Blog

  • সিন্দুকছড়ি জোনের উদ্যোগে বিনামূল্যে চক্ষু ও মেডিকেল ক্যাম্পেইন

    সিন্দুকছড়ি জোনের উদ্যোগে বিনামূল্যে চক্ষু ও মেডিকেল ক্যাম্পেইন

    খাগড়াছড়ি জেলার মানিকছড়ি উপজেলার দুর্গম পাহাড়ী অঞ্চলে অসহায় ও দুস্থ মানুষের স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করতে এক বিশাল মেডিকেল ক্যাম্পেইন ও চক্ষু শিবির পরিচালনা করা হয়েছে।

    আজ ১৬ এপ্রিল বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত গুইমারা রিজিয়নের আওতাধীন সিন্দুকছড়ি জোনের উদ্যোগে
    উপজেলার যোগ্যছোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এই মানবিক সেবা কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

    আয়োজিত এই ক্যাম্পে চিকিৎসা সেবা প্রদান করেন চট্টগ্রাম লায়ন্স হসপিটালের বিশেষজ্ঞ চক্ষু চিকিৎসক ও একটি বিশেষ মেডিকেল টিম।চট্টগ্রাম সদর থেকে আগত অভিজ্ঞ শিশু বিশেষজ্ঞ সহ সিন্দুকছড়ি জোন সদর দপ্তরের মেডিকেল অফিসার ও তার সহায়ক দল।

    দিনব্যাপী এই ক্যাম্পে প্রায় ১০০০ থেকে ১৫০০ জন পাহাড়ি ও বাঙালি রোগী সরাসরি চিকিৎসা সহায়তা গ্রহণ করেন। চিকিৎসাসেবা গ্রহণের পাশাপাশি রোগীরা বিনামূল্যে প্রয়োজনীয় ওষুধ ও চশমা লাভ করেন।

    বিশেষ এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে, লায়ন্স চক্ষু হাসপাতালের সৌজন্যে এবং সিন্দুকছড়ি জোনের বিশেষ ব্যবস্থাপনায় ১০০ জন রোগীকে বিনামূল্যে ছানি অপারেশন করার জন্য প্রাথমিক ভাবে নির্বাচন করা হয়েছে।

    পাহাড়ের দুর্গম এলাকার অসহায়, দরিদ্র ও প্রবীণ রোগীদের দোরগোড়ায় আধুনিক চিকিৎসা সেবা পৌঁছে দেওয়াই ছিল এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য। স্থানীয় বাসিন্দারা সেনাবাহিনীর এই মানবিক উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন।

    সুবিধাভোগী একাধিক ব্যক্তি জানান, অর্থাভাব এবং যাতায়াত সমস্যার কারণে যারা সুচিকিৎসা থেকে বঞ্চিত ছিলেন, এই ক্যাম্প তাদের জন্য আশির্বাদ হয়ে এসেছে। এলাকাবাসী সিন্দুকছড়ি জোনের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং আগামীতেও এই ধরনের জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

  • ত্রিশালে লোড মিস্ত্রির অবহেলা: ইটভাটায় ব্যাপক ক্ষতি

    ত্রিশালে লোড মিস্ত্রির অবহেলা: ইটভাটায় ব্যাপক ক্ষতি

    ত্রিশাল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি: ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার বালিপাড়া ইউনিয়নের বন্যার ব্রিজ এলাকায় অবস্থিত ‘বনানী ব্রিকস’এর লোড মিস্ত্রির চরম গাফিলতি কারণে প্রায় ৪০ লক্ষ টাকার কাঁচা ইট নষ্ট হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত লোড সরদার আবুল হোসেনের দায়িত্বজ্ঞানহীনতার কারণে ভাটার মালিক আজিজুল হক এখন বিশাল আর্থিক লোকসানের মুখে পড়েছেন।

