বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৮:২৭ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
জীবননগরে ১ হাজার পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ৩ জন ময়মনসিংহ জেলার ত্রিশাল থানার গণধর্ষণ মামলার ধর্ষক ফরিদ (৩২) সিপিএসসি, র‌্যাব-১৪, ময়মনসিংহ এর অভিযানে গ্রেফতার। জীবননগরে বাজার মনিটরিং অভিযান ৪ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা তজুমদ্দিনে রমজান উপলক্ষে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, প্রসাশনের নেই দৃশ্যমান কোনো বাজার মনিটরিং রামগড়ে দুই হোটেল মালিককে ভ্রাম্যমান আদালতে জরিমানা সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে আলোচনায় সাবরিনা বিনতে আহমেদ মানসম্মত শিক্ষা ব্যবস্থাসহ বিভিন্ন বিষয়ে উপজেলায় এগিয়ে যাচ্ছে রামপুর উচ্চ বিদ্যালয় জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভাষক প্রদিতি রাউত প্রমার বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগ, বিভাগে তালা জীবননগরে পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষ্য ৩শত অসহায় পরিবারের পাশে দোস্ত এইড বাংলাদেশ সোসাইটি রাজবাড়ীতে ধার পরিশোধ না করায় যুবককে কুপিয়ে হত্যা

সড়ক পাশে ফেলে যাওয়া দুই শিশুর বাবার বাড়ি খাগড়াছড়ি

মোফাজ্জল হোসেন/খাগড়াছড়ি প্রতিনিধিঃ
  • আপডেটের সময়: বুধবার, ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ১৪৪ সময় দেখুন
সড়ক পাশে ফেলে যাওয়া দুই শিশুর বাবার বাড়ি খাগড়াছড়ি

চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলায় সড়ক পাশে ফেলে যাওয়া সেই দুই শিশুর বাবা মোঃ খোরশেদ আলমের (৩৫) সন্ধান মিলেছে। তাকে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) আনোয়ারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ জুনায়েত চৌধুরী বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেন।

এর আগে, আনোয়ারা থানার এসআই মোমেন কান্তির নেতৃত্বে মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে খোরশেদকে পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়। তবে বুধবার বিষয়টি জানাজানি হয়। হেফাজতে নিয়ে খোরশেদকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ। পরে খোরশেদকে আনোয়ারা থানা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে নেওয়া হয়।

জিজ্ঞাসাবাদ অভিযুক্ত বাবা পুলিশকে জানিয়েছে, তাদের বাড়ি খাগড়াছড়ির মানিকছড়ি উপজেলার লেমুয়া ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মহামনি এলাকায়। পারিবারিক বিরোধের জেরে তাকে ঘর থেকে বের করে দেওয়া হয়। পরে তিনি বাঁশখালীর মিয়ারবাজার লস্করপাড়া এলাকায় বাসা ভাড়া করে বসবাস করছেন। তবে খোঁজ নিয়ে জানাযায়, আটককৃত খোরশেদ আলমের বাড়ি বাটনাতলী এলাকায়।

খোরশেদ আলমের দাবি করেছেন, ৫ থেকে ৬ মাস আগে তার স্ত্রী দুই সন্তানকে নিয়ে ঘর থেকে পালিয়ে যান। যাওয়ার সময় সংসারের কিছু জিনিসপত্র ও প্রায় ১৮ হাজার টাকা নিয়ে যান। এরপর দীর্ঘদিন ধরে স্ত্রী ও সন্তানদের কোনো খোঁজ পাননি তিনি। এছাড়া স্ত্রী ওই ছোট প্রতিবন্ধী শিশু দিয়ে ভিক্ষাবৃত্তি করাতেন। শিশুদের মায়ের বাড়ি সাতকানিয়ার মৌলভীর দোকান এলাকায়।

আনোয়ারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাহমিনা আক্তার গণমাধ্যমকে বলেন, পুলিশের হেফাজতে নেয়া দুই শিশুর বাবার সঙ্গে আমি কথা বলেছি। তার পিতা-মাতাকে এখানে আসতে বলা হয়েছে। যেহেতু সে তার সন্তানকে নিয়ে যাওয়ার জন্য বলেছে, তাই বিষয়টি নিয়ে আমরা পরে সিদ্ধান্ত নিতে পারি।

প্রসঙ্গত, গত ২৮ ডিসেম্বর রাতে আনোয়ারা উপজেলার শোলকাটা এলাকা থেকে দুই শিশুকে উদ্ধার করে সিএনজি অটো রিকশাচালক মহিম উদ্দিন। তাদের মধ্যে আয়েশা আক্তারের বয়স ৪ বছর আর মোরশেদের বয়স মাত্র ১৪ মাস। উদ্ধারের সময় আয়েশার কোলে ছিল মোরশেদ। কনকনে শীতে দুই শিশু কাঁপছিল। পরে উদ্ধারকারী মহিম উদ্দিন দুই শিশুকে নিজের বাড়িতে নিয়ে আশ্রয় দেন। খবর পেয়ে আনোয়ারা থানা পুলিশ শিশুদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।

পুলিশের ধারণা, ছোট শিশুটির জন্মগত রোগ এবং বড় শিশুটির চর্মরোগ রয়েছে। এ কারণে তাদের পরিবারের কেউ রাস্তার পাশে ফেলে গেছে। পরে এ ঘটনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2025 রংধনুটিভি
ESAITBD Sof-Lab UAE/BD