ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার ধানীখোলা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মামুনুর রশিদ সোহেল এর অনুপস্থিতির সুযোগে, তার সাক্ষর জাল করে ইউনিয়ন প্রশাসনিক কর্মকর্তা আরিফুল ইসলাম চৌধুরী সহ একদল লোক বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাৎ করেছেন বলে অভিযোগ সূত্রে জানা যায়।
ধানীখোলা ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বারদের লিখত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সাক্ষর জাল করে প্রকল্প পরিচালনা,বেশিরভাগ ইউপি সদস্যদের অজান্তে তাদের সাক্ষর নিয়ে প্রকল্পের চেয়ারম্যান বানানো হয় এবং বিল উত্তোলন করা হয়, অথচ প্রকল্পে কোনো কাজ হয়নি।
সূত্র জানায়,প্রকল্পের জন্য কোনো কাজ না করেই ১ শতাংশ টাকা তুলে প্রায় ১ কোটি ২০ লক্ষ টাকা লুটপাট করা হয়েছে।
জানা যায়,ইউনিয়নের বিভিন্ন ট্যাক্সের অর্থ চেয়ারম্যান, সচিব এবং কিছু ইউপি সদস্য ভাগ করে নিয়েছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়,প্রকল্প বাস্তবায়নের সময় মেম্বারদের ভুল বুঝিয়ে তাদের সাক্ষর নেয়া হয়, কিন্তু তারা জানতেন না এসব অর্থ আত্মসাৎ করা হচ্ছে।
সূত্র জানায়,চেয়ারম্যান মামুনুর রশিদ সোহেল ০৫ আগস্ট ২০২৪ থেকে ০২ মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় ইউনিয়নের কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে।
সূত্র জানায়,২০২৫-২০২৬ অর্থবছর: প্রায় ৪৮ লক্ষ টাকা,১ শতাংশের মাধ্যমে: ২০-৩০ লক্ষ টাকা সহ প্রায় ১.২০-১.৫০ কোটি টাকা
এলাকা বাসীর দাবি:
✅ প্রশাসক নিয়োগ: দ্রুত প্রশাসক নিয়োগ দিতে হবে।
✅ নিরপেক্ষ তদন্ত: সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত করতে হবে।
✅ আইনানুগ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা: দুর্নীতির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
এলাকাবাসী ত্রিশালের এমপি মহোদয়ের নজরে এনে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ এর দাবী জানিয়েছেন।
ত্রিশাল আসনের নির্বাচিত জাতীয় সংসদ সদস্য ডা.মাহবুবুর রহমান লিটন দ্রুত আইনানুগ ব্যাবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন বলে সূত্র জানায়।