    ভাটার শ্রমিক মোহন ও সাগর জানান, লোড সরদার আবুল হোসেনের চরম অবহেলার কারণেই এই বিপুল পরিমাণ কাঁচা ইট নষ্ট হয়েছে। তারা বলেন, “আবুল সরদার যদি সঠিক সময়ে এবং নিয়ম অনুযায়ী কাঁচা ইটগুলো লোড করতেন, তবে বৃষ্টির কারণে মালিকের এত বড় ক্ষতি হতো না। তার উদাসীনতা ও অপেশাদার আচরণই এই বিপর্যয়ের প্রধান কারণ।”ভাটার মালিক আজিজুল হক জানান, তিনি পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র নিয়ে বৈধভাবে দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসা পরিচালনা করছেন। কাজের সুবিধার্থে তিনি লোড সরদার আবুল হোসেনের সাথে স্ট্যাম্পের মাধ্যমে লিখিত চুক্তি করে তাকে দায়িত্ব দিয়েছিলেন। কিন্তু অভিযোগ উঠেছে, আবুল হোসেন চুক্তিমতো নিজের দায়িত্ব পালন না করে এবং সময়মতো কাঁচা ইট ভাটায় লোড না দিয়ে অন্য ভাটায় গিয়ে কাজ করতেন। এর ফলে বৃষ্টিতে ইটগুলো ভিজে ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। বর্তমানে নষ্ট হওয়া ইটের বাজারমূল্য প্রায় ৪০ লক্ষ টাকা। বৈধভাবে ব্যবসা করেও শ্রমিকের এমন গাফিলতির কারণে পুঁজি হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন এই ব্যবসায়ী। চুক্তিবদ্ধ হওয়া সত্ত্বেও দায়িত্ব পালন না করায় অভিযুক্ত আবুল হোসেনের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। এদিকে ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত আবুল হোসেন গা ঢাকা দিয়েছেন। তার মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সেটি বন্ধ পাওয়া যায়।

  • জীবননগরে পুলিশের অভিযানে মাদক দ্রব্য আটক ১০ কারবারীর বিরুদ্ধে মামলা

    জীবননগরে পুলিশের অভিযানে মাদক দ্রব্য আটক ১০ কারবারীর বিরুদ্ধে মামলা

    চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার সীমান্ত ইউনিয়নের সদরপাড়ায় সহকারী পুলিশ সুপার(শিক্ষানবীশ) শোয়েব আহমেদের নেতৃত্বে মাদক বিরোধী অভিযান চালিয়ে ভারতীয় আমদানি নিষিদ্ধ ৭২ বোতল ফেয়ারডিল ও ইউনসেরেক্স মাদক দ্রব্য উদ্ধার করেন। মঙ্গলবার বিকাল সাড়ে ৫ টার দিকে পুলিশ এ অভিযান পরিচালনা করেন।এ ঘটনার সাথে জড়িত ১০ জন মাদক কারবারীর বিরুদ্ধে মাদক আইনে একটি নিয়মিত মামলা করা হয়েছে।
    জীবননগর থানার অফিসার ইনচার্জ(অপারেশন) আতিয়ার রহমান বলেন,আমরা জীবননগর থানার অফিসার-ফোর্স সহকারী পুলিশ সুপার(শিক্ষানবীশ) শোয়েব আহমেদের নেতৃত্বে মঙ্গলবার বিকাল সাড়ে ৫ টার দিকে উপজেলার সীমান্ত ইউনিয়নের নতুনপাড়া গ্রামে অভিযান চালিয়ে কয়েকজন মাদক ব্যবসায়ীর বাড়ী থেকে ৭২ বোতল ফেয়ারডিল ও ইউনসেরেক্স নামক ভারতীয় মাদক দ্রব্য উদ্ধার করেন। এসময় মাদক ব্যবসায়ী,আশ্রয়দাতা ও সহযোগীরা পালিয়ে যায়।


    তিনি আরো বলেন,ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অপরাধে ১০ জনের বিরুদ্ধে থানায় মাদক আইনে একটি মামলা হয়েছে।এ ধরণের অভিযান অব্যাহত থাকবে।আমরা পুলিশ সুপার মহোদয়ের নির্দেশে জীবননগর উপজেলায় মাদক জিরো টলারেন্স দেখতে মাদকের বিরুদ্ধে নিয়মিত সাড়াসি অভিযান চালিয়ে যাচ্ছি। এতদিন শুধু আমরা মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়েছি এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহন করেছি।কিন্তু এখন আমরা মাদকের সাথে যে কোন ভাবে জড়িত থাকার সত্যতা পেলে তার বিরুদ্ধে একই ভাবে আইনি ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।মাদকের সাথে জড়িত,তা যে কোন ভাবেই হোক না কেন তাকে কোন ছাড় দেয়া হবে না,

