রাজবাড়ী সদর উপজেলা বসন্তপুর ইউনিয়ন রাজাপুর গ্রামের ৮ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণচেষ্টা-ধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্ত
আওয়ামীলীগ কর্মিকে
সায়ফুল খান (৫০)কে
গ্রেফতার করেছে রাজবাড়ী সদর থানা পুলিশ।
নির্যাতনের শিকার ওই শিশুটিকে রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ঘটনার বিষয়ে রাজবাড়ী সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) উত্তম কুমার ঘোষ নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, ‘এ বিষয়ে অভিযোগ পেয়েই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছি।
পুলিশ বিষয়টি খতিয়ে দেখছে এবং অপরাধী যত প্রভাবশালীই হোক না কেন ছাড় দেওয়া হবে না।’
ওই শিশুর বাবা রাজিব সেখ জানান, গত ১ অক্টোবর ঘটনার দিন সকালে বাড়ির পাশে আমড়া কুড়াতে গিয়েছিল তার মেয়ে। এ সময় লম্পট সাইফুল খা একা পেয়ে তাকে টেনেহিঁচড়ে পাশের একটি ঘন গাছপালার বাগানে নিয়ে যায় এবং সেখানে তার ওপর চালায় পাশবিক নির্যাতন।
স্থানীয় কয়েকজন প্রতিবেশী এই নৃশংস দৃশ্য দেখে দ্রুত শিশুটির পরিবারকে বিষয়টি জানান। আমি পরে ৫ তারিখে মামলা দায়ের করি। আমি দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।
এদিকে ঘটনার পর স্থানীয় একটি প্রভাবশালী চক্র ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার জন্য বিভিন্নভাবে পেশিশক্তি প্রদর্শন করছে বলে অভিযোগ শিশুটির পরিবার।
তারা গরিব পরিবারটিকে জিম্মি করে মুখ বন্ধ রাখার জন্য নানা ধরনের চাপ সৃষ্টি করে। প্রভাবশালী মহলের ভয়ে ও অর্থাভাবে পুলিশ বা চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে পারেননি অসহায় বাবা-মা।
কিন্তু অসহায় হয়ে পুলিশে গিয়েছি।
রাজবাড়ীতে প্রথম শ্রেণি পড়ুয়া ৮ বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে ৫০ বছর বয়সী এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে।
হতদরিদ্র পরিবারের অসহায়ত্বকে পুঁজি করে স্থানীয় একটি প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার অপচেষ্টার অভিযোগও করেছে শিশুটির পরিবার।
তাছাড়া ৫ দিন ধরে সঠিক চিকিৎসার অভাবে শিশুটি পড়েছে জীবন সংকটে। রাজবাড়ী সদর উপজেলার বসন্তপুর ইউনিয়নের রাজাপুর গ্রামে গত ১ অক্টোবর সকাল সাড়ে ৬টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত সাইফুল খা (৫০) একই গ্রামের বাসিন্দা।
ঘটনার পর তা ধামাচাপা দিতে হতদরিদ্র পরিবারটিকে বিভিন্নভাবে চাপ প্রয়োগ করে স্থানীয় একটি প্রভাবশালী চক্র। তাদের ভয়ে ও অর্থাভাবে প্রথমে পুলিশ বা চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে পারেননি বাবা-মা।
ঘটনার ৫ দিন পেরিয়ে গেলেও সঠিক চিকিৎসা না পাওয়ায় ৫ অক্টোবর সন্ধ্যায় শিশুটির শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক হয়ে পড়ে। বাধ্য হয়ে স্বজনরা তাকে দ্রুত রাজবাড়ী সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসেন।
কান্নাভরা কণ্ঠে শিশুটির বাবা জানান, ঘটনার দিন সকালে বাড়ির পাশে আমড়া কুড়াতে গিয়েছিল তার মেয়ে। এ সময় সাইফুল খা একা পেয়ে তাকে টেনেহিঁচড়ে পাশের একটি ঘন গাছপালার বাগানে নিয়ে গিয়ে পাশবিক নির্যাতন করে। স্থানীয় কয়েকজন প্রতিবেশী তা দেখে শিশুটির পরিবারকে জানায়।
তিনি বলেন, ‘আমি মামলা দায়ের করব। আমি দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’
শিশুটির মা বলেন, ‘আমার বুকের ধন এইটুকু মেয়েটাকে সাইফুল যেভাবে শেষ করে দিছে, আমি তার ফাঁসি চাই। গরিব মানুষ বলে কি আমাদের বিচার পাওয়ার অধিকার নাই? ঘটনার পর থেকেই গ্রামের কিছু প্রভাবশালী লোক আমাদের মুখ বন্ধ রাখতে ভয়ভীতি দেখাইছে, চাপ দিছে। ভয়ে আমরা কোথাও যেতে পারিনি। মেয়ের অবস্থা খারাপ দেখে পরে হাসপাতালে নিয়া আইছি। এখন আমার মেয়ের সুচিকিৎসা আর এই পশুর ফাঁসি ছাড়া আমার আর কোনো চাওয়া নাই।’
রাজবাড়ী সদর হাসপাতালের জরুরী বিভাগের চিকিৎসক অনুপ কুমার বিশ্বাস বলেন, ‘শিশুটিকে যখন হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়, তখন তার শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক ছিল। তার ব্যক্তিগত অঙ্গে গুরুতর ইনফেকশন ও তীব্র জ্বর রয়েছে। আমরা তাৎক্ষণিক তাকে গাইনী বিভাগে ভর্তি করে উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছি। বর্তমানে তাকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে ‘