রেফতার।

    ময়মনসিংহ জেলার ত্রিশাল থানার গণধর্ষণ মামলার ধর্ষক ফরিদ (৩২) সিপিএসসি, র‌্যাব-১৪, ময়মনসিংহ এর অভিযানে গ্রেফতার।

    ১। মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায় যে, এজাহারনামীয় প্রধান ধর্ষক বাদশা মিয়া(২৬) এর সাথে ভিকটিমের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। সেই সুবাদে ব্রহ্মপুত্র নদের জঙ্গলা এলাকায় গত ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫খ্রিঃ সন্ধ্যা অনুমান ১৮৩০ ঘটিকায় দেখা করতে গেলে ধর্ষক বাদশা মিয়া ভিকটিমকে জোরপূর্বক তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করে। পরবর্তীতে ধর্ষক বাদশা মিয়া ধৃত ধর্ষক ফরিদ (৩২), জেলা-ময়মনসিংহকে সহ এজাহারনামীয় অন্যান্য ধর্ষকদের মোবাইল মারফত ডেকে এনে পরস্পর যোগসাজসে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। উক্ত ঘটনায় ভিকটিম নিজে বাদী হয়ে ময়মনসিংহ জেলার ত্রিশাল থানায় গণধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। যার ত্রিশাল থানার মামলা নং-১৩, তারিখ-১৯ ডিসেম্বর ২০২৫খ্রিঃ, ধারা-২০০০(সংশোধনী/২০২৫) সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(৩)/৩০। উক্ত মামলা রুজুর পর সিপিএসসি, র‌্যাব-১৪, ময়মনসিংহ ছায়া তদন্ত সহ পলাতক ধর্ষকদের গ্রেফতারে তৎপর হয়। ২। এরই প্রেক্ষিতে, সিপিএসসি, র্যাব-১৪ ময়মনসিংহ এর আভিযানিক দল ধৃত ধর্ষকের বর্তমান অবস্থান নিশ্চিত হয়ে ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬খ্রিঃ অনুমান ১৪:১০ ঘটিকায় ময়মনসিংহ জেলার সদর থানার টাউনহল এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে উক্ত গণধর্ষণ মামলার ধর্ষক ফরিদ (৩২), জেলা-ময়মনসিংহকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
    ৩। গ্রেফতারকৃত ধর্ষকের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ময়মনসিংহ জেলার ত্রিশাল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
  • জীবননগরে বাজার মনিটরিং অভিযান  ৪ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

    জীবননগরে বাজার মনিটরিং অভিযান ৪ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

    জীবননগর উপজেলায় নিয়মিত বাজার মনিটরিংয়ের অংশ হিসেবে অভিযান চালিয়ে ৪ প্রতিষ্ঠানকে ৪ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। গতকাল সোমবার বেলা আড়াইটা থেকে বিকেল জীবননগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আশরাফুল আলম রাসেলের নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. ইফতেকার রহমান
    অভিযানে সহযোগিতা করেন জীবননগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সোলায়মান সেখের নেতৃত্বে থানা-পুলিশের একটি দল। এছাড়া অভিযানে সহযোগিতা করেন জীবননগর উপজেলা সিনিয়র মৎস্য অফিসার জুয়েল শেখ, উপজেলা কৃষি অফিসার আলমগীর হোসেন, জীবননগর উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার সাইফুল ইসলাম প্রমুখ।
    ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ এর আওতায় ৪টি মামলায় ৪ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান ও আদায় করা হয়েছে।
    অভিযান শেষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আশরাফুল আলম রাসেল বলেন, বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য স্থিতিশীল রাখা এবং ভোক্তাদের স্বার্থ রক্ষায় নিয়মিত বাজার মনিটরিং কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। কোনো ব্যবসায়ী অনিয়ম করলে তার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
    উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. ইফতেকার রহমান বলেন, ভোক্তা অধিকার নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। ব্যবসায়ীদের সঠিক দামে পণ্য বিক্রি এবং সরকারি নির্দেশনা মেনে চলার জন্য সতর্ক করা হয়েছে।

  • তজুমদ্দিনে রমজান উপলক্ষে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, প্রসাশনের নেই দৃশ্যমান কোনো বাজার মনিটরিং

    তজুমদ্দিনে রমজান উপলক্ষে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, প্রসাশনের নেই দৃশ্যমান কোনো বাজার মনিটরিং