  • জীবননগরে অবৈধভাবে তেল মজুতের দায়ে কারাদণ্ড

    জীবননগরে অবৈধভাবে তেল মজুতের দায়ে কারাদণ্ড

    চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলায় টাস্কফোর্সের বিশেষ অভিযানে অবৈধভাবে তেল মজুতের দায়ে দুজনকে কারাদণ্ড ও জরিমানা করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (১৫ এপ্রিল) দুপুরে জীবননগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশরাফুল আলম রাসেল নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
    অভিযানে ভ্রাম্যমাণ আদালতের দায়িত্ব পালন করেন চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জমির উদ্দিন। অভিযানে উপস্থিত ছিলেন জীবননগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোলায়মান সেখ এবং ৫৮ বিজিবির সহকারী পরিচালক ইমদাদুর রহমান।
    ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার বালিহুদা বাজারে অভিযান চালানো হয়। এসময় আতিয়ার রহমানের একটি মুদি দোকানে তল্লাশি করে অবৈধভাবে মজুত রাখা ৫ লিটার ডিজেল উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে পেট্রোলিয়াম আইন, ২০১৬ এর ৪ ধারা লঙ্ঘনের অপরাধে একই আইনের ২০ ধারায় তাকে ৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
    এদিকে একই অভিযানে পিয়াস ফিলিং স্টেশনেও অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া যায়। সেখানে দায়িত্বরত ম্যানেজার নজরুল ইসলাম অবৈধভাবে তেল মজুত করার অভিযোগে অভিযুক্ত হন। তাকে পেট্রোলিয়াম আইন, ২০১৬ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় ৭ দিনের কারাদণ্ড এবং ২ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।
    ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জমির উদ্দিন বলেন, অবৈধ মজুত ও কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি রোধে প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে। আজ অভিযানে পিয়াস ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার নজরুল ইসলামকে ২ হাজার টাকা জরিমানা ও ৭ দিনের জেল দেওয়া হয়েছে। আর আতিয়ার রহমান নামের একজনকে ৫ দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
    প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জ্বালানি তেলের সুষ্ঠু সরবরাহ নিশ্চিত করতে এবং বাজার স্থিতিশীল রাখতে এ ধরনের অভিযান চলমান থাকবে।

  • জাককানইবি এর শিক্ষার্থী বহিরাগতদের হাতে মারধরের ঘটনায় মুচলেকা ও ক্ষমা প্রার্থনা

    জাককানইবি এর শিক্ষার্থী বহিরাগতদের হাতে মারধরের ঘটনায় মুচলেকা ও ক্ষমা প্রার্থনা

    ১৪ এপ্রিল বিকাল ১৭:৩০ ঘটিকার সময় ত্রিশাল থানাধীন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন কলা ভবন সংলগ্ন স্থানে অত্র ভার্সিটির বাংলা বিভাগের ২২-২৩ সেশনের শিক্ষার্থী মোঃ আকাশ মিয়া(২২) তাহার টিউশনির মেয়ে ছাত্রীদের নিয়ে ঘুরতে গেলে ত্রিশাল পৌরসভার চড়পাড়া এলাকার ক্লাস টেনের শিক্ষার্থী ১।জিহাদ(১৬)পিতা মিনহাজ ২।রিজন(১৬)পিতা আনোয়ার হোসেন ৩। নাঈম (১৮) পিতা অজ্ঞাত ৪।সামি (১৭)পিতা অজ্ঞাত সর্বসাং ত্রিশাল পৌরসভার ৩ নং ওয়ার্ড চরপাড়া, থানা ত্রিশাল ,জেলা ময়মনসিংহসহ অজ্ঞাত ৫-৭ জন শিক্ষার্থী আকাশের উপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে শারীরিকভাবে আঘাত করেন। পরবর্তীতে ভার্সিটির অন্যান্য ছাত্ররা দুজনকে ১। জিহাদ ২। রিজন ধরে ভার্সিটি প্রশাসনের কাছে সোপর্দ করেন।
    বিদ্রোহী হলের নিচ তলায় ভার্সিটি প্রশাসন সমস্যা সমাধানের জন্য আটককৃত দুজনের পিতা মাতাকে ডেকে আটক দুজনকে ভার্সিটি শিক্ষার্থীর কাছে মোচলেকা সহ ক্ষমাপ্রার্থনার বিনিময়ে তাদেরকে ক্ষমা করা হয়, বাকি জড়িত সদস্যদের আগামীকাল ১৫ এপ্রিল বেলা ১২ঃ০০ ঘটিকায় ভার্সিটির প্রশাসনের সঙ্গে সমাধানের জন্য বসবেন বলে জানা যায় । উক্ত মিটিংয়ে প্রক্টর মাহবুবুর রহমান, বিদ্রোহী হলের প্রভোস্ট সাইফু ইসলাম সহ জাককানইবি তদন্ত কেন্দ্রের আইসি ইন্সপেক্টর জনাব জুলফিকার স্যার, ত্রিশাল থানা ওসি ( তদন্ত) মোস্তফা রুবেল স্যার উপস্থিত ছিলেন।

