চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলায় টাস্কফোর্সের বিশেষ অভিযানে অবৈধভাবে তেল মজুতের দায়ে দুজনকে কারাদণ্ড ও জরিমানা করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (১৫ এপ্রিল) দুপুরে জীবননগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশরাফুল আলম রাসেল নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে ভ্রাম্যমাণ আদালতের দায়িত্ব পালন করেন চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জমির উদ্দিন। অভিযানে উপস্থিত ছিলেন জীবননগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোলায়মান সেখ এবং ৫৮ বিজিবির সহকারী পরিচালক ইমদাদুর রহমান।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার বালিহুদা বাজারে অভিযান চালানো হয়। এসময় আতিয়ার রহমানের একটি মুদি দোকানে তল্লাশি করে অবৈধভাবে মজুত রাখা ৫ লিটার ডিজেল উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে পেট্রোলিয়াম আইন, ২০১৬ এর ৪ ধারা লঙ্ঘনের অপরাধে একই আইনের ২০ ধারায় তাকে ৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
এদিকে একই অভিযানে পিয়াস ফিলিং স্টেশনেও অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া যায়। সেখানে দায়িত্বরত ম্যানেজার নজরুল ইসলাম অবৈধভাবে তেল মজুত করার অভিযোগে অভিযুক্ত হন। তাকে পেট্রোলিয়াম আইন, ২০১৬ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় ৭ দিনের কারাদণ্ড এবং ২ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জমির উদ্দিন বলেন, অবৈধ মজুত ও কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি রোধে প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে। আজ অভিযানে পিয়াস ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার নজরুল ইসলামকে ২ হাজার টাকা জরিমানা ও ৭ দিনের জেল দেওয়া হয়েছে। আর আতিয়ার রহমান নামের একজনকে ৫ দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জ্বালানি তেলের সুষ্ঠু সরবরাহ নিশ্চিত করতে এবং বাজার স্থিতিশীল রাখতে এ ধরনের অভিযান চলমান থাকবে।