    পবিত্র রমজান শুরু হতেই ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলার বিভিন্ন বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম লাগামহীনভাবে বেড়ে গেছে। ফলে সাধারণ ক্রেতাদের নাভিশ্বাস উঠেছে। বাজারে প্রশাসনের কার্যকর মনিটরিং না থাকায় অসাধু ব্যবসায়ীরা সুযোগ নিচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয়রা।

    রমজানের আগে বাজারে স্বাভাবিক অবস্থা থাকলেও রোজা শুরু হতেই চিত্র পাল্টে গেছে। তৈরি হয়েছে এক ধরনের অদৃশ্য উত্তাপ। ক্রেতা-বিক্রেতাদের মাঝেই দেখা যাচ্ছে হতাশা ও উদ্বেগের চিত্র। অনেক ক্রেতার দাবি, প্রশাসনের তদারকির ঘাটতিই এ পরিস্থিতির অন্যতম কারণ।

    ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, শুক্রবার, সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় তজুমদ্দিন উপজেলার শশীগঞ্জ বাজার, ডাওরী বাজার ও খাসের হাটসহ বেশ কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা যায়, মাত্র ৩/৪ দিনের ব্যবধানে বিভিন্ন পণ্যের দাম অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

    বেগুন ৩০ টাকা থেকে বেড়ে ৮০ টাকা

    শসা ৪০ টাকা থেকে ১০০ টাকা

    মুরগি ১৬০ টাকা থেকে ১৯০ টাকা

    লেবু ৩০ টাকা থেকে ৬০-৭০ টাকা

    খেজুরে প্রতি কেজিতে ৮০-১০০ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি

    ছোলা ১০০ টাকা থেকে ১১০-১২০ টাকা

    পেঁয়াজ ৫৫ টাকা থেকে ৭০ টাকা

    সাধারণ ক্রেতারা বলছেন, প্রতিবছর রমজান এলেই একই দৃশ্যপট দেখা যায়। যথাযথ মনিটরিং ও কঠোর নজরদারি না থাকায় বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হচ্ছে না। তারা নতুন সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন—দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে দৃশ্যমান পদক্ষেপ গ্রহণ করে বাজারের সিন্ডিকেট ভেঙে দিতে হবে।

    এ বিষয়ে জানতে চাইলে তজুমদ্দিন উপজেলা নির্বাহী অফিসার রেজাউল ইসলাম মুঠোফোনে জানান, রমজানের আগ থেকেই জেলা প্রশাসন বাজার নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে। খাদ্যপণ্যের সরবরাহ ও মজুদ পরিস্থিতি নজরদারিতে রাখা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে খুব শিগগিরই ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান ও বাজার মনিটরিং জোরদার করা হবে।

    রমজানে নিত্যপণ্যের মূল্য স্থিতিশীল রাখতে প্রশাসনের কার্যকর উদ্যোগ এখন সময়ের দাবি—এমনটাই মনে করছেন উপজেলার সচেতন মহল।

  • রামগড়ে  দুই হোটেল মালিককে ভ্রাম্যমান আদালতে  জরিমানা

    রামগড়ে দুই হোটেল মালিককে ভ্রাম্যমান আদালতে জরিমানা

    পবিত্র মাহে রমজানের ১ম দিনে খাগড়াছড়ির রামগড়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালিয়ে দুই হোটেল মালিককে চার হাজার টাকা জরিমানা করেছে।

    আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কাজী শামীম ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে এ জরিমানা করেন

    ভ্রাম্যমান সূত্রে জানা যায়, রামগড় পৌরসভা এলাকায় বাজার মনিটরিং ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়েছে। পবিত্র রমজান মাসে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য সহনশীল রাখা নিশ্চিত কল্পে বিভিন্ন দোকানে অভিযান পরিচালনা করা হয়। তাছাড়া রমজানে ইফতারি প্রস্তুতে ক্ষতিকর রাসায়নিক দ্রব্য ব্যবহার করে জিলাপি ও পচাঁ বেগুন দিয়ে বেগুনি প্রস্তুত করা করার কারণে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ এর ৪৩ ধারার অপরাধে দুই হোটেল মালিককে দুইটি মামলায় দুই হাজার টাকা করে ৪ হাজার টাকা জরিমান করা হয়েছে।

    নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কাজী শামীম জানান, পবিত্র রমজান মাসে বাজার মূল্য নিয়ন্ত্রণ ও পণ্যের মান রক্ষায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।


    ‎​অভিযানকালে উপস্থিত ছিলেন, বাজার ব্যবসায়ী, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। প্রশাসনের এমন তৎপরতাকে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয় সাধারণ ক্রেতারা।