  • উৎসব মুখর পরিবেশে খাগড়াছড়িতে পহেলা বৈশাখ উদযাপন

    উৎসব মুখর পরিবেশে খাগড়াছড়িতে পহেলা বৈশাখ উদযাপন

    খাগড়াছড়িতে নানা আয়োজনে উৎসব মুখর পরিবেশে পহেলা বৈশাখ ১৪৩৩ উদযাপন করা হয়েছে।

    আজ মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকালে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। পরে পৌর টাউন হল প্রাঙ্গণে এসে লোকজ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়। এরপর উদ্বোধন করা হয় লোকজ মেলার।
    এদিকে, দ্বিতীয়বারের মতো সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের বটতলায় নববর্ষ উদযাপিত হয়েছে।
    সকালে খাগড়াছড়ি চেঙ্গী স্কয়ার থেকে নববর্ষের শোভা যাত্রাটি শুরু হয়ে সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়র মাঠে এসে শেষ হয়।
    সার্বজনীন পহেলা বৈশাখ উদযাপন কমিটির উদ্যোগে এর আয়োজন করা হয়। বটমূলে জাতীয় সঙ্গীত ও এসো এসো বৈশাখ গান দিয়ে শুরু হয় মূল অনুষ্ঠান। চলে লোকজ সংস্কৃতি, বাউল, জারি, সারি ভাটিয়ালি গানের অনুষ্ঠান।
    অনুষ্ঠানের উপস্থিত ছিলেন খাগড়াছড়ি ২৯৮ নং আসনের সাংসদ ও জেলা বিএনপির সভাপতি আবদুল ওয়াদুদ ভূঁইয়া, খাগড়াছড়ি রিজিয়ন কমান্ডার বিগ্রেডিয়ার জেনারেল কে, এম, ওবায়দুল হক, জেলা প্রশাসক মোঃ আনোয়ার সাদাত, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শেফালিকা ত্রিপুরা, জেলা পুলিশ সুপার মোঃ মোরতোজা আলি খাঁন, খাগড়াছড়ি জেলা বিএনপি’র প্রধান উপদেষ্টা জাকিয়া জিন্নাত বীথি।

    নববর্ষের এদিনে পাহাড়ে সম্প্রীতির বার্তা ছড়িয়ে পড়ুক এমন প্রত্যাশা সকলের। পাহাড়ে সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ ধরে রাখতে সকলকে এগিয়ে আসার আহবান বক্তাদের।

  • রাজবাড়ীর পাংশায়  ঐতিহ্যবাহী ঘোড়দৌড় দেখতে  দর্শকের ঢল

    রাজবাড়ীর পাংশায় ঐতিহ্যবাহী ঘোড়দৌড় দেখতে দর্শকের ঢল

    রাজবাড়ীর পাংশার মৌরাটের পেপুলবাড়িয়া মাঠে শতবর্ষের ঐতিহ্যকে ধারণ করে ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    রোববার (১২ এপ্রিল) বিকেলে গ্রামবাংলার হারিয়ে যেতে বসা ঐতিহাসিক ঘোড়দৌড় খেলা‌কে টিকিয়ে রাখা এবং নতুন প্রজন্মের কাছে এর পরিচয় তুলে ধরতেই পেপুলবাড়িয়া যুব সমাজের আয়োজনে এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।

    এ সময় ঘোড়দৌড় প্রতি‌যো‌গিতা‌ দেখ‌তে আশপাশের গ্রাম ছাড়াও দূর-দূরান্ত থেকে আগত হাজারো দর্শকের উপস্থিতিতে পুরো মাঠ পরিণত হয় এক মিলনমেলায়।
    ছোট-বড় সব বয়সি মানুষের উপ‌স্থি‌তিতে প্রাণবন্ত হ‌য়ে ওঠে প্রতি‌যো‌গিতার মাঠ। প্রতিযোগিতায় যশোর, নড়াইল, মাগুরা ও ফরিদপুরসহ বিভিন্ন জেলা থেকে আগত মোট ১৯টি ঘোড়া অংশ নেয়।

