ময়মনসিংহ-৭ (ত্রিশাল) আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী ডা. মাহবুবুর রহমান লিটনের বিপুল ভোটে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পেছনে নেপথ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক, ত্রিশাল উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক, ত্রিশাল থানা ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক এবং সাবেক যুবনেতা এনামুল হক ভুঁইয়া।
দলের নেতাকর্মীরা জানান, নির্বাচনের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত কৌশলী নেতৃত্ব, সংগঠনের সমন্বয়, পরিকল্পিত প্রচারণা এবং জনসম্পৃক্ত বক্তব্যের মাধ্যমে তিনি তৃণমূল পর্যায়ে দলকে সুসংগঠিত করেন। বিশেষ করে ইউনিয়ন থেকে ওয়ার্ড পর্যায়ে কর্মীসভা, পথসভা, গণসংযোগ এবং ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের মাধ্যমে তিনি ধানের শীষের পক্ষে গণজোয়ার সৃষ্টি করতে সক্ষম হন।
আমিরাবাড়ী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান হিসেবে এনামুল হক ভুঁইয়া দীর্ঘদিন ধরে এলাকার মানুষের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক গড়ে তুলেছেন। নির্বাচনী প্রচারণার পুরো সময়জুড়ে তিনি দিন-রাত অক্লান্ত পরিশ্রম করে গ্রাম থেকে গ্রামে গিয়ে সাধারণ মানুষের কাছে ভোট প্রার্থনা করেছেন এবং তাদের আশা-আকাঙ্ক্ষার কথা মনোযোগ দিয়ে শুনেছেন। তার প্রাণবন্ত বক্তব্য, রাজনৈতিক দূরদর্শিতা এবং দলীয় ঐক্য গড়ে তোলার প্রচেষ্টা ত্রিশাল আসনে বিএনপির শক্ত অবস্থান তৈরিতে বিশেষ ভূমিকা রাখে।
এছাড়াও দলীয় বিভেদ দূর করে বৃহত্তর ঐক্য প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে তিনি নিয়মিতভাবে কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতাদের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করেছেন। মাঠপর্যায়ের নেতাকর্মীদের উজ্জীবিত করা, সাংগঠনিক কার্যক্রম গতিশীল করা এবং ভোটারদের আস্থা অর্জনে তার নিরলস প্রচেষ্টা নির্বাচনের ফলাফলে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে বলে স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন।
স্থানীয় নেতাকর্মীদের মতে, ডা. মাহবুবুর রহমান লিটনের বিজয়ের পেছনে যেমন জনগণের ব্যাপক সমর্থন ছিল, তেমনি এনামুল হক ভুঁইয়ার দক্ষ নেতৃত্ব, সুপরিকল্পিত প্রচারণা ও নিরলস সাংগঠনিক তৎপরতা ছিল অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি। তার ধারাবাহিক পরিশ্রম, ত্যাগ ও রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ত্রিশাল আসনে বিএনপির বিজয়কে আরও সুদৃঢ় করেছে বলে তারা অভিমত ব্যক্ত করেন।