বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০:০১ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
জীবননগরে ১ হাজার পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ৩ জন ময়মনসিংহ জেলার ত্রিশাল থানার গণধর্ষণ মামলার ধর্ষক ফরিদ (৩২) সিপিএসসি, র‌্যাব-১৪, ময়মনসিংহ এর অভিযানে গ্রেফতার। জীবননগরে বাজার মনিটরিং অভিযান ৪ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা তজুমদ্দিনে রমজান উপলক্ষে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, প্রসাশনের নেই দৃশ্যমান কোনো বাজার মনিটরিং রামগড়ে দুই হোটেল মালিককে ভ্রাম্যমান আদালতে জরিমানা সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে আলোচনায় সাবরিনা বিনতে আহমেদ মানসম্মত শিক্ষা ব্যবস্থাসহ বিভিন্ন বিষয়ে উপজেলায় এগিয়ে যাচ্ছে রামপুর উচ্চ বিদ্যালয় জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভাষক প্রদিতি রাউত প্রমার বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগ, বিভাগে তালা জীবননগরে পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষ্য ৩শত অসহায় পরিবারের পাশে দোস্ত এইড বাংলাদেশ সোসাইটি রাজবাড়ীতে ধার পরিশোধ না করায় যুবককে কুপিয়ে হত্যা

ত্রিশালে মসজিদ উন্নয়ন প্রকল্পে কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ: সংবাদ প্রকাশের পাঁচ মাস পর দুদকের অভিযান

ত্রিশাল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি:
  • আপডেটের সময়: বুধবার, ৭ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ৩৭৫ সময় দেখুন
ত্রিশালে মসজিদ উন্নয়ন প্রকল্পে কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ: সংবাদ প্রকাশের পাঁচ মাস পর দুদকের অভিযান

ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলায় সাবেক সংসদ সদস্য রুহুল আমীন মাদানীর নামে প্রতিষ্ঠিত একটি মসজিদের উন্নয়ন প্রকল্পে কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) প্রধান কার্যালয়ের নির্দেশে অভিযান পরিচালিত হয়েছে।

পত্রিকায় প্রকাশিত অনুসন্ধানী সংবাদের পাঁচ মাস পর আজ বুধবার (৭ জানুয়ারি) দুপুরে দুদকের ময়মনসিংহ সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের চার সদস্যের একটি দল এ অভিযান পরিচালনা করে।

অভিযানকালে দুদকের কর্মকর্তারা ত্রিশাল উপজেলা প্রকৌশল দপ্তর এবং প্রকল্প সংশ্লিষ্ট এলাকা পরিদর্শন করেন। এ সময় তারা প্রকল্প অনুমোদন, বরাদ্দ প্রদান, বিল উত্তোলন ও বাস্তব কাজের অগ্রগতি সংক্রান্ত বিভিন্ন নথিপত্র সংগ্রহ ও যাচাই-বাছাই করেন।

দুদক সূত্রে জানা গেছে, দুই অর্থবছরে তিনটি ভিন্ন নামে একই মসজিদের উন্নয়নে বরাদ্দ নেওয়া হলেও বাস্তব কাজের সঙ্গে কাগজপত্রের তথ্যের ব্যাপক গরমিল পাওয়া গেছে। প্রাথমিক যাচাইয়ে প্রকল্প অনুমোদন প্রক্রিয়ায় গুরুতর অসংগতি ধরা পড়েছে।

ময়মনসিংহ সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের দুদকের সহকারী পরিচালক রাজু মোহাম্মদ সারোয়ার হোসাইন বলেন, “প্রাথমিক তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ করা হয়েছে। যাচাই-বাছাই শেষে কোনো গড়মিল বা অর্থ আত্মসাতের প্রমাণ পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

উল্লেখ্য, এর আগে গত বছরের জুলাই মাসে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে বিষয়টি প্রথম প্রকাশ পায়। ওই প্রতিবেদনে উঠে আসে—২০২২-২৩ ও ২০২৩-২৪ অর্থবছরে তিনটি প্রকল্পের আওতায় প্রায় এক কোটি টাকা বরাদ্দ নেওয়া হলেও একটি প্রকল্পের কাজ একেবারেই হয়নি, একটি আংশিক কাজ করে বন্ধ রয়েছে এবং অপর একটি প্রকল্পে কেবল নামফলক স্থাপন করে পুরো কাজ সম্পন্ন দেখানো হয়েছে।

দুদকের অভিযানের মধ্য দিয়ে আলোচিত এই অনিয়মের প্রকৃত চিত্র উদঘাটন ও দায়ীদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার প্রত্যাশা করছেন স্থানীয় এলাকাবাসী।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2025 রংধনুটিভি
ESAITBD Sof-Lab UAE/BD