    প্রতিযোগিতায় যশোর-নড়াইল থেকে আসা ‘ডিজে’ নামের ঘোড়া প্রথম, ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার ‘রেজোয়ান ডায়মন্ড’ দ্বিতীয় এবং যশোর-নড়াইল থেকে অংশ নেওয়া ‘রাফসান’ নামের ঘোড়া তৃতীয় স্থান অর্জন করে।

    প্রতি‌যো‌গিতা শে‌ষে প্রথম স্থান অধিকারীকে একটি ওয়ালটন ফ্রিজ, দ্বিতীয় স্থান অর্জনকারীকে ৩২ ইঞ্চি এলইডি স্মার্ট টেলিভিশন এবং তৃতীয় স্থান অর্জনকারীকে দেওয়া হয় ২৪ ইঞ্চি স্মার্ট টেলিভিশন।

    খেলার বিষয়ে দর্শকরা জানান, ঘোড়দৌড় খেলা দে‌খে খুব ভালো লাগ‌ছে। এ খেলার কথা শু‌নে ক‌য়েক কি‌লো‌মিটার দূর থেকে ছে‌লে-‌মে‌য়ে‌ নিয়ে এসে‌ছেন তারা।
    আগে প্রতিটি ইউনিয়নের খোলা মাঠে এই খেলা হত।তবে এখন আর আগের মতো এই প্রতি‌যো‌গিতা দেখা যায় না।

    পেপুলবাড়িয়া যুব সমাজের সভাপ‌তি মো. জাহিদ মন্ডল জানান, এই অঞ্চলে প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতা আয়োজনের ঐতিহ্য রয়েছে, যা গ্রামীণ সংস্কৃতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচিত।
    কিন্তু আধুনিকতার প্রভাবে এ ধরনের আয়োজন ধীরে ধীরে হারিয়ে যেতে বসেছে। তাই ঐতিহ্যকে পুনরুজ্জীবিত করা এবং তরুণ প্রজন্মকে শিকড়ের সঙ্গে পরিচিত করানোর লক্ষ্যেই তাদের এই উদ্যোগ।

    তারা আরও জানান, ভবিষ্যতে আরও বৃহৎ পরিসরে এই আয়োজন অব্যাহত রাখার পরিকল্পনা রয়েছে, যাতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আরও বেশি প্রতিযোগির অংশ গ্রহণ নিশ্চিত করা যায়।

  • জীবননগরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান  অবৈধ মজুতের দায়ে জরিমানা

    জীবননগরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান অবৈধ মজুতের দায়ে জরিমানা

    চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে পাম্পে তেল নিতে গিয়ে নির্দেশনা অমান্য করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি এবং অবৈধ মজুতের দায়ে তিনজনকে ৪ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। আজ রোববার জীবননগরের নাসিম ফিলিং স্টেশন ও অংগন ফিলিং স্টেশনে ভ্রাম্যমাণআদালত বসিয়ে এই জরিমানা করা হয়। ভ্রাম্যমাণআদালত পরিচালনা করেন চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জমির উদ্দিন।
    ভ্রাম্যমাণআদালত সূত্রে জানা গেছে, নির্দেশনা অমান্য করে পাম্পে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির দায়ে দন্ডবিধি ১৮৬০ মোতাবেক দুটি মামলায় দুজনকে ২ হাজার টাকা এবং অবৈধ মজুতের দায়ে পেট্রোলিয়াম আইন, ২০১৬ এর ২০ ধারা মোতাবেক ১টি মামলায় আরেকজনকে ২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
    চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জমির উদ্দিন বলেন, জীবননগরে সঠিক ও শৃঙ্খলভাবে তেল সরবরাহ নিশ্চিত করতে তিনি জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি নিয়মিত তদারকি অভিযান পরিচালনা করছেন। সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে কেউ বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করলে বা অবৈধভাবে মজুত করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

  • নান্দাইলে এমপি’র বিশেষ সহকারী হিসেবে সাদ্দাম হোসেনের নিয়োগ

    নান্দাইলে এমপি’র বিশেষ সহকারী হিসেবে সাদ্দাম হোসেনের নিয়োগ

    ময়মনসিংহ-৯ (নান্দাইল) আসনের সংসদ সদস্যের নির্বাচনী এলাকার সার্বিক কার্যক্রম সমন্বয় এবং রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক কর্মকান্ড সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার লক্ষ্যে মোঃ সাদ্দাম হোসেন-কে বিশেষ সহকারী (অবৈতনিক) হিসেবে নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে।

