বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১২:০৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
‎৮০০ টাকা পূঁজি থেকে দুই প্রতিষ্ঠানের কর্ণধার কেন্দুয়ার কামালের জীবন কথা শেরপুরের কৃতি সন্তান ডা. আসাদুজ্জামানের চিকিৎসা সেবায় সকল নাগরিক ও রোগীরা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। গোয়ালন্দে সোয়া কোটি টাকার সড়কে দুই মাসেই ধস, নিম্নমানের কাজের অভিযোগ রাজবাড়ী প্রধান ডাকঘরের পোস্ট মাস্টার সহ ৭ কর্মচারীর বিরুদ্ধে কোটি টাকার দুর্ণীতির মামলা দুই মাসের মধ্যে রংপুর মেডিকেল সার্বিক পরিবর্তন আনা হবে- দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী সরকার ও বিএনপিতে বড় রদবদলের আভাস ১০লাখ টাকার ড্রেন নির্মানের ৭ দিনের মধ্যেই ভেঙ্গে বন্ধ প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক সেনাসদর নির্বাচনী পর্ষদ-২০২৬ এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন নকলা পৌরসভা নির্বাচন প্রার্থীদের প্রচারণা শুরু রামগড় ৪৩ বিজিবির উদ্যোগে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ

নরেন্দ্র মোদী ও স্মৃতি ইরানির সনদ নিয়ে সন্দেহ

ডেস্ক রির্পোট
  • আপডেটের সময়: মঙ্গলবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৫
  • ৪৫৩ সময় দেখুন
নরেন্দ্র মোদী ও স্মৃতি ইরানির সনদ নিয়ে সন্দেহ

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির স্নাতক ডিগ্রির বিস্তারিত তথ্য প্রকাশের কেন্দ্রীয় তথ্য কমিশনের (সিআইসি) নির্দেশকে উচ্চ আদালত বাতিল করেছে। সোমবার (২৫ আগস্ট) দেশটির উচ্চ আদালত এই নির্দেশ বাতিলের রায় প্রদান করেন। সূত্র জানায়, নীরজ নামের এক ব্যক্তি তথ্য অধিকার আইনের (আরটিআই) মাধ্যমে মোদির শিক্ষাগত যোগ্যতার তথ্য জানতে চেয়ে আবেদন করেছিলেন। ২০১৬ সালে সিআইসি জানায়, দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৭৮ সালে ব্যাচেলর অব আর্টস (বিএ) পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের রেকর্ড দেখা যাবে। মোদি সেই বছর বিএ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। সিআইসির নির্দেশের বিরুদ্ধে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় আদালতে পিটিশন দায়ের করে। বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে যুক্তি দেওয়া হয়, শিক্ষার্থীদের রেকর্ড নৈতিক দায়িত্বের আওতায় সংরক্ষিত থাকে এবং বৃহত্তর জনস্বার্থ না থাকলে তথ্য অধিকার আইনে তা সম্ভব নয়। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রি অর্জন করেছিলেন কি না, তা রহস্যাবৃতই রইল। দিল্লি হাইকোর্ট গতকাল সোমবার এ-সংক্রান্ত এক মামলার রায়ে জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রীর স্নাতকের ডিগ্রি প্রকাশে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় বাধ্য নয়। তাছাড়া সাবেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও বিজেপি নেত্রী স্মৃতি ইরানির শিক্ষাগত যোগ্যতা ঘিরে ওঠা প্রশ্নটিও রহস্যাবৃত রইল। দিল্লি হাইকোর্টের যে বিচারপতি মোদি মামলার রায় শোনান, সেই বিচারপতি সচিন দত্ত গতকাল জানান, ইরানির দশম ও দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষার ফল প্রকাশ করাও বাধ্যতামূলক নয়।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2025 রংধনুটিভি
ESAITBD Sof-Lab UAE/BD