    ​সম্প্রতি সংসদ সদস্যের স্বাক্ষরিত এক প্রত্যয়নপত্রের মাধ্যমে এই নিয়োগের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

    ​সাদ্দাম হোসেন এমপির বিশেষ সহকারী হিসেবে নিম্নলিখিত দায়িত্বগুলো পালন করবেন:
    ​নির্বাচনী এলাকার বিভিন্ন উন্নয়ন ও সেবামূলক কার্যক্রম সমন্বয়।
    ​সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সাথে এমপির পক্ষে যোগাযোগ রক্ষা।
    ​রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক কর্মসূচি বাস্তবায়নে সহায়তা।
    ​অবিলম্বে কার্যকর
    ​প্রত্যয়নপত্রে জানানো হয়, এই নিয়োগ অবিলম্বে কার্যকর হবে এবং পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত তা বলবৎ থাকবে। সংসদ সদস্য আশা প্রকাশ করেছেন যে, সাদ্দাম হোসেন সততা, নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার সাথে তাকে অর্পিত এই নতুন দায়িত্ব পালন করবেন।
    ​সাদ্দাম হোসেনের এই নিয়োগের ফলে নির্বাচনী এলাকার সাংগঠনিক কার্যক্রমে আরও গতিশীলতা আসবে বলে তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা মনে করছেন।

  • চেঙ্গী নদীতে ফুল বিজুর মধ্য দিয়ে খাগড়াছড়িতে বৈসাবি শুরু

    চেঙ্গী নদীতে ফুল বিজুর মধ্য দিয়ে খাগড়াছড়িতে বৈসাবি শুরু

    খাগড়াছড়িতে ফুল বিজুর মধ্য দিয় শুরু হয়েছে বৈসাবি উৎসব।

    আজ রবিবার ১২ এপ্রিল ভোরে খাগড়াছড়ি চেঙ্গী নদীতে ফুল দেওয়ার মধ্যে দিয়ে বৈসাবি উৎসব শুরু হয়েছছে
    পার্বত্য চট্টগ্রামের সবখানে এখন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সামাজিক উৎসব বৈসাবির আমেজ। চেঙ্গী নদী সহ আশপাশের বিভিন্ন খাল ও ছড়ায় গঙ্গাদেবীর উদ্দেশে বাহারী রঙের ফুল দিয়ে প্রার্থনা করে বৈসাবি উৎসবের আনুষ্ঠানিকতা শুরু করে চাকমা সম্প্রদায়, যেটি ফুল বিজু নামেও পরিচিত।

    চাকমা লোকরীতির বিশ্বাস, পুরাতন বছরের দুঃখ গ্লানি ও পাপাচার থেকে মুক্তির জন্য দেবতার উদ্দেশে নদীতে ফুল দিয়ে পুরাতন বছরকে বিদায় জানালে নতুন বছর সুখ শান্তি ও সমৃদ্ধির বার্তা দেবে। তাই ফুল বিজুর দিন ভোর থেকে বাড়ির পাশের নদী ও খালে গিয়ে প্রার্থনারত হয়ে পুরাতন বছরকে বিদায় জানায় চাকমা সম্প্রদায়ের বিভিন্ন বয়সী নরনারী।

    তবে এখন ফুল বিজু শুধুমাত্র চাকমা সম্প্রদায়ের অনুষ্ঠানে সীমাবদ্ধ নেই। মারমা, ত্রিপুরা ও স্থানীয় বাঙালীসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পর্যটকরা এসে অংশ নিচ্ছেন ফুলবিজুতে।

    নদীতে গঙ্গা দেবী উদ্দেশ্য ফুল দেওয়া শেষে তরুণ তরুণীরা মেতে ওঠেন আনন্দ উৎসবে। নদীতে স্নান শেষে বাড়ি গিয়ে বায়োজ্যেষ্ঠদের প্রণাম করে ছোটরা। ঘরবাড়ি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও সাজসজ্জা শেষে প্রস্তুতি চলে অতিথি অ্যাপায়নের। চাকমা পল্লীগুলোতে চলছে বিভিন্ন গ্রামীণ খেলাধুলাও।